Blog

  • শেয়ারবাজারে দরপতন

    শেয়ারবাজারে দরপতন

    নিউজ ডেস্কঃ

    লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২১৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৭টির শেয়ার।

    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায়, বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

    দিনভর লেনদেনে ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির ২৪ কোটি ৭২ লাখ ৭৬ হাজার ৪৩৩টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাতবদল হয়।

    এতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ টাকা।

    সূচকের মধ্যে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট কমে ৫,২৪৮ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

    ডিএসই-৩০ সূচক আট দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ২,০০৯ দমমিক ০৯ পয়েন্টে ও শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) এক দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে ১,০৫৮ দশমিক ৫১ পয়েন্টে নেমে আসে।

    লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২১৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৭টির শেয়ার।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ছিল মুন্নু সিরামিকস, ডমিনেজ স্টিল, মালেক স্পিনিং, টেকনো ড্রাগ, জিকিউ বলপেন, তৌফিকা ফুড, সিটি ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, উত্তরা ব্যাংক ও মীর আখতার।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে মুন্নু সিরামিকস, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস, সিলকো ফার্মা, সিকদার ইন্স্যুরেন্স, এপেক্স স্পিনিং, সায়হাম টেক্সটাইল, টেকনো ড্রাগ, মালেক স্পিনিং, এপেক্স ট্যানারি ও জেএমআই হাসপাতাল।

    অন্যদিকে দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ইন্ট্রাকো রিসোর্সেস, প্রিমিয়ার লিজিং, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, বিআইএফসি, হামিদ ফেব্রিক্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, বিডি ওয়েল্ডিং, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স ও কেপিসিএল। বাসস

    এম কে

  • কাঁচা তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে, পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

    কাঁচা তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে, পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

    নিউজ ডেস্কঃ

    কয়েক সপ্তাহের অনিশ্চয়তার পর এক লাখ টন কাঁচা তেলবাহী একটি জাহাজ বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে, ফলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) পূর্ণ উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ার পথ তৈরি হয়েছে।‘

    এমটি নাইনেমিয়া’ নামের জাহাজটি বুধবার দুপুরে বন্দরে ভিড়ে।

    ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: শরীফ হাসনাত বলেন, ‘আজ দুপুরে জাহাজটি বন্দরে এসেছে। আনলোডিং শেষ হলে আমরা পরিশোধন কার্যক্রম শুরু করে পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করব।’

    ইআরএলের কর্মকর্তারা জানান, আনলোডিং প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী ৮ বা ৯ মে’র মধ্যে রিফাইনারিটি পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে ফিরতে পারে।

    মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মার্চ ও এপ্রিলজুড়ে জাহাজ চলাচলের সূচি ব্যাহত হওয়ায় রিফাইনারিটির কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    নির্ধারিত জাহাজগুলো না আসায় কাঁচা তেলের মজুত দ্রুত কমে যায়, ফলে কর্তৃপক্ষকে প্রথমে উৎপাদন কমাতে এবং পরে পুরোপুরি বন্ধ করতে হয়।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কর্মকর্তারা জানান, চালানটি মূলত সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে ছাড়ার কথা ছিল। তবে সঙ্ঘাতজনিত ঝুঁকির কারণে জাহাজটি ২৪ এপ্রিল ইয়ানবু বন্দর থেকে রওনা হয়।

    বিকল্প এই রুট এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার কারণে আমদানি ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    চালানটির মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৮৪ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় এক হাজার ৮৪ কোটি টাকা), যেখানে প্রতি ব্যারেলের দাম ১২৬ দশমিক ২৮ ডলার। পাশাপাশি লজিস্টিক পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত প্রায় ৬০৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

    দেশীয় জ্বালানি বাজারের জন্য রিফাইনারিটির পুনরায় চালু হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কাঁচা তেল পরিশোধনের মাধ্যমে ডিজেল, পেট্রোলসহ বিভিন্ন জ্বালানির মাধ্যমে ইআরএল দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ সরবরাহ করে।অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ জ্বালানি চাহিদা পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম সরাসরি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

    এম কে

  • ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির

    ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির

    অর্থনীতি ডেস্ক:

     

    দেশে বিদ্যুতের ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) করা ওই আবেদনে বিদ্যুতের দাম কমপক্ষে ১৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
    বুধবার বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ পিডিবির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি জানান, আমরা পিডিবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেখানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কারিগরি কমিটি পিডিবির প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে।

    এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছিল।

    বর্তমানে পিডিবির আবেদনে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়বে।

    গত ৯ই এপ্রিল বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করতে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি ট্যারিফ ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সরকারের ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কমবে।

  • ইরান প্রস্তাব মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প

    ইরান প্রস্তাব মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরান প্রস্তাবিত শর্ত মেনে নিলে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    আজ বুধবার তার মালিকানাধীন সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার চুক্তি না মানে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ওপর হামলা শুরু করবে। এই হামলা আগের তুলনায় ‘আরও বেশি মাত্রা ও তীব্রতায়’ হবে।

    পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান যদি শর্তগুলো মেনে চলে, তাহলে ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সমাপ্তি ঘটবে এবং কার্যকর অবরোধ তুলে নেওয়া হবে, ফলে হরমুজ প্রণালি ইরানসহ সবার জন্য উন্মুক্ত হবে।

    তিনি বলেন, ‘যদি তারা রাজি না হয়, তাহলে বোমাবর্ষণ শুরু হবে এবং তা আগের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রা ও তীব্রতায় হবে।’

  • আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ

    আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ গ্রহণ আগামী ৯ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। শপথ অনুষ্ঠানের দিনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় অনুষ্ঠানের বিশেষ গুরুত্ব থাকছে।বুধবার (৬ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আগামী ৯ই মে আমাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। ব্রিগেডে সকাল দশটায়।

    ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান এবং নবান্নের পরিবর্তে মহাকরণ থেকেই সরকার চালানোর বিষয়ে নিয়েও আলোচনা চলছে। এর আগে কখনো ব্রিগেডে শপথ নিতে দেখা যায়নি রাজ্যের কোনো মুখ্যমন্ত্রীকে। অনেকেই একে নজিরবিহীন বলে আখ্যাও দিয়েছেন।

    বিজেপি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া বিজেপি ও শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকতে পারেন।

    এর আগে অমিত শাহ বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমন একজন, যিনি বাঙালি, বাংলায় জন্মেছেন, বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন এবং বাংলা ভাষায় কথা বলেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী সেই মানদণ্ডের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যান।

  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে কী কী থাকছে

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে কী কী থাকছে

     

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরানে চলমান সামরিক অভিযান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান বলছে, তারা নিজেদের জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখেই সমঝোতা করবে। ঠিক এমন সময়ে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে এক পৃষ্ঠার ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে।

    বুধবার (৬ মে) সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, খুব শিগগিরই সমঝোতা স্বাক্ষর সম্পন্ন হবে। সেটি চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি। সূত্রের বরাতে এমন খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সও।

    রয়টার্স জানিয়েছে, উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুতই একটি এক পৃষ্ঠার মেমোতে সমঝোতা হতে পারে। সেই মেমোতে থাকছে ১৪টি দফা। প্রশ্ন হচ্ছে কি আছে ওই খসড়ায়?

    অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, এই স্মারকটি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করবে এবং একটি বিস্তারিত চুক্তির জন্য ৩০ দিনের আলোচনার সূচনা করবে। ওই চুক্তির লক্ষ্য হবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।

    অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, ওই ৩০ দিনের সময়ে ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ধীরে ধীরে তুলে নেওয়া হবে।

    সমঝোতার খসড়া অনুযায়ী, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে এবং আটকে থাকা কয়েকশ কোটি ডলার অর্থ ছাড় দেবে।

    এক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, যদি আলোচনা ভেঙে যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার অবরোধ জোরদার বা সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারবে। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন।

    এরআগে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমরা পারস্পরিকভাবে একমত হয়েছি অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকলেও, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে—যাতে দেখা যায় চুক্তিটি চূড়ান্ত করে স্বাক্ষর করা সম্ভব কি না।

    তবে চীন সফরকালে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে কিছু না বললেও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তেহরান ‘ন্যায্য ও সমন্বিত একটি চুক্তি’ প্রত্যাশা করছে। তবে নতুন এই খসড়া যুদ্ধ বন্ধের পথ প্রশমিত করছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

  • জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    জীবননগরে ভুয়া পরিচয়ে চক্ষু চিকিৎসা, অভিযুক্ত ব্যক্তির কারাদণ্ড

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসাথে তার পরিচালিত একটি বেসরকারি চক্ষু ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার হাসদহ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল আলম রাসেল।

    অভিযানে ‘বাইতুল মামুর চক্ষু হাসপাতাল’ নামে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে তাফহিমুল হোসাইন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, তাফহিমুল হোসাইনের কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নেই। তবুও নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তিনি চোখের ছানি অপারেশনসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসা করার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এতে না বুঝে প্রতারিত হতেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

    অভিযানের সময় তাফহিমুল হোসাইনের কাছে বৈধ সনদপত্র, প্রশিক্ষণের প্রমাণ কিংবা বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি অন্য এক নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিএমডিসি নম্বর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করছিলেন, যা আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ।

    এসব অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে পরিচালিত ক্লিনিকটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়।

    দণ্ডপ্রাপ্ত তাফহিমুল হোসাইন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ক্লিনিকে ভুয়া চিকিৎসার অভিযোগ ছিল। অনেক রোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে প্রতারিত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা। তবে এতোদিন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। সাম্প্রতিক এই অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

    অভিযানে সহযোগিতা করেন জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা: ফাহমিদা আক্তার রুনা ও জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভুয়া চিকিৎসক ও অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    এ, আর

  • বরিশালে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    বরিশালে টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ‘অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির কারণে বরিশাল বিভাগে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ছয় দিনের টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বরিশাল বিভাগের কৃষি খাতে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। অতি বৃষ্টি, দমকা হাওয়া ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল। এতে এক লক্ষাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন মুগডাল চাষিরা।বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল থেকে ৩ মে বিভাগের প্রায় ১৯ লাখ ২২২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এতে এক লাখ ৮৫৯ জন কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    প্রচণ্ড বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় বোরো ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বাতাসে নুয়ে পড়েছে ৭৫ হাজার ৬১১ হেক্টর জমির ধান। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চার হাজার ৪৬৩ জন কৃষক। একইভাবে ৭৬ হাজার ৬৮৯ হেক্টর জমির মুগডাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন ৫৭ হাজার ৮৬৪ জন কৃষক।

    এছাড়া ৭৯০ হেক্টর জমির মরিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন চার হাজার ৫৭৪ জন কৃষক। ১০ হাজার ৫৯৪ হেক্টর জমির চীনা বাদাম নষ্ট হয়ে ছয় হাজার ৬০৬ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। চার হাজার ৪৪৮ হেক্টর জমির সয়াবিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তিন হাজার ৩৬৬ জন কৃষক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

    গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিন হাজার ১৯৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে ১৭ হাজার ২৩২ জন কৃষক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    এছাড়া আউশ বীজতলা, রোপা আউশ ধান, পাট, পেঁপে, কলা, পান, মিষ্টি আলু, ভুট্টা, তিল ও সূর্যমুখীসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের কৃষক রফিক মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে সব শেষ হয়ে গেছে। যে আশা নিয়ে চাষ করেছিলাম, তা এখন পানিতে ভেসে গেছে।

    বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কৃষক রিয়াজ বলেন, ধান কাটার সময়ের আগেই ক্ষেত ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কাটতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন অনেক কমে যাবে।

    নবগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক ইউসুফ মোল্লা বলেন, ছয় দিনের বৃষ্টি আর বাতাসে বোরো ধান একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। নুয়ে পড়া ধান পরিপক্ক হওয়ার আগেই কাটতে হচ্ছে, এতে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।

    বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘অতি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির কারণে বিভাগে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

    এদিকে কৃষি খাতের এই ব্যাপক ক্ষতির কারণে খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও প্রণোদনা না দিলে আগামী মৌসুমে চাষাবাদে আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ,আর

  • এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ

    এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব এসে পড়েছে দেশের বাজারে। এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যদিও বছরওয়ারি হিসাবে সামান্য কমতি দেখা গেছে, তবে মাসভিত্তিক হিসাব বলছে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয়চাপ আবারও বেড়েছে। আজ বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

    সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিল মাসে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ক্রেতাদের চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। এই খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে, যেখানে মার্চে তা ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। বাসাভাড়া, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধিকে এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। তখন খাদ্য খাতে হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

  • ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ ‘অবৈধ’ : চীন

    ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ ‘অবৈধ’ : চীন

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সাথে বৈঠকের সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চালানো যুদ্ধটি ‘অবৈধ’। চীন চলমান চাপ কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি। ওয়াং ই বলেন, ‘একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি অপরিহার্য’ এবং এ অঞ্চলটি একটি ‘সঙ্কটপূর্ণ সময়ে’ রয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি বৈঠক প্রয়োজন।

    আরাগচি চীনের ‘দৃঢ় অবস্থানের’ জন্য, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নিন্দা জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বেইজিং ‘ইরানের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবেই থাকবে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকে ‘একটি নির্লজ্জ আগ্রাসন এবং আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেন। আরাগচি আরো বলেন, তেহরান ‘আলোচনায় আমাদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে’ এবং শুধুমাত্র ‘একটি ন্যায্য ও ব্যাপক চুক্তি’ গ্রহণ করবে।