ক্যাটাগরি রংপুর

Rangpur district

  • উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    ডেস্ক নিউজঃ

    হঠাৎ বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে মদনখালী ও কুমেদপুর ইউনিয়নের বারুদহ এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কয়েক দিন ধরে পানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পাকা ও আধা পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকেরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে নিচ্ছেন, যাতে সম্পূর্ণ ক্ষতির হাত থেকে অন্তত কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।

    উপজেলার বগের বাড়ি গ্রামের কৃষক আবুল খায়ের বলেন, ‘দিন দিন পানি বাড়তেই আছে। আমরা বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কাটছি, না হলে সব পানির নিচে চলে যাবে।’

    একই এলাকার খয়ের বাড়ি গ্রামের তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’

    খয়ের বাড়ি গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, ‘পীরগঞ্জের স্লুইসগেটের জলকপাট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না। আমাদের ধান পুরো পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ বলেন, উজানের পানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।  শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।

    স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন।  একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন।

    তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।

    মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু আছেন। যাদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

    মিঠাপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও যায়। এ ঘটনায় দুইজন মারা গেছে। আহতদের মিঠাপুকুর ও রংপুরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। ওই এলাকার সব মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

    এম কে

  • আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার

    চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঘোষণা করা হবে। গত ৫ মার্চ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

    বিচারিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলায় ৩০ জন আসামির মধ্যে ছয়জন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন– সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী মো: আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ। দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ দেয়।

  • লোকজ ঐতিহ্যে মুখর চিলমারী, জমে উঠেছে ‘বউ মেলা’

    লোকজ ঐতিহ্যে মুখর চিলমারী, জমে উঠেছে ‘বউ মেলা’

    উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের চিলমারীর বালাবাড়ি হাটে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ‘বউ মেলা’। এ মেলাকে ঘিরে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য এবং নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিবছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নানকে কেন্দ্র করেই এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সরেজমিন শনিবার( ২৮ মার্চ) দুপুরে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে নববধূ ও গৃহবধূদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রঙিন শাড়ি, গয়না ও গ্রামীণ সাজে সজ্জিত নারীদের উপস্থিতিতে মেলায় তৈরি হয়েছে এক বর্ণিল পরিবেশ।

    মেলায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পসরা—হাতের তৈরি গহনা, মাটির তৈজসপত্র, নকশিকাঁথা, বাঁশ ও বেতের সামগ্রীসহ নানা রকম গ্রামীণ পণ্য। এছাড়া শিশুদের জন্য খেলনা, নাগরদোলা এবং বাহারি খাবারের দোকান দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে।

    উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাইদ হোসেন পাখী বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নানকে ঘিরে বালাবাড়ি হাটে এ ঐতিহ্যবাহী মেলা বসে আসছে। প্রায় ৪০০ বছরের এই প্রাচীন আয়োজনের অংশ হিসেবে স্নানের পরবর্তী দুই দিন এলাকায় বিশেষ উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় ‘জামাই মেলা’ এবং পরদিন ‘বউ মেলা’, যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও পারিবারিক বন্ধনের এক অনন্য প্রতিফলন।

    আয়োজকরা জানান, বালাবাড়ি হাটের এ মেলা একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। মূলত নারীদের জন্য বিশেষভাবে আয়োজন করা এই মেলায় তারা নিজেদের তৈরি পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ পান। এতে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথও সুগম হচ্ছে।

    মেলায় আসা সালেহা বেগম নামে এক গৃহবধূ বলেন, এই মেলায় এসে খুব ভালো লাগছে। এখানে আমরা নিজেদের তৈরি জিনিস বিক্রি করতে পারছি, আবার আনন্দও উপভোগ করছি।

    রংপুর থেকে আসা দোকানী রাবেয়া বেগম বলেন, প্রতিবারে অষ্টমীর আগের দিন আসি। অষ্টমীর দিনে ভালোই বিক্রি হয়েছে। এবারে বউ মেলায় তেমন কোন বিক্রি করতে পারিনি। এখানে এবারে অব্যবস্থাপনা রয়েছে। আশা করি, পরের বার যেন সরকারের ব্যবস্থাপনায় মেলাটি হয়।

    মেলার সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, আগামীতে এই মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটবে এবং এটি হয়ে উঠবে অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় আয়োজন।

    এম কে

  • পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আর্থিক সমস্যার কারণে পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে আজিমুল ইসলাম (২৪) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৪ এপ্রিল) তিনি মারা যান। ঘটনাটি ঘটেছে শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    মৃত আজিমুল ইসলাম শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ী গ্রামের অটোচালক ফজলুল হকের ছেলে।  আজিমুল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে এসে বাবা ফজলুল হকের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চান। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার বাবা টাকা দিতে পারেননি। এতে অভিমান করে আজিমুল নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    মায়ের তৎপরতায় রশি কেটে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

    আজিমুল ইসলামের মৃত্যুতে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকার মানুষ শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন। বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়।

    শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম সোহেল বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এভাবে চলে যাওয়া আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না। আর্থিক সংকটের কারণে তার চাহিদা পূরণ না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

    এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান নাঈম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

    এম কে
  • ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি : প্রশাসকের ৩৭৭ ও দলীয় ১২০০

    ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি : প্রশাসকের ৩৭৭ ও দলীয় ১২০০

    রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির কার্ড বণ্টন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অন্নদানগর ইউনিয়নে প্রশাসকের স্বাক্ষরিত একটি রেজুলেশনে প্রশাসকের নিজের জন্য ৩৭৭টি এবং ‘দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ জন্য ১২০০টি কার্ড বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কার্ডের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে বঞ্চিত হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

    এর আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের প্রশাসক বিজয় কুমার রায়ের গত ৫ মার্চের স্বাক্ষরিত একটি রেজুলেশনের কপি পাওয়া যায়। রেজুলেশনটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

    রেজুলেশনে দেখা যায়, ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ৪ হাজার ৭৯৭টি ভিজিএফ কার্ড বিভিন্ন খাতে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিয়ন প্রশাসকের জন্য ৩৭৭টি কার্ড এবং দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জন্য ১ হাজার ২০০টি কার্ড বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে।

    এ ছাড়া, ওয়ার্ডভিত্তিক বণ্টনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭০টি করে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭৫টি, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২৩০টি করে, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯০টি, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২৭০টি করে এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২৯০টি কার্ড বিতরণের কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনজন সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের জন্য পৃথকভাবে ২৭৫টি করে কার্ড বরাদ্দের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

    তবে ভিজিএফ কর্মসূচি মূলত দরিদ্র, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের তালিকা প্রণয়ন করে কার্ড বিতরণের কথা রয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় মোট ৪৮ হাজার ৩৯৭টি কার্ডের বিপরীতে ৪৮৩.৯৭০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কল্যাণী ইউনিয়নে ৪,০৩৬টি, পারুল ইউনিয়নে ৫,৯৮৬টি, ইটাকুমারী ইউনিয়নে ৪,০৮৬টি, অন্নদানগর ইউনিয়নে ৪,৭৯৭টি, ছাওলা ইউনিয়নে ৬,৩৮৬টি, তাম্বুলপুর ইউনিয়নে ৬,৩৮৬টি, পীরগাছা ইউনিয়নে ৭,০৯৮টি, কৈকুড়ী ইউনিয়নে ৫,২৮৬টি ও কান্দি ইউনিয়নে ৪,০৩৬টি কার্ড বরাদ্দ করা হয়েছে।

    এদিকে ভাগাভাগির রেজুলেশনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, ভিজিএফের মতো দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা কর্মসূচির কার্ড বণ্টনে এ ধরনের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা আদৌ সেই সুবিধা পাচ্ছেন কি না।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা ‘দলীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের’ জন্য নির্দিষ্ট কার্ড সংরক্ষণের বিধান সরকারি নীতিমালায় নেই। ফলে এমন রেজুলেশন তৈরি করা হলে তা নীতিমালার সঙ্গে অসামঞ্জস্য হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। কার্ড ভাগ বণ্টনের বিষয়টি প্রকাশ হলে রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কার্ডের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে বঞ্চিত হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

    পরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা চলে যান। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অন্নদানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমান। এ সময় তিনি হারুন অর রশিদ বাবু নামে এক স্থানীয় সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ হুমকি দেন।

    রেজুলেশনে উল্লেখিত কার্ড বরাদ্দের বিষয়ে জানতে অন্নদানগর ইউনিয়নের প্রশাসক বিজয় কুমার রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কার মাধ্যমে বিতরণ হলো সেটা বিষয় না। তবে সবাই যাতে সঠিকভাবে কার্ড পায় সে লক্ষে কাজ করছি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আলতাফ হোসেন বলেন, আমরা ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দ দিয়ে থাকি। পরে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে উপকারভোগীর তালিকা তৈরি করে বিতরণ করা হয়। এ ধরনের কোনো বিষয় আমার জানা নেই।

    পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক বলেন, ভিজিএফ কর্মসূচির চাল অবশ্যই দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করতে হবে। এভাবে কোনো ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো খাতে ভাগ করার সুযোগ নেই। বিষয়টি জানার পর প্রশাসককে পুনরায় সভা আহ্বান করে নীতিমালা অনুযায়ী উপকারভোগী নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এম কে

  • গণভোট উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারের সঙ্গে থাকবে না : আখতার

    গণভোট উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারের সঙ্গে থাকবে না : আখতার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণ কোনো সরকারের সঙ্গেই থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    তিনি বলেন, গণভোটকে যদি উপেক্ষা করা হয়, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি সরকারের সঙ্গেও থাকবে না।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়ায় মোফাজ্জল হোসেন মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলের আয়োজনে গণসংবর্ধনা ও গণ-ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আখতার হোসেন বলেন, গণঅভ্যুত্থান, গণভোট এবং জুলাই আদেশের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। জুলাই সনদের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

    তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণহত্যা ও বিচার প্রসঙ্গে বিএনপি এখনো স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরতে পারেনি। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

    গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে পরিমাণ ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে, তার চেয়ে বেশি মানুষের সমর্থন গণভোটের পক্ষে ছিল। সেই রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলতে পারে না।

    তার ভাষ্য, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ ও সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। অন্যথায় জনগণ রাজপথে নামবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

    বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আগে পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণতন্ত্রের আন্দোলন করা হলেও পরবর্তী সময়ে তারা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাউনিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুস সালাম সরকার। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম, নায়েবে আমির শেখ নজরুল ইসলাম, এনসিপি, জেলা ও উপজেলা নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারা।

  • বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে সমাহিত করার দাবি

    বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে সমাহিত করার দাবি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস। এই দিনে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রতিবছর ডিসেম্বরের ৯ তারিখ থেকে তিনদিনব্যাপী বেগম রোকেয়া দিবস পালন করা হয় পায়রাবন্দে।

    ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম নারীদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতে যে নারী অবদান রেখেছেন, সেই নারীর জন্মভিটে এখনও অন্ধকারে নিমজ্জিত। এবার পায়রাবন্দবাসীর প্রধান দাবি—ভারতের কলকাতার সোদপুর থেকে বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে এনে সমাহিত করার। অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্মৃতিকেন্দ্র চালু, দখলদারদের হাত থেকে ৫১ একর জমি উদ্ধার।

    একসময় কঠোর পর্দা প্রথা, নানা কুসংস্কার এবং কূপমণ্ডূকতায় ভরা ছিল পায়রাবন্দ। মেয়েরা বন্দিজীবন কাটাতো। ধীরে ধীরে সেই অবস্থা কেটে যাচ্ছে। এখন মেয়েদের বন্দি জীবনযাপন করতে হয় না। এখানকার মেয়েরা দলবেঁধে স্কুল-কলেজে যাচ্ছে। বাল্যবিয়েও কমে গেছে। নারীরা কঠোর পরিশ্রম করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

    ক্ষণজন্মা নারী বেগম রোকেয়া ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার সোদপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ তার দেহাবশেষ সেখান থেকে ফিরিয়ে আনার দাবি করেছিলেন। কিন্তু উপেক্ষিতই থেকেছে সেই দাবি। তবে এবার এই দাবি জোরালো হয়েছে। পায়রাবন্দবাসী বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে এনে সমাহিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

  • ঘুষের চুক্তি ১৫ লাখ, কম টাকা আনায় যে কাণ্ড শিক্ষা কর্মকর্তার

    ঘুষের চুক্তি ১৫ লাখ, কম টাকা আনায় যে কাণ্ড শিক্ষা কর্মকর্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের রৌমারী কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীর এমপিওভুক্তির জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয় রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের সাথে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত টাকা নিয়ে না আসায় ক্ষুব্ধ হয়ে মাইদুলকে দুদক ও পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।

    সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন মাইদুল ইসলাম। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি নগরীর কাচারিবাজার এলাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ঘুষের টাকাসহ পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ১৮ দিন কারাভোগ শেষে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

    সংবাদ সম্মেলনে মাইদুল ইসলাম বলেন, তার বাবা আব্দুর সবুর খানের দান করা এক একর জমিতে কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দৌড়ঝাঁপ করছিলেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের কথা হয়।

    মাইদুলের দাবি, গত ডিসেম্বর মাসে কার্যালয়ের সিঁড়িতে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের সাথে তার কথা হয়। এসময় প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য ছয় লাখ এবং কর্মচারীদের জন্য তিন লাখ টাকা করে দাবি করেন তিনি। পরে একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর জন্য মোট ১৫ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।

    মাইদুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা জোগাড় করে ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি নির্দেশনা অনুযায়ী সাত লাখ টাকা একটি উপহারের প্যাকেটে করে নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে অবস্থান করেন। তার ব্যাংক হিসাবে ছিল আরও এক লাখ টাকা। পরে দুপুরের দিকে রোকসানা বেগম তাকে অফিসে ডেকে কত টাকা এনেছেন জানতে চাইলে তিনি আট লাখ টাকার কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর রোকসানা বেগম সঙ্গে সঙ্গে তার স্বামী জাহেদুল ইসলামকে ফোন করে জানান, তিনি আট লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন। স্বামীর সাথে কথা বলার পরক্ষনই উত্তেজিত হয়ে তিনি অফিসের গাড়িচালক শফিকুল ইসলাম ও কম্পিউটার অপারেটর আশরাফ আলীসহ কয়েকজন কর্মচারীকে ডেকে আনেন এবং তার ব্যাগ থেকে জোর করে টাকা বের করে নেন।

    মাইদুল ইসলামের অভিযোগ, এ সময় রোকসানা বেগম তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোমার স্কুল শেষ করে ফেলব।’ পরে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করার জন্য নানা ধরনের চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    ঘটনার দিন রোকসানা বেগম সাংবাদিকদের জানান, মাইদুল ইসলামকে তিনি চেনেন না, তবে এর আগে একদিন তার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন।

    তবে মাইদুল ইসলামের দাবি, এর আগে ৫-৬ বার তিনি ওই কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। এবং তার সাথে এ বিষয় নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তার অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ, উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের মোবাইল ফোন, অফিস কর্মচারী আশরাফ ও গাড়ি চালক শফিকুলের মোবাইল ফোন চেক করা হলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম কালবেলাকে বলেন, ‘উনি (মাইদুল) এখন নিজেকে বাঁচানোর জন্য নানা ধরনের অভিযোগ তুলছেন। এ ঘটনায় দুদক বাদী হয়ে মামলা করেছে। এখন মামলা তদন্তাধীন আছে, তদন্তে যা আসবে তাই। এখন আমি আর কী বক্তব্য দেব?’

  • পীরগাছায় রাস্তা নিয়ে দুগ্রুপের সংঘর্ষ

    পীরগাছায় রাস্তা নিয়ে দুগ্রুপের সংঘর্ষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    রংপুরের পীরগাছায় সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

    সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার কল্যানী ইউনিয়নের নয়ানদীর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নয়ানদীর পাড় এলাকায় একটি সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল দখল করে রেখেছিল। ভুক্তভোগী শাহজাদা মিয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তাটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়। সোমবার সকালে প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু হলে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।