Blog

  • ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারী কীভাবে ঢুকেছিলেন, বলরুমে কী ঘটেছিল

    ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারী কীভাবে ঢুকেছিলেন, বলরুমে কী ঘটেছিল

    নিউজ ডেস্ক:

    হোয়াইট হাউসে সংবাদ সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের নৈশভোজের আয়োজন যে হোটেলে করা হয়েছিল সেটি ওয়াশিংটন ডিসিতে। হোটেলের ভেতরের একটি বলরুমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাঁর স্ত্রী ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারাও যোগ দিয়েছিলেন। এমন একটি অনুষ্ঠানে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হোটেলে বন্দুক কীভাবে ঢুকল- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

    উপস্থিত থাকা অতিথিরা জানিয়েছেন, বলরুমের বাইরে একটি মেটাল ডিটেক্টর বসানো ছিল। কিন্তু হোটেলের প্রবেশ পথ বা এর আগে কোনো তল্লাশির ব্যবস্থা ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি যে চেকপয়েন্ট পেরিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, সেটি বলরুমের একেবারে বাইরে ছিল। মার্কিন অ্যাটর্নি জিনিন পিরো বলেন, ‘ওই চেকপয়েন্ট সক্রিয় থাকায় কেউ আহত হননি।’

    ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে হোটেলের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে তিনিই বলেন, ‘বন্দুকধারী বলরুমে প্রবেশ করতে পারেনি। সেটি অত্যন্ত নিরাপদ ছিল।’

    অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    হোটেলটিতে বন্দুকধারী বন্দুক নিয়ে কীভাবে ঢুকেছিলেন সেটির প্রাথমিক ধারণা দিয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেফ ক্যারল। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বন্দুকধারী কীভাবে হোটেলে ঢুকলেন এবং সেখানে (বলরুমের কাছে) পৌঁছালেন, তা বোঝার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হবে।

    সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল হিলটন হোটেলের অতিথি ছিলেন। তবে কখন চেক-ইন করেছিলেন বা তাঁর কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে কী পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে ক্যারল বিস্তারিত জানাননি। তিনি উল্লেখ করেন, নৈশভোজের জন্য নির্ধারিত বলরুমের বাইরে একটি নিরাপত্তা চেকপয়েন্টে সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর কাছে থেকে একটি শটগান, হ্যান্ডগান এবং একাধিক ছুরি পাওয়া গেছে।

    বলরুমে কী হয়েছিল?
    এএফপির সাংবাদিক ও অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের বার্ষিক এই নৈশভোজে স্বাগত বক্তব্যের পরপরই গুলির শব্দ শোনা যায়। সঙ্গে সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তা টিম মঞ্চে অবস্থান নেয়। মঞ্চে তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বসেছিলেন। নিরাপত্তা দলের সদস্যরা তাদের দ্রুত সরিয়ে নেন।

    আতঙ্কে বলরুম ছেড়ে যান অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    আতঙ্কে বলরুম ছেড়ে যান অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    বলরুমে উপস্থিত কয়েক’শ অতিথি টেবিলের নিচে আশ্রয় নেন। পরে অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করা হলে তারা হোটেলের লবিতে এবং সেখান থেকে বাইরে বেরিয়ে যান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা অনুষ্ঠানের অতিথি আহত হননি।

    গুলির ঘটনা যেভাবে ঘটল
    কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৬ মিনিটে একজন বন্দুকধারী বলরুমের ঠিক বাইরে হোটেলের লবিতে থাকা নিরাপত্তা চেকপয়েন্টের কাছে যান। তিনি জোর করে চেকপয়েন্ট পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি চেকপয়েন্টে হামলা চালাচ্ছে এবং পুলিশ তাঁকে ঘিরে ধরছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলির পর তাঁকে আটক করে। তবে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হননি। পর্যবেক্ষণের জন্য তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার আদালতে তোলা হবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হোটেলে অতিথি হিসেবে থাকা এই ব্যক্তিই ঘটনার একমাত্র সন্দেহভাজন।

    বন্দুকধারী গুলি করার পর সতর্ক অবস্থানে নিরাপত্তা দলের সদস্যরা। ছবি: এএফপি

    বন্দুকধারী গুলি করার পর সতর্ক অবস্থানে নিরাপত্তা দলের সদস্যরা। ছবি: এএফপি

    মার্কিন অ্যাটর্নি জিনিন পিরো জানান, সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথমটি সহিংস অপরাধে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং দ্বিতীয়টি, বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে ফেডারেল কর্মকর্তার ওপর হামলা।

    সন্দেহভাজন ব্যক্তি কে?
    ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি পোস্ট করেছেন। এতে দেখা গেছে, হোটেলের লবির কার্পেটে খালি গায়ে উপুড় হয়ে আছেন এক ব্যক্তি। তাঁর হাত পেছনে বাঁধা। কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেনি। তবে একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম কোল টমাস অ্যালেন (৩১)। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার টরান্স শহরের বাসিন্দা।

    সন্দেহভাজনের ছবি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

    সন্দেহভাজনের ছবি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

    এএফপির একজন আলোকচিত্রী জানান, স্থানীয় সময় শনিবার রাতেই এফবিআই এজেন্টদের টরান্সের একটি বাড়ির বাইরে দেখা গেছে। লিংকডইনে ‘কোল অ্যালেন’ নামে একটি প্রোফাইলে এমন এক ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে, তাঁর চেহারা ট্রাম্পের পোস্ট করা ব্যক্তির মতোই। লিংকডইনের অ্যাকাউন্টধারী কোল অ্যালেনের পরিচয় হিসেবে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট, গেম ডেভেলপার ও শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসকে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি জানিয়েছে, কোল অ্যালেন নামে একজন ২০১৭ সালে সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন।

  • ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহার করা বিমান ঘাঁটিতে আগুন

    ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহার করা বিমান ঘাঁটিতে আগুন

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহিনী যুক্তরাজ্যের যে ঘাঁটি ব্যবহার করেছে, সেখানে আগুন লেগেছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোরের দিকে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

    আগুনে কেউ হতাহত হননি এবং কোনো আরএএফ বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত একটি পুরনো পরিত্যক্ত ভবনে। সেখানে মার্কিন বিমানবাহিনীর সরঞ্জামের কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

    একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘাঁটির কমিসারি ভবন থেকে ধোঁয়া উড়ছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সাধারণত কমিসারি হিসেবে পরিচিত দোকান থেকে খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। ঘটনাস্থলের অন্য ছবিতে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর সময় ভবনটির ছাদ ধসে পড়েছে।

    যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের একজন মুখপাত্র বলেন, কর্মীরা ফেয়ারফোর্ড এলাকার একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন নেভাতে গেছেন। ধোঁয়ার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না’

    ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না’

    নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরানের সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কোনো অবস্থাতেই তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে না।  রোববার (২৬ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এটি সরাসরি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে আসা একটি সুনির্দিষ্ট আদেশ।

    বক্তব্য চলাকালীন নিকজাদ উল্লেখ করেন, বিপ্লবের নেতার নির্দেশ অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির বর্তমান রুদ্ধ অবস্থা বজায় রাখা হবে। উল্লেখ্য, মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত জনসম্মুখে আসেননি বা কোনো প্রকাশ্য ভাষণ দেননি।

    হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মানদাবকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নিকজাদ বলেন, যুদ্ধের এটি একটি ঐশ্বরিক আশীর্বাদ যে আমরা বুঝতে পেরেছি—যদি আমরা হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মানদাবের কণ্ঠনালীতে পা দিয়ে চেপে ধরি, তবে বিশ্ব অর্থনীতির ২৫ শতাংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।ইয়েমেন ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী বাব আল-মানদাব প্রণালীটিও বিশ্ব নৌ-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

    চলতি বছরের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে আসা প্রথম বার্তাতেই এই প্রণালি বন্ধ রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। তার এই অবস্থান বিশ্ব বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

    বর্তমানে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের একটি অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এই সমুদ্রপথটি। ইরানের এই নতুন অবস্থান বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও দীর্ঘস্থায়ী সংকটের দিকে ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • ইরানে আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন

    ইরানে আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের চাহারবাগ শহরের আঘদাসিয়েহ এলাকায় একটি আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন লেগেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও দেশটির অফিসিয়াল সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে। শনিবার এ আগুন লাগে।

    কারখানায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর চাহারবাগ ও আশপাশের শহর থেকে ফায়ার ফাইটার বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

    চাহারবাগের সিটি কর্তৃপক্ষ আইআরএনএকে বলেছেন, দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

    এখন পর্যন্ত আগুনের কারণ এবং হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তীব্র প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

  • জাপানে ভয়াবহ দাবানল, নিয়ন্ত্রণে হাজারের বেশি কর্মী মোতায়েন

    জাপানে ভয়াবহ দাবানল, নিয়ন্ত্রণে হাজারের বেশি কর্মী মোতায়েন

    নিউজ ডেস্ক:

    জাপানের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি ১,৪০০ জন দমকলকর্মী এবং ১০০ জন সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স সদস্য মোতায়েন করেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা পঞ্চম দিনের মতো আগুন জ্বলতে থাকায় এটি একটি সুন্দর উপকূলীয় শহরের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সকাল পর্যন্ত আগুনে পুড়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ ১ হাজার ৩৭৩ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এ পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় ৭ শতাংশ বেড়েছে। এই আগুন প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত ওৎসুচি শহরের আবাসিক এলাকাগুলোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ২০১১ সালের মার্চ মাসের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে শহরটি তার প্রায় এক-দশমাংশ জনসংখ্যা হারিয়েছিল।

    এলাকাটি থেকে বর্তমানে ১ হাজার ৫৪১টি পরিবার বা মোট ৩ হাজার ২৩৩ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংখ্যা ওৎসুচির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।ওৎসুচির মেয়র কোজো হিরানো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু শুষ্ক আবহাওয়া ও বাতাস আগুনকে আরও ছড়িয়ে দিচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োশিনোরি কোমাতসু আগুনে সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দূরে হেলিকপ্টার থেকে পানি ফেলার দৃশ্য দেখতে দেখতে তিনি বলেন, “আগুন সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। সুনামির পরেও কিছু না কিছু অবশিষ্ট থাকতে পারে, কিন্তু আগুন কিছুই রাখে না।”

    জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মাত্র একজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, রোববার ও সোমবার ওই অঞ্চলে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, তবে মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

     

  • পঞ্চগড়ে মাদরাসা অধ্যক্ষকে যোগদানে বাধা, হামলায় আহত ৬

    পঞ্চগড়ে মাদরাসা অধ্যক্ষকে যোগদানে বাধা, হামলায় আহত ৬

    ডেস্ক নিউজঃ

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এক মাদরাসা অধ্যক্ষ যোগদান করতে গেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতির উপস্থিতিতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ, তার স্ত্রী, শ্যালিকা ও স্থানীয় কয়েকজনসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

    রোববার  দুপুরে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার সামনে পঞ্চগড়-আটোয়ারী আঞ্চলিক সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষীপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে গত বছরের ২৭ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে মাদরাসার পরিচালনা কমিটি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেন। তবে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের নিয়ম থাকলেও এক বছরেও তা প্রত্যাহার করা হয়নি।

    এর মধ্যে মাদরাসার এডহক কমিটি উপাধ্যক্ষ ও একজন জ্যেষ্ঠ প্রভাষককে বাদ দিয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আব্দুল হাকিম সরকারকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়। যদিও এর আগে মাদরাসা বোর্ডের আপিল ও আরবিট্রেশন সভায় আব্দুল হাকিম সরকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

    গত ৮ মার্চ মাদরাসা বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ছালেহ আহমাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকারকে স্বপদে বহাল করা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত পরিচালনা কমিটি বাতিল করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বেতন বিলে স্বাক্ষরের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    জেলা আদালতের জিপির মতামত নিয়ে রোববার সকালে অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকার মাদরাসায় যোগদান করতে যান। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম বজলুর রহমানের উপস্থিতিতে তার ছেলে নাফিউর রহমানসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা যোগদানে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন সরকারের অভিযোগ, যোগদান করতে দিতে তার কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে দুপুরে তিনি মাদরাসা সংলগ্ন একটি দোকানে অবস্থান নিলে তাকে ধাওয়া করে মারধর করা হয়। পরে এলাকা ত্যাগ করার সময় আবারও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি স্থানীয় একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ সময় বাড়ির মালিক-স্ত্রীসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

    আব্দুল মতিন সরকার বলেন, মাদরাসা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি যোগদান করতে গিয়েছিলাম। আমাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে আমাকে ধাওয়া করে বেধড়ক লাঠিপেটা করা হয়েছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

    বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, আমি বর্তমান কমিটির নির্দেশনায় আইন মেনে দায়িত্ব পালন করছি। আব্দুল মতিন সরকার অনিয়মের কারণে বরখাস্ত হন। আমার চেয়ে সিনিয়র শিক্ষকরা দায়িত্ব নিতে চাননি, তাই আমি দায়িত্ব পাই।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম বজলুর রহমান বলেন, এই মাদরাসা আমার নানার প্রতিষ্ঠা করা। আমরা কখনও কোনো প্রভাব খাটাইনি। আব্দুল মতিন সরকার বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এলাকাবাসী ও শিক্ষকরা তাকে মানতে চায় না। তিনি বলেছেন, ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে, এতে উত্তেজিত জনতা ক্ষেপে যায়। পরে আমি পরিস্থিতি শান্ত করি। আমরা অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করব না।

    আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী বলেন, আমি একটি চিঠি পেয়েছি, যেখানে অধ্যক্ষকে বহাল দেখিয়ে বেতন বিলে স্বাক্ষরের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা আদালতের জিপির মতামত নেওয়া হয়েছে। আজ যোগদানে গিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি স্থানীয়ভাবে হয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।

    এম কে

  • কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

    কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, কৃষি কার্ড বিতরণে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দেখা হবে না, কোনো ধর্ম-বর্ণ দেখা হবে না। যারা পাওয়ার যোগ্য, তারাই এই কার্ড পাবেন। দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের বৈরাতী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের অন্যান্য এলাকার মতো পাইলট প্রকল্প হিসেবে পঞ্চগড়ের পাঁচপীর এলাকায় দুই হাজার কৃষককে কৃষি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তবে আমি নিজেও জানি না, কারা এই কার্ড পেয়েছেন। আমাদের কৃষি মন্ত্রণালয় ও উপজেলা প্রশাসন তিন স্তরে যাচাই-বাছাই করে নির্ধারণ করেছেন কারা কোন ক্যাটাগরিতে এই কার্ড পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ইতিপূর্বে উদ্বোধন হয়েছে। ইনশাল্লাহ সামনের দুই-তিন মাসের মধ্যে সারা বাংলাদেশে আরও ৫০ লাখ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে সক্ষম হব।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে শুধু প্রশাসন নয়, দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সচেতন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য-সহায়তায় আমরা কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কাউকে বিচার করব না। যারা প্রকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং পাওয়ার যোগ্য, তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন। পরে প্রতিমন্ত্রী ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড এবং দুইটি করে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেন।

    এম কে
  • বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে : জামায়াত আমির

    বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে : জামায়াত আমির

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    বিএনপিকে তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশে জুলাই না হলে এই রাজনীতি থাকতো না। আমাদের ভাই বোনদের স্বামী-সন্তানরা জীবন না দিলে ক্ষমতায় বসতে পারতেন না আপনারা। শহীদ পরিবাররা যখন কান্না করছিলেন, তখন শহীদ পরিবারের পাশে যাওয়ার সময় ছিল না বিএনপির। তখন তারা নির্বাচন চেয়েছিল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করে যাচ্ছে, যে আওয়ামী লীগ জাতি ও বিরোধীদলকে নিয়ে ব্যঙ্গ করত এবং লাঠিয়াল দিয়ে কর্তৃত্ববাদ কায়েম করেছিল। আর বর্তমানে আফসোসের ব্যাপার হলো রাষ্ট্রের যেখানে যেখানে সংস্কার দরকার তার প্রত্যেকটি বিষয়ে বিরোধিতা করছে বিএনপি। এটি জাতির সাথে সুস্পষ্ট প্রতারণা। তিনি শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন।

    বিএনপিকে তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশে জুলাই না হলে এই রাজনীতি থাকতো না। আমাদের ভাই বোনদের স্বামী-সন্তানরা জীবন না দিলে ক্ষমতায় বসতে পারতেন না আপনারা। শহীদ পরিবাররা যখন কান্না করছিলেন, তখন শহীদ পরিবারের পাশে যাওয়ার সময় ছিল না বিএনপির। তখন তারা নির্বাচন চেয়েছিল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য।

    জামায়াত আমির বলেন, মহান জাতীয় সংসদে সরকারি দল মুখে ঠিকই জুলাইয়ের কথা বলেন, শহীদ হাদির কথাও বলে; কিন্তু কার্যত আমরা সরকারি দলের কাছ থেকে তার উল্টোটা দেখতে পাই। তারা দুটি ভোটের একটা ৫১% মানেন-যা তাদের নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে, কিন্তু আরেকটি গণভোটের ৭০% মানেন না- যা শাসকগোষ্ঠীকে স্বৈরতন্ত্র হওয়া থেকে রক্ষা করবে, জাতিকে বৈষম্যমুক্ত করবে, সুশাসন কায়েম করবে এবং সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য। তাদের এই দ্বিচারিতা জাতির জন্য লজ্জার, দুঃখের। তিনি বলেন, যেদিন ৭০ শতাংশ ভোটের রায় মানবে, সেদিন বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সেদিন আপামর ছাত্রসমাজ রাস্তায় নেমে এসেছিল। সবাই মাস্টারমাইন্ড। প্রত্যেক ব্যক্তি ও পরিবারের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা কি পারছি আর পারিনি তার জবাবদিহিতিা আছে।

    তিনি আরোও বলেন, যে আইন বাস্তবায়ন হলে, অধ্যাদেশ পাস করলে রাষ্ট্র সংস্কার হবে- সেগুলো বিএনপি বাতিল করে দিচ্ছে। তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করার মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করেছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এমপি মাসুম মোস্তফার উপর হামলা করা হয়েছে। শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের ক্রিস প্রদর্শনী এমন বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধারা চায়নি। এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। মা বোনেরা নিরাপত্তার সাথে বের হবে এবং কাজ শেষে নিরাত্তার সাথে ফিরবে।

    বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন চূড়ান্তভাবে ফ্যাসিবাদ বিদায় হবে। সেই লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে। আমরা সামনের সারিতে থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাবো। জনতার বিজয় হবে। আমরা আশাবাদী এ বাংলাদেশ পাল্টাবে। আমাদের এই যুদ্ধ সংসদে ও রাজপথে চলমান থাকবে। আমরা দেশবাসীকে মাঠে চাই। ব্যক্তিগত কোনো দাবি দাওয়া আমাদের নেই। সব দাবি দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল দেশবাসী। ফলে সংস্কার কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা দিয়েছে বিএনপি। সবশেষে গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচনের পর পরই গণভোটের রায়কে অস্বীকার করছে। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করছে। মাত্র দুই মাস বয়সে আর কোনো সরকার এত অজনপ্রিয় হয়নি, যা হয়েছে বিএনপি সরকার। আমরা জুলাইযোদ্ধাদের সম্মান আদায়ে রাজপথ ও সংসদে আছি। আমরা জনতার দাবি আদায় করে ছাড়বো।

    এলডিপির চেয়াম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় দেশের প্রকৃত অবস্থা তারেক রহমান জানতেন না। তাকে যা বলা হচ্ছে, তাই শুনছেন। জনগণ কৃষক কার্ড চায় না, ফ্যামিলি কার্ড চায় না। তিনি বলেন, সামনে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা রয়েছে, অর্থনীতিকে সামাল দেয়া যাবে না। যার প্রভাব জনগণের ওপর পড়বে। চাঁদাবাজিতে লিপ্ত বিএনপির লোকেরা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, আপনাকে ঘিরে রেখেছে, বেষ্টনী থেকে বের হন। বিরোধীদলীয় নেতার সাথে বসে জাতিকে মুক্তি দিতে সেই পলিসি নির্ধারণেরও পরামর্শ দেন তিনি।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জনগণের ৭০% গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে রায় দিয়েছে। কিন্তু তলে তলে বিএনপি না এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে। বিএনপি মোনাফিকি করে দ্বিচারিতা করে একবার পার পেয়েছে। ভবিষ্যতে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে তাদের। সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনের মাধ্যমে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেন, জুলাই আন্দোলন হয়েছিল নতুন বাংলাদেশ গড়তে, আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে। আজ সেই আন্দোলনকে অস্বীকার করা হচ্ছে। আজকে দুমাসের মাথায় রাজপথে নামতে হচ্ছে। এটি কারো জন্য সুখকর হবে না। জুলাইয়ে দেশ আবার স্বাধীন হয়েছে। আজকে আবার এক ব্যক্তির শাসনের দিকে নিতে চায় বিএনপি, কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ তা মেনে নেবে না। সরকার যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ১১ দল আন্দোলনের ডাক দিলে প্রথম কাতারে থেকে প্রথম শহীদ হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে আবার দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। যেসব সাংবিধানিক কাঠামো ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার জন্য দায়ী, তার প্রত্যেকটি সংস্কারের জন্য যে প্রস্তাবনা, তাতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বিএনপি।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, বর্তমান সরকার মানবাধিকার কমিশন, গুম সংক্রান্ত কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ ও গণভোট মানেন না। গায়ের জোরে তারা এসব বাতিল করে দিয়েছে। বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদী সরকার টিকতে পারেনি। জুলাই শহীদ পরিবার, জুলাই আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ও জুলাইযোদ্ধারা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ের দাবি নিয়ে আবার সমাবেশ করতে হবে, তা জুলাইযোদ্ধারা চিন্তা করেনি। সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। জুলাই শহীদ পরিবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বক্তব্য শুনতে চায় না, বরং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকবেন- তা শুনতে চায়। আমরা ১১ দল ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের দাবি আদায় করেই ছাড়বো।

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, যারা ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসন করছেন তাদের পরিণতি পলাতক আওয়ামী লীগের মতোই হবে। সরকার যে মসনদে বসে আছে- সেই মসনদ জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের মসনদ। জুলাইযোদ্ধাদের সাথে গাদ্দারি করে তাদের পা ভাঙতে আসলে আপনাদের পা ভেঙে যাবে। জুলাইযোদ্ধারা আজ শাহবাগে একত্রিত হয়ে যে আওয়াজ তুলেছে, সেই আওয়াজকে বোঝার চেষ্টা করুন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, বিডিপির চেয়ারম্যান অ্যা্ডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মুখলেসুর রহমান কাসেমি, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়াম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম, জুলাইয়ের শিশু শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়া বেগম, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ও জাকসুর জিএস মাজহরুল ইসলাম।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের নায়েবে আমিরবৃন্দ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দ, জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর দায়িত্বশীলবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলের মাননীয় এমপিবৃন্দ এবং ডাকসু, জাকসু, চাকসু, জকসু, রাকসু নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে সারা দেশ থেকে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা যোগ দেন। এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী দুই সহস্রাধিক জুলাইযোদ্ধাসহ কয়েক হাজার জুলাইযোদ্ধা সমাবেশে যোগ দেন।

    সমাবেশের উদ্বোধনীতে বক্তব্য দেন জুলাইযোদ্ধা কামরুল হাসান। সমাবেশে জুলাই শহীদ পরিবার, আহত পঙ্গুত্ববরণকারী এবং জুলাইযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, জুলাই শহীদ যুবায়ের খানের পিতা অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম খান, শহীদ আনাস ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম খান, হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা তৌহিদ ফারাজী, জুলাই শহীদের পিতা জাকির হোসেন, শহীদের পিতা শেখ জামাল হোসাইন, শহীদের পিতা গাজিউর রহমান ও হাত হারানো জুলাইযোদ্ধা আতিউর ইসলাম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ইয়াছিন আরাফাত। সকাল ১০টায় ক্বারী এনায়েত উল্লাহ সাইফি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। কোরআন তেলয়াওয়াতের অনুবাদ করেন শরীফ বায়জীদ মাহমুদ। ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মশিউর রহমান।

    এ,আর

  • আটক দুই শিক্ষার্থীকে ৮ ঘণ্টা পর ফেরত দিলো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী

    আটক দুই শিক্ষার্থীকে ৮ ঘণ্টা পর ফেরত দিলো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী

    ডেস্ক নিউজ|

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক আটক হওয়া দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে প্রায় আট ঘণ্টা পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছে।

    ঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া পাটশিরি সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফের ১৩২ ব্যাটালিয়নের মরিচা ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের আটক করে। পরে বিকেলে পতাকা বৈঠক শেষে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    ফেরত আসা শিক্ষার্থীরা হলো, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার শিবু চন্দ্র রায়ের ছেলে ইন্দ্র (১৪) ও সমারু চন্দ্র রায়ের ছেলে উদয় (১৪)। তারা রশেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা আগের দিন বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে সকালে সীমান্তের মেইন পিলার ৪১৭-এর ৯ নম্বর সাব-পিলার এলাকায় ছবি তুলতে যায়। এ সময় অসাবধানতাবশত তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করে।

    গড়িনাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দিপু বলেন, বিজিবির দ্রুত উদ্যোগ ও কার্যকর যোগাযোগের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

    এম কে

  • কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া

    কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া

    ডেস্ক নিউজ|

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক। উত্তেজিত জনতার তাড়া খেয়ে তিনি পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

    শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ভাউলাগঞ্জ এলাকার মেসার্স জান্নাতুল মাওয়া ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুপুরে ফিলিং স্টেশনটিতে তেল নিতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। তবে লাইনে থাকা অনেক চালকের কাছে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফুয়েল কার্ড, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। এতে বৈধ কাগজপত্র থাকা চালকেরা তেল পেতে সমস্যায় পড়েন এবং পরিস্থিতি ক্রমেই বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ ইউএনওকে খবর দেয়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইউএনও সবুজ কুমার বসাক ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেন। এ সময় দুই মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

    জরিমানা করার কিছুক্ষণ পরই শতাধিক লোকের একটি মিছিল ঘটনাস্থলে এসে ইউএনও ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ইউএনওর বডিগার্ড তৈবুল (৪৩)-এর ওপর চড়াও হয়ে তার সরকারি অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ইউএনও স্থানীয়দের সহায়তায় পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে দেবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে উপজেলা কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

    ইউএনও সবুজ কুমার বসাক বলেন, উপজেলার তিনটি পাম্পে আজ তেল দেওয়ার কথা ছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। কাগজপত্র ছাড়া চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় এবং দুজনকে জরিমানা করায় একদল লোক মিছিল নিয়ে এসে হামলা চালায়। তারা আমার বডিগার্ডের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

    দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালেক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে