Blog

  • ঈদের দিন সড়কে প্রাণ গেল দুইজনের, আহত ৩

    ঈদের দিন সড়কে প্রাণ গেল দুইজনের, আহত ৩

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার  দুপুর ১টার দিকে ময়মনসিংহের তারাকান্দায়   শিমুলিয়া ভান্ডারির মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার রুবেল (২০) ও রিতি (৮)। তারা সিএনজির যাত্রী ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি সিএনজি নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই রুবেল মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় রিতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

    দুর্ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন এবং তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ পাঠানো হয়েছে।
    এম কে
    ০১৭১৩৯১৮৬৫৯
  • ময়মনসিংহে চার গাড়ির সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ২, আহত ৬

    ময়মনসিংহে চার গাড়ির সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ২, আহত ৬

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার  দুপুরে ময়মনসিংহের ভালুকায় ১২টার দিকে উপজেলার ভরাডোবা এলাকার ক্লাবের বাজারে তাফরিদ কটন মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একই লেনে থাকা সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাতনামা এক নারী ও এক বৃদ্ধ নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মিনারা বলেন, দুইজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করে।

    ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

    এ ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    এম কে

  • অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    অভয়নগরে যৌথবাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের নওয়াপাড়ার আলোচিত বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান জনিকে চার কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নির্মম নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে খুলনায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম।

    পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জনি পলাতক ছিলেন। গত বছরের জুলাই মাসে নওয়াপাড়ার এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী আসমা খাতুন অভিযোগ করেন যে, তার স্বামীকে অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। চাঁদা না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাকে বালুতে বুক পর্যন্ত পুঁতে রেখে কয়েক দফায় চার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান জনিসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে চলতি বছরের ৩ আগস্ট আসাদুজ্জামান জনিসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।

    অভয়নগর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল মঙ্গলবার রাতে খুলনায় অভিযান চালায় এবং জনিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

     

  • সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী ও মেয়রের বাড়িতে আগুন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় ধনতলা এলাকায় সাবেক নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে সেতাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আসলাম হোসেনের বাড়িতেও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।

    শুক্রবার  রাত ৮টার দিকে তাদের বাড়িতে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুটি বাড়িরই আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিসংযোগের সময় বাড়িতে কেউ ছিল না বলে জানা গেছে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি সাবেক নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে খালিদ মাহমুদকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে জঙ্গি আখ্যায়িত করতে দেখা যায়।

    বোচাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে সাবেক মেয়র আসলামের বাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা সেখানে পৌঁছাই। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বাড়িতে থাকা মালামাল পুড়ে গিয়েছে, তবে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এ/আর

  • বোনের বাসায় সেমাই নেওয়া হলো না নুরের

    বোনের বাসায় সেমাই নেওয়া হলো না নুরের

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ঈদ উপলক্ষে বোনের বাসায় সেমাই নিয়ে যাওয়ার পথে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. নুর ইসলাম (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. রয়েল ইসলাম (৩৫) নামে আরেকজন।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে দিনাজপুর–ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নুর ইসলাম জেলার বিরল উপজেলার দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের ঠাঠাড়িপাড়া এলাকার মো. রজব আলীর ছেলে। আহত মো. রয়েল ইসলাম একই এলাকার মির্জাপুর গ্রামের মো. মোমিনুল ইসলামের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মোটরসাইকেল যোগে বিরল থেকে ডোমার বোনের বাড়িতে ঈদের সেমাই ও চিনি দিতে যাচ্ছিলেন নুর ইসলাম ও তার বন্ধু মো. রয়েল ইসলাম। বীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নুর ইসলামের মৃত্যু হয় এবং রয়েল ইসলাম আহত হন।

    বীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা হারুনর রশীদ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা জানান, রয়েল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার আঘাত গুরুতর নয়।

    এ/আর

  • স্ত্রীর পিঁড়ির আঘাতে প্রাণ গেল স্বামীর

    স্ত্রীর পিঁড়ির আঘাতে প্রাণ গেল স্বামীর

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    দিনাজপুরের বিরামপুরে স্ত্রীর পিঁড়ির এক আঘাতেই স্বামীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার  এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম হাফিজুল ইসলাম (৬৫)। তিনি ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কুচিয়ামোড় গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি মিষ্টি বিক্রেতা ছিলেন।

    জানা গেছে, নবান্ন উৎসবের জন্য স্ত্রী রেহেনা বেগম তার স্বামী হাফিজুলের কাছে শাড়ি কিনে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় স্ত্রী রেহেনা তার বসার কাঠের পিঁড়ি দিয়ে স্বামী হাফিজুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে হাফিজুল লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাফিজুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিরামপুর থানার ওসি মমতাজুল হক জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত নারী রেহেনাকে আটক করা হয়েছে।

    এ/আর

  • তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    তরুণীর প্রেমের টানে দিনাজপুরে চীনা যুবক, চলছে বিয়ের প্রস্তুতি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    প্রেম মানে না জাতি-কুল বা কোনো বাধা। এমনই আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করে বাংলাদেশি প্রেমিকা তরুণীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সুদূর চীন থেকে আসা প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬)।

    চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামে।

    খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেমিক চীনা যুবককে এক নজর দেখার জন্য প্রেমিকার বাড়িতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।

    জানা গেছে, প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং (২৬) পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার (নির্মাণ)। তার বাড়ি চীনের জিয়াংসু প্রদেশে। তার বাবা মৃত ইউয়ান সিকি এবং মা লিউ ফেনহং।

    প্রায় ১ বছর আগে ভার্চুয়াল হ্যালো ট্যাক অ্যাপসের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণী প্রেমিকা সুরভী আক্তারের (১৯) সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুরভী আক্তার বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া শিমুলতলা গ্রামের অটোচালক নুর হোসেন বাবু ও গৃহিণী সাথী আক্তারের মেয়ে। সুরভীরা দুই বোন।

    সুরভী আক্তার ও চীনা যুবক ইয়ং সং সং জানান, তাদের দুজনের পরিচয় হবার পর ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে ফ্রেন্ডশিপ থেকে রিলেশনশিপ গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রেমিক যুবক ইয়ং সং সং প্রেমিকা সুরভী আক্তারের টানে গত ৪ আগস্ট সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসেন। ১০ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় সুরভী আক্তারের বাড়িতে পৌঁছান ইয়ং সং সং ।

    সুরভীর পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা জানান, চীন থেকে আসা যুবকের পরিচয় ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে সুরভীর সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হবে।

    এ/আর

  • জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় নিয়োগ পরীক্ষায় সকল প্রার্থীই বাদ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বাছাই পরীক্ষায় শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে না পারায় সবাইকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই নিয়োগ ও বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রাম পুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ৩৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে সকল প্রার্থীদের জাতীয় সংগীত লিখতে দেয়া হয়। এ জন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেনি। ফলে অংশ নেয়া প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি নিয়োগ বাছাই কমিটি। প্রার্থীরা উত্তীর্ণ না হওয়ায় পরবর্তীতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানা যায়।

    নিয়োগ বাছাই কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম আকাশ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম, এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা।

    এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীতটি সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক।

    এ/আর

  • আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় আড়াই শ বছরের পুরোনো মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মির্জাপুর শাহী মসজিদের সর্বত্র ইসলামি টেরাকাটা ফুল ও লতাপাতার নকশায় পরিপূর্ণ। মসজিদে ব্যবহৃত ইটগুলো চিকন, রক্তবর্ণ ও অলংকৃত।

    তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২৫ ফুট। আয়তাকার এক সারিতে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ সাধারণত মোগল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য। গম্বুজের শীর্ষবিন্দু ক্রমহ্রাসমান বেল্টযুক্ত। চার কোণে রয়েছে স্তরযুক্ত ও নকশাখচিত বেল্ট করা চারটি সুচিকন মিনার।

    এছাড়া সম্মুখবর্তী দেওয়ালের মধ্য দরজার দুই পাশে মধ্য গম্বুজের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্মিত হয়েছে আরও দুটি ক্ষুদ্র মিনার। এই মিনারের দেওয়াল সংযুক্ত অংশ বর্গাকার। অনুরূপ সমমানের ক্ষুদ্রাকৃতির দুটি মিনার রয়েছে পশ্চিম দেওয়ালেও।

    এ মসজিদে সামনের দেওয়ালে রয়েছে সুশোভন লতাপাতা ও ইসলামি টেরাকাটা নকশাখচিত মাঝারি আকৃতির তিনটি দরজা। দরজার কিছুটা দূরবর্তী উভয় পাশে রয়েছে অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল। তিনটি দরজায়ই ছাদ ও দরজার উপরিভাগের মাঝামাঝি স্থানে বাইরের দিকে উভয় পাশে ঢালু তোরণ আকৃতির একটি স্ফীত অংশ সংযুক্ত হওয়ায় অলংকরণ বিন্যাসে সৃষ্টি হয়েছে নতুনত্ব।

    সামনের তিনটি দরজার অনুরূপ আরও তিনটি দরজার নকশা ও অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল স্থাপিত হয়েছে পশ্চিম দিকের দেওয়ালেও। তবে এই দরজা সম্ভবত স্থাপত্যকৌশল হিসাবেই নির্মিত পশ্চিমের মাঝের দরজা। সুস্পষ্ট কোনো মেহরাব নেই। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালও নকশাখচিত। তবে এই দরজা দুটির উপরিভাগের স্ফীত অংশটি সমান্তরাল নয়। গ্রামবাংলার চিরায়ত রীতি অনুযায়ী দোচালা আকৃতির। কথিত আছে, সামনের ইটগুলো নাকি ঘিয়ে ভেজে তৈরি করা হয়েছে।

    দেওয়ালের অলংকরণে ফুল ও পাতার পাশাপাশি পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর চিত্র রয়েছে। সম্ভবত নির্মাণকারী কারিগরদের মধ্যে হিন্দু স্থপতিও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অথবা এমনও হতে পারে যে প্রতিবেশী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খচিত হয়েছে জীবজন্তুর চিত্র। অবশ্য বর্তমানে জীবজন্তুর চিত্রগুলো অপসৃত হয়েছে।

    মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে ফারসিলিপিখচিত একটি ক্ষুদ্র কালো ফলকের ভাষা ও লিপি অনুযায়ী এই মসজিদটি মোগল সম্রাট শাহ আলমের রাজত্বকালে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। উল্লিখিত লিপি ফলকটিতে মুদ্রিত সন পারস্য বছর।

    লক্ষণীয় বিষয়, সমসাময়িককালে বাংলাদেশের অন্যান্য মসজিদ বা ইমারতের সন তারিখ হিজরি অথবা খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী লেখা ছিল। কিন্তু এই মসজিদে পারস্য বছরের উল্লেখ থাকায় অনুমিত হয় যে, যেসব কারিগর ও স্থপতি এই মসজিদের নির্মাণ মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে নিযুক্ত ছিলেন, তারা ছিলেন পারস্য অথবা ইরানের অধিবাসী। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এ ধরনের কারুকার্য সমসাময়িককালে ইরানের মসজিদ ও অন্যান্য অট্টালিকায় বিদ্যমান ছিল।

    মির্জাপুর মসজিদের মূল ভবনের সামনে রয়েছে একটি আয়তকার পাকা অঙ্গন। অঙ্গনের উপরিভাগ উন্মুক্ত। অঙ্গনের বাইরে রয়েছে একটি সুদৃশ্য তোরণ। তোরণটির নির্মাণশৈলী অপূর্ব। এতে রয়েছে খিলান করা অন্তঃপ্রবিষ্ট দরজা। উভয় পাশে খাঁজ করা স্তম্ভ এবং ঢাল ও অর্ধ বৃত্তাকার, চ্যাপ্টা নাতিদীর্ঘ একটি গম্বুজ। গম্বুজের উপরিভাগে রয়েছে কোরক আকৃতির একটি ক্ষুদ্র চূড়া

    মির্জাপুর মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও এই গ্রামের মির্জা বংশীয় উত্তরসূরিদের অভিমত অনুযায়ী মির্জাপুর গ্রামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পূর্ব পুরুষরা মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। অতঃপর ফুল মোহাম্মদের ভাই দোস্ত মোহাম্মদ সম্ভবত এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। এটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রায় দুই শ বছর আগে মুলুকউদ্দীন বা মালেকউদ্দীন মির্জাপুর মসজিদের মেরামত বা সৌন্দর্যের কাজ শেষ করেন। তিনি হুগলি মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ইরান থেকে কারিগর এনেছিলেন।

    মির্জাপুর মসজিদের স্থাপত্য নিদর্শনের সঙ্গে ঢাকার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে নির্মিত মসজিদের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় অনুমিত হয় যে উভয় মসজিদ সমসাময়িককালে নির্মিত হয়। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মসজিদের নির্মাণকাল ১৬৭৯ খ্রি.। সেদিক থেকে মির্জাপুর মসজিদের বয়স আড়াই শ বছরের কম নয়। বস্তুত বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার মধ্যে একমাত্র মির্জাপুর শাহী মসজিদটিই প্রাপ্ত মোগল আমলে নির্মিত অন্যান্য মসজিদের তুলনায় সবচেয়ে সুষমমণ্ডিত, উৎকৃষ্ট শিল্পনিদর্শন ও সর্বাপেক্ষা মজবুত অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষণ করছে।

    এ/আর

  • সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

    সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যায় কম তারা যদি অন্য যে কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দল, কারো দ্বারা বিন্দুমাত্র হুমকি, হয়রানি কিংবা জুলুমের শিকার হন, আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা পাশে থাকবো।

    শনিবার  পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় তিনি তার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কোনোদিন কারো পায়ে লাগতে যাবো না। কেউ যদি পায়ে পা দিয়ে লাগতে আসে আমরা তাদের ছাড়ও দেবো না। অন্য যে কোনো দলের যারা ভালো কাজ করবে, সে যেই দলই হোক না কেন, আপনারা তাদেরকে সমর্থন করবেন, সহযোগিতা করবেন। ভালোটাকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উৎসাহ পাবে না।

    এ/আর