লেখক: Daily BD Times

  • মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

    মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত টেস্ট পরীক্ষা না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

    বোর্ড থেকে জানানো হয়, নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। আপাতত নিয়মিত ক্লাশ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রোববার ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাশ চলমান থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি পরীক্ষা গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    নির্বাচনি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তী সময় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি অতীব জরুরি বলে উল্লেখ করেছে বোর্ড।
    বি/এ

  • নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    logo

    Search

    নূরুল ইসলাম বুলবুল

    আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনের বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল

    ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    নয়া দিগন্ত অনলাইন
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নূরুল ইসলাম বুলবুল |নয়া দিগন্ত

    সংবাদপত্র সাবস্ক্রিপশন

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে জনগণ নয়, বিজয়ীদের প্রশাসন নির্বাচিত করেছিল। প্রশাসনের রাতের ভোটের ওই বিজয়, বিজয় নয়। জনগণ তাদের নির্বাচন বর্জন করেছিল।’

    page-top-ad

    শনিবার রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের রাতের ভোট, ২০২৪ সালের আমি-ডামি নির্বাচন ছিল প্রহসনের নির্বাচন। ভোটের আগে প্রশাসনের (ডিসি-এসপির) সাথে কোথায়, কখন, কারা গোপন বৈঠক করেছে তার তথ্য আমাদের জানা আছে। গোপন বৈঠক থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কে’ নির্বাচিত হবে, ‘কাকে’-‘কিভাবে’ বিজয়ী ঘোষণা করা হবে! প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আজকে কাউকে কাউকে অহংকার আর দাম্ভিকতার সাথে কথা বলতে শুনা যায়। কিন্তু এরা কখনোই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, হবেও না ইনশাআল্লাহ। কারণ জনগণ জানে কারা দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজ। জনগণ কখনোই দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, দখলবাজ, চাঁদাবাজের ভোট দেয় না, দেবে না।’

    এসময় তিনি আরো বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুব সমাজকে ধ্বংস করতে যারা যুব সমাজের হাতে মাদক ও অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাদেরকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। যারা যুব সমাজকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যালটের মাধ্যমে তাদেরকে বয়কট করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীতে মাদক, সন্ত্রাসের স্থান নাই। জামায়াতে ইসলামী যুব সমাজকে আদর্শিক ও নৈতিক মূল্যবোধের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।’

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বেকারত্ব দূরীকরণে যুব সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুব নারী-পুরুষকে কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেককে জাতীয় সম্পদে রূপান্তরিত করা হবে। তিনি নির্বাচিত হলে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ভিলেজ পলিটিক্স বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। ঘরে বসেই উর্পাজনের সুযোগ পাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রতিটি মানুষ। জনগণের কল্যাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহর ও গ্রামকে সমানভাবে গড়ে তোলা হবে। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের কল্যাণে সকল বৈষম্যের শিকল ভেঙে দিয়ে দলমত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিদেশগামীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ নেয়া হবে। যেই পদক্ষেপের ফলে কেউ বিদেশে যাওয়ার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রতারিত হবে না। বিদেশে যেতে না পারলে বিদেশগামীর টাকা অটোমেটিকভাবে সে ফেরত পাবে। মহানন্দা ও পদ্মা নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। বিশুদ্ধ পানির অভাব দূর করা হবে। ছাত্র ও তরুণ যুব সমাজের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গড়ে তোলা হবে।‘ এজন্য যুব সমাজকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে তিনি আহ্বান জানান।

    এর আগে বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রেহাইচর ভোট সেন্টারে অনুষ্ঠিত নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নারীদের ভোটের মাধ্যমেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, অস্ত্রবাজ, দুর্নীতিবাজদের পরাজিত করতে হবে।’

    তিনি উপস্থিত নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা রাজনীতির নামে আপনার সন্তানের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়, মাদক তুলে দেয়, আপনার সন্তানের রক্ত ও লাশ নিয়ে রাজনীতি করে আপনি তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখনই সময়। সন্তানের ভবিষ্যৎ ও আগামীর নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মা-বোনদের ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ হলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা হলে সামাজিক কলহ দূর হবে। সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের জুলুম নির্যাতনের পরেও তাকে একদিনের জন্যও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। সবসময় নিজে জনগণের সামনে হাজির হতে না পারলেও জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি নিজেকে ভিন্নভাবে, ভিন্ন কায়দায়, ভিন্ন কৌশলে জনগণের সামনে হাজির করেছে, জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা এবং ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের হাসপাতালে নিতে নিজস্ব ১০টি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে সার্ভিস দেয়া হচ্ছে। বেকারত্ব দূরীকরণে যুবকদের কর্মমূখী প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ, গবাদি পশু বিতরণ করাসহ ব্যাপক ভিত্তিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। এই মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার কথা থাকলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়নি।’

  • দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর আহ্বান উপদেষ্টার

    দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর আহ্বান উপদেষ্টার

    দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যে দেশীয় গরুর জাতগুলো রয়েছে, সেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নিজস্ব পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে টিকে আছে। তাই স্থানীয় গরুর জাতগুলোর ভেতরে থাকা অনন্য জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ভবিষ্যতের টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপু‌রে রাজধানীর একটি হোটেল  ‘স্কেলিং-আপ লাইভস্টক ক্লাইমেট অ্যাকশন্স টু এনহান্স ন্যাশনালিটি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স-ফেজ ২’-শীর্ষক জাতীয় স্টেকহোল্ডারদের ভ্যালিডেশন কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা স্থানীয় জলবায়ু সহনশীল দেশীয় জাতের গবাদিপশুর সংরক্ষণ ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কেবল সংকর জাতের দিকে ঝুঁকলে ভবিষ্যৎ ঝুঁকির আশঙ্কা বাড়তে পারে। তাই দেশীয় জাত সংরক্ষণ করতে হবে।

    প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, উন্নত দেশগুলোর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের জন্য দায়ী। জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ দেশ হয়েও বাংলাদেশকে অনেক সময় অন্যায়ভাবে দোষারোপ করা হয়, কারণ বাংলাদেশের জন্য সেক্টরভিত্তিক সুনির্দিষ্ট তথ্য  এবং পরিমাপ, প্রতিবেদন ও যাচাইকরণ ব্যবস্থা  সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

    এসময় আরো বক্তৃতা করেন এফএও-এর প্রাণিসম্পদ এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ জ্যাঁ দে দ্যু আয়াবাগাবো।

    কর্মশালায় স্বাগত বক্তৃতা করেন এফএও-এর ন্যাশনাল প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ড. খান শহিদুল হক। ‘দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসে এলডিডিপি প্রকল্পের অর্জন এবং পরবর্তী পথ নির্দেশনা’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন এলডিডিপি প্রকল্পের উপ-পরিচালক ড. শাকিফ-উল-আজম।

    কর্মশালায় সরকার ও বেসরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম/ আর

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে যাদের ছয় বিভাগ থেকে বেছে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন, যা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এজন্য ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd)। সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    সহকারী শিক্ষকের এসব পদে বেতন হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে। এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

    তবে শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের প্রেরণা দেয় : মির্জা ফখরুল

    জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের প্রেরণা দেয় : মির্জা ফখরুল

    আজকের দিনটি শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত মানুষের কাছেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শেখায়— জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্নভাবে চক্রান্ত চলছে। গণতন্ত্রকে আবার ধ্বংস করার চেষ্টা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সেই প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়— যে পথে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

    শুক্রবার সকালে (৭ নভেম্বর ) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা ২০ মিনিট থেকে ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি।

    পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনটি শুধু বিএনপির নয়, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত মানুষের কাছেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শেখায়— জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।

    তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো, সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও বিএনপি এগিয়ে যাবে।

    গতকাল আপনাকে জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ফোন করেছিলেন— এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?”

    জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন,গতকাল আমাদের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। ঐটাই আমাদের বক্তব্য।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান; সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ; এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ/ আর

  • আইআরআইয়ের প্রতিবেদন; জুলাই সনদের বাস্তবায়নসহ ৮ সুপারিশ

    আইআরআইয়ের প্রতিবেদন; জুলাই সনদের বাস্তবায়নসহ ৮ সুপারিশ

    ডেস্ক নিউজ:

    ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নাজুক। নির্বাচনের আগে আরো সহিংসতার শঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)।

    গত ২০-২৪ অক্টোবর সংস্থাটি বাংলাদেশের নির্বাচনি পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন করতে মিশন পরিচালনা করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

    নির্বাচন পূর্ববর্তী পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আট দফা সুপারিশ প্রদান করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আইআরআই ।

    তাদের মিশনটি নির্বাচন কমিশন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য নির্বাচনি স্টেকহোল্ডারদের জন্য এসব সুপারিশ দিয়েছে।

    এই সুপারিশগুলো যদি নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়কাল এবং পরবর্তীতে কার্যকর করা হয়, তবে তা বিশ্বাসযোগ্য এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে বলে রিপোর্টে দাবি করেছে তারা।

    সুপারিশগুলো হলো- জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চূড়ান্ত করা, নাগরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার সমর্থন করা, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা, প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা, নিরাপত্তা পরিকল্পনায় সমন্বয় বৃদ্ধি, নাগরিক নির্বাচনি পর্যবেক্ষণে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক তহবিলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনের সময় স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পরিবেশ প্রচার করা।
    জুলাই চার্টারের বাস্তবায়ন চূড়ান্ত করা: রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই জাতীয় চার্টার চূড়ান্তকরণ এবং তা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দেয়া উচিত। এর মধ্যে রয়েছে সময়সীমা নির্ধারণ, নির্দিষ্ট ধারার বিষয়ে বাকি থাকা মতবিরোধ সমাধান এবং গণপরিষদের সামনে তাদের উদ্দেশ্য ঘোষণা করা যে তারা গণতান্ত্রিক সংস্কারগুলোকে সমর্থন করবে। অস্থায়ী সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে জুলাই চার্টারের গণভোট পরিচালনার জন্য একটি সুস্পষ্ট এবং বৈধ কাঠামো স্থাপন করা উচিত। গণভোটের ক্রম এবং সময় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ আইনগত ব্যাখ্যা এবং বিস্তৃত রাজনৈতিক সম্মেলনের ভিত্তিতে গ্রহণ করা উচিত। গণভোটের উদ্দেশ্য, প্রক্রিয়া এবং প্রভাব সম্পর্কে জনগণের সঙ্গে স্পষ্ট ও ধারাবাহিক যোগাযোগ রক্ষা করা অপরিহার্য, যা সংস্কার এজেন্ডা এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা নিশ্চিত করবে।

    নাগরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার সমর্থন করা: জুলাই চার্টারের বিষয়বস্তু বোঝার জন্য দৃঢ় নাগরিক শিক্ষার উদ্যোগ অপরিহার্য। নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, মিডিয়া এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় স্তরে ভোটারদের শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে সংবিধান সংশোধন, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং প্রস্তাবিত সংস্কারের প্রভাবের ব্যাখ্যা। নাগরিক শিক্ষার প্রচেষ্টা সর্বজনীন, সহজলভ্য এবং প্রথমবার ভোটার, যুবক, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে তৈরি হতে হবে।

    নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা: রাজনৈতিক জীবনের সব স্তরে নারীরা এখনও অপ্রতিনিধিত্বমূলক। রাজনৈতিক দলগুলোকে নারীদের অধিকার সুরক্ষা এবং নেতৃত্ব বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-নারী প্রার্থী নিয়োগ, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ প্রদান এবং সংরক্ষিত আসনের বাইরে অংশগ্রহণ সমর্থন করা। দলগুলোকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নারী ভোটার এবং প্রার্থী উভয়ের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

    প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা: রাজনৈতিক দলগুলোকে অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন শক্তিশালী করতে হবে। প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, নিয়মিত এবং পক্ষপাত বা জোরপূর্বক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। প্রার্থী মনোনয়নকালে স্থানীয় স্তরের সহিংসতা কমানো এবং নারীদের প্রার্থী ও প্রচারক হিসাবে অংশগ্রহণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত।

    নিরাপত্তা পরিকল্পনায় সমন্বয় বৃদ্ধি: নির্বাচন কমিশনকে সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি করতে হবে, স্থানীয় উত্তেজনা কমাতে এবং নির্বাচনের সময় সহিংসতা প্রতিরোধ করতে। যৌথ পরিকল্পনা,
    পরিষ্কার যোগাযোগ প্রোটোকল এবং সমন্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা জনসাধারণের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং ভোটার আস্থা শক্তিশালী করতে অপরিহার্য।
    সুত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • ১১ নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট দেওয়ার আল্টিমেটাম জামায়াতের

    ১১ নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট দেওয়ার আল্টিমেটাম জামায়াতের

    ডেস্ক নিউজ:

    বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জামায়াতসহ আট দলের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।আগামী ১১ নভেম্বর রাজধানীতে আট দলের সমাবেশের আগে পাঁচ দফা মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ সময় দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, তার আগে দাবি না মানলে ওই দিন ঢাকার চিত্র ভিন্ন হতে পারে।বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় জামায়াতসহ আট দলের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    এসময় তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনায় প্রধান উপদেষ্টাকে ‘রেফারির ভূমিকায়’ থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, ১১ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করবে জামায়াতসহ আটটি রাজনৈতিক দল। তার আগেই সরকারকে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    ‘পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে জুলাই সনদের প্রতি এই গণআকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। তা না হলে ১১ তারিখে রাজধানী ঢাকার চিত্র ভিন্ন হবে,’ বলেন তিনি।
    এর আগে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জানান, আট দলের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন।

    সুত্র: নয়াদিগন্ত
    বি/এ

  • কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’

    কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা গ্রামে অবস্থিত কৃষি বিষয়ক লাইব্রেরি ও সংগঠন ‘কৃষকের বাতিঘর’। এই সংগঠনটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই কৃষিতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণসহ কাজ করে যাচ্ছে এলাকার তরুণ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

    সংগঠনটির কার্যক্রমে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রামের কৃষকদের কাছে, মাঠে গিয়ে তাদের বই পড়ে শুনিয়ে আসেন। জানান চাষের আধুনিকতা, জীবনমান উন্নয়নের গল্প, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার উপায়, সাহিত্য, ভ্রমণসহ নানাবিধ বিষয়ে। এছাড়া গ্রামীণ নারীদের উন্নয়নেও একই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই সংগঠন; যা জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করছে গ্রামের নিরক্ষর চাষি এবং সাধারণ মানুষদের।

    এছাড়া বর্তমানে তীব্র তাপদাহ, খরা এবং অতিবৃষ্টি বা স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে কৃষিতে। আলাদা সেচের ফলে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত খরচ। এ নিয়ে ফসল চাষ করেও ক্ষতি পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে শঙ্কায় আছেন কৃষকরা। জলবায়ুর এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করে কৃষকদের উন্নয়নের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক পরামর্শ ও সেবা দিচ্ছে এই সংগঠন। ফসলের মাঠ ঘুরে কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে কৃষকদের অবহিত করেন এবং পরামর্শ দেন।

    কৃষকের বাতিঘরের কার্যক্রমে অংশ নেওয়া মিরপুর উপজেলার চরপাড়া গ্রামের কৃষক ছামিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকের বাতিঘরের সদস্যরা এসে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কে জানিয়েছেন। বই পড়ে শোনান কিভাবে ফসলের ভালো উৎপাদন করা যাবে। এটা আমাদের কৃষকদের জন্য অনেক বড় উপকার। আমরা এখন জমিতে রাসায়নিক সার কমিয়ে জৈব সারের ব্যবহার বাড়িয়েছি। আর জমিতে পার্চিং করা সহ ক্ষেতের আইলে বিভিন্ন বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে এখন ফসলের মাঠ দেখতেও আরও সুন্দর লাগে।

    এদিকে এই কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কাজ করছে এই সংগঠনটি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা, নেতৃত্ব শেখানো এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এই সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মী এবং সদস্যদের। কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যই এই দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

    এ বিষয়ে সংগঠনের সদস্য সাদিয়া খাতুন বলেন, আমরা যখন কৃষকদের বই পড়ে শোনায়, তার আগে নিজেরা সেই বইটি ভালো করে পড়ি; তা না হলে তো আমরা সেটি পড়ে কৃষকদের বোঝাতে পারবো না। এদিক থেকে আমাদের উন্নয়নটা অনেক বেশি। আমরা পাঠ্যক্রমের বাইরেও অনেক বিষয়ে জানতে পারছি। আর সব থেকে বড় ব্যাপার হলো এগুলো আমরা শুধু পড়িই না, বরং তা আত্মস্থ করি। কেননা সেগুলো আমাদের আবার কৃষককে বোঝাতে হয়। অনেক সময় একটা বই পড়ার পরেই আমরা তা ভুলে যায়, কিন্তু এভাবে চর্চার ফলে আমরা সহজে ভুলি না। ফলে বিভিন্ন বিষয় খুব ভালোভাবে জানার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেদের অন্যদের তুলনায় আরও দক্ষ করে তুলতে পারছি। এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

    কৃষকের বাতিঘরের স্বেচ্ছাসেবী মো. শোয়েব মল্লিক বলেন, আমি আগে কম্পিউটার চালাতে পারতাম না। এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর আমি কৃষকের বাতিঘরের সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর এখানে থেকে আমাকে ৬ মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমি এখন কম্পিউটারে দক্ষ। এখন নিজে একটা কম্পিউটার কিনে সংগঠনের কাজেও সহায়তা করি, অন্যদেরও কম্পিউটার শিখতে সাহায্য করি।

    কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলির মধ্যে রয়েছে- কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থানমূলক দক্ষতা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কৃষি, ব্যবসা, এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও পেয়েছে কর্মসংস্থান।

    সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে মিরপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জামশেদ আলী বলেন, কৃষকের বাতিঘর সংগঠন আমাদের উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকশই কৃষিতে উদ্বুদ্ধের মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়ে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকের বাতিঘর সংগঠন এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংগঠনটি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদের জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই কৃষি সম্পর্কে সচেতন করছে। এছাড়াও সংগঠনটি এলাকার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমি আশা করি, কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের এই উদ্যোগ আমাদের উপজেলায় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    সার্বিক বিষয়ে কৃষকের বাতিঘরের উদ্যোক্তা হোসাইন মোহাম্মদ সাগর বলেন, কৃষকের বাতিঘরের কার্যক্রম কৃষকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি কৃষকদের ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃষকদের প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছে। একইসঙ্গে গ্রামে বসবাসকারী তরুণ শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, নেতৃত্ব, এবং কর্মসংস্থানমূলক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কৃষকের বাতিঘর সংগঠনের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী তরুণদের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। সংগঠনটি বিশ্বাস করে যে দক্ষ মানবসম্পদের মাধ্যমেই বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন সম্ভব। সূত্রঃ দৈনিক আমাদেরসময়

    বিডিটাইমস/এআর/এনই/

  • ঢাকা-ওয়াশিংটন বিলিয়ন ডলারের চুক্তি, ভারতের ঘুম হারাম

    ঢাকা-ওয়াশিংটন বিলিয়ন ডলারের চুক্তি, ভারতের ঘুম হারাম

    ডেস্ক নিউজ:

    সম্প্রতি এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সয়াবিন রপ্তানি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের তিনটি শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান আগামী এক বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন আমদানি করবে।

    ঢাকা-ওয়াশিংটনের এই বিশাল অর্থনৈতিক চুক্তি ভারতের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

    বুধবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে দ্য হিন্দু জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের তেল ও সয়ামিল রপ্তানি এমনিতেই নিম্নমুখী ছিল। এর ওপর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই চুক্তি ভারতের সয়ামিল রপ্তানিকারকদের মধ্যে গভীর দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে।

    ভারতীয় সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সয়ামিল আমদানিকারক বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে দেশটি। গত অর্থবছরেই বাংলাদেশের বাজারে ভারতের সয়ামিল রপ্তানি ১.৬৩ লাখ টনে নেমে আসে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ কম।

    ভারতের সয়াবিন প্রসেসর অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক ডি.এন. পাঠক এ বিষয়ে বলেন,

    “বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বল্পমূল্যে প্রচুর সয়াবিন কিনছে। এর ফলে ২০২৪-২৫ তেলবছরে আমাদের রপ্তানি তীব্রভাবে কমে গেছে। বাংলাদেশ মাত্রই এক বিলিয়ন ডলারের বিশাল চুক্তি করেছে, যা আমাদের জন্য স্পষ্ট সংকেত—বাংলাদেশ আর ভারত থেকে এ পণ্য কিনবে না। এটি ভারতের জন্য উদ্বেগের বিষয়।”

    এর আগে গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের তিনটি শীর্ষ সয়াবিন প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান আগামী ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিন আমদানি করবে।

    এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু খাদ্যনিরাপত্তায় নয়, কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরো মজবুত করেছে, যার ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের একক প্রভাবের ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।
    সুত্র আমার দেশ
    বি/এ

  • সাবেক ডিজি হারুনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সাবেক ডিজি হারুনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    ডেস্ক নিউজ:

    র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মো. হারুন অর রশীদ, তার স্ত্রী ফাতেহা পারভীন লুনা এবং তাদের দুই কন্যা ফাহমিদা ফারাহ ফাবিয়া ও নুসরাত যারীন আর্দিতার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের এ আদেশ দেন।

    সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান। এ দিন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন এ আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগটি অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশীদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা দেশের ভেতর পলাতক রয়েছেন। তারা যে-কোনো সময় দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিযোগের শুধু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা একান্ত প্রয়োজন।