Blog

  • ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর বাজার থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) উপকারভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ চাল উদ্ধার করেন। কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবহান, সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মজনুর রহমান এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিনোদপুর বাজারের তিনটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়।

    তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান বলেন, গত জুলাই মাসে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুকে ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তিনি চালগুলো টিসিবির ডিলারদের কাছে সরবরাহ করেননি। তদন্ত কমিটির কাছে তিনি স্বীকার করেছেন যে, চালগুলো বিনোদপুর বাজারের একটি গুদামে সংরক্ষিত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন ইউএনও বরাবর জমা দেওয়ার পর, তার নির্দেশে ওই রাতেই তিনটি গুদামে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চাল বর্তমানে মহম্মদপুর ও বিনোদপুরের সরকারি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে। ইতোমধ্যে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে চাল পরীক্ষা করে নির্দেশনা দেবেন।

    উল্লেখ্য, ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৭৭ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে, তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগ অনুসন্ধানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহানকে আহ্বায়ক এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান ও আইসিটি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ইউএনও’র নির্দেশে চালগুলো জব্দ করা হয়।

     

  • মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    মাগুরায় ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী উৎসব। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত। শতবর্ষী এই কাত্যায়নী পূজাকে ঘিরে পুরো শহরে এখন উৎসবের আমেজ।

    জানা যায়, দুর্গাপূজার ঠিক একমাস পর দুর্গা প্রতিমার আদলেই প্রতিমা তৈরি করে প্রতিবছর কাত্যায়নী পূজা পালন করা হয়। মূলত, দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও মাগুরায় এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম। মাগুরায় কাত্যায়নী পূজাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করে আসছেন এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    এবারের কাত্যায়নী উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে শহরের নতুন বাজার সেতুর ওপর নির্মিত প্রায় ৯০ ফুট উচ্চতার বর্ণিল তোরণ। এটি নির্মাণ করেছে নিজনান্দুয়ালী এলাকার নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পূজা উদ্‌যাপন কমিটি।

    আর এই তোরণ দেখার জন্য এলাকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

    আয়োজকদের দাবি, জেলায় এর আগে এত উঁচু তোরণ নির্মিত হয়নি। প্রায় ৩০ জন শিল্পী ও শ্রমিকের তিন সপ্তাহের পরিশ্রমে তৈরি এই তোরণ এখন শহরের মানুষের প্রধান আকর্ষণ।

  • ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহে শৈলকুপায় ৮০টি হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শৈলকুপার ভান্ডারীপাড়া গ্রামের মন্দিরে উপজেলা জামায়াতে আমির এ এস এম মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জামায়াতে যোগদান করেন তারা।

    একযোগে ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করায় জেলাব্যাপী মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ভান্ডারীপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকাশ বলেন, আমি অনেক আগে থেকেই জামায়াতের মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের তিনটি সমাজের ৮০টি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জামায়াতে ইসলামী আমাদের ধর্মের মানুষকেও সুরক্ষা করবে।

    তিনি আরও বলেন, তারা শুধু যোগদানই নয়, একই সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

    শৈলকুপা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এ এস এম মতিউর রহমান বলেন, এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকে দ্বিধাহীনভাবে আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন নিরাপত্তা চায়। তাদের নিরাপত্তার জন্য জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। তাদের প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চাই।

  • হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় হাসের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মোস্তাক হোসেন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    মৃত শিশু মোস্তাক হোসেন একই গ্রামের সাগর হোসেনের ছেলে।

    মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে বাড়ির পাশে হাঁসের সঙ্গে খেলা করছিল শিশু মোস্তাক। এ সময় তার সঙ্গে সমবয়সী কয়েকজন প্রতিবেশী শিশু ছিল। অন্য শিশুরা খেলাধুলা করলেও মোস্তাককে তাদের সঙ্গে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পাশে ডোবা থেকে শিশু মোস্তাককে উদ্ধার করে স্বজনরা। পরে তাকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    হরিনাকুন্ড থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

  • এক গরুতেই কোটিপতি

    এক গরুতেই কোটিপতি

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    ৩০ বছর ধরে গরু লালনপালনের নেশায় মগ্ন বিমল প্রামাণিক আজ একজন সফল খামারি। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ছয়খাদা গ্রামের কৃষক বিমল প্রামাণিক প্রথমে একটি গরু পালন শুরু করেন, সেই থেকে আজকে কোটিপতি হয়েছেন।

    গরু ও দুধ বিক্রি করে আজ তিনি দুটি ফ্লাট বাড়ির মালিক, কিনেছেন ৬ বিঘা জমিও। প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, গরু পালনে এ খামারির কোনো বাড়তি খরচ না থাকায় আজ তিনি সফল। বর্তমানে বিমলের খামারে ছোট-বড় ৪৫টি গরু রয়েছে।

    সফলতা দেখে এলাকাতে তার মতো অনেকেই ছোট-বড় খামার গড়ে তুলেছেন।

    বিমল প্রামণিক জানান, “প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে গরুগুলো নিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াতে যাই। গরু লালনপালন করা আমার নেশা। যতদিন বেচেঁ আছি, ততদিনই গরু পালন করতে চাই।”

    স্থানীয় বাসিন্দা রইস উদ্দিন, রিনা খাতুন ও আফজাল হোসেন জানান, বিমল প্রামাণিক একটি গরু থেকে আজ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। গরুর ওপর নির্ভর করে তার অনেক উন্নতি হয়েছে। গরু বিক্রি করেই বাড়ি, জমি কিনেছেন।

    বিমলের মেয়ে চন্দনা বিশ্বাস জানান, বাবা গরু বিক্রির টাকায় আমাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর দুই ভাইকে বিদেশও পাঠিয়েছেন।

    আর বিমল প্রামাণিকের স্ত্রী পদ্মা রানী জানান, প্রতিদিন সকালে গরুর পালগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেই। আর সারাটা দিন সে মাঠে গরুর ঘাস খাইয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি নিয়ে এলে খামারে রাখার সময় আমি সহযোগিতা করি। খামার থেকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি দুধ পাওয়া যায়। সে দুধ ঘোষদের কাছে বিক্রি করি। গোবর সংগ্রহ করে সেটিও বিক্রি করি।

     জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার ব্যনার্জী জানান, গাভি গরু লালনপালন করে বিমল প্রামণিক তার জীবনটাকেই পাল্টে ফেলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তার সার্বিক খোঁজখবর ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।

     

  • কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    বিডিনিউজ ডেস্ক

     

    কালীগঞ্জে উষা আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে শহীদ নুর আলী কলেজ ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্র

    ধান অতিথি হিসেবে শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গা ভূষণ স্কুল মাঠে সকালে পায়রা উড়িয়ে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-৪ কালীগঞ্জ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। উদ্বোধনের আগে তিনি মাঠে উপস্থিত ৪ দলের খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট উষার আয়োজনে ও উষা কেন্দ্রিয় নির্বাহী সংসদের পরিচালনায় ৪ কলেজ ফুটবল দলের অংশগ্রহণে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আনোয়ার মকলেজ কলেজকে ২-০ গোলে হারিয়ে শহীদ নুর আলী কলেজ জয়ী হয়। ২য় ম্যাচে ট্রাইবেকারে ৪ -১ গোলের ব্যবধানে আবুবকর মকছেদ আলী কলেজ দলকে হারিয়ে সরকারি এম ইউ কলেজ জয়ী হয়। এরপর বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে এমইউ কলেজ ফুটবল একাদশকে ১ – ০ গোলে হারিয়ে  নুর আলী কলেজ ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী একাদশের আল জাসির ম্যান অব দি টুর্নামেন্ট বিবেচিত হয়।

    খেলার রেফারির দায়িত্বে ছিলেন, আব্দুর রাজ্জাক, মোমেনুল হক ও মারুফ হোসেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় আলমগীর হোসেন ও নেপালে সাফ গেমসে ২০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত আল জাসির নামে কালীগঞ্জের দুই কৃতী সন্তান ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখায় তাদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    এছাড়াও প্রাক্তন খেলোয়াড় নুরুল ইসলাম ও আমামুল হক খোকাকে মেডেল প্রদান করা হয়। এ সময়ে মাঠে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম সাইদুল ইসলাম, ইলিয়াস রহমান মিঠু, আনোয়ার হোসেন, অহেদ লস্কার, জবেদ আলী, উষা কেন্দ্রিয় সংসদের সভাপতি শিবলী রহমান পাভেল, সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আল মাহমুদ, ইবি শাখার সম্পাদক আশিকুর রহমান, উপদেষ্টা আশরাফ মন্ডল, সাধন দাদা, মোস্তফা মোর্শেদ তোতা, ক্রীড়া সংগঠক অজিত কুমার ভট্রাচার্য্য, আসাদুজ্জামান মুকুল প্রমুখ।

  • ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    ঝিনাইদহকে আধুনিক জেলা গড়তে সেমিনার

    বিডিনিউজ ডেস্ক

     

    ঝিনাইদহকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ জেলা গড়তে মাস্টার প্লান তৈরি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকালে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি এ সেমিনারের আয়োজন করেন।  সেসময় চিকিৎসক, শিক্ষক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনারে বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলাতে প্রচুর সম্পদ থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার না হওয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকছে। এই সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক সকলকে নজরদারি বাড়াতে হবে। তাহলে সন্তানের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে, তারা ঝিনাইাদহকে উন্নতির শিখরে পৌছে দিবে। এছাড়া হানাহানিও সম্পদের ক্ষতি করে, মানুষকে অর্থনৈতিক ও মুল্যবোধের দিক থেকে পিছিয়ে রাখে। আগামী দিনে হানাহানি প্রতিরোধে সচেতনতা ও মুল্যবোধ জাগ্রত করণের মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যাবো, ঝিনাইদহ জেলাকে দেশের উন্নয়নের মডেল হিসাবে রুপান্তরিত করবো।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির, সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জেলা সভাপতি মুমতাজুল করীম,  ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা গণ অধিকারের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষানুরাগী সাবেক অধ্যক্ষ মোাহাব্বত হোসেন টিপু, ঝিনাইদহ জেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, এ্যাড. শামছুজ্জামান লাকিসহ অন্যান্যরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    মহেশপুর পৌরসভার সামনে ময়লার ভাগাড়

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

     

    মহেশপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনেই মহেশপুর বাইপাস সড়কের পাশে কপোতাক্ষ নদের তীরে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। পৌরসভার ৯ ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন ট্রাকে করে এনে এই স্থানে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ফলে মহাসড়কের আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে তীব্র দুর্গন্ধ, সৃষ্টি হয়েছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বাইপাস সড়কের পাশে রাস্তা ঘেঁষে জমে আছে নানান ধরনের বর্জ্য পচা সবজি, পলিথিন, নোংরা কাপড়, হাসপাতালের ফেলা আবর্জনাসহ নানা কিছু। এসব ময়লা থেকে নির্গত দুর্গন্ধে হাঁটাচলা করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী মানুষদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

    পথচারী আহসান হাবীব বলেন, এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গেলে নাক মুখ চেপে ধরতে হয়। অনেক সময় বমি চলে আসে। একটু বাতাস হলেই দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    অটোরিকশা চালক আব্দুল্লাহর অভিযোগ, ময়লার ভাগাড়ে সারাদিন কুকুর, বিড়াল, কাকের ভিড় লেগে থাকে। ওরা ময়লা ছড়িয়ে দেয় রাস্তায়। রাতে চলাচলের সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টির সময় তো রাস্তা পুরো নোংরা পানিতে ভরে যায়।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানে বর্জ্য ফেলে আসছে। আগে এটি নদীর পাড়ের ফাঁকা জায়গা ছিল, এখন তা পুরোপুরি ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে। নোংরা পানি মিশে যাচ্ছে নদের পানিতেও, ফলে নদী দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয় স্কুলছাত্রী সাদিয়া আক্তার বলেন, আমরা এই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যাই। প্রতিদিনই নাক চেপে দৌঁড়ে পার হতে হয়। বৃষ্টি হলে অবস্থা আরও খারাপ হয়।

    পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনবসতির এত কাছাকাছি বর্জ্য ফেলা পরিবেশের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। এতে শুধু দুর্গন্ধই নয়, নানা রোগজীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও থাকে। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হতে পারে।

    মহেশপুর পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, আমাদের পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এ কারণে আপাতত ওই স্থানে বর্জ্য রাখা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে একটি স্থায়ী জায়গা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। খুব শিগগিরই বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে এই সমস্যা সমাধান করা হবে।

    স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কের পাশে এই বর্জ্য ভাগাড় মহেশপুরের চেহারাকে নোংরা করে দিচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বর্জ্য অপসারণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    শ্রীপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৬,

    বিডিনিউজ ডেস্ক

    মাগুরার শ্রীপুরে সামাজিক আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। এ সময় অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামের ইউপি সদস্য সোহেল আহম্মেদ বাবু এবং একই গ্রামের আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি সোহেল আহম্মেদ বাবু আনিচুর রহমান কনকের সাথে সামাজিক দল থেকে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের লোকজন মনিকুলের দোকানের সামনে আনিচুর রহমান কনক গ্রুপের আলিম শেখ (৩৫), মহসিন মোল্যা (৪৫) এবং সুজন মল্লিক (৪২) কে মারধর করে। এ সংবাদ জানাজানি হলে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে সোহেল আহম্মেদ বাবু গ্রুপের আলম (৪৫), নাবিল (২৫) এবং সজল মৃধা (৪৫) মারাত্মক আহত হয়। আহতরা বর্তমানে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ও শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সময় বাবু গ্রুপের মনিরুল মৃধা, রবিউল মৃধাসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ৬ টি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে: গোলাম পরওয়ার

    বিডিনিউজ ডেস্ক

     

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নভেম্বরে গণভোট দিয়েই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথাগুলো বলেন

    গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর যারাই দেশ চালিয়েছে, তারা সবাই হিন্দুদের ব্যবহার করে শুধুমাত্র নিজেদের ভাগ্যোন্নয়ন করেছে। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামী সরকার। তিনি আরও বলেন, যারা দাড়িপাল্লার জোয়ার দেখে হিন্দুদের ভয়-হুমকি দিচ্ছে, তাদের হুমকিতে এবার হিন্দুরা ভয় পাবে না। হিন্দুদের কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

    তিনি বলেন, ৫৪ বছর যারা দেশ চালিয়েছে, সেই মাস্তান, দখলদার, চাঁদাবাজরা সরকারের সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলদার উৎখাত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

    সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা সেই পরিবর্তন আনতে চাই। লাঙলের শাসন দেখেছি, ধানের শীষের শাসন দেখেছি, নৌকার শাসনও দেখেছি। একটি দলই বাকি আছে, সেটি হচ্ছে জামায়াতের দাড়িপাল্লা। দেড় হাজার জীবন, ৪০ হাজারের আহতের মধ্য দিয়ে চব্বিশের (২৪ সালের) পরিবর্তনের বার্তা ঢাবি, চবি, রাবি, জাবিসহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও সেই বার্তা দেশবাসী দেখাবে ইনশাআল্লাহ।

    উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মন্ডলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ও অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, শোভনা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. মোসলেম উদ্দিন, শরাফপুর সর্বজনীন পূজা মন্দিরের ঘোসাই সাধু প্রমথ গাইন, ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সহ-সভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, কানাই লাল কর্মকার ও প্রভাষক প্রশান্ত কুমার মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম কুমার মন্ডল, পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, মাগুরখালী ইউনিয়ন সহ-সভাপতি সুজিৎ কুমার সরকার, ডুমুরিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ প্রমুখ।