ট্যাগ রাজনীতি

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কারণ জানােলা এনসিপি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    ঐতিহাসিক জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে  অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর কারণ জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

    শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে অংশ না নেওয়ার কারণ জানান তিনি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদের বেশ অনেকগুলো দিক নিয়ে স্বাক্ষরের আগেই সরকারের দিক থেকে নিশ্চিত হতে চাইলেও সনদ ‘বাস্তবায়নের পথটাই’ অনুল্লেখ থেকে যায়। সনদে ধোঁয়াশা থাকলে আমাদের সব অর্জন বিফলে যাবে। এজন্য আমরা আজকের সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছি।

    আখতার হোসেন বলেন, সনদের বিষয়ে অমীমাংসিত দিকগুলোর সমাধান না হলে ‘জনগণকে সাথে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হবে। সনদ ঘিরে সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও এখন যেসব অর্জন রয়েছে, সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার বিস্তারিত যেন জনগণের সামনে প্রকাশ করা হয় বলেও দাবি জানান তিনি।

    তিনি বলেন, আমরা যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছি, সনদে যতটুকু অর্জিত হয়েছে সেটাকে টেকসইভাবে বাস্তবায়ন, সনদের ড্রাফট আদেশের প্রাপ্তি, গণভোটের বিষয়ে ফয়সালা, নোট অফ ডিসেন্টের (আপত্তি) জায়গাগুলো পরিষ্কার করা– এসব বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে আলাপ অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করব।

    এর আগে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) না থাকাকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এনসিপির বিচক্ষণতার অভাব রয়েছে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের সঙ্গে আলোচনায়, ঐকমত্য কমিশনে যে আলোচনা হয়েছে, তারা প্রায় সব ব্যাপারে পজিটিভ ছিল। যে ব্যাপারটাতে সমস্যা আছে সেটা আলোচনার মাধ্যমে… পরেও তারা এ ব্যাপারে আলোচনা করতে পারত… সেটা নিয়ে আমরা পরে আরও বসতে পারতাম, কথা বলতে পারতাম। আমি মনে করি যে, এটা বিচক্ষণতার অভাবে হয়েছে। নাহলে তারা অবশ্যই এটা আজকে সই করত।

    মির্জা ফখরুল বলেন, এটা বিভক্তি নয়। তারা ভুল বুঝতে পারবে এবং সঠিক জায়গায় এসে পৌঁছাবে। বিতর্কের জায়গা রয়ে গেল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কখনো কোনো দেশেই, কোনো কালেই পিছু ছাড়বে না। আর দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের স্বভাব হচ্ছে যে, আমরা বিতর্ক করতে খুব পছন্দ করি। তবে সবকিছুর মধ্যেই যা হয়েছে, তা ‘গ্রেট এচিভমেন্ট’ বা বড় অর্জন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

  • জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যে কমিশনগুলো গঠন করেছিলেন সেগুলো প্রায় দীর্ঘ ৮ মাস পরিশ্রম করে আজকে এই সনদ (জুলাই সনদ) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

    তিনি এজন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদসহ সব দলের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এর আইনি ভিত্তি এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আজকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমরা সনদে একমত হয়েছি, তবে এর আইনি ভিত্তি এখনো বাকি রয়েছে। সরকারের উচিত তা দ্রুত নিশ্চিত করা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পাঁচদিন অব্যাহতভাবে আমরা আলোচনা করেছি। সমাপনী সেশনে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাহেব কনক্লুশান দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর একটা সুপারিশমালা তৈরি হবে, সেটার খসড়া আমরাও পাবো, সরকারের কাছেও যাবে। কিন্তু আমরা উনাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও পাইনি। আজকেও কথা বলেছি, সেই জায়গা থেকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটা জাতির কাছে অস্পষ্ট রয়ে গেল।’

    ‘আমরা বলেছি আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তি যদি না দেন তাহলে এই সনদটা, বিপ্লবের স্পিরিট, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য যে সংস্কার সেই উদ্দেশ্যটা ব্যবহত হবে এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এজন্য আমরা আইনি ভিত্তির জন্য আগেও বলেছি, একটা আদেশ জারি করতে হবে এবং গণভোটের মাধ্যমে এটা টেকসই করতে হবে’-যোগ করেন আযাদ।

    ডা. তাহেরও আইনগত স্বীকৃতির ওপর জোর দিয়ে যোগ করেন, সনদে স্বাক্ষর করা হলেও আইনগত স্বীকৃতি না থাকায় এর কার্যকরী প্রয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মিটিংয়ে যে নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারিত হয়েছে, সেটি যেন সরকার দ্রুত বাস্তবায়ন করে।
    জামায়াতের এ নেতা সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার ডিলে করে বা এমন কিছু চিন্তা করে, তাহলে সেটা আবার জুলাইয়ের সাথে জাতীয় গাদ্দারি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নতুন রাজনৈতিক জটিলতা সৃষ্টি করবে।

  • ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের  রাজনৈতিক দলের নেতারা শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছেন। যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা ও  সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

    তবে বহুল আলোচিত এই জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী- বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এজন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে বলেও জাতীয় সনদে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী পদে ১০ বছরের বেশি নয় সিদ্ধান্তে বিএনপি ও জামায়াতসহ মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করে।

  • জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে এবং  রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ এর অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার পরিবর্তন করা হয়েছে৷

    জুলাই বীর যোদ্ধাদের দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রয়োজনীয় জরুরি সংশোধন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷ শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আন্দোলনরত জুলাই বীর যোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    এ সময় অধ্যাপক আলী রীয়াজ অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার সংশোধিত ভাষ্যটি পাঠ করেন।

    এতে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

    কমিশনের সহসভাপতি জানান, কমিশন এই অঙ্গীকারনামা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারকে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করবে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দল এবং ঐকমত্য কমিশনের কোনো মতপার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

  • জুলাই যোদ্ধাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র সংসদ এলাকা

    জুলাই যোদ্ধাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র সংসদ এলাকা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেওয়া ‘জুলাই শহীদের পরিবার ও আহত’ ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

    শুক্রবার দুপুরের দিকে তাদের ওপর লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে ডিএমপি কমিশনার তাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাইযোদ্ধারা। ভাঙচুরেরও চেষ্টা চালান।

    জুলাই যোদ্ধা, আহত জুলাই যোদ্ধা বিভিন্ন ব্যানারে শুক্রবার সকাল থেকে মানিক মিয়া এভিনিউতে বেশ কিছু তরুণ জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে স্থাপিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন।পুলিশি বাধা উপেক্ষ করে বৈধ আমন্ত্রপত্র ছাড়াই প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে জোরপূর্বক অবৈধ অনুপ্রবেশের ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক করলেও তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি।

    একপর্যায়ে ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে মঞ্চের সামনে সাজানো চেয়ারগুলোতে বসে পড়েন তারা।

    এরপর মাইক হাতে নিয়ে তাদেরকে শান্ত হবার অনুরোধ করেন একজন প্রতিনিধি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত হন।

    পুলিশের ব্যারিকেড একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে।

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সেচ ভবনের সামনে তৈরি করা অস্থায়ী তাঁবুতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে সরিয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি এখন থমথমে রয়েছে।এক পর্যায়ে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থেকে জুলাইযোদ্ধাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় বলপ্রয়োগের হুঁশিয়ারি দেন।

    কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা হুশিয়ারি আমলে না নিলে এক পর্যায়ে পুলিশ বলপ্রয়োগ করে এবং লাঠিপেটা করে তাদের ভেন্যু থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয়। পুলিশের লাঠিপেটায় বেশ কয়েকজন আহত হন।

    এর আগে শুক্রবার সকালে তিন দফা দাবিতে সংসদ ভবনের ফটক টপকে মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন জুলাইযোদ্ধারা। এক পর্যায়ে ফটক টপকে ভেতরে ঢুকে মঞ্চের সামনে সাজানো চেয়ারে বসে পড়েন তারা। এরপর মাইক হাতে নিয়ে তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানান একজন প্রতিনিধি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল উপস্থিত হয়।

    সূত্র: আমারদেশ

  • ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ ইসলাম

    ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে নাহিদ ইসলাম

    ডেস্ক নিউজ:

    হৃদযন্ত্রের ব্লক সারাতে বাইপাস সার্জারির জন্য রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র আহ্বায়ক সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি গুলশানের ইউনাইডেট হাসপাতালে যান। সেখানে আমীরের কেবিনে তারা একান্তে কথা বলেন। এ সময় নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন- এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। আমীরে জামায়াতের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মানবজমিনকে রাতে এ তথ্য জানান। সেই সঙ্গে তিনি এ সংক্রান্ত একটি ছবিও শেয়ার করেন।

    পিএস  বলেন, বাইপাস সার্জারির জন্য আমীরে জামায়াতের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যেটুকু রেজাল্ট হাতে পেয়েছেন তাতে তিনি শারীরিকভাবে ফিট আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার তার অপারেশন হবে।

  • সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

    নিউজ ডেস্ক:

    রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।

    রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা ওই মামলায় এই আদেশ দেন আদালত।

    এর আগে এই মামলায় তার ১০ দিন রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে শুনানিতে খায়রুল হকের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

    এর আগে গত ২৪ জুলাই সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

    উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে খায়রুল হক ছিলেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটলে ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বিচারাঙ্গনে তুমুলভাবে আলোচিত-সমালোচিত এই বিচারপতির বেশ কয়েকটি রায় চরম বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। তিনি নিজে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানাভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাকে প্রধান বিচারপতি করা হয়েছিল কয়েকজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে ডিঙিয়ে। প্রধান বিচারপতি থাকাকালে ত্রাণ তহবিলের টাকা গ্রহণ করে নিজের চিকিৎসা করে সমালোচিত হয়েছিলেন। অবসর গ্রহণ করার কয়েকদিন আগে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করেন। এতে দেশে রাজনৈতিক সংঘাতের পথ উন্মুক্ত হয়। পাশাপাশি শেখ হাসিনার ভোট ডাকাতির চূড়ান্ত সুযোগ তৈরি হয়।