ক্যাটাগরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ

Chapainawabganj district

  • ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    তিনি বলেন, আমরা মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ শেষ করেছি। আজকে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব। আজ যাদের নাম প্রকাশ করবো তাদের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে, সেটা তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করব।

    কোন আসনে এনসিপি প্রার্থী কে-

    পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এছাড়া নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

     

    এআর/এনই

  • ঢাকাসহ ২৩ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

    ঢাকাসহ ২৩ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

    ডেস্ক নিউজ :

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় প্রশাসনের রদবদলের অংশ হিসেবে ঢাকাসহ ২৩ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে নতুন ডিসি নিয়োগ করার কথা জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ডিসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে চট্টগ্রামের ডিসি, বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক এস এম মেহেদী হাসানকে লক্ষ্মীপুর, পরিকল্পনা বিভাগের উপসচিব সৈয়দা নুরমহল আশরাফীকে মুন্সিগঞ্জ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুর রহমানকে নেত্রকোনা, অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে নওগাঁ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আনোয়ার সাদাতকে খাগড়াছড়ি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানকে কুমিল্লা এবং জনবিভাগের উপসচিব মো. রায়হান কবিরকে নারায়ণগঞ্জের ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহেদ মোস্তফাকে পাবনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রেজাউল করিমকে ঢাকা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ এনামূল আহসানকে রংপুর, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ফরিদপুরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসানকে যশোর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব সৈয়দ এনামুল কবিরকে মেহেরপুর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সচিব (উপসচিব) মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে নোয়াখালী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আলম হোসেনকে গাজীপুর, এস্টাবলিশমেন্ট অব ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লাকে গাইবান্ধা, ভূমি সংস্কার বোর্ডের উপ ভূমি সংস্কার কমিশনার অন্নপূর্ণা দেবনাথকে কুড়িগ্রাম, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে মাদারীপুর, দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক তৌহিদুজ্জামান পাভেলকে মৌলভীবাজার, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের সহকারী পরিচালক মো. খায়রুল আলম সুমনকে বরিশাল, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের উপসচিব তাছলিমা আক্তারকে বরগুনা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব নাজমা আশরাফীকে রাঙামাটির ডিসি করা হয়েছে।
    বি/এ

  • নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    logo

    Search

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    নয়া দিগন্ত অনলাইন
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল |নয়া দিগন্ত

    সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    page-top-ad

    শনিবার রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের রাতের ভোট, ২০২৪ সালের আমি-ডামি নির্বাচন ছিল প্রহসনের নির্বাচন। ভোটের আগে প্রশাসনের (ডিসি-এসপির) সাথে কোথায়, কখন, কারা গোপন বৈঠক করেছে তার তথ্য আমাদের জানা আছে। গোপন বৈঠক থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কে’ নির্বাচিত হবে, ‘কাকে’-‘কিভাবে’ বিজয়ী ঘোষণা করা হবে! প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আজকে কাউকে কাউকে অহংকার আর দাম্ভিকতার সাথে কথা বলতে শুনা যায়। কিন্তু এরা কখনোই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, হবেও না ইনশাআল্লাহ। কারণ জনগণ জানে কারা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজ। জনগণ কখনোই দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজের ভোট দেয় না, দেবে না।’

    এসময় তিনি আরো বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুব সমাজকে ধ্বংস করতে যারা যুব সমাজের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাদেরকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। যারা যুব সমাজকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যালটের মাধ্যমে তাদেরকে বয়কট করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীতে মাদক, সন্ত্রাসের স্থান নাই। জামায়াতে ইসলামী যুব সমাজকে আদর্শিক ও নৈতিক মূল্যবোধের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।’

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বেকারত্ব দূরীকরণে যুব সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুব নারী-পুরুষকে কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেককে জাতীয় সম্পদে রূপান্তরিত করা হবে। তিনি নির্বাচিত হলে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ভিলেজ পলিটিক্স বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। ঘরে বসেই উর্পাজনের সুযোগ পাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রতিটি মানুষ। জনগণের কল্যাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহর ও গ্রামকে সমানভাবে গড়ে তোলা হবে। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের কল্যাণে সকল বৈষম্যের শিকল ভেঙে দিয়ে দলমত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিদেশগামীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেই পদক্ষেপের ফলে কেউ বিদেশে যাওয়ার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রতারিত হবে না। বিদেশে যেতে না পারলে বিদেশগামীর টাকা অটোমেটিকভাবে সে ফেরত পাবে। মহানন্দা ও পদ্মা নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। বিশুদ্ধ পানির অভাব দূর করা হবে। ছাত্র ও তরুণ যুব সমাজের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গড়ে তোলা হবে।‘ এজন্য যুব সমাজকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে তিনি আহ্বান জানান।

    এর আগে বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নারীদের ভোটের মাধ্যমেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, অস্ত্রবাজ, দুর্নীতিবাজদের পরাজিত করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা রাজনীতির নামে আপনার সন্তানের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়, মাদক তুলে দেয়, আপনার সন্তানের রক্ত ও লাশ নিয়ে রাজনীতি করে আপনি তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখনই সময়। সন্তানের ভবিষ্যৎ ও আগামীর নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মা-বোনদের ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ হলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা হলে সামাজিক কলহ দূর হবে। সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের জুলুম নির্যাতনের পরেও তাকে একদিনের জন্যও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। সবসময় নিজে জনগণের সামনে হাজির হতে না পারলেও জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি নিজেকে ভিন্নভাবে, ভিন্ন কায়দায়, ভিন্ন কৌশলে জনগণের সামনে হাজির করেছে, জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা এবং ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের হাসপাতালে নিতে নিজস্ব ১০টি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে সার্ভিস দেয়া হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণে যুবকদের কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ, গবাদি পশু বিতরণ করাসহ ব্যাপক ভিত্তিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। এই মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার কথা থাকলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়নি।’

  • ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ভোটারদের কাছে টানতে জামায়াতের নতুনত্ব

    ডেস্ক নিউজ:

     

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সংস্কার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে বেশ অস্বস্তি বিরাজ করছে। তবে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীও। দলীয় নিয়মিত সব কর্মসূচিতেই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে নির্বাচনি ইস্যু।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রার্থী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তার আগে সব আসনে প্রাথমিকভাবে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে সর্বোচ্চ প্রচারকাজ চালাচ্ছে দলটি। প্রার্থিতার ক্ষেত্রে দলের তরুণ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্যদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এসব প্রার্থীর গণসংযোগে গতানুগতিক বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসূচিও দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যথাযথ ব্যবহার ও সমাজসেবামূলক কাজকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা।

    এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছেন জামায়াত প্রার্থীরা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও নারী ভোটারদের কাছে দাঁড়িপাল্লার বার্তা পৌঁছে দিতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। ভোটারদের কাছাকাছি গিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও পরামর্শ শোনার পাশাপাশি নিজেদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছেন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকদের সঙ্গে মতবিনিময়, অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় সরব জামায়াত প্রার্থীরা। তাদের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে সর্বত্রই ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টানানো হয়েছে।

    নির্বাচনি প্রচারকাজে সক্রিয় করা হয়েছে জামায়াতের নারী জনশক্তিকেও। হিন্দুসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত। এছাড়া ছাত্রশিবির ও ছাত্রী সংস্থাও জামায়াতের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে নিজস্ব নানা কর্মসূচি পালন করছে। সব মিলিয়ে নির্বাচনি এলাকাগুলোতে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। তবে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত এসব প্রার্থীর মধ্য থেকে বেশ কিছু আসনে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জানা গেছে।

    এদিকে নির্বাচনি প্রচারে ভিন্ন মাত্রা দেখা গেছে খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের এলাকায়। গত ৩১ অক্টোবর তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হিন্দু সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা চলছে। ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত ওই সমাবেশে ১৪টি ইউনিয়ন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও বাদ্যযন্ত্রসহ বর্ণিল মিছিল নিয়ে জমায়েত হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার ওই সমাবেশে বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে শুধু নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ইসলামি সরকার। এবার হিন্দুদের স্লোগান হলোÑ‘সব মার্কা দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লার বাংলাদেশ’।

    এর আগের দিন ঢাকাসহ সারা দেশে ‘ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতামূলক ক্যাম্প’আয়োজন করে বেশ সাড়া ফেলে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। সেখানে গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত শাসক নয়, সেবকের ভূমিকা পালন করবে।

    ঢাকার আসনগুলোতেও রাত-দিন ব্যাপক প্রচারকাজ চালাচ্ছেন দলটির প্রার্থীরা। এলাকাভিত্তিক গণসংযোগ, প্রচারপত্র বিলি, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, বিভিন্ন পেশাজীবীকে নিয়ে আলাদা মতবিনিময়-সমাবেশসহ নানা কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। গত শুক্রবার ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের মোটর শোভাযাত্রা, বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করার দাবি, প্রীতি ম্যারাথন ইত্যাদি কর্মসূচি বেশ আলোচিত হয়ে ওঠে। যথাসম্ভব জনভোগান্তি এড়িয়ে এসব গণসংযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয় দলটির পক্ষ থেকে।

    নির্বাচনি প্রচারের নানা দিক তুলে ধরে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। নারী ও পুরুষ আলাদা গ্রুপ করে গণসংযোগ করছে। প্রতি জুমায় মসজিদ-সংশ্লিষ্টদের অনুমতি নিয়ে কথা বলছি। বিভিন্ন মার্কেটে ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে প্রচার চলছে। তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক খণ্ড খণ্ড সমাবেশের মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরছি। এ সময় জনগণের কথাও শুনছি। তারা কী চান, কেমন এমপি প্রত্যাশা করেনÑসেই মতামত শুনে নানা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক, ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা পেশার লোকদের নিয়ে আলাদা প্রোগ্রাম হচ্ছে।

    তিনি আরো বলেন, ভোটারদের কাছে সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান তুলে ধরা হচ্ছে। অনলাইনেও ব্যাপক প্রচার চলছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আধুনিক ঢাকা গড়ার যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তাতে ভোটাররাও বেশ আশাবাদী হচ্ছেন। তবে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে কেন্দ্র পাহারাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতের পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে।

    ঢাকা-১৬ আসনে প্রচারকাজে নিয়োজিত জামায়াত নেতা হাসানুল বান্না চপল জানান, তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকেন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ মাধ্যমকে নির্বাচনি প্রচারকাজে লাগানো হচ্ছে। তরুণদের কাছে যেতে যত ধরনের কার্যক্রম সম্ভব, তা করা হচ্ছে। ভোটারদের মাঝে জামায়াতের সব ম্যানিফেস্টো তুলে ধরা হচ্ছে। চলছে সামাজিক ও সেবামূলক নানা কর্মসূচিও। অসহায় মানুষদের নানা ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল সম্প্রতি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলেন, নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেবে।

    সব মিলিয়ে মাঠ পর্যায়ে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচার। তরুণ, নারী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ জোরদারে দলটির প্রার্থীরা চেষ্টা করছেন প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • ৫৫ লাখ টাকার সোনার বারসহ রাজশাহী এক যুবক গ্রেফতার

    ৫৫ লাখ টাকার সোনার বারসহ রাজশাহী এক যুবক গ্রেফতার

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ভারতে সোনা পাচারকারী একজনকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ। সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোদাগাড়ী পৌরসভার হাটপাড়া ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছে থেকে ২৯৪ দশমিক ১৩ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতার মো. মোশারফ হোসেন (২০) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের চর আলাতলী ইউনিয়নের বকচর গ্রামের মো. নাইমুল ইসলামের ছেলে।
    গোদাগাড়ী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোশাররফ পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে পাঁচটি সোনার বারের কাটা অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ২৯৪ দশমিক ১৩ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

    তিনি আরও বলেন, মোশারফ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান পলাতক ডাবলু ও জাহিদসহ আরও দুই-তিনজনের সহযোগিতায় তিনি বিভিন্ন জেলা থেকে সোনা সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। উদ্ধারকৃত সোনা ও আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।

    ওসি আরও বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিক সোনা পাচারচক্রের অংশ হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও পলাতক সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

  • ভারতে অনুপ্রবেশকালে শেরপুর সীমান্তে ২৪ জন আটক

    ভারতে অনুপ্রবেশকালে শেরপুর সীমান্তে ২৪ জন আটক

    শেরপুর সীমান্তে অবৈধ পথে দালাল চক্রের সহযোগিতায় ভারতে পাচারকালে পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যসহ ২৪ জনকে আটক করে বিজিবি। এসময় তাদের থেকে ১৪টি মোবাইল ফোন, একটি হাত ঘড়ি এবং নগদ ৫৪ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ভোরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম বিওপির সীমান্ত পিলার ১১১০/এমপি এর পাশে শালবাগান হতে তাদের আটক করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম বিওপির সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। এসময় ৪টি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বহন করা মোট ২৪ জনকে আটক করে বিজিবি। পরে তারা জানায়, ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চুক্তি হয় শেরপুরের দুইজন দালাল চক্রের সঙ্গে। আর আটককৃতরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং শেরপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ টি মোবাইল ফোন, একটি হাত ঘড়ি এবং নগদ ৫৪ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মেহেদী হাসান জানান, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাই শহরে রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। আটককৃত দুই মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ অনুযায়ী ঝিনাইগাতী থানায় মামলা কার হয়েছে।