Blog

  • মির্জা ফখরুল দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘মব ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসতে হবে

    মির্জা ফখরুল দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘মব ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসতে হবে

    ডেস্ক নিউজ,

    গণতন্ত্রের প্রধানতম কথা হচ্ছে, আপনাকে অন্যের মত সহ্য করতে হবে। আমি কথা বলব, আপনার কথা সহ্য করব না, পিটিয়ে দেবো, মব ভায়োলেন্স তৈরি করব, কিছু মানুষ জড়ো করে বলব যে ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, তাকে মেরে ফেলো পিটিয়ে, দিস ইজ নট ডেমোক্রেসি।

    দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘মব ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ বুধবার দুপুরে গুলশানে লেকশোরে এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি’ শীর্ষক সংকলিত গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে, গণঅভ্যুত্থানের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রের প্রধানতম কথা হচ্ছে, আপনাকে অন্যের মত সহ্য করতে হবে। আমি কথা বলব, আপনার কথা সহ্য করব না, পিটিয়ে দেবো, মব ভায়োলেন্স তৈরি করব, কিছু মানুষ জড়ো করে বলব যে ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও, তাকে মেরে ফেলো পিটিয়ে, দিস ইজ নট ডেমোক্রেসি।’

    তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসির মূল কথাটা হচ্ছে, আমি তোমার সাথে একমত নাও হতে পারি। কিন্তু তোমার মত প্রকাশের যে স্বাধীনতা, তাকে আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করব। দ্যাট ইজ ডেমোক্রেসি। দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা এখানে অন্যের মতকে সহ্য করতে চাই না, আমরা তাকে উড়িয়ে দিতে চাই। এই জায়গা থেকে আমাদের সরে আসতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা টেকসই একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে না চাই, তাহলে গণতন্ত্রকে আমাদের এখানে প্রতিপালন করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মাণ করতে হবে।’

    ‘কোন দল, কে জিতল, কে হারলো- এটা জরুরি নয়, জরুরি হচ্ছে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানটা শক্তিশালী হলো কিনা, আমাদের জুডিশিয়ারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট কিনা, আমাদের মিডিয়া ইন্ডিপেন্ডেন্ট কিনা, আমাদের পার্লামেন্ট ইফেক্টিভ কিনা, আমাদের দেশ আইনের শাসনে চলছে কিনা, সুশাসন চলছে কিনা, মানুষের সামাজিক মর্যাদা সুরক্ষা এবং মানবাধিকার আমরা রাখতে পারছি কিনা, এই বিষয়গুলোকে নিয়েই আমাদের ভবিষ্যতে কাজ করতে হবে।’

    ‘গণতন্ত্রের মোর্চা গড়তে হবে’

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন আসছে। বিএনপির ওপরে দায়িত্ব বেশি পড়ছে। বিএনপিকে সত্যিকার অর্থেই এমন একটা মোর্চা গড়ে তুলতে হবে, যে মোর্চা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে অতীতে, লড়াই করবে এবং গণতন্ত্রকে এখানে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এই মোর্চাই আমাদের এখানে গড়তে হবে।’

    এ/ আর ১৯ নভেম্বর

  • ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা ও কারিগরি জটিলতার কারণে যোগদান করতে পারেননি কিছু সংখ্যক প্রার্থী। এই প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছিলেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে এনটিআরসিএ। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই এদের প্রতিস্থাপন করা হবে।

    সূত্র জানায়, ভুল চাহিদায় ৪০০টির বেশি আবেদন জমা পড়লেও প্রতিস্থাপনের জন্য ৩২০টি আবেদন চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এই প্রার্থীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই প্রতিস্থাপন করা হবে।

    এর আগে বিষয়ে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ভুল চাহিদায় যারা সুপারিশ পেয়েছেন তাদের আবেদন জমা পড়েছে। তাদেরকে কীভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় সে বিষয়ে এনটিআরসিএ কাজ করে যাচ্ছে।

    অপরদিকে প্রার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তারা ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা, প্যাটার্নজনিত সমস্যা, নন-এমপিও পদে বা বিষয়ভিত্তিক অসামঞ্জস্যের কারণে যোগদান করতে পারেননি। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভুগছেন।

    এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া এক স্মারকলিপিতে তারা বলেছিলেন হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ সপারিশ বিজ্ঞপ্তি-সুপারিশকৃত বিষয়ে কোনো শূন্যপদ নেই বা ২০২৬-২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পদশূন্য হবে, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো বা আমাদের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারিনি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে যেখানে প্যাটার্ন জনিত সমস্যার কারণে যোগদান করতে পারিনি, কেউ আবার নন এমপিও পদে, আবার কেউ জেনারেল থেকে টেকনিক্যাল এ সপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।প্রার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলো ছিলো: ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিস্থাপনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের নভেম্বরের মধ্যেই প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নতুন যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হবে সেসব প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদগুলো যথপোযুক্ত যাচাই বাছাই করে নির্ভুল পদে সুপারিশ করার অনুরোধ করছি। আমাদের নিজ উপজেলায়-জেলায় প্রতিস্থাপন করার অনুরোধ করছি।
    বি/এ

  • আজ মীর নিসার আলী তিতুমীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ মীর নিসার আলী তিতুমীরের মৃত্যুবার্ষিকী

    ডেস্ক নিউজ:

    বিপ্লবী ও বিদ্রোহী মীর নাসির আলী বেশি পরিচিত শহীদ তিতুমীর হিসেবে। তিনি শুধু ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধেই লড়াই করেননি, তিনি বাংলার জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন তার বাঁশের কেল্লা থেকে। ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মীর নিসার আলী তিতুমীরের নাম উজ্জল হয়ে আছে। আজ এই বিপ্লবীর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি সর্বপ্রথম ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াই করে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। মীর নিসার আলী তিতুমীর ১৭৮২ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বারাসত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ মীর হাসান আলী এবং মা আবিদা রোকেয়া খাতুন।গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণের পর তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। কোরান ও হাদিস বিষয়ে অল্প বয়সেই তিনি পাণ্ডিত্য লাভ করেন।পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে মক্কায় অবস্থানকালে তিতুমীর মুক্তি সংগ্রামের পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি সমাজ সংস্কারে আত্মনিয়োগ করেন।

    তিতুমীর জীবন শুরু করেছিলেন একজন সমাজ ও ধর্মীয় সংস্কারক হিসাবে। তখন মুসলমান সমাজে যেসব বিদআত (এমন রীতি যা ইসলামসম্মত নয়) এবং শিরক্ (আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে সাব্যস্ত করা বা তার উপাসনা করা) ঢুকে গিয়েছিলো, সেগুলোকে দূর করার উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি তার কাজ শুরু করেছিলেন।

    কিন্তু এই ধর্মীয় এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট পরে একটা অর্থনৈতিক এবং ব্রিটিশ বিরোধী প্রেক্ষাপটে পরিণত হয়েছিলো।

    তিতুমীর হিন্দু ও মুসলমান কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করেন এবং জমিদার ও ব্রিটিশ নীলকরদের বিরুদ্ধে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে উৎসাহিত করেন। ২৪ পরগণা ও নদীয়ার অনেক কৃষক তার ডাকে সাড়া দিয়ে তার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    কৃষকদের নিয়ে তিতুমীরের আন্দোলন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গণ আন্দোলনে রূপ নেয়। তিতুমীরের আন্দোলন, সংগ্রাম, কর্মকাণ্ড এবং জীবনাদর্শ সব কিছুকেই আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে ঔপনিবেশিক পটভূমিতে।

    এই বাংলায় ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পলাশী যুদ্ধে জয়ী হবার সুবাদে প্রথম রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং সেখান থেকেই ক্রমাগত সারা উপমহাদেশে তাদের রাজ্যসীমা সম্প্রসারিত হয়। আবার এই বাংলা থেকেই ইংরেজ রাজত্বের বিরুদ্ধে শুরু হয় প্রতিরোধ আন্দোলন। একাধিক এবং অসংখ্য প্রতিরোধ আন্দোলন হয়েছে বাংলায় ইংরেজ রাজত্বের বিরুদ্ধে।

    ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনগুলোর পটভূমিতে একটি উজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে তিতুমীরের সংগ্রাম।

    প্রজাদের ওপর অত্যাচারের প্রতিকার তিতুমীর করতে চেয়েছিলেন শান্তিপূর্ণভাবে ও সমঝোতার মাধ্যমে। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে বারাসাতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। কোম্পানির বিরুদ্ধে এটাই ছিলো তার প্রথম বিদ্রোহ।

    তিনি ২৪ পরগণার কিছু অংশ, নদীয়া ও ফরিদপুরের একাংশ নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করেন। এই বিদ্রোহ ‘বারাসাতের বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহে ৮৩ হাজার কৃষক সেনা তিতুমীরের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন।

    তার আন্দোলনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য, শেষ পর্যন্ত পরিণত হয়েছিলো উপনিবেশ বিরোধিতায়। এবং এই উপনিবেশ বিরোধিতা করতে গিয়ে, ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে নিজের শক্তি পরীক্ষা করতে গিয়ে, তিনি কখনও ভাবেননি যে তিনি অত্যন্ত অসচ্ছল, ক্ষুদ্র একটি শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং তার বিপরীতে আছে বিরাট, বিশাল, শক্তিধর ইংরেজ রাজশক্তি। বারাসাত বিদ্রোহের পর তিতুমীর বুঝতে পারেন ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ অনিবার্য।

    ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বারাসাতের কাছে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে সেখানে অস্ত্র জমা করেন। বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তিনি ও তার অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন।

    তার আন্দোলনের একটি বড় প্রতীকী তাৎপর্য ছিলো অন্যায়, এবং শাসকবর্গের অসঙ্গত শোষণের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়সঙ্গত অবস্থান নিয়ে দাঁড়ানো এবং প্রতিবাদে জ্বলে ওঠা।

    তিতুমীরের আন্দোলনের দ্বিমাত্রিক একটা তাৎপর্য রয়েছে। তিনি শুধু উপনিবেশ বিরোধী আন্দোলন করেছেন একথা বললে তার অবদানকে কিছুটা সীমিত করা হয়, খণ্ডিত করা হয়। সমাজে অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, আন্দোলন ও সংগঠন- সেসব ব্যাপারে তার যে অবদান ছিলো, ঐটিই সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।

    ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে পদাতিক বাহিনী, অশ্বারোহী ও বন্দুকধারী সৈন্যদের একটি বিশাল বাহিনী পাঠায় ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি তিতুমীরের সঙ্গে লড়াইয়ের লক্ষ্যে। নারিকেলবাড়িয়ায় ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে ভীষণ যুদ্ধ হয়।

    ব্রিটিশ সৈন্যরা চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে তাদের বাঁশের কেল্লা। তিতুমীর তার অনুসারীদের অভয় দিয়ে বলেন মৃত্যুকে ভয় পলে চলবে না। এই লড়াই আমাদের শেষ লড়াই নয়। আমাদের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েই এ দেশের মানুষ দেশ উদ্ধার করবে। এই লড়াইয়ের পথ ধরেই একদিন দেশ স্বাধীন হবে।

    ইংরেজদের কামানের গোলাবর্ষণে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা। তিতুমীর ও তার চল্লিশজন সঙ্গী যুদ্ধরত অবস্থায় সেই বাঁশের কেল্লাতেই প্রাণ হারান।

    তিতুমীরের এই আন্দোলন, দেশপ্রেম আর আত্মত্যাগ সব স্বাধীনতাকামীদের মনে প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।
    বি/এ

  • আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) শেষ হচ্ছে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলাফলে জিপিএ পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তিনদিন সময় বাড়ানোর পর আজ মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আবেদনের পর ফি রশিদ বুঝে নেওয়ার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভর্তি কমিটি।

    ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষার্থীকে আবেদনকৃত ইউনিট-এর আবেদন ফি প্রাপ্তি রশিদ বুঝে পেয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আবেদনের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার পর, আর কোনোভাবেই পেমেন্ট করার সুযোগ থাকবে না।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে সময় বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন গত ২৯ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

    ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৬ নভেম্বর উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এ অবস্থায়, ফলাফল পরিবর্তনের ফলে নতুনভাবে আবেদনের যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সুযোগ হতে বঞ্চিত না হয়, সেই প্রেক্ষিতে ভর্তিসংক্রান্ত অন্যান্য সকল তারিখ অপরিবর্তিত রেখে অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা তিন দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    আগামী ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে ভর্তিচ্ছুরা আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম’-এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ ‘চারুকলাভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ ডিসেম্বর, বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ২০ ডিসেম্বর, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ২৯ নভেম্বর এবং আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

    বি/এ

  • জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা একদিন আগেই দিল্লিতে

    জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা একদিন আগেই দিল্লিতে

    বিডিনিউজ : কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভে (সিএসসি) যোগ দিতে বুধবার দিল্লিতে যাওয়ার কথা ছিল জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের। তবে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি একদিন আগে আজই (মঙ্গলবার) ভারতের রাজধানীতে গেছেন।

    জানা গেছে, খলিলুর রহমান সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর দিল্লিতে পৌঁছেছেন। ভারতের ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

    আগামী বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত হবে সিএসসির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সপ্তম সম্মেলন। সেখানে অংশ নিয়ে ওই দিন বিকেলেই খলিলুর রহমানের দিল্লি ছাড়ার কথা রয়েছে।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভারতের রাজধানী দিল্লিতেই অবস্থান করছেন।

    রায়ের পর দিল্লিতে পালিয়ে থাকা হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে ভারত রায়ের বিষয়টি ‘নজরে এসেছে’ বললেও হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে। এমন এক সময়েই একদিন আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান দিল্লিতে পৌঁছালেন।

    দিল্লি অবস্থানকালে ভারত সরকারের সঙ্গে হাসিনার বিষয়ে তার কোনো আলোচনা হয় কিনা, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা রয়েছে

  • অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪২৩ প্রাণ: বিআরটিএ

    অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪২৩ প্রাণ: বিআরটিএ

    ডেস্ক নিউজ:

    সড়কে প্রাণহানি থামছেই না। গত অক্টোবর মাসে সারাদেশে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৪২৩ জন মানুষ। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন ৫৮৯ জন মানুষ।

    বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদের সম্প্রতি স্বাক্ষরিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিআরটিএ’র বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে সারাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়।

    এসবের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় ১০৯ জন নিহত ও ১৬৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৮টি দুর্ঘটনায় ৮৯ জন নিহত ও ১৮৮ জন আহত হয়েছেন; রাজশাহী বিভাগে ৫৪টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৪৪ জন আহত হয়েছেন; খুলনা বিভাগে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন; বরিশাল বিভাগে ২৯টি দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৫৯ জন আহত হয়েছেন; সিলেট বিভাগে ২৩টি দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ৪১ জন আহত হয়েছেন; রংপুর বিভাগে ৫১টি দুর্ঘটনায় ৪৮ জন নিহত ও ৪৫ জন আহত হয়েছেন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছেন।

    অক্টোবর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত মোটরযানের মধ্যে মোটরকার বা জিপ ১৫টি, বাস বা মিনিবাস ১১৪টি, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান ১২৪টি, পিকআপ ৩১টি, মাইক্রোবাস ২৩টি, মোটরসাইকেল ১৬৪টি, ভ্যান ২২টি, ট্রাক্টর ৫টি, ইজিবাইক ২৭টি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ১১টি, অটোরিকশা ৪১টি ও অন্যান্য যান ১১৮টিসহ সর্বমোট ৬৯৫টি যানবাহন রয়েছে।

    এসবের মধ্যে মোটরকার বা জিপ দুর্ঘটনায় ২ জন, বাস বা মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৬৪ জন, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৪৮ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ১১ জন, মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৮ জন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩০ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ২১ জন, ট্রাক্টর দুর্ঘটনায় ১ জন, ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ১৭ জন, ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় ১১ জন, অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৩২ জন ও অন্যান্য যান দুর্ঘটনায় ৯৬ জনসহ সর্বমোট ৪২৩ জন নিহত হয়।

    আর খান

  • চৌগাছায় মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি নেতার শোডাউন

    চৌগাছায় মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি নেতার শোডাউন

    চৌগাছা প্রিতিনিধ

    যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি নেতা চৌগাছা উপেজলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম মোটর সাইকেল শোডাউন করেছেন। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে চৌগাছা ও ঝিকরগাছার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।

    স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী মোটরসাইকেল নিয়ে এতে অংশ নেন। শোডাউন চলাকালে নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগান ও ব্যানার-পোস্টার বহন করে জহুরুল ইসলামের প্রতি মনোনয়নের সমর্থন জানান।

    নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সাথে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সক্রিয় রেখেছেন জহুরুল ইসলাম। তাই যশোর-২ আসনে স্থানীয় যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান তারা।

    এসময় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হুসাইন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মতিউর রহমান মন্টু, পৌর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর শাহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সদস্য ও উপজেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান পলেন, ফুলসারা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, বিল্লাল হোসেন, পাশাপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ড. জহুরুল হক, স্বরুপদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মালেক, হাকিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু ছার, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার আলী আকবার, সাধারণ সম্পাদক কবীর উদ্দিন বাবলু, জগদীশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মহিদুল ইসলাম, নারায়নপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কফিল উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালাম, বিএনপি নেতা মজনুর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক সোহেল রানা, কবির হোসেন, কামাল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম-আহবায়ক আরিফ হোসেন অপু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা মাষ্টার কামরুল ইসলাম, এম ইলিয়াস আলী, উজ্জ্বল হোসেন, শিমুল রহমান, নাজমুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আজগর আলী, সহ-সভাপতি বিএম ইকলাচ, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর রহমান শাহিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, ফারুক হোসেন, সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির, জেলা ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক বিএম বাবু, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, নারায়নপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাসুদ রানা পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা মাজিদুল ইসলাম, ইমরান নাজির, ইমরান হোসেন, নারায়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, মারুফ হোসেন, রোবায়েত সালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে একইদিন বিকেলে ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত তারুন্যের সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন যশোর-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা বিএনপির সদস্য ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম।
    বি/এ

  • নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণায় খরচ হবে ২৫ কোটি টাকা

    নির্বাচনী প্রচার–প্রচারণায় খরচ হবে ২৫ কোটি টাকা

    ডেস্ক নিউজ:

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রচার–প্রচারণায় ২৫ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার। মূলত জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৩০০টি উপজেলায় টিভিসি, ভিডিও ডকুমেন্টারি ইত্যাদি তৈরি করে প্রচারের জন্য এলইডি অ্যাকটিভেশন ক্যারাভানের মাধ্যমে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এ–সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, এ–সংক্রান্ত কাজ নভেম্বরে শুরু করার নির্দেশনা থাকায় সময় স্বল্পতার জন্য উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা সম্ভব নয়। তাই রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিপিআর) অনুসারে ব্র্যান্ড সলিউশন লিমিটেডকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে নিয়োগের ক্রয় প্রস্তাব নিয়ে আসে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা পরিষদ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

    এদিকে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে যথাসময়ে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৩ লাখ টন চাল আমদানির লক্ষ্যে পিপিআর অনুসারে দরপত্র দাখিলের সময়সীমা পত্রিকা বিজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ হতে ৪২ দিনের পরিবর্তে ১৫ দিন নির্ধারণ করার একটি প্রস্তাব নিয়ে আসে খাদ্য মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

    খান

  • অন্ধকার কবরে নিরাপদে থাকবেন যারা

    অন্ধকার কবরে নিরাপদে থাকবেন যারা

    ডেস্ক নিউজ:

    মৃত্যু এমন এক সঠিক সত্য, যেখান থেকে কেউ পালাতে পারে না। মানুষ দুনিয়ায় যত ব্যস্তই থাকুক, শেষ অবধি তাকে নামতে হবে সেই নীরব ঘরে—কবরের অন্ধকারে। কবরই আখিরাতের প্রথম মনজিল; এখানেই শুরু সুখের যাত্রা বা দুঃখের পরীক্ষা। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—সবাইকে সেখানে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে না। কিছু সৌভাগ্যবান আল্লাহর বিশেষ রহমতে কবরের ফিতনা ও প্রশ্ন থেকে মুক্ত ও নিরাপদ থাকবেন।

    কে তারা? কেন তারা বিশেষ মর্যাদা পাবেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) কয়েক শ্রেণির লোকের কথা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। তাদের পরিচয় জানলে মনে আলো জ্বলে ওঠে, দুনিয়ার কষ্টও সহজ মনে হয়। যেসব সৌভাগ্যবান ব্যক্তিকে কবরের প্রশ্ন করা হবে না, তারা হলেন-

    ১. যারা ইসলামি ভূখণ্ড বা সীমান্ত পাহারা দিতে গিয়ে মারা যান

    হযরত সালমান ফারেসি (রা.) বলেন, আমি শুনেছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-

    رِبَاطُ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ خَيْرٌ مِنْ صِيَامِ شَهْرٍ وَقِيَامِهِ وَإِنْ مَاتَ جَرَى عَلَيْهِ عَمَلُهُ الَّذِى كَانَ يَعْمَلُهُ وَأُجْرِىَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ وَأَمِنَ الْفَتَّانَ

    ‘একটি দিন ও রাতের প্রতিরক্ষা কাজ একমাস (নফল) সিয়াম ও নামাজ অপেক্ষা উত্তম। মরার পরও তার সেই আমল জারি থাকে যা সে জীবিত অবস্থায় করত। তার রুজি জারি হয় এবং (কবরের) যাবতীয় ফিতনা থেকে সে নিরাপত্তা লাভ করে।’ (মুসলিম ৫০৪৭, তিরমিজি ১৬৬৫, নাসাঈ ৩১৬৮)

    এরা মৃত্যুর পর প্রথম মনজিলেই নিরাপদ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হন।

    ২. যারা আল্লাহর রাস্তায় শহিদ হন

    হজরত মিকদাম ইবনে মাদি কারিব (রাঃ) বর্ণনা করেন—

    لِلشَّهِيدِ عِنْدَ اللَّهِ سِتُّ خِصَالٍ يُغْفَرُ لَهُ فِي أَوَّلِ دَفْعَةٍ وَيَرَى مَقْعَدَهُ مِنَ الْجَنَّةِ وَيُجَارُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَيَأْمَنُ مِنَ الْفَزَعِ الأَكْبَرِ وَيُوضَعُ عَلَى رَأْسِهِ تَاجُ الْوَقَارِ الْيَاقُوتَةُ مِنْهَا خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا وَيُزَوَّجُ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ زَوْجَةً مِنَ الْحُورِ الْعِينِ وَيُشَفَّعُ فِي سَبْعِينَ مِنْ أَقَارِبِهِ 

    শহিদের জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে ছয়টি পুরস্কার বা সুযোগ আছে—

    > তার প্রথম রক্তবিন্দু পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে ক্ষমা করা হয়

    > তাকে তার জান্নাতের বাসস্থান দেখানো হয়

    > কবরের আজাব হতে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়

    > সে কঠিন ভীতি হতে নিরাপদ থাকবে

    > তার মাথায় মর্মর পাথর খচিত মর্যাদার টুপি পরিয়ে দেওয়া হবে। এর এক একটি পাথর দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছু হতে উত্তম।

    > তার সঙ্গে ৭২ জন জান্নাতি হুরকে বিয়ে দেওয়া হবে

    > তার ৭০ জন নিকটাত্মীয়ের জন্য তার সুপারিশ কুবুল করা হবে। (তিরমিজি ১৬৬৩)।

    শহিদের প্রথম রক্তবিন্দু পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ক্ষমা করা হয় এবং কবরের প্রশ্নও তাকে স্পর্শ করে না।

    খান

  • ভারতীয়দের দুঃসংবাদ দিল ইরান

    ভারতীয়দের দুঃসংবাদ দিল ইরান

    ডেস্ক নিউজ:

    মানব পাচার ও ভুয়া চাকরির প্রলোভনে ভারতীয়দের ইরানে পাচারের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সরকার ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা স্থগিত করেছে। আগামী শনিবার (২২ নভেম্বর) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইরানে প্রবেশ করতে বা ট্রানজিট নিতেও ভারতীয়দের আগেই ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মানব পাচারকারী চক্রের কর্মকাণ্ড বন্ধ করাই ইরানের এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দালালচক্র বহু ভারতীয়কে ভুয়া চাকরির লোভ দেখিয়ে ইরানে পাঠাচ্ছিল।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনেককে বলা হয়েছিল ইরানে গেলে উচ্চ বেতনের চাকরির সুযোগ রয়েছে, কিংবা সেখান থেকেই সহজে উপসাগরীয় দেশ বা ইউরোপের পথে যাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে ইরানে পৌঁছানোর পর অনেককে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করেছে মানব পাচারকারীরা।

    ক্রমাগত কয়েকটি অপহরণ-ও-পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি ভারত সরকারের নজরে আসে। তদন্তে দেখা যায়, ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতীয়দের ইরানে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখার ঘটনা বাড়ছে।

    এর আগে গত মাসেও ভারত সরকার সতর্ক করে বলেছিল, কিছু দালাল ভুয়া চাকরির অফার দেখিয়ে মানুষকে ইরানে পাঠাচ্ছে এবং ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা কেবল পর্যটনের জন্য—কাজের উদ্দেশ্যে নয়।

    গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান কয়েকটি দেশের নাগরিকদের স্বল্প সময়ের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে। এর ফলে ভারতীয় সাধারণ পাসপোর্টধারীরা ছয় মাসে একবার সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য ভিসা ছাড়াই ইরানে ভ্রমণ করতে পারতেন। তবে মানব পাচারের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ায় সেই সুবিধা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান।

    খান