ক্যাটাগরি সিরাজগঞ্জ

Sirajganj district

  • ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে জরিমানা গুণলেন ব্যবসায়ী

    ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে জরিমানা গুণলেন ব্যবসায়ী

    ডেস্ক নিউজ:

    সিরাজগঞ্জের তাড়াশের সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুইচিং মং মারমার স্বাক্ষর জাল করায় এক মাটি ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ওই ব্যবসায়ীর একটি মাটি ভর্তি ট্রাকও জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের চৌপাকিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ীর নাম মামুন হোসেন। তিনি সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। তিনি জানান, ইউএনও সুইচিং মং মারমার স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে খননযন্ত্র দিয়ে ফসলি জমির মাটি খনন করে অন্যত্র বিক্রি করছিলেন মামুন। এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই মাটি ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

  • অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    ডেস্ক নিউজ:

    সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার রায়দলতপুর ইউনিয়নের চৌবাড়ী পশ্চিমপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আহত গৃহবধূর নাম মোছাঃ দোলা খাতুন (২৫)। তিনি ওই এলাকার মোঃ আসিক মোল্লার স্ত্রী। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে রফিক মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিবেশী লাইলী বেগম, পলাশ, পলি, সুমাইয়াসহ আরও কয়েকজন দাও, বটি ও বাটাম দিয়ে মোছাঃ দোলাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ উপস্থিত না থাকায় একা পেয়ে তাকে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    আরও জানা যায়, ঘটনার আগে মোছাঃ দোলার ছোট ছেলে প্রতিবেশীদের বাড়িতে বড়ই কুড়াতে গেলে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই বিরোধের জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। মোছাঃ দোলা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে স্থানীয়রা জানান।

    আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইলী বেগম বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশিক মোল্লাসহ তাদের বাড়ির লোকজন আমাদের মারধর করে। পরে বেলা ১১টার দিকে আমার মেয়ে গিয়ে দোলাকে আঘাত করে।

    এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

     

  • যমুনা নদীর পাড়ে  ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    যমুনা নদীর পাড়ে ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পাড়ে একটি ড্রেজার থেকে হাফিজুল ইসলাম হাফিজ (৩০) নামের গণঅধিকার পরিষদের এক সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পাড়ামোহনপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    নিহত হাফিজুল ইসলাম ওই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের বাঐখোলা গ্রামের মৃত কমল মুন্সীর ছেলে। তিনি গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর আড়কান্দি ও পাড়ামোহনপুরসহ আশপাশের এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধের পাশে বালুর ব্যবসা চলছিল। হাফিজুল ইসলামও ওই কাজে যুক্ত ছিলেন। রোববার রাতে একটি ড্রেজারের বাল্কহেডের ইঞ্জিন অংশে চার সহযোগীর সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে এনায়েতপুর থানা-পুলিশ ও চৌহালী নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

    স্থানীয় বাসিন্দা জামাল প্রামাণিক জানান, নদীভাঙনে বসতভিটা হারানোর পর হাফিজুল ইসলাম ঢাকায় চাকরি করতেন। কয়েক মাস আগে এলাকায় ফিরে এসে তিনি বালুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি নিজেকে গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতেন।

    এ বিষয়ে চৌহালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন  বলেন, ‘নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    এম কে

  • কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রি- ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড

    কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রি- ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই ব্যবসায়ীর নাম ফিরোজ মাহমুদ(৩০)। তিনি ঢেকুরিয়া ইকোপার্ক এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র ও কীটনাশক বিক্রেতা।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টা থেকে ঘন্টাকালব্যাপী উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ঢেকুরিয়া ইকোপার্ক এলাকায় মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় ওই দোকানে অবৈধভাবে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে কুড়ি হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে ওই দোকান থেকে জব্দকৃত ৮৩ কেজি টিএসপি, ৯০ কেজি ইউরিয়া ও ৮৬ কেজি এমওপি সার ডিলারদের ডেকে নিলামে ছয় হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি করা হয়।

    এবিষয়ে গণমাধ্যমকে ইউএনও জানান,“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সরল স্বীকারোক্তি প্রদান ও  অপরাধের উৎস সম্পর্কে তথ্য প্রদান করায় মানবিক দিক বিবেচনা করে সার বিক্রির অপরাধে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬ এর ৮ ধারায় ওই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    এম কে

  • বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবাড়িতে বরের জুতা লুকিয়ে রাখা নিয়ে সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বরপক্ষ বউ না নিয়েই ফেরত চলে গেছে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের গুলিয়াখালীর চর গ্রামের কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি সমঝোতা না হওয়ায় একদিন পর জানাজানি হয়।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার ওই ইউনিয়নের গুলিয়াখালী গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ৬০-৭০ জন বরযাত্রী নিয়ে গুলিয়াখালীর চরে কনের বাড়িতে আসে। বিয়ে উপলক্ষে ওই বাড়িতে সেদিন প্রায় ২০০ লোকের আয়োজন ছিল। কিন্তু জুতা লুকানোকে কেন্দ্র করে বর পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বিয়ে সম্পন্ন না করে কনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে চলে যায়।

    কনের মা খাদিজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বরকে স্মার্টফোন ও ১০ আনা সোনার চেইন দিয়ে আমরা বরণ করেছিলাম। শুধু তাই নয় বাড়িতে ২০০ লোকের আয়োজন করতে এক লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু ও পাঁচ মণ দই কেনা হয়েছিল। সবাই খাবার খাওয়া শেষ করেছে। কিন্তু তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট হওয়ায় বিয়ে ভেঙে গেছে।শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • মকিমপুর জমিদারবাড়ি

    মকিমপুর জমিদারবাড়ি

    ডেস্ক নিউজঃ

    চুন–সুরকি খসে পড়েছে অনেকাংশে। বেরিয়ে এসেছে লাল ইট। বাড়িটির এখন জীর্ণ দশা। হবেই না কেন। বয়স তো কম হলো না—প্রায় দেড় শ বছর। বলছি মকিমপুর জমিদারবাড়ির কথা। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা সদর থেকে কিলোমিটার দুয়েক উত্তরে গেলে মকিমপুর গ্রামে দেখা মিলবে বাড়িটির।

    সম্প্রতি বাড়িটিতে গিয়ে কথা হয় জমিদার পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে। তাঁরা জানালেন বাড়িটির ইতিহাস–ঐতিহ্যের নানা কথা। বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী। তাঁর ছিল দুই ছেলে। জমিদার জীবিত থাকা অবস্থায় এক ছেলের মৃত্যু হয়। আরেক ছেলের বংশধরেরা বর্তমানে এখানে রয়েছেন।

    মকিমপুরের মূল জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করা হয় ১৮৮৫ সালে। এই ভবনে সাতটি কক্ষ। জমিদার পরিবারের পরবর্তী প্রজন্ম কয়েক বছর আগেও এই ভবনেই বসবাস করতেন। এখন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভবনের উত্তর ও পশ্চিম পাশে আলাদা বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছেন। তবে বাড়ির সামনে ১৮৮৭ সালে নির্মাণ করা মন্দিরে এখনো পূজা হয়।

    মন্দিরটিতে বিশেষ করে লক্ষ্মীপূজা হয় বেশ ঘটা করে। আগের দিনের নিয়ম মেনে এলাকার হিন্দুধর্মাবলম্বী এবং আত্মীয়স্বজনদের নিমন্ত্রণ করে জমিদার পরিবার। পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য অমল কুমার রায় বলেন, ‘আমাদের দাদু মকিমপুর জমিদারবাড়ি নির্মাণ করেন। তিনি বাড়ির সামনে এই মন্দিরও নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপূজায় সবাইকে আমরা ডাকি।’

    জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী সম্বন্ধে ভালো ও মন্দ—দুই ধরনের জনশ্রুতিই রয়েছে। কেউ বলেন, তিনি ছিলেন প্রজাদরদি জমিদার। আবার কেউ বলেন অন্য কথা। তাঁর দাপটের কারণে প্রজারা নাকি জমিদারবাড়ির সামনে দিয়ে ছাতা মাথায় ও জুতা পায়ে যেতে পারতেন না। খাজনা আদায়ের বেলায়ও নাকি জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী ছিলেন ভীষণ কড়া।

    তবে জমিদার নিয়ে ভালো–মন্দ যে জনশ্রুতিই থাকুক না কেন—বাড়িটি একনজর দেখতে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই।

    সে কথাই বলছিলেন জমিদার পরিবারের সদস্য অশোক কুমার রায়। তিনি জানালেন, জমিদারবাড়ি ও মন্দিরটি দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগ্রহী মানুষজন আসেন। বিভিন্ন তথ্য জানতে চান তাঁরা। জমিদারবাড়ির চতুর্থ প্রজন্মের পুত্রবধূ আঁখি রায়ও বললেন একই কথা। তিনি বলেন, ‘আমাদের জানাশোনা যা আছে, তা তাঁদের জানাই।’

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার স্কুলশিক্ষক মো. মোকসেদ আলমের সঙ্গে দেখা হয় জমিদারবাড়িতে। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের খোঁজে সারা দেশে ঘুরে বেড়াই। মকিমপুর জমিদারবাড়িতে এসে পুরোনো দিনের নকশার বাড়ি ও মন্দিরটি দেখে খুব ভালো লাগল।’ জমিদার ভবনের করুণ দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সংস্কার করে আগামী প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখা দরকার।

    একই আহ্বান রায়গঞ্জ: ইতিহাস সমাজ ও সংস্কৃতি বইয়ের লেখক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক খ ম রেজাউল করিমেরও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আগের দিনের নির্মাণশৈলী খুবই সুন্দর ছিল। জমিদারবাড়ি ও মন্দিরটি নির্মাণে স্থাপত্যশিল্পের চমৎকার ব্যবহার লক্ষণীয়। কালের বিবর্তনে এ বাড়িটি ধ্বংসের পথে কিন্তু এটি রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেই। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের নিদর্শন মকিমপুর জমিদারবাড়িটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    এম কে

  • কাজিপুরে উদ্বোধনের পৌণে তিন বছর পর জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু

    কাজিপুরে উদ্বোধনের পৌণে তিন বছর পর জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু

    ডেস্ক নিউজঃ

    অবশেষে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরায় আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ইনস্টিটিউটের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নিপোর্টের যুগ্মসচিব ও পরিচালক (গবেষণা) মো. শফিকুল ইসলাম। পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকাদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

    কাজিপুরের আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ডা. মোদাব্বেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক রায়হানুল ইসলাম, কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাসেল ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ।

    ১৯ কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ২০২২ সালের ১০ মার্চ ভবনটি হস্তান্তর করেন। এরপর অনলাইনে ইনস্টিটিউটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ।

    এম কে

  • ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ওসমান হাদীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

    ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ওসমান হাদীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা সাহসিকতার সঙ্গে কথা বলছে, তাদেরই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হচ্ছে। শহীদ আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর শাহাদাতের মধ্য দিয়ে এই হত্যাযজ্ঞের সূচনা হয়, আর ওসমান হাদী সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ শিকার।

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া (শনিবার বিকালে) উপজেলার পৌর উন্মুক্ত মঞ্চে মরহুম শরিফ ওসমান হাদীর (রহ.) মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা একজন দেশপ্রেমিক ও সময়ের বীর সন্তানকে হারালাম। যাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের কারণেই আজ বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি।” তিনি আরও বলেন, “ওসমান হাদীর প্রতিটি রক্তবিন্দু থেকে ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঘৃণার আগুন আরও তীব্র হয়ে উঠবে।”

    হত্যাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

    রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আজ যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে কিংবা উপদেষ্টার আসনে বসে আছেন, তারা ওসমান হাদীদের মতো সাহসী মানুষের আন্দোলনের ফলেই সেখানে পৌঁছেছেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল, কিন্তু রাষ্ট্র সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।”

    তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “আর কত ওসমান হাদীর মতো বিপ্লবী সন্তান হারাতে হবে—এই প্রশ্ন আজ গোটা জাতির সামনে।”

    আলোচনা সভা শেষে মরহুম ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

    উপজেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলি।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, সাবেক সেক্রেটারি আলাউদ্দিন আল আজাদ, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম (মুত্তালিব), পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল করিম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আকন্দ এবং জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি আতাউর রহমানসহ স্থানীয় ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।

    এম কে

  • ইনক্লাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদীর স্বরণে, বেলকুচিতে জামায়াতের দোয়া ও আলোচনা সভা

    ইনক্লাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদীর স্বরণে, বেলকুচিতে জামায়াতের দোয়া ও আলোচনা সভা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদী আধিপত্যবাদী ফ্যাসিস্টদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধিন থাকা অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁর এই শহীদি মৃত্যুতে সারা দেশে শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায়, কেন্দ্রিয় জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ,শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আয়োজনে শেরনগরস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও ৬৬ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ,আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ আলী আলম।

    আলোচনা সভায় প্রধান অথিতি বলেন, মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে শহীদ হাদীর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং একই সঙ্গে তাঁর জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ও তার হত্যাকারীদের এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে না পারার কারণে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের পদত্যাগ দাবি করছি।

    তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর দেশের ছাত্র-জনতার মধ্যে যে ক্ষোভ ও আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা ন্যায্য ও বোধগম্য। কিন্তু এই ক্ষোভকে পুঁজি করে কোনো পক্ষ যদি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে, তা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা স্পষ্টভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করছি- এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা হতে পারে।

    উপজেলা জামায়াতের আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেল তার সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
    দেশের এই সংকটময় সময়ে সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জাতীয় ঐক্যই হতে পারে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। আমরা সকল দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা ও নাগরিককে ধৈর্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, এনায়েতপুর থানা জামায়াতের আমির ডা: সেলিম রেজা, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রশিদ শামীম, ছাত্রশিবিরে বেলকুচি উপজেলা শাখার সভাপতি ইউসুফ বাবু, সেক্রেটারি আরিয়ান ইসমাইল প্রমুখ। দোয়া ও আলোচনা সভায় উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভার শেষে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম আযম।

    এম কে

  • সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপির সম্পদের খোঁজে দুদক

    সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপির সম্পদের খোঁজে দুদক

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল (৪৫) ও তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তাজ উদ্দিনের (৫৫) বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহিদুল আলম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।দুদক সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল ও তার পিএস চৌহালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তাদের নিজ নাম ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়েছে দুদক। যা নিয়ে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করছে তারা।

    আব্দুল মমিন মণ্ডল ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হন। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।

    এম কে