ট্যাগ অপমৃত্যু

  • ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাঘাটায় ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে সকালে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

    ‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম। একইদিন সকালে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মথরপাড়া পচাবস্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন (মনা)। মনা ওই গ্রামের সুরেন্দ্র বর্মনের ছেলে। তিনি মথরপাড়া বটতলা বাজারে চা-দোকানি ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার নিজ বাড়িতে ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করছিলেন মনা। এসময়  হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হলে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে পরিবারের সদস্য টের পেলে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের ফুফাতো ভাই সুমন রায় জানান, মনা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। মনার বাবা-মা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগী। সকালে ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান।

    ‎‎সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম স্থানীয়দের বরাতে বলেন, বাড়ির ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় মথর পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর হয়েছে। তিনি চা দোকানি ছিলেন।

    এম কে

  • একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একসঙ্গে বিষপানে প্রেমিকা মীম আক্তারের মৃত্যুর ৬ দিন পর মারা গেলেন প্রেমিক মোরছালিন হাসান পরশও। শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরশের মৃত্যু হয়।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম।

    নিহত পরশ (২৫) উপজেলার জয়েনপুর গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে ও মীম (১৯) একই গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে। তারা একে অপরের প্রতিবেশী ।

    এর আগে গত ১৯ এপ্রিল সকালে ওই গ্রামে মীম ও পরশ একসঙ্গে বিষপান করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্বজনরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেলেই মীমের মৃত্যু হয় এবং পরশের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মোরছালিন হাসান পরশ ও মীম আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে তারা দুজনই নিজেদের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে উভয়ের পরিবার রাজি না হওয়ায় সম্প্রতি মীমকে অন্যত্র বিয়ে দেয় তার পরিবার। এরমধ্যে মীম স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে উভয়ের মধ্যে অভিমানের সৃষ্টি হয়। পরে সেই অভিমান থেকেই পরশ ও মীম ১৯ এপ্রিল সকালে একসঙ্গে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ সকালে পরশের মৃত্যু হয়েছে। আমরা রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছি। সেখানেই (রমেকে) মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এম কে

  • নীলফামারীতে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

    নীলফামারীতে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বালুবোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় রবিউল ইসলাম (৪০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম নিতাই ইউনিয়নের খোলাহাটি এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে। 

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে রবিউল ইসলাম ভ্যান নিয়ে উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় পিছন দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাক্টর তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এম কে

  • পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আর্থিক সমস্যার কারণে পরিবারের কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে আজিমুল ইসলাম (২৪) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৪ এপ্রিল) তিনি মারা যান। ঘটনাটি ঘটেছে শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    মৃত আজিমুল ইসলাম শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ী গ্রামের অটোচালক ফজলুল হকের ছেলে।  আজিমুল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে এসে বাবা ফজলুল হকের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চান। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার বাবা টাকা দিতে পারেননি। এতে অভিমান করে আজিমুল নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    মায়ের তৎপরতায় রশি কেটে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

    আজিমুল ইসলামের মৃত্যুতে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকার মানুষ শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন। বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়।

    শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম সোহেল বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এভাবে চলে যাওয়া আমরা কেউই মেনে নিতে পারছি না। আর্থিক সংকটের কারণে তার চাহিদা পূরণ না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

    এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান নাঈম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

    এম কে
  • পাম্পে তেল নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের কাহারোলে পাম্পে মোটরসাইকেলের তেল নিতে এসে ‌‘হিট স্ট্রোক’ করে এনায়েতুল করিম (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

    এনায়েতুল করিম বীরগঞ্জ উপজেলার সাঁতোর ইউনিয়নের সাঁতোর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

    তিনি কাহারোল উপজেলার ৪ নম্বর তারগাঁও ইউনিয়নের ইছাইল গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে পাম্পে তেল নিতে ঢোকেন। পরে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, এনায়েতুল করিম সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কাহারোল উপজেলার সুন্দইল আছমা লতিফা ফিলিং স্টেশনের কাছে পৌঁছে দেখেন পাম্পে তেল দিচ্ছে। তিনি তেল নিতে মোটরসাইকেল নিয়ে পাম্পের ভেতরে প্রবেশ করেন। দীর্ঘসময় রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে একপর্যায়ে ঘামতে শুরু করেন।

    এসময় মোটরসাইকেলসহ মাটিতে পড়ে যান এনায়েতুল। তেলের জন্য অপেক্ষায় থাকা উপস্থিত জনগণ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার বর্মন জানান, তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এনায়েতুল করিম অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তিনি আরও জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এম কে

  • আসামি ধরতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে এএসআইয়ের মৃত্যু

    আসামি ধরতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকে এএসআইয়ের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শহিদুল ইসলাম শহীদ (৪০) নামে এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মারা গেছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ভোমরাদহ ইউনিয়নের সেনুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত শহিদুল ইসলাম পীরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন।

    থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে পীরগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে উপজেলার সেনুয়া গ্রামে অভিযানে যান। সেখানে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় এএসআই শহিদুল ইসলাম হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, আসামি ধরার পর গাড়িতে ওঠার সময় এএসআই শহিদুল অসুস্থবোধ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তানজিনা এএসআই শহিদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এম কে

  • শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    শেরপুরে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    শেরপুরে একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুরে পৌর শহরের মোবারকপুর কইন্যাপাড়া এলাকার একটি কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত থাকলেও, কোমরের নিচের অংশ কাটা ছিল।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে লোকজন কলাবাগানে গেলে নারীর খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহটির কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়। বাকি অংশ সেখানে ছিল না। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।

    এম কে

  • রূপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নারী নিহত, অভিযুক্তকে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা

    রূপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নারী নিহত, অভিযুক্তকে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রুপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেরাবো মোড় এলাকায় আধা ঘণ্টার ব্যবধানে এ দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারীর নাম আমেনা বেগম (৪৫)। তিনি স্থানীয় মুদি দোকানি বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অন্যদিকে পিটুনিতে নিহত যুবকের নাম মেহেদী ইসলাম (৩২)। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং উপজেলার বিরাবো খালপাড় এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে বাবুল দেওয়ানের নবনির্মিত বাড়িতে টাইলসের কাজ করেছিলেন রাজমিস্ত্রি মেহেদী ইসলাম। চার দিন আগে সেই কাজ শেষ হয়। আজ বিকেল তিনটার দিকে বাড়িটি ফাঁকা পেয়ে মেহেদী সেখানে ঢুকে একটি মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় আমেনা বেগম তাকে দেখে ফেললে মেহেদী তার গলায় ছুরিকাঘাত করেন।

    আমেনার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্ত মেহেদীকে আটক করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমেনার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আটক থাকা মেহেদীর ওপর চড়াও হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। কিন্তু আমেনার মৃত্যুর খবরে উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছ থেকে মেহেদীকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ অভিযুক্তকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করলেও একদল লোক তাকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে লাথি, ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করছেন। গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল ‘সি’) মেহেদী ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযুক্তকে পুরোপুরি হেফাজতে নেওয়ার আগেই জনতা তার ওপর হামলা চালায়।”

    পুলিশ জানায়, দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি হত্যাকাণ্ডের বিষয়েই পৃথক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    এম কে

  • বাউফলে পুকুরে ডুবে খিচুনিতে আক্রান্ত গৃহবধুর মৃত্যু

    বাউফলে পুকুরে ডুবে খিচুনিতে আক্রান্ত গৃহবধুর মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুরের পানিতে ডুবে মোসা. মরিয়ম বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    নিহত মরিয়ম বেগম উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা সুজন শিকদারের স্ত্রী। পরিবার ও শাশুড়ির সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে খিচুনি রোগে ভুগছিলেন।
    শনিবার বিকেল ৫টার দিকে খেলাধুলা শেষে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে পুকুরঘাটে যান মরিয়ম। পরে সন্তানদের ঘরে পাঠিয়ে থালা-বাসন ধোয়ার সময় হঠাৎ খিচুনি উঠে তিনি পুকুরের পানিতে পড়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে সন্তানরা বিষয়টি শাশুড়িকে জানালে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরে নেমে ডুবন্ত অবস্থায় মরিয়মকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    এম কে

  • যমুনা নদীর পাড়ে  ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    যমুনা নদীর পাড়ে ড্রেজার থেকে মরদেহ উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পাড়ে একটি ড্রেজার থেকে হাফিজুল ইসলাম হাফিজ (৩০) নামের গণঅধিকার পরিষদের এক সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পাড়ামোহনপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    নিহত হাফিজুল ইসলাম ওই উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের বাঐখোলা গ্রামের মৃত কমল মুন্সীর ছেলে। তিনি গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীর আড়কান্দি ও পাড়ামোহনপুরসহ আশপাশের এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধের পাশে বালুর ব্যবসা চলছিল। হাফিজুল ইসলামও ওই কাজে যুক্ত ছিলেন। রোববার রাতে একটি ড্রেজারের বাল্কহেডের ইঞ্জিন অংশে চার সহযোগীর সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে এনায়েতপুর থানা-পুলিশ ও চৌহালী নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

    স্থানীয় বাসিন্দা জামাল প্রামাণিক জানান, নদীভাঙনে বসতভিটা হারানোর পর হাফিজুল ইসলাম ঢাকায় চাকরি করতেন। কয়েক মাস আগে এলাকায় ফিরে এসে তিনি বালুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি নিজেকে গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতেন।

    এ বিষয়ে চৌহালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফিরোজ উদ্দিন  বলেন, ‘নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

    এম কে