ট্যাগ ক্রীড়া

  • পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যাত্রা শুরু করেছে একটি নিজস্ব ও আধুনিক খেলার মাঠ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গত ১৬ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও কার্যক্রম শুরু হয়।

    এর আগে উপজেলা পরিষদের নিজস্ব মাঠ না থাকায় জাতীয় দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানগুলো স্থানীয় আরিফুজ্জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজন করা হতো। এবারই প্রথম উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিজস্ব মাঠে বিজয় দিবস উদযাপিত হওয়ায় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

    উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পরিষদের পুরোনো ভবনের পেছনে অবস্থিত একটি বড় নিচু জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল হক জায়গাটিকে ভরাট করে একটি আধুনিক খেলার মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নেন এবং এ কাজে স্থানীয় সমাজসেবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

    ইউএনওর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তরুণ সমাজসেবক তাজমিনউর রহমান তুহিন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাঠ নির্মাণের দায়িত্ব নেন। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব আলী আহমেদ মৃধার ছেলে।

    হযরত শাহ্ জালাল মৎস্য অ্যান্ড ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী এবং লেবাজ সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান তুহিন প্রায় এক মাস ধরে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করে জমিটিকে একটি সমতল ও দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠে রূপান্তর করেন। বর্তমানে মাঠটি সবুজ ঘাসে আচ্ছাদিত একটি মনোরম পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

    ১৬ ডিসেম্বর এই মাঠেই সুশৃঙ্খলভাবে কুচকাওয়াজ ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা নতুন মাঠে প্রথম বড় আয়োজন হিসেবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

    নতুন মাঠে প্রথম আয়োজন সফল হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তাজমিনউর রহমান তুহিন বলেন, “তৎকালীন ইউএনও রফিকুল হকের অনুপ্রেরণায় আমরা এই উদ্যোগ নিই। আজ যখন দেখি আলফাডাঙ্গাবাসী এই মাঠে একত্রিত হয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করছে, তখন সত্যিই ভালো লাগছে। এটি ভবিষ্যতে সবার জন্য একটি স্থায়ী মিলনকেন্দ্র হবে।”

    এই উদ্যোগের প্রশংসা করে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুল হক সিকদার বলেন, “উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি খেলার মাঠের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। সমাজসেবক তুহিনের উদ্যোগে সেই সংকট দূর হয়েছে। এ ধরনের তরুণ উদ্যোগ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখে।”

    উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, নতুন এই খেলার মাঠটি ভবিষ্যতে খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

    M

  • কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    কালীগঞ্জে আন্তঃকলেজ ফুটবলে শহীদ নুর আলী কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    বিডিনিউজ ডেস্ক

     

    কালীগঞ্জে উষা আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে শহীদ নুর আলী কলেজ ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্র

    ধান অতিথি হিসেবে শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত নলডাঙ্গা ভূষণ স্কুল মাঠে সকালে পায়রা উড়িয়ে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-৪ কালীগঞ্জ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। উদ্বোধনের আগে তিনি মাঠে উপস্থিত ৪ দলের খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট উষার আয়োজনে ও উষা কেন্দ্রিয় নির্বাহী সংসদের পরিচালনায় ৪ কলেজ ফুটবল দলের অংশগ্রহণে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আনোয়ার মকলেজ কলেজকে ২-০ গোলে হারিয়ে শহীদ নুর আলী কলেজ জয়ী হয়। ২য় ম্যাচে ট্রাইবেকারে ৪ -১ গোলের ব্যবধানে আবুবকর মকছেদ আলী কলেজ দলকে হারিয়ে সরকারি এম ইউ কলেজ জয়ী হয়। এরপর বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে এমইউ কলেজ ফুটবল একাদশকে ১ – ০ গোলে হারিয়ে  নুর আলী কলেজ ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী একাদশের আল জাসির ম্যান অব দি টুর্নামেন্ট বিবেচিত হয়।

    খেলার রেফারির দায়িত্বে ছিলেন, আব্দুর রাজ্জাক, মোমেনুল হক ও মারুফ হোসেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় আলমগীর হোসেন ও নেপালে সাফ গেমসে ২০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত আল জাসির নামে কালীগঞ্জের দুই কৃতী সন্তান ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখায় তাদেরকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    এছাড়াও প্রাক্তন খেলোয়াড় নুরুল ইসলাম ও আমামুল হক খোকাকে মেডেল প্রদান করা হয়। এ সময়ে মাঠে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম সাইদুল ইসলাম, ইলিয়াস রহমান মিঠু, আনোয়ার হোসেন, অহেদ লস্কার, জবেদ আলী, উষা কেন্দ্রিয় সংসদের সভাপতি শিবলী রহমান পাভেল, সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আল মাহমুদ, ইবি শাখার সম্পাদক আশিকুর রহমান, উপদেষ্টা আশরাফ মন্ডল, সাধন দাদা, মোস্তফা মোর্শেদ তোতা, ক্রীড়া সংগঠক অজিত কুমার ভট্রাচার্য্য, আসাদুজ্জামান মুকুল প্রমুখ।

  • আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মরক্কো

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের এবারের আসরের ফেভারিট ছিল আর্জেন্টিনাই। মরক্কোও কম যায়নি। তারাও সেমিফাইনালে লড়াই করে ফাইনালে উঠেছে। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়েও দাপট দেখালো আফ্রিকার দেশটি। ১৮ বছর পর ফাইনালে উঠেও শিরোপা ছোঁয়া হলো না মেসিদের উত্তরসূরীদের। ২-০ গোলে জিতে অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি জিতলো মরক্কো।

    চিলির সান্তিয়াগোয় আর্জেন্টিনা হেরেছে ইয়াসির জাবিরির জোড়া গোলে। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে তো বটেই, যেকোনো বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপে মরক্কোর এটা প্রথম শিরোপা। দ্বিতীয় আফ্রিকান দেশ হিসেবে শিরোপা জিতল দেশটি। মহাদেশটির প্রথম দল হিসেবে ২০০৯ সালে এই শিরোপা জিতেছিল ঘানা।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১২ মিনিটেই লিড নিয়ে নেয় মরক্কো। জাবিরির গোল ঠেকাতে সামনে এগিয়ে গিয়ে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক সান্তিনো বারবি। রিভিউ দেখে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে হলুদ কার্ড দেন রেফারি, মরক্কো পায় ফ্রি কিক। ১২ মিনিটে সেই ফ্রি কিক থেকেই দলকে এগিয়ে দেন জাবিরি।

    এরপর প্রথমার্ধের ২৯তম মিনিটে ফের এগিয়ে যায় মরক্কানরা। ডি বক্সের ডান প্রান্ত থেকে ২৯ মিনিটে মাম্মার তুলে দেওয়া বলে ভলি শটে জাল খুঁজে নেন জাবিরি।

    ফাইনালের ২টিসহ টুর্নামেন্টে জাবিরি মোট গোল করেছেন ৫টি, যা যৌথভাবে সর্বোচ্চ। তবে গোন্ডেন বুট জেতা হয়নি। তার সমান ৫টি করে গোল করেছেন কলম্বিয়ার নেইসার ভিল্লারিয়াল, ফ্রান্সের লুকাস মিকাল ও যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্জামিন ক্রেমাসকিও। মেসির ইন্টার মায়ামি সতীর্থ ক্রেমাসকি ২টি অ্যাসিস্ট করায় পুরস্কারটি তার ঝুলিতেই গেছে। গোল্ডেন বল পেয়েছেন মরক্কোর ওথমান মাম্মা।