ক্যাটাগরি নওগাঁ

Naogaon district

  • রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।নওগাঁর রাণীনগরে চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে (৪০) গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।

    মামলার বরাত দিয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

    পরে ওই শিশু বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। এছাড়া শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে শিশুর পরিবারের লোকজন থানায় এসে আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, গ্রেফতার রাজ্জাককে শুক্রবার (৮ মে) আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এ, আর
  • নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় আটক ৪

    নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় আটক ৪

    নিউজ ডেস্ক:

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরিবারপ্রধানের বাবা ও দুই বোনসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে ও দুপুরে তাদের আটক করা হয়। তারা হলেন- হত্যার শিকার হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা, হালিমা ও ভাগ্নে সবুজ রানা।

    এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ চারজনের লাশ উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলেন, হাবিবুর রহমান (৩৬), স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), তাদের মাদরাসাপড়ুয়া ছেলে জাকির হোসেন (১৪) ও শিশুকন্যা সাদিয়া ইসলাম মৌ (৪)।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার দিবাগত রাতে হত্যার শিকার ব্যক্তিরা নিজ ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রাতে দুর্বৃত্তরা ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবুর রহমানসহ তার স্ত্রীকে গলা কেটে এবং ছেলে ও মেয়েকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। প্রতিবেশী এক বৃদ্ধা সকালে তাদের ঘরের দরজার কাছে রক্ত দেখতে পেয়ে ঘরে প্রবেশ করলে খাটের উপর হাবিবুর রহমানের গলাকাটা লাশ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে। স্ত্রীর পপির লাশ ঘরের বাইরে এবং ছেলে জাকির হোসেন ও মেয়ে সাদিয়ার লাশ পাশের ঘরে দেখতে পান।

    পরে নিয়ামতপুর থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে। কিভাবে ও কেন তারা খুন হলো তা জানতে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমিজমা সংক্রান্ত জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

    এডিশনাল ডিআইজি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সহকারী পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ শাওন, নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইন চার্জ মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    নিহত পপি সুলতানার মা সাবিনা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই ওরা (শ্বশুর পরিবার) আমার মেয়েকে নির্যাতন করে। কয়েকদিন আগে আমার মেয়ের ননদ শিরিনা তার স্বামী ভুটি ও তার ছেলের বউ মিলে আমার মেয়েকে মারধর করে। তখন তারা থানায় যায়। থানা তাদের অভিযোগ নিলেও আমার জামাইয়ের কোনো অভিযোগ নেয়নি। থানা থেকে ঘুরে এসে গ্রামের মানুষের কাছে বিচার দেয়। গ্রামের মানুষ তখন আপস মীমাংসা করে দেয়। তারপর কোর্টে মামলা করে। জমি যখন আমার জামাইকে দেয় তখন তার পাঁচ বোনকেও আড়াই বিঘা করে জমি লিখে দেয়। আর আমার জামাইকে বাড়ি ভিটা মিলে ১০ বিঘা জমি দেয়। আমার জামাই তার বাবার একমাত্র ছেলে। আমার জামাইকে ১০ বিঘা জমি দেয়াতেই তাদের মূল সমস্যা। এইটা নিয়েই তাদের হিংসা শুরু হয়। তখন থেকেই তারা এর বংশকে নির্বংশ করে দেয়ার পরিকল্পনা করে। আমার মেয়েকে তারা বহুদিন থেকে নির্যাতন করে। ওরা পাঁচ বোন মিলেই আমার মেয়ে-জামাই ও নাতি-নাতনীকে মেরে ফেলেছে।’

    নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান (পিপিএম) বলেন, ‘চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে। চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’
  • এক মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

    এক মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর পোরশা উপজেলার আল-জামিয়া-আল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ (পোরশা বড় মাদ্রাসা) মাদ্রাসার ৬০ শিক্ষার্থী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    গুরুতর অসুস্থ ১২ জন শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    খাবারের মধ্যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণের কারণে শিক্ষার্থীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে বলে চিকিৎসকরা ধারণা করছেন। এ ঘটনার পর মাদ্রাসা ১০ দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ৩ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। দুপুরে আরও ২৮ জন, বিকালে ১২ জন ও বুধবার ১৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মুফতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমাদের মাদ্রাসায় প্রায় ১ হাজার ৬শ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী প্রায় ১০০ জন। সবাই আমরা মাদ্রাসার খাবার খাই; কিন্তু কী কারণে এই ৬০ জন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ল বিষয়টি আমরা বুঝতে পারছি না। বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা ১০ দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল ইসলাম। তিনি অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

  • নওগাঁয় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে আগুন

    নওগাঁয় গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে আগুন

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর রাণীনগরে গ্রামীণ ব্যাংকের কচুয়া বাজার শাখা অফিসের গেটের সামনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে উপজেলার গহেলাপুর এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    গ্রামীণ ব্যাংক কচুয়া বাজার শাখার সিনিয়র অফিসার লোটাস হোসেন বলেন, ‌‘ভোরের দিকে উঠে আমরা দেখতে পাই অফিসের সামনের গেটে ধোঁয়া উড়ছে। নাইট গার্ড মজিবর রহমানের কাছে জানতে চাইলে সে জানায়, তেমন কিছুই না। অফিসের সামনে ৪-৫টি বস্তায় কেউ আগুন দিয়েছিল। এরপর সে নিভিয়ে পাশে রেখে নামাজ পড়তে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

    এ বিষয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাফিজ মো. রায়হান বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকে আগুনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সেখানে রাস্তায় ধোঁয়া উড়ছিল।

  • নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

    নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর মান্দায় জন্মের কয়েকঘণ্টা পর নবজাতক কন্যাকে ফেলে রেখে পালিয়েছেন মা। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বাবা। বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    নবজাতকের বাবার নাম তৌহিদ ইসলাম। তিনি জেলার মহাদেবপুর উপজেলার চকহরি বল্লভ গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মান্দা উপজেলার সাহাপুর (ফজিদারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা ওই নারীকে বিয়ে করেন তিনি।

    তৌহিদ ইসলাম জানান, স্ত্রী গত তিন মাস ধরে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তার প্রসবের ব্যথার খবর পেয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ি যান। এরপর স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে যান। বিকেল ৫টার দিকে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে তার স্ত্রী কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

    সন্তান জন্মের পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমি ওষুধ আনতে বাজারে যাই। ফিরে এসে দেখি, স্ত্রী ও শাশুড়ি নবজাতক সন্তানকে রেখে চলে গেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক। স্ত্রী ও শাশুড়ির এমন আচরণে আমি হতবাক ও দিশেহারা। তাই বাধ্য হয়ে মান্দা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’ বলেন তৌহিদ ইসলাম।

    এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে তৌহিদ ইসলামের স্ত্রী বলেন, বিয়ের পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের সঙ্গে আমার মনোমালিন্য চলছিল। আমি সন্তান নিতে চাইনি। কিন্তু তা হয়ে গেছে। যেহেতু আমি তৌহিদের সঙ্গে আর সংসার করব না। তাই সন্তান পালন করতেও আমি রাজি নই।

    মান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামছুর রহমান বলেন, তৌহিদ ইসলামের লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তার স্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি স্বামীর সঙ্গে আর সংসার করবেন না এবং সন্তান লালনপালনে আগ্রহী নন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভটভটি উল্টে দুই গরু ব্যবসায়ী নিহত

    ভটভটি উল্টে দুই গরু ব্যবসায়ী নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে ভটভটি উল্টে দুই গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

    সোমবার  দুপুরে নিয়ামতপুর-টিএলবি সড়কের সাংশাইল ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- উপজেলার দামকুড়া গ্রামের শরিফ উদ্দিন (৬২) একই উপজেলার বনগাঁ পাড়া গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে শামীম রেজা (২৮)।

    নিয়ামতপুর থানার ওসি  বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতরা দুপুরের দিকে ভটভটিযোগে গরু কেনার উদ্দেশে উপজেলার ছাতড়া গরুর হাটে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থল পৌঁছালে ভটভটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় গাড়ির নিচে চাপা পড়ে দু’জন নিহত হয়। এ ঘটনায় আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।

  • ধামইরহাটে ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক  নিউজ:

    নওগাঁর ধামইরহাটে মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট থেকে ৮ম শ্রেণির মোট ২৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২২৯ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

    সুশৃঙ্খল পরিবেশে সকাল থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেন সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কক্ষ পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানগণ এবং স্থানীয় প্রশাসন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন— মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির।

    তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন নিয়মিত এই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করে থাকে। ভবিষ্যতেও আমরা আরও বিস্তৃত পরিসরে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।

    মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলমগীর কবির আরও জানান, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে উপজেলার ১টি পৌরসভা এবং ৮টি ইউনিয়ন থেকে মোট ৩৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি থানা ট্যালেন্টপুলে আরও ৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—অ্যাকাডেমিক সুপার ভাইজার কাজল কুমার সরকার, চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক খেলাল ই রব্বানী, সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম লিটন, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিহা ইয়াসমিন প্রমুখ।

  • ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

    ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁর পত্নীতলায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই যুবকের নাম সুমন হোসেন। তিনি বিল ছাড়া গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে বাড়ি ফেরার পথে নাপিত পকুরা এলাকায় সুমনকে হত্যা করে গলায় দড়ি বেঁধে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
    স্থানীয় একই এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন ও রুবেল হোসেন বলেন, রাতে আমরা ৪ জন এক জায়গায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এসময় রাত ১০টার দিকে ফোন দিয়ে সুমন বলতেছে ভাই আমাকে বাঁচা। কি সমস্যা তখন বলতেছে বুলবুল নামের একজন আমার থেকে দশ লাখ টাকা কাড়ে নিছে ও আমাকে মারার জন্য দাবড়াচ্ছে, লাঠি-চাকু নিয়ে তার সঙ্গে আর আট দশ জন আছে। ফোনে অনেকবার বলছে বুলবুল আমাকে মারে ফেলে দিবে ভাই। আমাকে চাকু নিয়ে দাবড়াচ্ছে ভাই। আমি ধান বাড়ির ভেতরে শুয়ে থেকে ফোন দিছি। যে ভাবেই হোক আমাকে বাঁচা। এর পর রাত সাড়ে ১০টায় নাপিত পকুরা নামক স্থানে গিয়ে কাঠাঁল গাছে রশি দিয়ে ঝুলন্ত আবস্থায় তাকে পাই আমরা। তার পর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার সুমনকে মৃত ঘোষণা করে।

    পত্নীতলা উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মারুফ মোস্তফা বলেন, সুমন নজিপুর সরকারি কলেজের ডিগ্রি ৪র্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। মৃত্যুর আগে সে ফেসবুক লাইভে ছাত্র জনতার কাছে বিচার চেয়েছিল। এই স্টেটমেন্ট দেওয়ার পর তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এটা পুরোটাই হত্যাকাণ্ড ছিল। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।

    সুমন নজিপুর মসজিদ মার্কেটে কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করতো। গত প্রায় ১২ ঘণ্টা আগে ‘সুমন হোসেন’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে করা লাইভে কিছু কথা বলতে শোনা যায়। পাঁচ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ওই অডিওতে অভিযোগ করা হয়, বুলবুল নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে সুদের বিনিময়ে ৭০ হাজার টাকা ধার করেন সুমন। সঙ্গে ফাঁকা ব্যাংক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়। কিন্তু পরে বুলবুল তার কাছ থেকে ১০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পান বলে চাপ দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে গত রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তাকে ধাওয়া করা হয়। ওই রেকর্ডে দাবি করা হয় তার মৃত্যু জন্য বুলবুল নামে ওই ব্যক্তিই দায়ী।

    পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. এনায়েতুর রহমান বলেন, সকালে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, ওই ফেসবুক আইডিটি আসলেই সুমনের কিনা কিংবা লাইভের অডিও ওই ব্যক্তিটির কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুলবুল নামে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সুমনের আসলেই কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল কিনা তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এসবের সত্যতা বের হলেই আসল রহস্য উন্মোচন হবে।

  • নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা

    নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁয় বাদলগাছিতে দুদিনেও দেখা মেলেনি সূর্যের। সকাল পেরিয়ে দুপুরে হয়েছে। তবুও দেখা নেই আলোর। ফলে ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে চারদিক। ঝরছে বৃষ্টির মতো কুয়াশা। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঠান্ডা হিমেল বাতাস। এ অবস্থাতে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। এর আগে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    পৌষের শুরুতেই উত্তরের এ জেলায় হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শীতের দাপট বেড়েছে। আকাশে হালকা কুয়াশা ও মেঘের কারণে গতকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শ্রমজীবী এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষকে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন থেকে নওগাঁর বাদলগাছিতে হিমেল হাওয়া শুরু হয়েছে। সেই হিমেল হাওয়া দিন-রাত বইছে। এ কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

    নওগাঁর বরুণকান্দি এলাকার ভ্যানচালক জয়নাল আবেদীন ও রাণীনগর উপজেলা থেকে আসা অটোরিকশা চালক তপন বলেন, দুদিন থেকে শীত অনেক বেশি। ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। হাত কাঁপাকাঁপি করে, রিকশার চালাতে কষ্ট হয়। লোকজনও সেভাবে বাইরে বের হচ্ছে না। পেটের দায়ে ঠান্ডা লাগলেও বাইরে আসতে হচ্ছে।

    এদিকে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা জানান, তীব্র শীত উপেক্ষা করে তাদের দৈনন্দিন কাজে বের হতে হয়। গরম মোটা কাপড়ের অভাবে তাদের শীতকে উপেক্ষা করে কাজে যেতে হয়। আজ সকাল থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঝরছে ফোঁটা ফোঁটা পানি। হাজারও শীতকে উপেক্ষা করে তাদের পেটের তাগিদে কাজে যেতে হবে বলে জানান তারা।

    বদলগাছী আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বলেন, জেলায় আজকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল থেকে সূর্যের দেখা না পাওয়ায় আজকে শীত কিছুটা বেশি। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা এরকম থাকতে পারে।

    বদলগাছী আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আকাশে মেঘের প্রাদুর্ভাব থাকায় সূর্যের তাপ ক্ষীণ হয়ে পড়ছে জেলায়। তবে আজ সকালে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশা। এর ফলে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। এর ফলে যুক্ত হচ্ছে ঠান্ডাজনিত নানান রোগবালাই। খুব প্রয়োজন ছাড়া সকালে ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    বি/এ

     

  • নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁ, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বাসস):জেলা জুড়ে চলছে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান।চারজনকে আটক করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে জেলা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে একের পর এক বড় বড় অভিযান পরিচালনা করে আসছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। শুধু মাদকের বিরুদ্ধেই নয় অভিযান অব্যাহত রেখেছেন ডেভিলদের বিরুদ্ধেও। প্রতিদিন জেলার কোন না কোন উপজেলাতে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রাখা হয়েছে।

    মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ রোববার সকালে শহরের মাদকের আখড়া নামে পরিচিত সুইপার কলোনি এলাকায় সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ৪৫কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে গাঁজা ছাড়াও বাংলা মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদক বিক্রির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    এ সময় যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কদমতলা বারোপুতা গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২৪) কে আটক করা হয়। তাকে সহায়তা করার অপরাধে জেলার বদলগাছী উপজেলার লক্ষিকুল গ্রামের মৃত আব্বাস মন্ডলের ছেলে জলিল মন্ডল (৫০) কে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার জানান, নওগাঁ জেলা ভারতীয় সীমান্তঘেষা হওয়ার কারণে মাদককারবারীরা নওগাঁকে মাদক চালানের জন্য উত্তম পথ হিসেবে ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে এই অঞ্চলে মাদকের কারবার কিছুটা বেশি হয়েছে। আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সজাগ রয়েছে।

    জেলা জুড়ে এই ধরনের অভিযান আগামীতে আরো বেশি  পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।

    বি/এ