ট্যাগ আবহাওয়া

  • ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    ডেক্স নিউজ : আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঢাকাসহ ৫ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বিকাল ৪টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    m

  • চলতি মাসজুড়েই একাধিক তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা

    ডেক্স নিউজ : দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এপ্রিলের শুরু থেকেই তাপপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গতকাল অন্তত ২৭ জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে, পাশাপাশি কয়েক দফা মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহও দেখা দিতে পারে।শনিবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে শরীয়তপুরসহ কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে বৃষ্টি হয়েছে এবং রাজধানী সংলগ্ন এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রোববার থেকে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে, যা সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কমাতে পারে।

    গতকাল রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকাসহ মোট ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। তাপপ্রবাহে আক্রান্ত অন্য জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, রাঙামাটি, বরিশাল ও পটুয়াখালী।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তা মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর পরেই ছিল রাজশাহী, যেখানে তাপমাত্রা ওঠে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপপ্রবাহ অনুভূত হয়েছে; সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অনুভূতি বেশি থাকবে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের কিছু এলাকায়।

    ২০২৪ সালে দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম টানা তাপপ্রবাহ দেখা গেলেও এবার তেমন পরিস্থিতির সম্ভাবনা কম। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, চলতি মাসে একাধিক বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

    এপ্রিল মাসে সাধারণত গড়ে ৯টি বজ্রঝড় হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি এবং ১ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী হতে পারে। পাশাপাশি সাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা থেকে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়েরও আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন তাপপ্রবাহের সময়সীমা বেড়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রা তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে।

    জুন পর্যন্ত পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে তিন থেকে চারটি তীব্র এবং ছয় থেকে আটটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ হতে পারে।

    m

  • নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা

    নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁয় বাদলগাছিতে দুদিনেও দেখা মেলেনি সূর্যের। সকাল পেরিয়ে দুপুরে হয়েছে। তবুও দেখা নেই আলোর। ফলে ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে চারদিক। ঝরছে বৃষ্টির মতো কুয়াশা। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঠান্ডা হিমেল বাতাস। এ অবস্থাতে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। এর আগে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    পৌষের শুরুতেই উত্তরের এ জেলায় হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শীতের দাপট বেড়েছে। আকাশে হালকা কুয়াশা ও মেঘের কারণে গতকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শ্রমজীবী এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষকে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন থেকে নওগাঁর বাদলগাছিতে হিমেল হাওয়া শুরু হয়েছে। সেই হিমেল হাওয়া দিন-রাত বইছে। এ কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

    নওগাঁর বরুণকান্দি এলাকার ভ্যানচালক জয়নাল আবেদীন ও রাণীনগর উপজেলা থেকে আসা অটোরিকশা চালক তপন বলেন, দুদিন থেকে শীত অনেক বেশি। ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। হাত কাঁপাকাঁপি করে, রিকশার চালাতে কষ্ট হয়। লোকজনও সেভাবে বাইরে বের হচ্ছে না। পেটের দায়ে ঠান্ডা লাগলেও বাইরে আসতে হচ্ছে।

    এদিকে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা জানান, তীব্র শীত উপেক্ষা করে তাদের দৈনন্দিন কাজে বের হতে হয়। গরম মোটা কাপড়ের অভাবে তাদের শীতকে উপেক্ষা করে কাজে যেতে হয়। আজ সকাল থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে ঝরছে ফোঁটা ফোঁটা পানি। হাজারও শীতকে উপেক্ষা করে তাদের পেটের তাগিদে কাজে যেতে হবে বলে জানান তারা।

    বদলগাছী আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বলেন, জেলায় আজকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল থেকে সূর্যের দেখা না পাওয়ায় আজকে শীত কিছুটা বেশি। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা এরকম থাকতে পারে।

    বদলগাছী আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আকাশে মেঘের প্রাদুর্ভাব থাকায় সূর্যের তাপ ক্ষীণ হয়ে পড়ছে জেলায়। তবে আজ সকালে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশা। এর ফলে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। এর ফলে যুক্ত হচ্ছে ঠান্ডাজনিত নানান রোগবালাই। খুব প্রয়োজন ছাড়া সকালে ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    বি/এ

     

  • আজ চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

    আজ চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

     

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

    দেশের বিভিন্ন জেলায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। চুয়াডাঙ্গায় শীত বাড়ায় বড় প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। বিশেষ করে রিকশাচালক ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ও সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
    এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ৮৯ শতাংশ ছিল বলে জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান।

    সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় পুরো জেলা ঢেকে গেছে। শহরের রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। এরপরেও জীবনের তাগিদে শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে কাজের জন্য বের হয়েছেন রিকশাচালক, দিনমজুর।

    এক রিকশাচালক জানান কয়েকদিন ধরে খুব ঠান্ডা। এই ঠাণ্ডায় ভোরে বের হওয়া খুব কষ্ট। যাত্রী কম, আয়ও কমে গেছে।

    নিম্নআয়ের এক শ্রমিক বলেন, গরম কাপড় ঠিকমতো নেই। এই শীতে আমাদের কষ্ট বাড়ছে।

    এর আগে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) জেলার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু আজকের নিম্ন তাপমাত্রা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে শীতের তীব্রতা বাড়বে।

    বি/এ

  • ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    বিডিনিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প নিয়ে সারাদেশে মানুষের আতঙ্কের মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং আগামীকাল সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে।
    রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক এক গণমাধ্যমকে বলেন, এখন যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল নিম্নচাপে রূপ নেবে। এর প্রভাবে মাসের শেষ দিকে সারাদেশে বৃষ্টিও হতে পারে।
    সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশের ওপরই প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর নিম্নচাপ হলে আরও নিশ্চিত করে বলা যাবে।
    আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা মোস্তফা কামাল পলাশ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
    সম্ভাব্য এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে
    M
  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস

    বিডিনিউজ ডেক্স : দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও আশপাশের এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে আরও ঘনীভূত হতে পারে।

    এদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ বিস্তৃত হয়ে পৌঁছে গেছে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে ভোরের দিকে সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামীকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একইসঙ্গে সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।