বিডিডেস্ক নিউজ,
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন। তিনি ফিতা কেটে ও ধান-চাল মাপার মাধ্যমে এই সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে এক হাজার ২০০ টন ধান এবং উপজেলার একটি অটোরাইসমিলসহ নয়টি হাসকিং মিল থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে দুই হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আক্তার জানান, বর্তমানে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সারাদেশের ন্যায় এ উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে মানসম্মত ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান এবং চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিনে তিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর মৌসুমের শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে সারাদেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হাওর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।’ দলীয় নেতাকর্মীদেরকে কৃষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ,আর

মন্তব্য করুন