ট্যাগ বিএনপি

  • সংঘাত বাড়ছে বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে

    সংঘাত বাড়ছে বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে

    ডেস্ক নিউজ:

    বিএনপিতে মনোনয়ন নিয়ে সংঘাত বাড়ছে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে ২৩৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে, মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এমনকি মনোনয়ন ঘিরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনাও ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়িত অনেক নেতা বঞ্চিত হওয়ায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ থেকে এই সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সংঘাত নিরসনে দলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সে সঙ্গে প্রয়োজনে প্রার্থীদের নিয়ে বসে দ্বন্দ্ব নিরসনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে দলের জন্য নির্যাতিত হয়েছেন বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক। গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে আগামী নির্বাচন ঘিরে মনোনয়নকে দলের কাছে মূল্যায়িত হওয়ার অংশ হিসেবে দেখেছেন তারা। দীর্ঘদিনের নিপীড়িত-নির্যাতিত এসব নেতাকে ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন তাদের কর্মী-সমর্থকরা। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিতর্কিত প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত কোথাও কোথাও প্রাণঘাতী সংঘাতে রূপ নিয়েছে।যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মনোনয়নের মাধ্যমে যে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি সম্ভাব্য।

    বিভিন্ন স্থানে এটির রদবদলও হতে পারে। তবে বিতর্কিত ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক নেই—এমন অনেক প্রার্থীর নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে প্রার্থী পুনর্বিবিবেচনার দাবি উঠেছে তৃণমূল থেকে। বিক্ষোভ, মশাল মিছিল, সভা-সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। এ ছাড়া যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলোর কিছু কিছুতে দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়নের দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।এর মধ্যে গত রোববার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০) নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হন।

    গৌরীপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ছাড়া বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর মাদারীপুর-১ (শিবচর), মেহেরপুর-২ (গাংনী), কুষ্টিয়া-৩ (সদর), চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি), চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড), চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী), কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর), কুষ্টিয়া-৪, কুমিল্লা-৬ (সদর ও সেনানিবাস), কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা), চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ), বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী), ঠাকুরগাঁও-২, জয়পুরহাট-২, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ), ঢাকা-১২, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল), ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা), সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর), দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ), রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর), রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট, গোমস্তাপুর ও নাচোল), কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস), কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ), নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর), গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি), খুলনা-২ (সোনাডাঙ্গা ও খুলনা সদর) আসনে বিদ্রোহ, বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা, বান্দরবানসহ বেশ কয়েক স্থানে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।এর মধ্যে ফেনী সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটারের ভঙ্গিতে ‘রিভিউ আবেদন’ করে আলোচনায় এসেছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল। তার অভিনব এই প্রতিবাদ ইতোমধ্যেই দল ও দলের বাইরে সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া বক্তব্যের শেষে আওয়ামী স্টাইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মনোনয়ন হারিয়েছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসনের কামাল জামান মোল্লা। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। একইসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ৯০ বছর বয়সি সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমানের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনীতি এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন। কানাডার নাগরিক সাবেক এই সচিব সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। এ নিয়ে দলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।এদিকে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘোষণা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষিত হওয়ায় এমন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আসনটিতে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম ওবায়দুল হক নাসিরকে। এরপর থেকেই লাগাতার আন্দোলন করে যাচ্ছেন সাবেক মন্ত্রী, চারবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদের কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীরা জানান, যে পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তন না হবে, সে পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।জানতে চাইলে লুৎফর রহমান খান আজাদ আমার দেশকে বলেন, ৩৭ বছর ধরে দলের সঙ্গে আছি। তবে এই মনোনয়ন নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচনি এলাকার বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে মনে করেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে আজাদ বলেন, ‘জনআকাঙ্ক্ষা আদৌ পূরণ হয়নি। তবে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—এটি চূড়ান্ত নয়, সম্ভাব্য তালিকা। প্রয়োজনে অদল-বদল হতে পারে। এখন দলের হাইকমান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবে। সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করব।’

    সংঘাত নিরসনে এখন দলকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন রাজনীতি বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ। বলেন, ‘বিএনপির একটু সহানুভূতিশীল হওয়ার সুযোগ আছে। কারণ, দীর্ঘদিন তারা (নেতাকর্মীরা) নানারকম নির্যাতন-অত্যাচার সহ্য করে রাজনীতি করেছেন। এ কারণে তারা তো মনোনয়ন চাইতেই পারেন। কিন্তু দলের পক্ষে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভবও হচ্ছে না। দল অনেক কিছু বিচার-বিশ্লেষণ করছে। পুরোটাই নির্ভর করবে দলের ওপর।

    ড. সাব্বির বলেন, ‘তারা (বিএনপির হাইকমান্ড) যদি সমঝোতা করে, আলাপ-আলোচনা করে নিবৃত্ত করতে পারে—সেটা বরং দলের জন্য ভালো। অন্য কোনোভাবে দল পুরস্কৃত করে তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করতে পারে। এটা দলকেই করতে হবে।
    এ ক্ষেত্রে মনোনয়নবঞ্চিত এসব নেতার অবদানকে স্বীকার করে, তাদের গুরুত্ব দিয়ে বোঝাতে হবে বলে মনে করেন ড. সাব্বির। তিনি বলেন, ‘সবাইকে তো একসঙ্গে খুশি করা যায় না। কিন্তু তাদের বোঝানোটা মনে হয় দলের জন্য কঠিন কোনো কাজ নয়। তারপরও দলের মধ্যে দু-একজন তো থাকেন, যারা কিছু মানতে চান না। তারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন—সেটাও দলকে চূড়ান্তভাবে সহ্য করে নিতে হবে।’
    বি/এ

  • বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০) নামে এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

    রোববার বিকালে গৌরীপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবিদ ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা উত্তর ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন। তার বাবা দক্ষিণ জেলা উলামা দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
    বিজ্ঞাপন

    জানা যায়, সন্ধ্যায় গৌরীপুর সরকারি কলেজ হোস্টেল মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশের আয়োজন করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেন।

    ইকবাল হোসেনের সমর্থকদের অভিযোগ, সমাবেশ শেষে শহরে ফেরার পথে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলকর্মী আবিদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সিএনজিযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পর রাতে ইঞ্জিনিয়ার ইকবালের পক্ষে গৌরীপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তালুকদার, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক প্রমুখ।

    তাদের দাবি, মনোনয়নবঞ্চিত হিরণপন্থিরা পরিকল্পিতভাবে ইকবাল সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হিরণ সমর্থকদের ধাওয়ায় মাটিতে পড়ে আবিদ গুরুতর আহত হন।

    এদিন বিকালে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার ইকবালপন্থিরা গৌরীপুর সরকারি কলেজের হোস্টেল মাঠে এবং আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণপন্থিরা শহরের মধ্যবাজার ধানমহাল এলাকায় আলাদা সমাবেশের আয়োজন করে। বিকাল ৪টা থেকে দুপক্ষের নেতাকর্মীরা নিজ নিজ সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন, যার পরই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

    গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় আবিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    বিএ

  • বিএনপির কাছে ২২২ আসনই চায় মিত্ররা

    বিএনপির কাছে ২২২ আসনই চায় মিত্ররা

    ডেস্ক নিউজ:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘদিনের মিত্রদের নাম অনুপস্থিত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, বাকি ৬৩ আসন জোট ও শরিকদের জন্য খালি রাখা হয়েছে।

    বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ৬৩ আসনের সবকটি জোটের জন্য নয়; বরং কিছু আসনে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় সেগুলো অমীমাংসিত রয়েছে। তবে শরিকদের আসন ছাড়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন নেতারা।

    এদিকে নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা এবার ধানের শীষ প্রতীক পাবেন না, নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে।

    এ পরিস্থিতিতে চার-পাঁচজন নেতা ছাড়া শরিকদের বেশিরভাগেরই দলগত ও নিজস্ব কোনো ভোটব্যাংক না থাকায় তাদের জয়ের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে। ফলে অমীমাংসিত আসনগুলোয় বিএনপির অন্য কারো কপাল খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে ৫০টির বেশি দল একসঙ্গে যুক্ত ছিল। এসব দলের প্রার্থীদের এলাকায় অবস্থান ও জনপ্রিয়তা যাচাই-বাছাই শেষে তাদের জন্য ২৫ থেকে ৩০টি আসন ছাড়া হতে পারে। পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির সঙ্গে জোট হলে তাদের জন্য আরো প্রায় ১০টি আসন ছাড়া হতে পারে।

    মিত্রদের আসন ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে। তাদের কে কোথায় নির্বাচন করবেন, তার আলোচনা চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

    তবে বিএনপি এখনো জোটের জন্য কত আসন ছাড়বে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২৫-৩০টি আসন পেতে পারে বিএনপির আন্দোলনের শরিকরা।

    অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ ছয় নেতা কে কোথায় নির্বাচন করবেন, তা জানতে চেয়েছিল বিএনপি। পরে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে তখন শীর্ষ নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়ে বিএনপিকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুগপৎ আন্দোলনে থাকা ১২ নেতাকে ইতোমধ্যে তাদের নির্বাচনি এলাকায় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। তারা হলেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে

    বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা। বাকিরা হলেন ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।এনসিপির সঙ্গে জোট হলে প্রায় ১০টি আসন ছাড়তে পারে বিএনপি। এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১, সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১, দক্ষিণের হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-১৮, তাসনিম জারা ঢাকা-৯, সারোয়ার তুষার নরসিংদী-২, হান্নান মাসউদ নোয়াখালী-৬, আদিবুল ইসলাম আদীব ঢাকা-১৪ থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • গণসংযোগকালে গুলিবিদ্ধ বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ

    গণসংযোগকালে গুলিবিদ্ধ বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার হামজারবাগ এলাকায় নির্বাচনি প্রচারে বের হয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। তিনি চট্টগ্রাম–৮ (বাকলিয়া–বোয়ালখালী) আসনের প্রার্থী। বুধবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এরশাদ উল্লাহকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এরশাদ উল্লাহ তার নির্বাচনি কার্যালয় থেকে কর্মীদের সঙ্গে প্রচারণায় বের হন। হামজারবাগ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা গুলি চালায়। এতে এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (উত্তর) উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ঘটনায় একজন নিহতের খবর শোনা গেছে, তবে এখনো নিশ্চিত নই।

    এভারকেয়ার হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, এরশাদ উল্লাহর বুকের বাঁ পাশে গুলির আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর বিএনপি নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। দলটির পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছে।

  • কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধ
    চুয়াডাঙ্গা-১  আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের নাম ঘোষণার পরেই চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
    চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর পেয়ে শরীফুজ্জামান শরীফ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরই তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেত নফল নামাজ আদায়ের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।
    সেখান থেকে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের নিজ বাড়িতে ফিরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তিনি শহীদ জিয়া আদর্শে ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। এখন থেকে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—বিভেদ ভুলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। এসময় তিনি উপিস্থত নেত-কর্মীদের বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
  • খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    ডেস্ক নিউজ :

     

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইটি গেট সংলগ্ন স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা । এতে গুলিতে স্কুল শিক্ষক ইমাদুল হক (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। এর আগে তিনি ইউসুফ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    এছাড়া যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শেখসহ (৪৫) আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা হলেন—বেল্লাল খান (৫৫) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা যায়, রোববার রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসেছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ অফিস লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক ইমাদুল হক, মামুন, বিল্লাল ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন৷ পরে তাদেরকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাদুল হক মারা যান। তিনি এশার নামাজের পর ওই বিএনপির অফিসে ওয়াজ মাহফিলের টাকা কালেকশন করার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    কেএমপির এসি (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম জানান—সন্ত্রাসীদের গুলিতে ও বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

    সুত্র: দৈনিক আমার দেশ

  • খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫

    খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫

    বিডিনিউজ ডেস্ক

    খুলনার রূপসা উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) উপজেলার কাজদিয়া বাজারে ওবায়েদ ফার্মেসির সামনে এই সংঘর্ষ হয়। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    আহতরা হলেন- শান্ত শেখ, শাহজাহান ইমরান (৩৭), শাহাজাদা (৪১), মেহেদী হাসান বুলু (৩৮), জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৩৫) ও ইমরান শেখ (৩০)। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ মল্লিক আলাদা আলাদা গণসংযোগ চালিয়ে আসছেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী প্রচারণায় পারভেজ মল্লিকের রূপসা উপজেলার কাজদিয়া বাজারে আসার কথা ছিল। খবর পেয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা শান্ত শেখের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা বাজারে অবস্থান নেন। এ সময় বিএনপির প্রতিপক্ষ গ্রুপের কয়েকজন সদস্য তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয় গ্রুপের পাঁচজন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে

    রূপসা থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

     

  • চৌগাছার বিএনপি নেতা কুমিল্লায় নিহত

    চৌগাছার বিএনপি নেতা কুমিল্লায় নিহত

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছার বিএনপি নেতা  আব্দুল মুজিদ (৫৫) সড়ক দূর্ঘটনায়  নিহত হয়েছন। ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার থেকে যশোরে ফেরার সময় কুমিল্লায় সড়ক দূর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।

    আব্দুল মুজিদ চৌগাছা উপাজেলার ৩ নং সিংহঝুলি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং চৌগাছা বাজারের একজন সিটি ক্যাবল ব্যবসায়ি ছিলেন।

    জানাগেছে, আব্দুল মুজিদসহ কয়েকজন মোটর সাইকেলে কক্সবাজার ভ্রমণে যায়। ভ্রমণ শেষে যশোরের চৌগাছার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা। তারা কুমিল্লায় পৌছালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে আব্দুল মুজিদের মোটর সাইকেল দূর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • চৌগাছায় ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকে বিরত থাকার আহ্বান

    চৌগাছায় ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকে বিরত থাকার আহ্বান

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের প্রার্থীদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে দলের প্রার্থীদের নিয়ে নেতিবাচক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে। এতে দলের ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্যের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে কেউ কেউ ‘নির্দিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন না পেলে ভোটকেন্দ্রে যাব না’ বা ‘অন্য দলকে ভোট দেব’ এমন মন্তব্য করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন।

    চৌগাছা উপজেলা বিএনপি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে এসব বিভ্রান্তিকর মন্তব্য দ্রুত সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক

  • চৌগাছায় বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত

     

    রচৌগাছা প্রতিনিধি:

    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় শহরের ডিভাইন সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।

    সভায় আরও বক্তব্য রাখেন যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, জেলা বিএনপির সদস্য ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য, যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসাহক আলী, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউনুস আলী দফাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম এ মান্নান, সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম ওয়াসিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমন হাসান রকি প্রমুখ।

    এসময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।