ক্যাটাগরি দিনাজপুর

Dinajpur district

  • দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে দিনাজপুরে ছাত্রদলের অপর একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সভা ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।দিনাজপুরে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে দিনাজপুরে ছাত্রদলের অপর একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সভা ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সমর্থক নেতাকর্মীরা নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের অ্যাকাডেমি স্কুল প্রাঙ্গণ হতে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মডার্ণ মোড় হয়ে লিলি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা লিলিরমোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ও টায়ার আগুন জ্বালিয়ে নবঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে এবং প্রতিবাদ জানায়।

    প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম বলেন, যারা দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের জুলুম-নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন, তৃণমূলের সেইসব ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন এটা বৈষম্যের সামিল। তিনি বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা মোবাইল রেসপন্স করেনি।

    জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: আবুজার সেতু বলেন, আমরা দলকে যেভাবে ভালবাসি, সবচেয়ে কষ্টের জায়গা সেখানেই, আমি জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হয়েও আমি জানতেও পারলাম না, দিনাজপুরে ছাত্রদলের নতুন কমিটি দেয়া হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক বা সদস্য সচিব কারো জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে নাম নেই। আজকে আমার হয়তো বয়স হয়েছে, কিন্তু আমার যারা ছোট ভাই, দীর্ঘদিন লড়াই সংগ্রাম করে অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে ছাত্রদলকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন, তাদেরও স্থান হয়নি বর্তমান ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে। অনতিবিলম্বে নীতি নির্ধারকদের কাছে জেলা ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সাথে সমন্বয় করে নতুন কমিটি দেয়ার আহ্বান জানান জেলা ছাত্র নেতা আবুজার সেতু।

    উল্লেখ্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির স্বাক্ষরিত একপত্রে মো: আব্দুর রাজ্জাককে আহ্বায়ক, জাকারিয়া হাবিব জনিকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও অন্য ৬ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠন করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

    এ ,আর

  • ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি

    ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি

     

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ আসনে সংখ্যালঘু ভোট এত দিন পর্যন্ত ছিল ‘নির্ণায়ক’। কিন্তু এবারের ভোটের ফলাফলে সেই সমীকরণে আমূল বদল ঘটে গেছে। ফলস্বরূপ, ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ২৫ শতাংশের বেশি, এমন ১৪৬টি (ফলতায় ভোট এখনো হয়নি) আসনের মধ্যে তৃণমূল এ বার পেয়েছে ৭৩টি আসন। ২০২১ সালের ভোটে সেই সংখ্যাটা ছিল ১২৯। ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে ৬৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, যেখানে গত ভোটে তারা জিতেছিল মাত্র ১৬টিতে। আবার ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের হার ৪০ শতাংশের বেশি, এমন ১৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। যেখানে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এমন মাত্র দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল তারা।

    ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী রাজ্যে মোট ২৭ শতাংশ মুসলিম। ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টি বিধানসভা রয়েছে, যেখানে সংখ্যালঘু অংশের ভোট ২৫ শতাংশ বা তার বেশি। এর মধ্যে আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ, ওই আসনগুলিতে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন সংখ্যালঘুরা। ৪০ শতাংশেরও বেশি সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে, এমন আসনের সংখ্যা রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মুর্শিদাবাদে। সেখানকার ২২টি বিধানসভা আসনেই সংখ্যালঘু ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১১টি বিধানসভা আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। উত্তর ২৪ পরগনায় ৯টি এবং উত্তর দিনাজপুরে ৭টি আসনেও সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশের বেশি। মালদহের ৮টি আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। নদিয়ায় তেমন আসনের সংখ্যা ৬টি। কলকাতায় বন্দর এবং চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রেও মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি।

    ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, বড়ঞাঁর মতো যে সব কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি, সেখানেও এ বার জিতেছে বিজেপি। মানিকচক, করণদিঘি, হেমতাবাদের মতো মুসলিম অধ্যুষিত আসনেও একই ছবি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বেশ কিছু আসনে দেখা গিয়েছে, দু’টি বিষয় সমান্তরাল ভাবে ঘটেছে। এক, তৃণমূলের বাক্সে থাকা সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়েছে সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফ এবং হুমায়ুন কবীরের দল এজেইউপি। দুই, উল্টোদিকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে হিন্দু ভোট। পরিসংখ্যান নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, হিন্দু ভোটের যে মেরুকরণ এ বার বিধানসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে, তা অতীতে কখনও হয়নি। এমনকি, উত্তর এবং পশ্চিম ভারতে বিজেপি-শাসিত যে সব রাজ্য রয়েছে, সেখানকার তুলনায়ও পশ্চিমবঙ্গে এ বারের নির্বাচনে হিন্দু ভোট ঐক্যবদ্ধ হয়েছে অনেক বেশি। অর্থাৎ, এক দিকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিভিন্ন জেলায় মুসলিম ভোট বিভাজিত হয়েছে। সমান্তরালভাবে সঙ্ঘবদ্ধ হয়েছে হিন্দু তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট।

  • ভোট-পরবর্তী অশান্তির মেঘ পশ্চিমবঙ্গে, মমতার বাড়ির সামনে সেনা

    ভোট-পরবর্তী অশান্তির মেঘ পশ্চিমবঙ্গে, মমতার বাড়ির সামনে সেনা

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভাবনীয় ও রক্তক্ষয়ী পট পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল। ভোট গণনার প্রাথমিক প্রবণতা থেকেই এটা স্পষ্ট যে, দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি এক ঐতিহাসিক ও ঝোড়ো জয়ের পথে এগিয়ে চলেছে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করেছে, যেখানে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৯৭টি আসনে থমকে আছে।

    তবে এই পরিবর্তনের আবহে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত। গেরুয়া শিবির জয়ের গন্ধ পেতেই বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উল্লাসের পাশাপাশি শাসকদলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ সামনে আসছে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনের সামনে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপ থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    এই নির্বাচনি ফলাফলের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই জয় আসলে সুপরিকল্পিত মেরুকরণের ফল। তার দাবি অনুযায়ী, একদিকে যেমন তারা রাজ্যের হিন্দু ভোট এক ছাতার তলায় আনতে সফল হয়েছেন, অন্যদিকে তৃণমূলের চিরাচরিত তুরুপের তাস ‘মুসলিম ভোট ব্যাংক’ এবার পুরোপুরি ধসে গেছে। এই হিন্দু ভোটের অভূতপূর্ব সংহতি উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল পর্যন্ত বিজেপিকে একতরফা লিড এনে দিয়েছে। সন্দেশখালী ইস্যু থেকে শুরু করে সিএএ কার্যকর হওয়া—সবই হিন্দু ভোটারদের মনে নিরাপত্তার প্রশ্ন জাগিয়ে তুলেছিল, যা ব্যালট বাক্সে বিজেপির পক্ষে প্রতিফলিত হয়েছে। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেসের ভোট শেয়ার সামান্য বাড়ায় অনেক আসনেই তৃণমূলের ভোট ভাগ হয়ে গেছে, যা পরোক্ষভাবে গেরুয়া শিবিরের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে।

    তৃণমূলের এই পরাজয়ের নেপথ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মোহভঙ্গ একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে আইনি জটিলতা এবং মুসলিম ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের জেরে লাখ লাখ কর্মপ্রার্থী যুবকের ক্ষোভ শাসকদলের বিরুদ্ধে গেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষ। রাজ্যের মুসলিম ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবার তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে আইএসএফ কিংবা বাম-কংগ্রেস জোটের দিকে ঝুঁকেছে। মালদা, মুর্শিদাবাদ বা উত্তর দিনাজপুরের মতো সংখ্যালঘু প্রধান জেলাগুলোতে এই ভোট বিভাজন তৃণমূলের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, সরকার সংখ্যালঘুদের কেবল ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করায় এবং তাদের দাবিদাওয়ার চেয়ে দমনমূলক নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় এই বিদ্রোহ তৈরি হয়েছে।

    নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯১ লাখ নাম বাদ পড়ার বিষয়টিও এই ফলাফলে গভীর প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলোতে যেখানে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল, সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গেছে। এই প্রশাসনিক রদবদল তৃণমূলের ভোটের অঙ্ক গোড়া থেকেই এলোমেলো করে দিয়েছিল। এর পাশাপাশি শিক্ষা ও রেশন বণ্টনের মতো একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি এবং শীর্ষ নেতাদের জেলযাত্রা মানুষের মনে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছিল। রেকর্ড ৯২ শতাংশের বেশি ভোটদানই প্রমাণ করেছিল যে মানুষ এবার পরিবর্তনের লক্ষ্যে মরিয়া ছিলেন। হিন্দু ভোটের মেরুকরণ এবং মুসলিম ভোটের ভাঙন—এ দুই বিপরীতমুখী স্রোতের আবর্তে পড়ে শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরাজেয় দুর্গ আজ ধূলিসাৎ হওয়ার পথে।

  • প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে এবারে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিলেও প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি অবস্থা। মুকুল আসার সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অনেক গাছের মুকুল ঝড়ে পড়েছে। যেগুলো আটকিয়েছিল তীব্র গরমের প্রভাবে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে অপরিণত লিচুর গুটি। এতে করে লিচু বাগান মালিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। চাষিদের এ থেকে পরিত্রাণে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে দাবি স্থানীয় কৃষি বিভাগের।

    লিচুর জন্য বিখ্যাত জেলা দিনাজপুর জেলা শহরসহ পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলায় প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে লিচু উৎপাদিত হয় যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। বছরের শুরুতে হিলির বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছে প্রচুর লিচুর মুকুল এসেছিল। এতে করে আশায় বুক বাঁধছিলেন লিচুচাষিরা। কিন্তু এ বছর লিচুর গাছে মুকুল আসার সময় হঠাৎ করে বৃষ্টির ফলে অনেক মুকুল ঝড়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ফলে বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছ থেকে লিচুর গুটি ঝড়ে পড়ছে। চাষিরা সাধ্যমতো পানি সেচ ও ওষুধ স্প্রে করেও এই ঝরে পড়া রোধ করতে পারছেন না। আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ বজায় থাকলে লিচুর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন লিচুচাষিরা। ফলে এবারে লিচু চাষে লোকশান গুনতে হবে দাবি তাদের।

    জালালপুর গ্রামের লিচুচাষি আসলাম হোসেন বলেন, বাগানে এবারে লিচু গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ মুকুল আসছিল। কিন্তু আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব মুকুল যেসময়ে গাছে আসছে ঠিক সেসময়ে হঠাৎ করে বৃষ্টির কারণে আমাদের গাছে বেশীরভাগ মুকুল ঝরে যায়। আর যেটুকু গাছে মুকুল টিকেছিল বর্তমানে গুটি পর্যায়ে আসছিল কিন্তু গত কয়েকদিনের গরমে গাছ থেকে সেসব লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। কীটনাশক পানি স্প্রে করেও কোনোভাবেই লিচুর গুটি রোধ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে আমাদের যে খরচ সেই টাকাই উঠবে না।

    শ্রমিক ইয়াকুব বলেন, আমি এই লিচু বাগান দেখাশুনা করি কীটনাশক স্প্রে পানি ছিটানো থেকে সবকিছু আমি করে থাকি। অন্যান্যবার যেভাবে গাছে লিচু ধরে সেই হিসেবে এবারে গাছে তেমন লিচু নেই। যার কারণে এবারে মহাজনের লিচু চাষ করে লোকশান গুনতে হচ্ছে। যখন মুকুল বের হবে সেসময়ে বৃষ্টির কারণে মুকুল কম হয়েছে। আবার এখন গাছে যেগুলো লিচুর গুটি হয়েছে কিন্তু কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমের কারণে সেই গুটি ছড়ে পড়ছে।

    এম কে

  • ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক ফিলিং স্টেশন ম্যানেজারকে জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঘোড়াঘাট উপজেলার সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯-এর ৪০ ও ৪৫ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ রুবানা তানজিন।অভিযানে সহযোগিতা করেন ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের এসআই মোঃ নজরুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    জানা যায়, ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড ব্যতীত তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলার অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন জানায়, অব্যবস্থাপনার কারণে এবং পাম্পের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমরা ফুয়েল কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। আজ ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। পাম্প ম্যানেজার ফুয়েল কার্ড ছাড়া প্রায় ১৫’ শ থেকে ২ হাজার লিটার তেল বিক্রি করছে। ফলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে এই কারণে আমরা ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা্রেে আদায় করেছি।

    এম কে

  • বিরল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শিশুর জন্ম

    বিরল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শিশুর জন্ম

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সফল অস্ত্রোপচারের (সিজারিয়ান) মাধ্যমে দুটি নবজাতক শিশু পৃথিবীর আলো দেখেছে। সোমবার সকালে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবজাতক ও মায়েরা সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নার্স-মিডওয়াইফ এবং মেডিকেল অফিসারদের একটি বিশেষ দলের সমন্বয়ে এই অস্ত্রোপচার পরিচালিত হয়।

    সফল এই সিজারিয়ান অপারেশনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন অবস এন্ড গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আহমদ শরীফ রুশো।উপজেলা পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালে এমন উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে।

    এই বিষয়ে বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পার্থ জ্বিময় সরকার জানান, নবজাতক এবং মায়েরা সকলেই বর্তমানে সুস্থ আছেন। তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।এদিকে, উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের জরুরি চিকিৎসা সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নবজাতকদের পরিবারের সদস্যরা।

    তারা জানান, বাড়ির কাছেই এমন নির্ভরযোগ্য সেবা পাওয়ায় তারা আনন্দিত। একইসঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    এম কে

  • দিনাজপুরের খানসামায় টানা অগ্নিকাণ্ডে জনমনে আতঙ্ক

    দিনাজপুরের খানসামায় টানা অগ্নিকাণ্ডে জনমনে আতঙ্ক

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় গত তিন দিনে তিনটি পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন সময়ের মধ্যেই এসব দুর্ঘটনায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি ও গবাদিপশু পুড়ে বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পর পর তিন দিন উপজেলার ভিন্ন ভিন্ন স্থানে আগুন লাগার ফলে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকটি পরিবার ও ব্যবসায়ী। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

    প্রথম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার ঈদের দিন রাতে ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের টংগুয়া এলাকার টুপারমোড় বাজারে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট এই আগুনে মুহূর্তের মধ্যেই ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে তোলা এসব দোকান হারিয়ে ব্যবসায়ীরা এখন দিশেহারা। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২ লাখ টাকা। এরপর গত রবিবার ভোরে একই ইউনিয়নের খামার বিষ্ণুগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে মশার কয়েলের আগুন থেকে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে তিনটি গরু ও দুটি ছাগল পুড়ে মারা যাওয়ার পাশাপাশি আসবাবপত্র ও একটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়। পরিবারটির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সর্বশেষ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের পাকেরহাট জিয়া মাঠ সংলগ্ন একটি বসতবাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। এই ঘটনায় ওই বাড়ির আসবাবপত্রসহ যাবতীয় মালামাল পুড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রতিটি অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস।

    তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। খানসামা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আবুল কালাম আজাদ জানান, তারা যথাসময়ে পৌঁছাতে পারায় আগুন বড় এলাকায় ছড়াতে পারেনি। তিনি জনগণকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও খোলা আগুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করেছেন। তিনি বলেন, অসতর্কতার কারণেই অনেক সময় এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদের খুশির মুহূর্তে এসব ক্ষয়ক্ষতি সত্যিই বেদনাদায়ক। সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এ ধরনের দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে ওই এলাকার মানুষ আগুনের আতঙ্কে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

    এম কে

  • কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচালেন

    কলার মোচা দেখিয়ে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচালেন

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক অনন্য সাহসিকতা ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন দিনমজুর এনামুল হক। রেললাইন ভাঙা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লাল কাপড়ের বিকল্প হিসেবে কলার মোচার লাল অংশ ব্যবহার করে সংকেত দেন তিনি। এতে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পঞ্চগড়গামী একটি আন্তঃনগর ট্রেন এবং এর শত শত যাত্রী।

    ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার  সকাল সাড়ে ৬টায় ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেললাইনের মধ্যবর্তী পূর্ব চণ্ডীপুর এলাকায়। এনামুল হক (৬৫) ওই গ্রামের মৃত ফজলুল হক সোনারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের তৃতীয় দিন ভোরে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় এনামুল লক্ষ্য করেন রেললাইনের প্রায় এক ফুট অংশ ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বড় ধরনের ট্রেন দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেন। আশেপাশে কোনো লাল কাপড় না পেয়ে তিনি উপস্থিত বুদ্ধিতে পাশের বাগান থেকে একটি কলার মোচা ছিঁড়ে নেন এবং এর লালচে পাপড়িগুলো একটি লাঠির মাথায় বেঁধে সংকেত হিসেবে লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে যান।ঠিক সেই মুহূর্তেই ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর ‍‍`পঞ্চগড় এক্সপ্রেস‍‍` ট্রেনটি ওই এলাকা অতিক্রম করছিল। দূর থেকে এনামুলের লাল সংকেত দেখতে পেয়ে ট্রেনের চালক নিরাপদ দূরত্বে ট্রেনটি থামিয়ে দেন।

    এর ফলে এক ভয়াবহ বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। এ সময় এনামুলের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রতিবেশী শাহিনুর পার্বতীপুর রেলওয়ে অফিসে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে রেলওয়ের প্রকৌশলী দল ও শ্রমিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেনটি পার করার ব্যবস্থা করেন। পরে রেললাইনটি স্থায়ীভাবে মেরামত করা হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    ফুলবাড়ী স্টেশন মাস্টার শওকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেললাইন ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই প্রকৌশলী টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর বিশেষ করে এনামুল হকের এই সচেতনতার কারণে একটি বড় ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ ঘটনার জন্য প্রায় আধা ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

    এম কে

  • পাম্পে তেল নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের কাহারোলে পাম্পে মোটরসাইকেলের তেল নিতে এসে ‌‘হিট স্ট্রোক’ করে এনায়েতুল করিম (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

    এনায়েতুল করিম বীরগঞ্জ উপজেলার সাঁতোর ইউনিয়নের সাঁতোর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

    তিনি কাহারোল উপজেলার ৪ নম্বর তারগাঁও ইউনিয়নের ইছাইল গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে পাম্পে তেল নিতে ঢোকেন। পরে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, এনায়েতুল করিম সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কাহারোল উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনের কাছে পৌঁছে দেখেন পাম্পে তেল দিচ্ছে। তিনি তেল নিতে মোটরসাইকেল নিয়ে পাম্পের ভেতরে প্রবেশ করেন। দীর্ঘসময় রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে একপর্যায়ে ঘামতে শুরু করেন।

    এসময় মোটরসাইকেলসহ মাটিতে পড়ে যান এনায়েতুল। তেলের জন্য অপেক্ষায় থাকা উপস্থিত জনগণ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার বর্মন জানান, তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এনায়েতুল করিম অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি আরও জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এম কে

  • ঘোড়াঘাটে ব্যাংক ম্যানেজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    ঘোড়াঘাটে ব্যাংক ম্যানেজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং অভিযুক্ত ব্যবস্থাপকের দ্রুত অপসারণসহ প্রশাসনিক শাস্তির দাবিতে আজ বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার সচেতন নাগরিক ও সর্বস্তরের সাংবাদিকদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি ঘোড়াঘাট পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক শাখা থেকে জনৈক সেবাগ্রহীতার কাছে একটি ভুল লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। এই স্পর্শকাতর বিষয়টি সম্পর্কে সত্যতা যাচাই এবং তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ব্যাংক ব্যবস্থাপক মনোয়ার হোসেনের সাথে সাক্ষাৎ করতে যান।

    তবে তিনি সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা না করে উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। উপস্থিত সংবাদকর্মীরা অভিযোগ করেন যে, ব্যবস্থাপক মনোয়ার হোসেন তাদের সাথে চরম কুরুচিপূর্ণ ও অপেশাদার আচরণ করেছেন যা পেশাগত মর্যাদাহানির শামিল।উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

    বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উক্ত ব্যবস্থাপক শুধু সাংবাদিকদের সাথেই নয়, বরং ব্যাংকে আসা সাধারণ মানুষের সাথেও প্রায়ই দুর্ব্যবহার করেন। তার এই একগুঁয়েমি ও অপেশাদার মনোভাবে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাংকের সেবার মান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।মানববন্ধন চলাকালীন বিক্ষুব্ধ বক্তারা অবিলম্বে উক্ত ব্যাংক ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

    তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সম্মানজনক সমাধান এবং অভিযুক্তের অপসারণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ছাড়াও এলাকার সচেতন নাগরিক এবং ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ব্যবস্থাপকের অপসারণ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

    এম কে