Blog

  • নিঝুমদ্বীপে বালু উত্তোলন, বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

    নিঝুমদ্বীপে বালু উত্তোলন, বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের সমুদ্র সৈকত থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগে বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪–৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) জাহাজমারা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    আসামিরা হলেন, নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাবেক সহ সভাপতি মো. শাহেদ উদ্দিন, নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন, হাতিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য রাসেল,  নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী আব্দুর রহিম ও সমর্থক আফছার উদ্দিন।

    এজহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা নিঝুমদ্বীপ নামার বাজারের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে অবস্থিত সরকারি সমুদ্র সৈকত এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে মিলিত হয়। পরবর্তীতে তারা সরকারি সি-বিচ এলাকায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে থাকে।

    এ সময় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বালু উত্তোলনে বাধা দিলে আসামিরা তাকে গালাগাল করে এবং খুন-জখমের হুমকি দেয়। তাদের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে সরকারের প্রায় ১০ (দশ) লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাখাওয়াত হোসেনের বন্দোবস্ত জমিতে চাষাবাদের জন্য বালু অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজ পান নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী আব্দুর রহিম। তিনি নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেনের ড্রেজার মেশিন ভাড়া নিয়ে বালু উত্তোলন করেন। বালু উত্তোলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। তারপর প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধ করেন এবং সরঞ্জাম জব্দ করে মামলা দায়ের করেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা ঢাকা পোস্টকে বলেন, সাবেক বিএনপি সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও আব্দুর রহিম  নিঝুম দ্বীপ সী-বীচ এলাকা থেকে অবৈধভাবে ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করেছে। যা দ্বীপের পরিবেশ ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমার বন্দোবস্ত জমিতে ধান হয়। কিন্তু জোয়ারে বালু আসায় ধান চাষ করতে কষ্ট হচ্ছিল। তাই বালু উত্তোলনের জন্য আব্দুর রহিমকে দায়িত্ব দিয়েছি। কে বা কারা গুজব বানিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করেছে এবং প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধ করেছে।

    হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা  বলেন, মামলা দায়ের হয়েছে। এজহারভুক্ত আসামি ৬ জন এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

    সূত্র: ঢাকাপোষ্ট

  • কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    কাউখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দিনব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চলিয়েছ। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামীণ জনপদে এই প্রচারণা চালায় চালায়।

    দিনব্যাপী প্রচারণার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত রাঙ্গামাটি-২৯৯ নং আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ। এসময়  তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

    প্রচারণাকালে তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন, “আমরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে ন্যায়, ও সুশাসনের ভিত্তিতে একটি কল্যাণকর সমাজ গড়ে তুলতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাবে।”

    এ সময় তিনি নৌকা, পাহাড় ও নদীর জনপদ কাউখালীর উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষি ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

    প্রচারণার সময় দলিটর স্থানীয়  নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষকদের আন্দোলন ইস্যুতে বিএনপির হুঁশিয়ারি

    শিক্ষকদের আন্দোলন ইস্যুতে বিএনপির হুঁশিয়ারি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন ও দাবির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে অপচেষ্টা প্রতিহতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    তিনি বলেছেন, বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত। তবে এই আন্দোলনকে পুঁজি করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে অপচেষ্টা চালালে তা প্রতিহত করা হবে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. তাইফুর ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত প্রেস বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, দেশের একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত। সহজভাবে শিক্ষকদের জন্য তাদের অঙ্গীকার হলো— মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা, শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সামাজিক মর্যাদা এবং তাদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএনপি বিশ্বাস করে রাষ্ট্র ও জাতির সাংগঠনিক কিংবা নাগরিক উন্নয়নে আমাদের যত উদ্যোগই গ্রহণ করি না কেন শিক্ষাব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া যাবে না।

    জনগণের ভোটে বিএনপি আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে রাষ্ট্রের আর্থিক অনুকূলতা শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, চাকরির স্থায়ীকরণ এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার বিষয়ে বিএনপির কোনো দ্বিমত নেই।

    তবে শিক্ষকদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আন্দোলনের ছদ্মবেশে পড়ে কোনো স্বৈরাচারী সহযোগী পরিকাঠামো নিঃস্বার্থভাবে গড়ে তোলার (দেশের) দায়িত্বশীল করে তোলার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণের কোনো প্রয়াস প্রতিহত করার প্রচেষ্টা চালালে সেটি প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কোনো নমনীয়তা দেখাবে না বলেও জানানো হয়।

    সুত্র: যুগান্তর

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘কালো পতাকা মিছিল’

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ‘কালো পতাকা মিছিল’ করেছে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টায় জাতীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল শুরু হয়ে হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারা সংলগ্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন মিছিলে সংহতি প্রকাশ করেছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে একটি অংশ শহীদ মিনারে ‘আমরণ অনশন’ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    শিক্ষক-কর্মচারীরা দাবি, বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ৫০০

    টাকা থেকে ১,৫০০ টাকা করা হোক এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হোক। এছাড়া তারা সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিও জানিয়েছেন।

    আগামী রোববার তারা ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন। এ পর্যন্ত আন্দোলন চলাকালীন তারা কর্মবিরতি, লংমার্চ এবং সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।

     

     

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা ও নৌবাহিনীসহ  ফায়ার সার্ভিসের ২৮ টি ইউনিট।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আকস্মিকভাবে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, কার্গো ভিলেজের পাশে একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ বিমানবন্দের দায়িত্বরতরা কাজ করছে।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই বিমানবন্দর ফায়ার সেকশন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যক্রম শুরু করে।

    বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট অপারেশন বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে সবাইকে নিরাপদ এবং সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • ৩ ক্রিকেটার নিহত, পাকিস্তানের সাথে খেলবে না আফগানিস্তান

    ৩ ক্রিকেটার নিহত, পাকিস্তানের সাথে খেলবে না আফগানিস্তান

    ক্রীড়া ডেস্ক

    পাকিস্তান-আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিবেশ বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত। সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ছে তারা। যার প্রভাব পড়েছে এবার ক্রিকেটেও। পাকিস্তানের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলা থেকে সরে এসেছে আফগানরা।

    পাকিস্তানের বিমান হামলায় একাধিক স্থানীয় ক্রিকেটার নিহত হওয়ার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে আফগান ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাথে ত্রিপক্ষীয় সিরিজ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে তারা।

    আফগান ক্রিকেট বোর্ড জানায়, ‘আমাদের খেলোয়াড়, নাগরিক ও ক্রীড়া সম্প্রদায়ের ওপর এই আক্রমণ অকল্পনীয়। যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা আসন্ন ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

    উল্লেখ্য, এর আগে এশিয়া কাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে আফগানিস্তান দল পাকিস্তান সফরে গেলেও কখনো পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেনি।

    ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো খেলত আফগানিস্তান। কিন্তু দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষের কারণে এটি আর হচ্ছে না। এমনকি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সিরিজও।

    ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো খেলত আফগানিস্তান। কিন্তু দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষের কারণে এটি আর হচ্ছে না। এমনকি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সিরিজও।

    যদিও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

  • জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    বিডি নিউজ

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে তর্ক না করাই শ্রেয়, পরিবর্তনের সুযোগ আছে। বানচাল হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

    শনিবার সকালে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সনদ বাস্তবায়নে দেরি হলেও জুলাই হত্যার বিচার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই এগিয়ে যাবে। বিচারকার্য কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

  • ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। বোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে ৩ টি কলেজে। কেউ পাশ করেনি  ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ।

    প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৯ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থী। শাখাভিত্তিক পাসের হার সবচেয়ে কম ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়।

    শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আবদুল জব্বার রাবেয়া খাতুন গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি। এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, শেরপুরের ২টি ও নেত্রকোনার ৪টি কলেজ আছে। এই ১৫টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন ১৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থী ২ থেকে ৯–এর ঘরে ছিল।

    এবার  জিপি এ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ জন।  এ বছর পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪।

     

  • কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকায় চালু হয়েছে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল’। বিশেষায়িত এই হাসপাতালে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন ডায়াবেটিক রোগীরা। পাশাপাশি সব রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবাও মিলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অর্ন্তবর্তী সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, এই হাসপাতাল কুমিল্লার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করবে। ঢাকায় গিয়ে নয়, এখন থেকে কম খরচে কুমিল্লাতেই ডায়াবেটিকসহ যেকোনো রোগের উন্নত সেবা পাবেন রোগীরা।’হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। কুমিল্লার বাসিন্দা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব প্রয়াত এ টি এম শামসুল হক এই প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ২৫ একর) সম্পত্তি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে দান করেছেন।

     হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

    বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামান, জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, অধ্যাপক হাজেরা মাহাতাব, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এটিএম শামসুল হকে সহধর্মিণী রাবেয়া হক, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. এম এ সামাদ প্রমুখ।

     

  • বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগ ডেস্ক:

    দেশজুড়ে বিনিয়োগের নামে চলছে একের পর এক ভয়াবহ প্রতারণা। অনলাইন কিংবা অফলাইনে, অ্যাপসভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে সব জায়গায়ই লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতিতে প্রলুব্ধ হয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেউ ব্যাংকে, কেউ শেয়ারবাজারে হচ্ছেন নিঃস্ব। অথচ প্রতারক চক্রের বেশির ভাগই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।গত সরকারের পুরো শাসনামলে দুর্নীতিবাজ আর লুটপাটকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল দেশের আর্থিক খাত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাধারণ মানুষের পুঁজি লুট করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগসাজশে ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার ধ্বংস করে লুটপাট, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মহোৎসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফলে নিঃস্ব হয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আর তাদের সম্পদ লুট করে দেশ-বিদেশে প্রাচুর্যের পাহাড় গড়েছে আওয়ামী রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলাসহ বিভিন্ন লুটেরা গোষ্ঠী।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বল্পপুঁজিতে অল্প সময়ে অধিক লাভের প্রলোভনই এ প্রতারণার প্রধান অস্ত্র। শুরুতে অল্প অঙ্কের বিনিয়োগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ দেওয়া হয়, এতে আস্থা পেয়ে বিনিয়োগকারীরা আরো বড় অঙ্কের অর্থ ঢালেন। শুধু নিজে নয়, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনকেও বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন তারা। কিন্তু একসময় প্রতারক চক্র গা-ঢাকা দেয়, আর বিনিয়োগকারীরা হয়ে যান সর্বস্বান্ত।

     কৌশল ব্যবহার হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতে। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, বাইন্যান্স কয়েনের নামে কোনো নিয়ন্ত্রণ বা বাস্তব ঠিকানা ছাড়াই এসব প্ল্যাটফর্মে মানুষকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। ফলে বিপুল অর্থ হারানোর পর অভিযোগ জানানোর পথও থাকে না তাদের সামনে।

    ‘সুদবিহীন শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ’—স্লোগানে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে প্রতারকরা। পিরোজপুরের এহসান গ্রুপের প্রতারণা এর বড় উদাহরণ, যেখানে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ। দেশের নানা প্রান্তে ‘হালাল মার্চেন্টিং’, ‘শরিয়াহ কমপ্লায়েন্ট ফার্মিং’ ইত্যাদি নামে একই রকম প্রতারণা চলছে। শুরুতে কিছুদিন নিয়মিত লভ্যাংশ দিলেও একসময় বন্ধ হয়ে যায় সব, বিপুল অর্থ নিয়ে হারিয়ে যায় সংগঠকরা।

    প্রতারণার আরো পথ

    বাংলাদেশে আলোচিত প্রতারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ই-ভ্যালি, ডেসটিনি, ইউনিপে টু ইউ ও যুবক অন্যতম। এরা উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। ডেসটিনি বিভিন্ন প্রকল্পের নামে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা, ই-ভ্যালি গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও পণ্য মিলিয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা আজও তাদের অর্থ ফেরত পাননি।

    ক্ষুদ্রঋণ ও সমবায়ের নামে গ্রামীণ প্রতারণা

    গ্রামের সহজ-সরল মানুষ, বিশেষ করে নারীরা, প্রতারকদের সহজ লক্ষ্যবস্তু। মাসিক ভিত্তিতে অল্প অল্প চাঁদা সংগ্রহ করার মাধ্যমে প্রথমে তাদের সদস্য বানানো হয়। পরে বড় কোনো রিটার্ন, কিংবা বাড়ি-গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণের লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে বিপুল অর্থ হাতে এলে হাওয়া হয়ে যায় প্রতারক চক্র। এমনি একটি সংস্থা বগুড়ার শেরপুরের ‘আশার আলো মালটিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইট’। গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। শুধু এক ‘আশার আলো’ নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতারণা চলছে বিরামহীনভাবে।

    হাসিনা আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশে লুটপাট, দুর্নীতি একটি অতি সাধারণ ঘটনা হলেও শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যেভাবে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন। শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও লুটপাটের এমন মাত্রায় পৌঁছায়, যা দেশের আর্থিক খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছে, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন না কোনো লভ্যাংশও।

    লুটপাটের শিকার হওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে এখন একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    শেয়ারবাজারে কারসাজি, বীমা খাতে প্রতারণা

    লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক মদতে তালিকাভুক্ত করা, ভুয়া লেনদেন, বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎÑসব মিলিয়ে আস্থার চরম সংকটে শেয়ারবাজার। শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিলেও বহু কোম্পানি বছরের পর বছর কোনো লভ্যাংশ দিচ্ছে না। অন্যদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির মাধ্যমে বিভিন্ন চক্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফাঁদে ফেলে তাদের পুঁজি লুটে নিয়েছে। মশিউর সিকিউরিটিজ একটি প্রতিষ্ঠান একাই দেড় হাজার বিনিয়োগকারীর ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

    অন্যদিকে বীমা খাতে প্রতারণা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। ২০২৩ সালেই ভুয়া এজেন্ট, গোপন শর্ত, মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ৫০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে। বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার দাবির অর্থ আটকে আছে বিভিন্ন কোম্পানিতে। এসব অর্থ বীমা কোম্পানিগুলো লুটপাট করে হাতিয়ে নিয়েছে। এসব অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    সর্বগ্রাসী দুর্নীতিই মূল কারণ

    বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, দুর্নীতি এখন সিস্টেমিক রূপ নিয়েছে। ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রশাসন, আদালত সর্বত্রই দুর্নীতি। সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে নানাভাবে সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে প্রতারক চক্র। তাদের থামাতে না পারলে এসব প্রতারণা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

    সব মিলিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন আর আয়ের নিশ্চয়তা নয়—বরং এক অনিশ্চিত ঝুঁকি। যখন রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতারণাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন সাধারণ মানুষের সঞ্চয় হয়ে ওঠে লুটেরাদের হাতিয়ার।

    দৈনিক আমার দেশ