ট্যাগ জাতীয়

  • স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

    স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে মো. সেলিম নামে এক ইটভাটার শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার  সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হরগজ পূর্বনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মো. সেলিম হরগজ পূর্বনগর গ্রামের মৃত দানের শেখের ছেলে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে কাজে যাওয়ার আগে সেলিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তিনি ঘরের হাঁড়ি-পাতিল ভাঙচুর করেন। পরে স্ত্রী কর্মস্থলে চলে গেলে সকাল ১০টার দিকে ফোন করে শেষবারের মতো ক্ষমা চান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই বিষপান করেন সেলিম।

    আরও জানা গেছে, পরিবারের লোকজন টের পেয়ে সেলিমকে দ্রুত সাটুরিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। দুপুর ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা লাশ বাড়িতে নিয়ে গেলেও খবর পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

    সাটুরিয়া থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

  • চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    চোর সন্দেহে ২ জনকে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজ:

    মানিকগঞ্জের সিংগাইরে গরু চুরি করতে এসে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে দুই চোর নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের সজের মোড়া তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন—পার্শ্ববর্তী দশানী গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে মজনু (২৭) এবং ছয়আনি গ্রামের বান্ধু মিয়ার ছেলে দীন ইসলাম (২২)।

    স্থানীয়রা জানান, রাতে পাশের ইমামনগর গ্রামের ইউনুস মিয়ার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে তালা ভাঙার চেষ্টা করে পাঁচজনের একটি চোরচক্র। এ সময় বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ হয়ে পাঁচজন চোরের মধ্যে দুজনকে ধরে গণধোলাই দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, নিহত মজনু ও দীন ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। তারা দুজনই পুলিশের তালিকাভুক্ত চোর ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর সার্কেল) ফাহিম আসজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি, গত তিন বছর ধরে এই চক্র এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগেও কয়েকবার তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছিল।

    স্থানীয়রা আরও জানান, ধরা পড়ার পর নিহত দুই চোর তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিনজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

    এ বিষয়ে সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

     

  • একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    ডেস্ক নিউজ

    মশিউর রহমান সম্রাটের ছদ্মনামে সবুজ শেখ যেন হয়ে ওঠেছিলেন অপরাধের সম্রাট। একের পর এক ঘটিয়েছেন নৃশংস হত্যাকাণ্ড। তার ভাষায় ‘থার্টি ফোর বা সানডে মানডে ক্লোজড’ মানেই হত্যা করা। 

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)  রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি)  সন্ধ্যায় তাকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ছয় হত্যার দায় স্বীকার করেন সবুজ শেখ।

    মশিউর রহমান সম্রাটের প্রকৃত নাম সবুজ শেখ। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া মুছামান্দা গ্রামের পান্না শেখের ছেলে। ২০২৪ সাল থেকে সাভার মডেল মসজিদে থাকতেন তিনি। এরপর সাভার থানার  আশপাশে ভবঘুরেদের মতো থাকতেন।

    সর্বশেষ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তার নাম তানিয়া আক্তার সোনিয়া। তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

    সাভার মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় জানা গেছে। মূলত তার নাম সবুজ শেখ। সে গতকাল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে ভবঘুরেদের মতো চলাফেরা করতো। ছদ্মনাম ব্যবহার করে অপরাধ করেছে। তার পরিবারের সদস্যরা মুন্সিগঞ্জে থাকেন। তবে তার বিস্তারিত আর কিছু পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের কাছ থেকে আসমা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরে ২৯ আগস্ট রাতে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার  থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে নিহত ওই যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পরে ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরে ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড়ে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তবে তিন খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি। এরপর রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে দুইজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    ডেস্ক নিউজ

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার সঙ্গে থাকা ময়না মিয়ার ছেলে শব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেটে প্রেরণ করেন এবং সিলেটে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। নিহত দুজন সুনামগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।

    য়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

     

  • সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে বুধবার ভোররাত পর্যন্ত ধারাবাহিক এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কেজি গাঁজাসহ উজানগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নাছের ছেলে জহিরুল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একই রাত সাড়ে ৩টায় পৃথক আরেকটি অভিযানে দৌলতপুর গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী উজ্জলা বেগম (৩৭) এবং রূপ মিয়া ওরফে রুইক্কাকে (৫০) ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।

    স্থানীয়দের মতে, শাল্লায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিরা সক্রিয় থাকলেও এতো বড় চালান একসঙ্গে ধরা পড়া বিরল ঘটনা। পুলিশি তৎপরতায় এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    শাল্লা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গাঁজার একটি বড় চালান শাল্লায় আসছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। দুটি পৃথক অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ  তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে।

    শুক্রবার  দুপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মতিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ইতোপূর্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিলে গ্রামবাসী সালিসে মীমাংসা করেন। কিন্তু দুপুরে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধারালে সুলফির আঘাতে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া গুরুতর আহত হয়। এরপর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জামালগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জয়নাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রামের পরিবেশ শান্ত আছে।

  • সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে বিস্ফোরক জাতীয় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ১১৯৫/১-এস-এর নিকট থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ গজ ভেতরে মাইজহাটি নামক স্থানে পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত এসব ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করা সম্ভব, যা জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এসব বিস্ফোরক চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের ভয়াবহ পরিণতিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করায় আপন ভাতিজার হাতে গতকাল রাতে নির্মমভাবে খুন হন চাচি রুকশানা বেগম (৩৫)।

    রুকশানা বেগম দোহালিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফিরিজ আলীর স্ত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ওয়ারিছ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬) দীর্ঘদিন ধরেই চাচি রুকশানা বেগমের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার গ্রাম্য সালিশ হলেও জসিমের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে রুকশানা বেগম বারান্দায় বের হলে, জসিম উদ্দিন তার দেখে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে। চাচি এর প্রতিবাদ করলে, উত্তেজিত হয়ে জসিম ঘর থেকে বটি এনে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘাতক জসিম পালিয়ে যায়।

    এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় রুকশানাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পলাতক ঘাতক ভাতিজাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত টমটম গাড়ির স্ট্যান্ড ও ভাড়া নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার  দুপুরে দিকে উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনশ্রী ও বাউধরন গ্রামের লোকজনের মধ্যে খাড়ারপার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজার গাড়ি স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ রানীগঞ্জ থেকে বাউধরন রোডের টমটম ভাড়া ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। এতে বাউধরন ও স্বজনশ্রী গ্রামের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সদস্য বাউধরন গ্রামের সালেহ উদ্দিন আহমদ পুনরায় ভাড়া ৩০ টাকা নির্ধারণ করেন। এতে উভয় গ্রামের টমটম চালকদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

    এর জেরে শুক্রবার বিকেলে বাউধরন গ্রামের মুজিব মার্কেট এলাকার গাড়ি স্ট্যান্ড থেকে স্বজনশ্রী গ্রামের টমটমগুলো বের করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সংঘর্ষে আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক বদরুদ্দোজা জানান, আহত ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনা পরিবহনের একটি বাস ও পিকআপ ভ্যনের সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ঘোড়ারগাঁও এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশের একটি ছোট খালে পড়ে যায় এবং পিকআপটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে আসা এনা পরিবহনের একটি বাস সুনামগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপের চালক মারা যান।

    দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে সাত থেকে আটজন বিভিন্নভাবে আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এনা বাসের চালকও রয়েছেন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেয়।

    জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেছেন।