ক্যাটাগরি হবিগঞ্জ

Habiganj district

  • চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর শহরে রাস্তার দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

    অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে রাস্তার পাশে স্থাপিত অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে দেয়া হয় এবং দখলদারদের সতর্ক করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ ফারুক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত মিয়া প্রমুখ।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার বলেন, ‘আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারি আইন অমান্য করে কেউ সরকারি জায়গা দখল করলে পরবর্তীতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    এ,আর

  • হবিগঞ্জ-১  মনোনয়ন প্রত্যাহার  জামায়াতের:  ড. রেজা ও শেখ সুজাতের মাঝে সমঝোতা

    হবিগঞ্জ-১ মনোনয়ন প্রত্যাহার জামায়াতের: ড. রেজা ও শেখ সুজাতের মাঝে সমঝোতা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ গতকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। এনিয়ে বিএনপির মধ্যে ভাঙ্গনের সুর বাজতে শুরু করেছে। এ ব্যাপারে শেখ সুজাত মিয়া বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া’কে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ড. রেজা কিবরিয়া’কে নির্দেশ দিয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দলের কার্যালয়ে আমার সাথে সমঝোতায় বসবেন। কিন্তু সকাল থেকে অপেক্ষা করার পরও তিনি বা তার কোন প্রতিনিধি নির্ধারিত সময়ে না আসায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। তিনি সন্ধ্যা ৬ টায় দলীয় কার্যালয় গোল্ডেন প্লাজায় আসেন এবং উনার কথা বার্তায় উপস্থিত দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ফলে কোন সমঝোতা হয়নি।
    এদিকে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া দলীয় নেতাকর্মীসহ সন্ধ্যায় বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার সাথে স্বাক্ষাত করতে দলীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের’কে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বিদায় নেন। এর আগে বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সরফরাজ চৌধুরী, নবনির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি বয়েত উল্লা, সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রহমান মজিদ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান অলি শেখ সুজাত মিয়ার মিটিংয়ে উপস্থিত হন। তবে ওই মিটিংয়ে তাদেরকে কোন কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। বরং ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়ায় তারা বের হয়ে আসেন। ফলে হবিগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের মাঠে নতুন সমিকরণ দেখা দিয়েছে। লড়াই হচ্ছে দ্বিমূখী। এদিকে হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিশের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরীকে দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত করায় দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোঃ শাহাজাহান আলী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী তাদের প্রার্থী মোঃ শাহাজাহান আলী’কে প্রার্থী হিসেবে বহাল রাখার দাবিতে প্রায় দুই ঘন্টা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক আউশকান্দি এলাকায় অবরোধ ও প্রার্থীকে মহাসড়কে আটকে রাখেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বিকাল ৪টার দিকে অবরোধ থেকে প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলীকে মুক্ত করে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্য্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকাল ৫টার ১ মিনিট পূর্বে হবিগঞ্জ রিটানিং অফিসারের কার্য্যালয়ে প্রস্তাবকারী ও সর্মথনকারীসহ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন। নবীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আশরাফ আলী জানান, প্রার্থীতা বহাল রাখার দাবীতে কিছু নেতাকর্মী ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে জামায়াতের প্রার্থীকে আটকে রাখে, পরে আমরা তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হলে তাকে অবরোধ মুক্ত করা হয়। এরপর তিনি দ্রুত হবিগঞ্জ জেলা রির্টানিং অফিসারের কার্য্যালয়ে পৌছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। হবিগঞ্জ-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোঃ শাহজাহান আলী বলেন, আমি দলের প্রতি অনুগত্য স্বীকার করে বড় ধরনে ত্যাগ শিকার করেছি। কারন সব ধরনের জনমত জরিপে আমি এগিয়ে ছিলাম তবুও দলের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। উল্লেখ্য যে হবিগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিশের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মীরপুরীকে জোট প্রার্থী হিসেবে চুড়ান্ত করা হয়েছে।

  • জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে হামলা

    জামায়াত আমিরের গাড়িবহরে হামলা

    সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ও হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাসিমনগর বাজারের কাছে দুর্বৃত্তরা তার গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে যায়। তবে এতে কেউ আহত হননি।

    মাওলানা মুখলিছুর রহমান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গণসংযোগ শেষে ফিরছিলাম। হঠাৎ গাড়ির দিকে ইট ছোড়া হয়। আমরা তখন গাড়িতে ছিলাম না। হামলাকারীদের পরিচয় জানি না। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।”

    হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএনএম সাজিদুর রহমান জানান, “ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এদিকে এই হামলার প্রতিবাদে স্থানীয়ভাবে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের নেতারা বলেন, “পরিকল্পিত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় প্রশাসনকে এর দায় নিতে হবে।”

  • চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তাকে মারধোর করে ঘরে আগুণ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

    চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তাকে মারধোর করে ঘরে আগুণ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং লস্করপুর ইউনিয়নের চরহামুয়া গ্রামে গৃহকর্তা আব্দুস শহীদ (৭০)কে মুখোশধারী দুবৃত্তরা পিটিয়ে আহত করেছে। এছাড়াও তার ঘরে আগুন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। গুরতর আহত অবস্তায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এনিয়ে এলাকা জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের মোঃ আব্দুস শহীদ প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাওয়া শেষ করে পরিবারের লোকজন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে একদল মুখোশধারী দুবৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এসময় গৃহকর্তা জাগ্রত হলে তাকে বেধরক মারপিট করে অন্যন্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। যাওয়ার সময় মুখোশধারী দুবৃত্তরা হুমকি ধামকি দিয়ে বলে তর ছেলে মোঃ শাহমীর মিয়া দেশে আসলে হত্যা করে লাশ ঘুম করে ফেলে দিব। শুধু তাই নয়, ঘর থেকে বের হয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। ঘরে থাকা লোকজনের শোর চিৎকার শুণে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গুরতর আহত অবস্তায় আব্দুস শহীদকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।

  • নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বন কর্মকর্তাকে মারধর করে চোরাই গাছ ও কাঠ বিক্রির নিলাম বন্ধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বন কর্মকর্তা আজ বুধবার চুনারুঘাট থানায় মামলা করেছেন।

    মামলায় আসামি করা হয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান (৪৫) ও আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে। সাইফুল হবিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক শাম্মি আক্তারের ছোট ভাই।

    অভিযোগের বিষয়ে শাম্মি আক্তার  বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক এক মেয়রের ভাই। বন কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমার ভাইকে এ ঘটনায়

    মামলার এজাহারে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, কালেঙ্গা ও রঘুনন্দন বন রেঞ্জের জব্দ করা ২৯টি লট গাছ ও কাঠ বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়। চুনারুঘাটের সহকারী বন সংরক্ষকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নিলাম শুরু হয়। এ সময় শ্রমিক দলের নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম খান ও বিএনপি নেতা মো. সাইফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা নিলামের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি রেঞ্জার সৈয়দ আশিক আহমেদকে নিলাম বন্ধ করে তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম চালাতে বলেন। এ নিয়ে বন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল ও জাহাঙ্গীর বন কর্মকর্তা সৈয়দ আশিককে মারধর শুরু করেন। তাঁরা বন কর্মকর্তাকে বলেন, ‘তুই কে এ নিলাম ডাকার? লাথি মেরে তোর সব দাঁত ভে

    দিব।’ এ সময় আশপাশে থাকা অন্য বন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে এসে সৈয়দ আশিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, হামলার এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর আলম ডেপুটি রেঞ্জারের প্যান্টের পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার আগে নিলাম কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং মামলা করলে খুন করে ফেলার হুমকিও দেন।

  • নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    নিলাম চলাকালে বন কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বন কর্মকর্তাকে মারধর করে চোরাই গাছ ও কাঠ বিক্রির নিলাম বন্ধের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বন কর্মকর্তা আজ বুধবার চুনারুঘাট থানায় মামলা করেছেন।মামলায়

    আসামি করা হয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান (৪৫) ও আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে। সাইফুল হবিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক শাম্মি আক্তারের ছোট ভাই।

    অভিযোগের বিষয়ে শাম্মি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক এক মেয়রের ভাই। বন কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমার ভাইকে এ ঘটনায় জড়িয়েছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। চুনারুঘাটে আমি বা আমার পরিবারের কেউ কোনো অন্যায় কাজে জড়িত নই।’

  • গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    গুলি ছুড়ে প্রহরীদের ভয় দেখিয়ে বনের গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

    হবিগঞ্জে বনে ঢুকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও বনপ্রহরীদের ভয় দেখিয়ে ২০ থেকে ২৫টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বনাঞ্চল রেমা–কালেঙ্গায় এ ঘটনাটি ঘটে।

    বন বিভাগের হবিগঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের জনবল কম। যে কারণে ৫০ থেকে ৬০ জনের বনদস্যু দল বনের ভেতরে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক তৈরি করে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

    ১ হাজার ৮০০ একর আয়তনের এই সংরক্ষিত বনের ভেতরে সেগুনগাছসহ নানা প্রজাতির গাছগাছালি রয়েছে। সম্প্রতি এ বনের গাছ কেটে নেওয়াসহ নানা অপরাধের ঘটনা ঘটছে।

    বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বনের হিমানিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। তারা বনে ঢুকে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। গুলির আওয়াজ শুনে বনপ্রহরীরা এগিয়ে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করেও গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় প্রহরীরা পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে বনদুস্যদের তাড়া খেয়ে বনপ্রহরীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা বনের ভেতর থেকে একে একে ২০ থেকে ২২টি সেগুনগাছ কেটে ট্রাক্টরে নিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে আজ শুক্রবার সকালে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    রেমা–কালেঙ্গা বন কর্মকর্তা (রেঞ্জার) আবদুল খালেক বলেন, প্রহরীদের লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে তাঁরা পিছু হটেন। কারণ, এ সময় মাত্র তিন প্রহরী দায়িত্বরত ছিলেন। এর বিপরীতে দুর্বৃত্তরা ছিল বেশ সংঘবদ্ধ। বন কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বনদস্যুরা বেশি গাছ নিতে পারেনি। সেগুন ও আকাশমণি জাতের ২০ থেকে ২২টি গাছ নিয়ে গেছে। আমরা কিছু উদ্ধার করতে পেরেছি। দুর্বৃত্তরা আধুনিক করাত ব্যবহার করে। এই করাত দিয়ে তিন থেকে চার মিনিটে একটি কাছ কাটা যায়।’

    হবিগঞ্জ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, এত বড় বন কমসংখ্যক জনবল দিয়ে সংরক্ষণ করা কঠিন। এ ছাড়া বনের কর্মকর্তা ও বনপ্রহরী সবাই এ বনে নতুন যোগদান করেছেন। যে কারণে তাঁরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই এ ঘটনাটি ঘটে। তিনি বলেন, কী পরিমাণ গাছ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা, তা নির্ণয় ও তদন্তকাজ চলছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

  • রেজা কিবরিয়ার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন বিএনপি নেতা সুজাত

    রেজা কিবরিয়ার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন বিএনপি নেতা সুজাত

    হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা শেখ সুজাত মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গতকাল সোমবার তাঁরা দুজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তফসিল অনুযায়ী, গতকাল ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।

    রেজা কিবরিয়া সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে। এই আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া, তবে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। গতকাল দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর শেখ সুজাত মিয়া বলেন, ৩৬ বছর ধরে তিনি এলাকার মানুষের পাশে কাজ করে আসছেন। এলাকার মানুষ তাঁকে পাশে পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। সে কারণেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

    তবে শেখ সুজাত মিয়ার প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে রেজা কিবরিয়া কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    রেজা কিবরিয়ার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার জলালশাপ গ্রামে। তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এবার তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন।

  • ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলা সেই নেতার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

    ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’ বলা সেই নেতার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

    হবিগঞ্জে ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম’ বলে আলোচনায় আসা মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মোড়টি অবরোধ করায় কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মাহদী হাসানকে আটক করে পুলিশ। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জের সদস্য সচিব এবং হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ এলাকায়।

    সরেজমিন দেখা যায়, শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে অবস্থান নিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সেখানে তাঁরা আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এর মধ্যে একটু পর পর তাঁরা ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘মুক্তি মুক্তি চাই, মাহদীর মুক্তি চাই’ এমন স্লোগান দিচ্ছেন।

    মাহদীকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম এক ফেসবুক পোস্টে সংগঠনের নেতা–কর্মীদের শাহবাগে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে সবাইকে শাহবাগে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’এই পোস্টের পরপরই রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ অবরোধ করেন তাঁরা।

    মাহদী হাসানকে আটক করার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ ক‌রে থানার ভেত‌রে অবস্থান কর‌ছেন। সেখানে অতিরিক্ত পু‌লিশ মোতায়েন করা হ‌য়ে‌ছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আটক করে থানায় নিয়ে আসে শায়েস্তাগঞ্জ থানা–পুলিশ। এনামুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এনামুলকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা তাঁর মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার দুপুরে থানা ঘেরাও করেন। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কক্ষে অবস্থান নেন। এ সময় ওসির সঙ্গে মাহদী হাসানের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

  • হবিগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক বৈষম্যবিরোধী নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

    হবিগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক বৈষম্যবিরোধী নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

    হবিগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এক নেতাসহ তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শহরের চৌধুরী বাজার এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর এলাকার বাসিন্দা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক (সাকিব) (২৪), উমেদনগর (পুরানহাটি) এলাকার শিহাব আহমেদ (২০) ও সদর উপজেলার নছরপুর গ্রামের মো. মোশারফ (১৯)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হকের নেতৃত্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা গতকাল রাতে শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার ‘আল মদিনা ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যান। তাঁরা প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ শেখ জামাল মিয়ার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হলে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে যান। পরে তাঁদেরকে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আটকে রাখেন। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। তারা দোকানের সামনে হট্টগোল দেখে সেখানে যায়। এ সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক অভিযোগ করলে সেনাবাহিনী তিনজনকে আটকের পর সদর থানায় হস্তান্তর করে।

    এ বিষয়ে কথা বলতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি সাড়া দেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংগঠনটির এক নেতা বলেন, এনামুল হক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দল থেকে কয়েক মাস আগে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি একই অভিযোগে কয়েক মাস আগে কারাভোগও করেছেন।

    সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন  বলেন, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শেখ জামাল মিয়া তিনজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেছেন। পরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বুধবার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।