Blog

  • মায়ের কিডনিতে জীবন ফিরে পেলেন কৃষ্ণ হাজং

    মায়ের কিডনিতে জীবন ফিরে পেলেন কৃষ্ণ হাজং

    ডেক্স নিউজ :‘মানুষ মানুষের জন্য-জীবন জীবনের জন্য’ এই কথাটি যেন আজ সত্যিতে রূপ নিল। মায়ের দেওয়া কিডনিতেই জীবন ফিরে পেয়েছে ছেলে কৃষ্ণ হাজং। কিডনি প্রতিস্থাপনসহ সামগ্রিক চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সন্তানের জীবন বাঁচাতে এক মায়ের নিজের কিডনি দানের মতো সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, অন্যদিকে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মতো জনপ্রতিনিধির নিঃস্বার্থ আর্থিক ও মানসিক সহায়তায় মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার এক আদিবাসী যুবক কৃষ্ণ হাজং।

    বুধবার (২৫ মার্চ) দীর্ঘ চিকিৎসার পর সফল কিডনি প্রতিস্থাপন শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন কৃষ্ণ হাজং।

    নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণ হাজং ছিলেন তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বাবা, মা, স্ত্রী ও এক কন্যাকে নিয়ে ছিল তার অভাবের সংসার। হঠাৎ করেই জানতে পারেন তার দুটি কিডনিই সম্পূর্ণ অকেজো।

    প্রথমে ময়মনসিংহ এবং পরে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে কৃষ্ণের পরিবার প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েন। অর্থাভাবে ডায়ালাইসিস করাতে না পেরে গত বছরের মে মাসের শেষদিকে একপ্রকার মৃত্যুর প্রহর গুনতে গুনতে বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি।

    অসহায় কৃষ্ণের নিভু নিভু জীবনের কথা জানতে পারেন তৎকালীন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি নিজ উদ্যোগে অসহায় এই মানুষটির চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে গত ১৮ জুন থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) কৃষ্ণের নতুন করে চিকিৎসা ও ডায়ালাইসিস শুরু হয়।

    চিকিৎসকরা জানান, কৃষ্ণকে বাঁচাতে হলে কিডনি প্রতিস্থাপন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। ছেলের করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারেননি তার গর্ভধারিণী মা। নিজের জীবনের ঝুঁকি তুচ্ছ করে তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার একটি কিডনি সন্তানকে দান করবেন।

    টানা আট মাস চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ২ মার্চ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষ্ণ হাজংয়ের কিডনি প্রতিস্থাপনের দিন ধার্য হয়। দীর্ঘ সময়ের জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়। পুরো এই প্রক্রিয়ার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন ও সার্বক্ষণিক তদারকি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    অবশেষে বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান কৃষ্ণ হাজং। আনন্দঘন ও আবেগাপ্লুত মুহূর্তে হাসপাতালে ছুটে যান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় কৃষ্ণের মা দুই হাত তুলে অশ্রুসিক্ত নয়নে মানবিক নেতাকে আশীর্বাদ করেন এবং ডেপুটি স্পিকার অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তাদের বিদায় জানান।

    মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি কৃষ্ণ হাজংয়ের পাশে দাঁড়িয়েছি। সবসময় তার চিকিৎসার অগ্রগতির সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি। সবকিছু ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবার কাছে অনুরোধ, আসুন আমরা প্রার্থনা করি- কৃষ্ণ হাজং সুস্থ হয়ে যেন তার পরিবারের হাল ধরতে পারেন।

    m

  • গাছের সঙ্গে ধাক্কা, মিলল কাভার্ডভ্যানভর্তি ভারতীয় শাড়ি

    গাছের সঙ্গে ধাক্কা, মিলল কাভার্ডভ্যানভর্তি ভারতীয় শাড়ি

    ডেক্সনিউজ : নেত্রকোনার বারহাট্টায় চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে অবৈধপথে আসা কাভার্ডভ্যানভর্তি ভারতীয় শাড়ি-কাপড় জব্দ করেছে পুলিশ। গাছের সঙ্গে ধাক্কার পর স্থানীয়দের তল্লাশিতে এসব অবৈধ শাড়ি-কাপড়ের হদিস মেলে।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কাঁকুড়াবাজারে এসব কাপড় জব্দ করা হয়। পাচারের সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

    এ সময় কাভার্ডভ্যানের চালক ইব্রাহিম (২৫) ও সহকারী সাব্বিরকে (২৭) আটক করা হয়। তাদের বাড়ি গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায়।

    পুলিশ, এলাকাবাসী ও আটক চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের মধ্যনগর সীমান্ত এলাকায় নৌকা থেকে ভারতীয় শাড়ি ও থ্রিপিস ভর্তি করে একটি কাভার্ডভ্যান গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে বারহাট্টা উপজেলার কাঁকুড়া এলাকার একটি গাছের সঙ্গে কাভার্ডভ্যানটির ধাক্কা লাগে।

    স্থানীয় লোকজন এটি আটকে ভেতরে কী আছে জানতে চান। তাৎক্ষণিক সঠিক জবাব দিতে না পারায় লোকজন কাভার্ডভ্যানটি খুলে ভেতরে চোরাচালানের পণ্য দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় এর চালক ও সহকারীকেও আটক করে।

    থানায় নিয়ে কাভার্ডভ্যানটি খুলে এতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রিপিস দেখতে পায় পুলিশ।

    থানায় আটক চালক ইব্রাহিম বলেন, ভোরে সীমান্ত এলাকা থেকে পণ্যগুলো নিয়ে রওনা হই। সব জায়গায় আমাদের সহযোগী রয়েছে। তারা পথ দেখিয়ে দেয়। সহযোগীদের দেখানো পথে বারহাট্টার কাঁকড়া এলাকায় এসে কাভার্ডভ্যানটি একটি গাছে ধাক্কা লাগে। এতেই এলাকাবাসী সন্দেহ করে এটি আটক করে। চার-পাঁচ দিন ধরে ঘুম নেই। ফলে রাস্তায় গাড়ি চলন্ত অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সেই কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লাগে।

    বারহাট্টা উপজেলার সাংস্কৃতিক কর্মী আজিজুল হক ফারুক বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকবার চোরাচালানের মালামাল ভর্তি গাড়ি আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। বারবার এলাকার লোকজনই চোরাচালানের পণ্য আটক করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানো উচিত।

    বারহাট্টার সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন তালুকদার বলেন, আমি গ্রামপুলিশের মাধ্যমে খবর পাই একটি ট্রাক সড়কের পাশের একটি বাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে একটি ঘরের ক্ষতি করেছে। পরে তাড়াহুড়ো করে তারা জরিমানা দিয়ে চলে যেতে চাইলে স্থানীয়দের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে আমি বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করে নিয়ে যায়।

    বারহাট্টা থানার ওসি কামরুল হাসান বলেন, শাড়ি, কাপড় ও থান কাপড় জব্দ করার সময় সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। জব্দ করা শাড়ি, থ্রিপিস ও থান কাপড় জব্দের তালিকা প্রস্তুতি চলছে।

    নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, জব্দকৃত ট্রাকের মালামাল স্থানীয় লোকজন এবং গণমাধ্যমের কর্মীদের সামনে খোলা হয়েছে। এখন জব্দকৃত মালামালের তালিকা চলছে। ভবিষ্যতেও অবৈধপথে আসা কাপড়সহ মাদক বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    m

  • সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    ডেক্স নিউজ : নেত্রকোনার আটপাড়ায় সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হৃদয় মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৯টার দিকে শুনই ইউনিয়নের কালিয়াখালী গ্রামের কালিয়াখালী খালে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হৃদয় মিয়া ওই গ্রামের সজলু মিয়ার ছেলে।স্থানীয়রা জানান, রাতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে খালে পানি সেচ দিচ্ছিলেন হৃদয়। এ সময় সেচপাম্পে বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে অসাবধানতাবশত তিনি তৎক্ষণাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজন ও আশপাশের লোকজন তাকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে আটপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পানি সেচ দিতে গিয়ে হৃদয় মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় আটপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

    m

  • দৌলতদিয়া ঘাটে বাস দুর্ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার; নিখোঁজ ৪৫

    দৌলতদিয়া ঘাটে বাস দুর্ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার; নিখোঁজ ৪৫

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩নম্বর ফেরি ঘাটে পদ্মা নদীতে পরে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসের ৪৫ যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছে এবং দুই নারীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধারে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসে পৌঁছেছে। কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস সহ অন্যান্যরা।

    ফেরিতে উঠতে গিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায় । বাসে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। তবে এখনো ৪৫ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

    বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৌলতদিয়া ৩নম্বর ফেরি ঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে হঠাৎ করেই কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সৌহাদ্য পরিবহনের একটি বাস নদীতে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে বাসে অর্ধ শতাধিক যাত্রী ছিল। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরিয়ে পাড়ে উঠলেও বেশির ভাগ যাত্রীর সন্ধান মেলেনি।

    স্থানীয় সোহেল মিয়া বলেন, সৌহাদ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে উঠতে গেলে হঠাৎ করেই পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ৫-৬জন যাত্রী সাঁতরিয়ে নদীর কুলে আসলেও অন্যান্যদের পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে

    এখন পর্যন্ত দুইজন নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শরিফুল ইসলাম।

  • চৌগাছায় মামলা ছাড়াই দিনমজুর আটক

    চৌগাছায় মামলা ছাড়াই দিনমজুর আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় কোনো মামলা ছাড়াই  মহিদুল ইসলাম  নামের এক কৃষককে আটক করেছে চৌগাছা থানার পুলিশ।
    মুহিদুল উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের স্বরুপপুর গ্রামের মৃত খায়ের মন্ডলের ছেলে।
    ২৪ মার্চ রাতে চৌগাছা থানার এস আই মিজানুর রহমান  মহিদুলের বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসে। পরে একটি পেন্ডিং মামলায় তাকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।
    মহিদুল ইসলামের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা ও জামায় মোস্তাকসহ স্বজনরা  জানান, মহিদুল একজন দিন মজুর। অন্যের খেতে দিন হাজিরায় কাজ করে কোনোরকম সংসার পরিচালনা করেন। তারা বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেননা। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও নেই। পুলিশ কি কারনে তাকে আটক করেছে তাও জানেননা।
    ছয় সদস্যের সংসারে মহিদুল একাই উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি। মহিদুল আটক হওয়ায় তার পরিবারের সদস্যরা হতাশায় ভেঙে পড়েছে।
    ইউনিয়নের প্রবীণ শিক্ষক আমিন খান বলেন, মহিদুল অপরাজনীতির শিকার। পুলিশ কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্যায় ভাবে তাকে আটক করেছে।
    আটককারি কর্মকর্তা চৌগাছা থানার সাব ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান বলেন, উনি আওয়ামীলীগ করতো এইটাই উনার অপরাধ।
    চৌগাছা থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, আমি ছুটিতে আছি। থানায় পৌঁছে বলতে পারবো।
    যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করে হয়রানি করা থেকে পুলিশকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
  • চৌগাছায় গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা

    চৌগাছায় গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছায় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ মার্চ (বুধবার) সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও. নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারী কামাল আহমেদ, সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা সেলিম রেজা আওলিয়ার, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ-সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান, সাংবাদিক এম এ রহিম প্রমুখ।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা শেষে দিবসটি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • চৌগাছায় মাদক সেবন করায় চারজনের জেল-জরিমানা

    চৌগাছায় মাদক সেবন করায় চারজনের জেল-জরিমানা

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছায় মাদক সেবনের অপরাধে চারজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে প্রত্যেককে ১শ’ টাকা করে জরিমানা করে আদায় করা হয় এবং ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয় আদালত।

    বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ইসলামের নেতৃত্বে শহরের চাঁদপুর বটতলা মোড়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন চৌগাছা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড চাঁদপুর গ্রামের মুনতাজ আলীর ছেলে মোমিনুর রহমান, দাউদ আলীর ছেলে ইজাজুল ইসলাম, ইউসুফ আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম এবং সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম।

    নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম জানান, গাঁজা সেবনের অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮/ ৩৬(১) এর ৫ উপধারা মোতাবেক ৪ জনকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই অপরাধে তাদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে ৪শ’ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

  • পার্বতীপুর আ.লীগের অফিস উদ্বোধন-মিষ্টি বিতরণ, গ্রেফতার ৪

    পার্বতীপুর আ.লীগের অফিস উদ্বোধন-মিষ্টি বিতরণ, গ্রেফতার ৪

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    ‎দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আজ বুধবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত অফিসটি জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে সংঘবদ্ধ লোকজন ও পুরোনো কিছু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী দখল করে নেয় এবং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

    এ সময় নানা স্লোগানে তারা অফিস ও তার আশপাশ প্রকম্পিত করে তোলে। মিষ্টি বিতরণ করা হয় বলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ৪ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তারা হলেন- ডা. সাজ্জাদ হোসেন, লাজী বোর্ডিংয়ের মালিক আক্তার হোসেন, গৌরাঙ্গ কুমার রায় ও বাবলু মিয়া।

    পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, আমরা অসংলগ্ন উন্মাদনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের কোর্টে পাঠানো হবে।

    এ/আর

  • ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তের চেষ্টা করা হচ্ছে: ডা. জাহিদ

    ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তের চেষ্টা করা হচ্ছে: ডা. জাহিদ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেক নিউজ দিয়ে অনেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। ফ্যামিলি কার্ড পর্যায়ক্রমে সবাইকে দেওয়া হবে। এটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্প।

     

    শুক্রবার বিকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, ঘোড়াঘাট এবং হাকিমপুর চার উপজেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভায় ডা. জাহিদ বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

    তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি যাতে আমাদের কাউকে স্পর্শ না করে সে ব্যাপারে সবাই সচেতন থাকবেন। সরকার ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনো দুর্নীতিতে লিপ্ত হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

     

    এ/আর

     

  • গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন, যুবকের মৃত্যু নিয়ে জল্পনা

    গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন, যুবকের মৃত্যু নিয়ে জল্পনা

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    দিনাজপুরের কাহারোলে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে গলায় ছুরিকাঘাতে সুব্রত রায় (৩০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, নাকি এটি পরিকল্পিত হত্যা- এ নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। পুলিশ বলছে- প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

    রোববার (৫ অক্টোবর) কাহারোল উপজেলার ১নং ডাবোর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

     

    নিহত সুব্রত রায় কাহারোল উপজেলার ২নং রসুলপুর ইউনিয়নের হাসুয়া গ্রামের কৃষ্ণকান্ত রায়ের ছেলে।

     

    স্থানীয়রা জানান, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ১নং ডাবোর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের সনু রাম রায়ের মেয়ে বিউটি রানীর সঙ্গে ৭ বছর আগে বিয়ে হয় সুব্রত রায়ের। বিয়ের কিছুদিন পরেই পারিবারিক কলহ শুরু হলে একপ্রকার বিচ্ছেদে পরিণত হয় তাদের দাম্পত্য জীবন। স্ত্রী বিউটি রানী চলে আসেন বাবার বাড়িতে।

     

    তারপরও সুব্রত রায় স্ত্রীর টানে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন। রোববার (৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শ্বশুরবাড়িতে আসেন সুব্রত রায়। সেখানে স্ত্রী বিউটি রানী ও শাশুড়ি মনিকা রানী রায়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হলে একপর্যায়ে প্রথমে স্ত্রী ও পরে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করে জখম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান সুব্রত রায়।

     

    এর কিছুক্ষণ পর শ্বশুরবাড়ির অদূরে সুব্রত রায়কে ধানখেতে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান এলাকাবাসী। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দিলে কাহারোল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় সুব্রত রায়কে উদ্ধার কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। রোববার বিকেলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান সুব্রত রায়।

     

    এ ব্যাপারে কাহারোল থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, স্থানীয়রা কেউ কেউ বলছেন- স্ত্রী ও শাশুড়িকে ছুরি দিয়ে কোপানোর পর তিনি নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। তবে যে যাই বলুক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষেই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।

     

    তিনি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি বলে জানান তিনি।

     

    এদিকে ছুরিকাঘাতে জখম শাশুড়ি মনিকা রানী রায়কে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং স্ত্রী বিউটি রানীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাহারোল থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

    এ /আর