Blog

  • পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে

    নিউজ ডেস্ক
    অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি খিদিরপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।
    মৃত জেসমিন উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে। সে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    অভিযোগে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে ক্লাশে প্রবেশ করে জেমি। এ সময় ক্লাশ শিক্ষিকা মিনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনের কাছে মোবাইল ফোন দেখে ক্লাশরুমে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অপমান করেন। পরে খন্ডকালীন শিক্ষিকা সালমা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনকে ক্লাশরুম থেকে ডেকে কমনরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেত দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে জেমির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। অপমান অপদস্থ করে স্কুল থেকে বের করে দেন।

    শিক্ষিকার এই বেধড়ক মারপিট ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী জেমি ঘটনার দিন বিকালে দাদির বাড়িতে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জেমির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে জেমিকে আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার সময় জেসমিন মারা যায়।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিনোয়ারা ও সালমা খাতুনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
    আটঘরিয়া থানার ওসি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ/আর

  • যমুনা নদীর পাড়ে  ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    যমুনা নদীর পাড়ে ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পাড়ে একটি ড্রেজার থেকে হাফিজুল ইসলাম হাফিজ (৩০) নামের গণঅধিকার পরিষদের এক সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পাড়ামোহনপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    নিহত হাফিজুল ইসলাম ওই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের বাঐখোলা গ্রামের মৃত কমল মুন্সীর ছেলে। তিনি গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর আড়কান্দি ও পাড়ামোহনপুরসহ আশপাশের এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধের পাশে বালুর ব্যবসা চলছিল। হাফিজুল ইসলামও ওই কাজে যুক্ত ছিলেন। রোববার রাতে একটি ড্রেজারের বাল্কহেডের ইঞ্জিন অংশে চার সহযোগীর সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে এনায়েতপুর থানা-পুলিশ ও চৌহালী নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

    স্থানীয় বাসিন্দা জামাল প্রামাণিক জানান, নদীভাঙনে বসতভিটা হারানোর পর হাফিজুল ইসলাম ঢাকায় চাকরি করতেন। কয়েক মাস আগে এলাকায় ফিরে এসে তিনি বালুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি নিজেকে গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতেন।

    এ বিষয়ে চৌহালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন  বলেন, ‘নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    এম কে

  • সাংবাদিকদের সাথে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর    মতবিনিময় 

    সাংবাদিকদের সাথে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর   মতবিনিময় 

     

    জেলা প্রতিনিধি,চুয়াডাঙ্গা:

    চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গায় ২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।

    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের জন্য সঠিক নেতৃত্ব উঠে আসবে। জনগণের রায়ে নির্বাচিত হতে পারলে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনপদের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক অবকাঠামো, কৃষি ও ক্রীড়া ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা নেয়া হবে।

    মতবিনিময় সভায় দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।

    সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, জনগণের সিদ্ধান্তেই চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে সঠিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত হলে তিনি এ আসনকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি আদর্শ সংসদীয় আসনে পরিণত করতে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখবেন।

    মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজিব হাসান কচি, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সরদার আল আমিনসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • যশোর-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    যশোর-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    যশোর প্রতিনিধি:
    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জামায়াত মনোনিত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।

    ২২ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা মোছা: রনি খাতুনের দপ্তর থেকে প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

    এসময় প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আসন পরিচালক অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আরশাদুল আলম, চৌগাছা উপজেলা আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ, নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম ও ঝিকরগাছা উপজেলা আমীর মাওলানা আব্দুল আলীম।

    মনোনয়নপত্র প্রদানকালে সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা জামায়াত নেতৃবৃন্দকে সকল ধরনের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জামায়াতের দলীয় আসন পরিচালক অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‌‌”আমরা প্রথমেই মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি যে ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনে ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের পক্ষে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পেরেছি। তিনি বলেন এই আসনে আমরা অতীতে কয়েকবার বিজয়ী হয়েছি। সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমরা এখানে আবারো বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবো ইনশায়াল্লাহ।

    চৌগাছা উপজেলা আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, চৌগাছায় দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু ভোট হলে ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমরা বিজয়ী করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

    বি/এ

  • কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রি- ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড

    কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রি- ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে অবৈধভাবে সার বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই ব্যবসায়ীর নাম ফিরোজ মাহমুদ(৩০)। তিনি ঢেকুরিয়া ইকোপার্ক এলাকার বাদশা মিয়ার পুত্র ও কীটনাশক বিক্রেতা।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টা থেকে ঘন্টাকালব্যাপী উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ঢেকুরিয়া ইকোপার্ক এলাকায় মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় ওই দোকানে অবৈধভাবে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে কুড়ি হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে ওই দোকান থেকে জব্দকৃত ৮৩ কেজি টিএসপি, ৯০ কেজি ইউরিয়া ও ৮৬ কেজি এমওপি সার ডিলারদের ডেকে নিলামে ছয় হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি করা হয়।

    এবিষয়ে গণমাধ্যমকে ইউএনও জানান,“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সরল স্বীকারোক্তি প্রদান ও  অপরাধের উৎস সম্পর্কে তথ্য প্রদান করায় মানবিক দিক বিবেচনা করে সার বিক্রির অপরাধে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬ এর ৮ ধারায় ওই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    এম কে

  • বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবাড়িতে বরের জুতা লুকিয়ে রাখা নিয়ে সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বরপক্ষ বউ না নিয়েই ফেরত চলে গেছে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের গুলিয়াখালীর চর গ্রামের কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি সমঝোতা না হওয়ায় একদিন পর জানাজানি হয়।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার ওই ইউনিয়নের গুলিয়াখালী গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ৬০-৭০ জন বরযাত্রী নিয়ে গুলিয়াখালীর চরে কনের বাড়িতে আসে। বিয়ে উপলক্ষে ওই বাড়িতে সেদিন প্রায় ২০০ লোকের আয়োজন ছিল। কিন্তু জুতা লুকানোকে কেন্দ্র করে বর পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বিয়ে সম্পন্ন না করে কনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে চলে যায়।

    কনের মা খাদিজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বরকে স্মার্টফোন ও ১০ আনা সোনার চেইন দিয়ে আমরা বরণ করেছিলাম। শুধু তাই নয় বাড়িতে ২০০ লোকের আয়োজন করতে এক লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু ও পাঁচ মণ দই কেনা হয়েছিল। সবাই খাবার খাওয়া শেষ করেছে। কিন্তু তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট হওয়ায় বিয়ে ভেঙে গেছে।শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • দেশি মাছের সংকটে শুঁটকি উৎপাদন কমেছে

    দেশি মাছের সংকটে শুঁটকি উৎপাদন কমেছে

    ডেস্ক নিউজ

    শুঁটকির গ্রাম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভর তেঁতুলিয়া গ্রাম। এখানকার উৎপাদিত দেশীয় ছোট মাছের শুঁটকি প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হওয়ায় কদর রয়েছে দেশজুড়ে। শুধু দেশেই নয়, ভারতে রয়েছে এখানকার শুঁটকির কদর। তবে এখন ভরা মৌসুম হলেও মাছের অভাবে ভাটা পড়েছে শুঁটকি উৎপাদনে। অল্পস্বল্প যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।

    আত্রাই উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ টন শুঁটকি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এখানকার উৎপাদিত শুঁটকির বাজার মূলত দেশের রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও ঢাকা। রপ্তানি হয় ভারতেও। এ উপজেলায় একসময় ৪০ জন ব্যবসায়ী শুঁটকি উৎপাদনে জড়িত থাকলেও বর্তমানে আছেন ১৫-১৮ জন।

    সম্প্রতি দেখা গেছে, আত্রাই রেলস্টেশনের দুই পাশে রয়েছে শুঁটকি মাছ শুকানোর চাতাল। নারী-পুরুষেরা মাছ কাটা, ধোয়া, লবণ লাগিয়ে চাতালে শুকাতে দিচ্ছেন। সকালে রোদে দেওয়া ভেজা মাছগুলোও কেউ কেউ এপিঠ-ওপিঠ উল্টে রাখছেন। মাছের অভাবে অনেক চাতাল ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    স্থানীয় শুঁটকি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আত্রাই উপজেলা একটি বিল অধ্যুষিত এলাকা। উপজেলার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই নদী। পাশাপাশি ছোট যমুনা নদী ও আরও রয়েছে শতাধিক খাল-বিল। এসব নদী ও খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করলে বাজারে উঠতে শুরু করে দেশীয় প্রজাতির ট্যাংরা, পুঁটি, খলসে, টাকি, শোল, চাঁদাসহ নানা জাতের মাছ। কিন্তু চায়না দুয়ারি, সুতি, কারেন্ট ও ভাদাই জালের অবাধ ব্যবহারে পানি কমলেও এ বছর দেখা নেই মাছের। মাছের অভাবে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বন্ধ ছিল অধিকাংশ চাতাল। এতে চাহিদা অনুযায়ী শুঁটকি উৎপাদন করতে পারছেন না। এ ছাড়া শুঁটকি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকেরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন।

    শুঁটকি ব্যবসায়ী ভর তেঁতুলিয়া গ্রামের রামপদ শীল বলেন, ‘এ বছর মাছের খুব অভাব। বাজারে যেটুকু মাছ পাওয়া যাচ্ছে তাও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। মানভেদে প্রতি কেজি ১০০-২২০ টাকা কেজিতে মাছ কিনতে হচ্ছে। প্রতিদিন ২০-২৫ মণ মাছের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাজার ও মৎস্য আড়ত ঘুরে ৭-১০ মণের বেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী শুঁটকি উৎপাদন করতে পারছি না।’

    ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও এই সময় শুঁটকিপল্লি মুখর থাকত। কিন্তু এখন বর্ষার শুরুতেই সুতি, দুয়ারি ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় বাজারে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। মাছ পাওয়া গেলে এত দিন দুই-আড়াই মাস ব্যবসা করা যেত। মাছের অভাবে অনেক চাতাল বন্ধ আছে। এ অবস্থায় চাতালের কাজে জড়িত নারী-পুরুষ শ্রমিকও বেকার হয়ে পড়ছেন।’ নারী শ্রমিক আনজুমান বেগম বলেন, ‘মাছের অভাবে কাজ কমে গেছে। এই শুঁটকি মাছের চাতালে কাজ করে যে টাকা পাই, তা দিয়েই সংসার চলে। কাজ না পেয়ে অনেকে বসে থাকে।’

    এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘শুঁটকির সঙ্গে জড়িতদের নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে শুঁটকি তৈরিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অসাধু উপায়ে মাছ শিকার বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

  • নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁ, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বাসস):জেলা জুড়ে চলছে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান।চারজনকে আটক করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে জেলা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে একের পর এক বড় বড় অভিযান পরিচালনা করে আসছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। শুধু মাদকের বিরুদ্ধেই নয় অভিযান অব্যাহত রেখেছেন ডেভিলদের বিরুদ্ধেও। প্রতিদিন জেলার কোন না কোন উপজেলাতে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রাখা হয়েছে।

    মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ রোববার সকালে শহরের মাদকের আখড়া নামে পরিচিত সুইপার কলোনি এলাকায় সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ৪৫কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে গাঁজা ছাড়াও বাংলা মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদক বিক্রির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    এ সময় যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কদমতলা বারোপুতা গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২৪) কে আটক করা হয়। তাকে সহায়তা করার অপরাধে জেলার বদলগাছী উপজেলার লক্ষিকুল গ্রামের মৃত আব্বাস মন্ডলের ছেলে জলিল মন্ডল (৫০) কে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার জানান, নওগাঁ জেলা ভারতীয় সীমান্তঘেষা হওয়ার কারণে মাদককারবারীরা নওগাঁকে মাদক চালানের জন্য উত্তম পথ হিসেবে ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে এই অঞ্চলে মাদকের কারবার কিছুটা বেশি হয়েছে। আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সজাগ রয়েছে।

    জেলা জুড়ে এই ধরনের অভিযান আগামীতে আরো বেশি  পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।

    বি/এ

  • ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ ঐতিহ্য, ইতিহাস আর স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনামসজিদ। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিন দিন বাড়ছে এর কদর। শুধু ইতিহাসপ্রেমী নয়, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও এটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় গন্তব্য। তাই শুধু সারাদেশের মানুষ নয়, বিদেশ থেকেও আসছেন একনজর দেখতে।

    শত শত বছরের পুরোনো স্থাপনাটি যেমন নিখুঁত কারুকাজে পরিপূর্ণ; তেমনই এটি দাঁড়িয়ে আছে গৌরবময় অতীতের সাক্ষী হয়ে। সুলতানি আমলে নির্মিত মসজিদটি ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটন সম্ভাবনার বিশাল ক্ষেত্র। ইতিহাসের পাতায় যার নাম ‘সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর রত্ন’। যা চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতির সম্ভাবনাময় স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। ছোট সোনামসজিদকে কেন্দ্র করে পূর্ণাঙ্গ ‘ঐতিহাসিক পর্যটন করিডোর’ গড়ে তোলার দাবি স্থানীয়দের। আশপাশেই আছে দারসবাড়ি মসজিদ, খনিয়া দিঘি মসজিদ, তোহাখানা প্রাসাদসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা।

    নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলা থেকে ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন আয়েশা বেগম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ছোট সোনামসজিদ নিজ চোখে দেখবো। কিন্তু কোনো দিন হয়ে ওঠেনি। আজকে এসে দেখলাম। খুবই ভালো লাগলো।’পাকিস্তানের করাচি থেকে এসেছেন তারেক জামিল খান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত ১০ দিন আগে বাংলাদেশে এসেছি। চারদিন ধরে রাজশাহীতে অবস্থান করছি। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল সোনামসজিদ দেখবো। বড় সোনামসজিদ ভারতে হওয়ায় দেখার সুযোগ হয়নি। তাই ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছি। এখানে নামাজ আদায় করলাম।’তিনি বলেন, ‘পাথরের তৈরি মসজিদটি আয়তনে খুব বড় না হলেও শিল্পসৌন্দর্য নজর কেড়েছে। জানতে পারলাম, উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে নির্মিত মসজিদটির ছাদে আছে ১৫টি গম্বুজ—যার মাঝে তিনটি ‘চৌচালা’ ধাঁচের এবং বাকি ১২টি অর্ধগোলাকৃতির। চার কোণে আছে চারটি অষ্টকোণীয় মিনার। যা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। নামাজ আদায় করে শান্তি পেলাম। কারণ দেওয়ালগুলো খুবই মোটা, ভেতরটা শীতল হয়ে আছে।’ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন মাহবুব হক। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় এসে দেখলাম ছোট সোনামসজিদে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করছেন। দেখে খুবই ভালো লাগলো। মসজিদের দেওয়ালে, দরজায়, জানালায় খচিত খোদাই ও নকশা আজও নজর কাড়ছে। দেখে মনে হচ্ছে, খুব যত্ন করে বানানো হয়েছে মসজিদটি।

    মসজিদটির অভ্যন্তরভাগে আছে তিনটি মেহরাব। যার মাঝখানেরটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং পাথরের নিখুঁত কারুকার্যে অলংকৃত। মসজিদের ভেতরের দেওয়ালজুড়ে যে নিপুণ নির্মাণশৈলী দেখা যায়, তা বাংলার মধ্যযুগীয় শিল্পকলার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিন শতাধিক দর্শনার্থী এখানে আসেন। কেউ আসেন ইতিহাস জানতে, কেউবা ফটোগ্রাফি করতে, কেউ আসেন পাথরের ছোঁয়া আর প্রকৃতির নীরবতায় সময় কাটাতে।

    ঢাকার নতুন বাজার এলাকা থেকে চাঁপাইনবাগঞ্জে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন স্বজল আহমেদ। তিনি বিকেলবেলায় ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তো ইতিহাস বইয়ে পড়ে এসেছি ছোট সোনামসজিদ সম্পর্কে। আজ বাস্তবে এসে যেন ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখলাম। খুবই ভালো লাগছে।’

  • দেশজুড়ে   সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    দেশজুড়ে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    ডেস্ক নিউজঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ৯০০ মেক্টিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

    সোমবার  সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, ৩০টি অনুমোদনপত্রের বিপরীতে সোনামসজিদ বন্দরে দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে আমদানি শুরু হয়েছে।  এর আগে রোববার সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর গিয়ে ভারতের মোহদীপুর থেকে দুটি ট্রাকে ৬০ টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    সবশেষ ৯ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এসেছিল বলে জানান সমীর চন্দ্র ঘোষ।