লেখক: Daily BD Times

  • গাংনী সমবায় দিবস পালন

    গাংনী সমবায় দিবস পালন

    ডেস্ক নিউজ:

    “সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়” প্রতিপাদ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পালন করা হয়েছে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস।

    এ উপলক্ষে  শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কের একটি র‌্যালী।

    পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমবায় অফিসার আবু হাসেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন।

    বিশেষ অতিথি মেহেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা। এসময় অন্যেদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, চাঁদপুর সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম, গাংনী উপজেলা বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক, ডিজিটাল বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি তোফায়েল হোসেন প্রমুখ।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।

  • কাচ্চি ডাইনে সরবরাহের সময় পঁচা মাংসসহ আটক ১

    কাচ্চি ডাইনে সরবরাহের সময় পঁচা মাংসসহ আটক ১

    ডেস্ক নিউজ :

    সাতক্ষীরা শহরের কাচ্চি ডাইনসহ কয়েকটি হোটেলে বিক্রির উদ্দেশ্যে পচা মাংস আনার অভিযোগে এক মাংস ব্যবসায়ীকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    রোববার (২ নভেম্বর) সকালে শহরের লাবণী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ড দেন।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া বাজার এলাকার রুহুল কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল কাদের। তিনি “কবির মিট” নামে সাতক্ষীরার কামালনগর বউ বাজারে একটি মাংসের দোকান পরিচালনা করতেন।

  • নিজের পাতা ফাঁদে কৃষকের মৃত্যু

    নিজের পাতা ফাঁদে কৃষকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ :

     

    জমি ইজারা নিয়ে মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধে শাকসবজি চাষ করতেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার জেলেখালী গ্রামের কৃষক রথীন্দ্রনাথ রপ্তান (৫২)। সবজিখেতে ইঁদুরের উপদ্রব ঠেকাতে পাতেন বৈদ্যুতিক ফাঁদ। কিন্তু সেই ফাঁদেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার জেলেখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রতিবেশী হরষিত রপ্তান জানান, রথীন্দ্রনাথ বাড়ির সামনের একটি ঘেরের বেড়িবাঁধে বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করতেন। খেতে ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দেওয়ায় তিনি চারপাশে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। সন্ধ্যার পরও বাড়িতে না ফেরায় স্ত্রী তাঁকে খুঁজতে বের হন। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রী রথীন্দ্রনাথের লাশ ঘেরের পানিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য দেবাশীষ গায়েন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সকালে স্থানীয় শ্মশানে রথীন্দ্রনাথের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে

  • দেবহাটায় মাছের ঘেরে তরমুজ চাষ করে সফলতা

    দেবহাটায় মাছের ঘেরে তরমুজ চাষ করে সফলতা

    ডেস্ক নিউজ

    দূর থেকে দেখলে মনে হবে সবুজ পাতার ছায়ায় ঝুলছে রঙিন ফলের মালা। কাছে গেলে বোঝা যায়, এগুলো অসময়ের তরমুজ। নিচে মিঠে ও লোনা পানির মিশ্র ঘেরে মাছের খেলা। ওপরে মাচায় ঝুলছে সুপ্রিম হানি, তৃপ্তি, ব্ল্যাক বেবি, সুগারকুইন আর বাংলা লিংকের তরমুজ। এ মন ভোলানো দৃশ্য এখন সাতক্ষীরার দেবহাটার কৃষি মাঠে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

    কয়েক বছর আগেও দেবহাটার মৎস্য ঘেরের ভেড়িগুলো ছিল অব্যবহৃত বা স্রেফ আগাছায় ভরা। কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সেই ভেড়িগুলোতে শুরু হয় পরীক্ষামূলক তরমুজ চাষ। প্রথমে অনেকে সন্দিহান ছিলেন, লোনা পানির প্রভাবে কি তরমুজ হবে? তবে প্রথম ফসলেই মিললো সাফল্য। সেই সাফল্য ছড়িয়ে পড়লো আশপাশের গ্রামগুলোতে।

    দেবহাটা উপজেলা কৃষি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর প্রায় ৫০ জন কৃষক এ চাষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আলাদা জমির দরকার নেই। মাছের ঘেরের ভেড়ি আর সামান্য জমিই যথেষ্ট। ফলে বিনিয়োগ কম, ঝুঁকি কম আর লাভ অনেক।

    এখন বাজারে কেজিপ্রতি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা দরে। মৌসুমের বাইরে এত দাম পাওয়ায় কৃষকদের চোখেমুখে খুশির ঝিলিক। উপজেলার তিনটি প্রদর্শনী প্লটে এরই মধ্যে বাম্পার ফলন এসেছে। কৃষি বিভাগ থেকে উন্নত জাতের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়েছে। যার মধ্যে সুপ্রিম হানি, তৃপ্তি, ব্ল্যাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলা লিংক আছে।

    টিকেট গ্রামের চাষি বিশ্বনাথ টাপালী বলেন, ‘লোনা এলাকায় টিউবওয়েলের পানি বালতিতে করে এনে প্রতিদিন গাছে পানি দিই, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করি। কষ্ট অনেক কিন্তু ফল মিষ্টি। প্রথম চালানেই ৪০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। আরও দুই দফা তোলা বাকি।’

    কৃষক আবুল কাশেমের অভিজ্ঞতা আরও উজ্জ্বল। তিনি বলেন, ‘তরমুজ দেখতে সুন্দর, খেতেও অসাধারণ মিষ্টি। বাজারে চাহিদা প্রচুর। আশা করছি প্রায় ২ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবো।’

    উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ‘লোনাতে সোনার খোঁজে কাজ করছি আমরা। প্রথমে কৃষকদের আগ্রহ কম ছিল। এখন নিজেরাই এসে বীজ চাইছেন।’

    দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান বলেন, ‘যেখানে আগে ভেড়ি পতিত থাকতো; সেখানে এখন ফসল হচ্ছে। এতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার হচ্ছে। কৃষকের আয় বাড়ছে আর স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে।’

  • জামায়াত দখলদারিত্বের রাজনীতি করেনা

    জামায়াত দখলদারিত্বের রাজনীতি করেনা

    ডেস্ক নিউজ

     

    জামায়াতে ইসলামী দেশের কোথাও ঘের দখল করে না, জমি দখল করে না, কিংবা বালু উত্তোলন করে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার।

    তিনি বলেন, সারাদেশের মানুষ এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে প্রস্তুত। নতুন বাংলাদেশ গঠনের যে ঢেউ শুরু হয়েছে, তা আমরা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।

    সোমবার বিকেলে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা মাঠে আয়োজিত ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত সেক্রেটারি।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‌‘জামায়াতে ইসলামী গুম, খুন, লুটপাট ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়। কোনো উসকানিতে উত্তেজিত না হয়ে তালা-কলারোয়ার মানুষকে শান্ত থাকতে হবে। একটি পক্ষ আমাদের গণজোয়ার রুখে দিতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আমরা সেই ফাঁদে পা দেবো না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে কেউ বেকার থাকবে না। দুর্নীতি থাকবে না, লুটপাট থাকবে না। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে এবার সবাইকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।’

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মফিদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জেলা জামায়াতের আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজায়েত আলী, সাতক্ষীরা শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

     

     

  • সসনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চাষির মুখে হাসি

    সসনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চাষির মুখে হাসি

    ডেস্ক নিউজ :

     

    সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায় উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করে সফলতা পাচ্ছেন চাষিরা।

    মাছে মড়ক না লাগা, অতি দ্রুত বড় হওয়া এবং মাত্র তিন মাসে বিনিয়োগ করা অর্থের দ্বিগুণ ফিরে পাওয়ায় সংঘবদ্ধভাবে এই পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন তাঁরা। মৎস্য অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পের আওতায় বাগদা চিংড়ির এ চাষাবাদে উৎসাহ জোগাচ্ছে অন্যদের।

    জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ২ লাখ ৬২ হাজার হেক্টর জমিতে ছোট-বড় মিলে ৫৫ হাজার ঘেরে সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চাষ হয়। এ পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করে প্রতিবছর লোকসানে জর্জরিত হতো সাতক্ষীরার চাষিরা। ভাইরাস ও দাবদাহে ঘেরে বাগদা চিংড়ি উজাড় হয়ে যাওয়ায় দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার উপক্রম হতো তাঁদের। পরবর্তী সময়ে আধা নিবিড় পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করা হলেও তেমন সফলতা ছিল না। ফলে দিন দিন বাগদা চাষে অনাগ্রহ তৈরি হচ্ছিল চাষিদের।

    তবে এ বিপর্যয় থেকে চাষিদের রক্ষায় এগিয়ে আসে মৎস্য বিভাগ। ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ নামক একটি প্রকল্পের আওতায় উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করতে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পানির গভীরতা ঠিক রাখা ও বায়োসিকিউরিটি নির্বাহ করা এ চাষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। নতুন এ পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করতে জেলার সব চাষিকে পরামর্শ দেওয়া হয়। বর্তমানে কালীগঞ্জের শিবপুরে ১৩ একর জমিতে ২৩ জন চাষি ২৩টি ঘেরে উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করছেন।

    শিবপুরের বাগদাচাষি মোক্তাদির হোসেন বলেন, ‘আমরা ২৩ জন মিলে এই প্রজেক্টে চাষ করছি। কালিন্দি নদী থেকে এই খালে নোনাপানি আসে। প্রথমে ঘেরে পানি ভর্তি করি। তারপর পর্যায়ক্রমে চুন ও ব্লিসিং মারার পর ভাইরাসমুক্ত পোনা ছাড়ি। এরপর নির্দেশনামতো খাদ্য দিই। এতে ব্যাপক সফল আমরা। ৭২ শতাংশ জমিতে আমি ১৮৫ কেজি মাছ উত্তোলন করেছি। অথচ আগে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ কেজি মাছ তুলতে পেরেছি।’

    চাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘পানির পিপিটি অনুযায়ী উৎপাদিত পোনা ছাড়া হয় বলে মড়ক নেই বললেই চলে। আগে পানির লবণাক্ততা ও ভাইরাস পরীক্ষা হতো না বলে ৪০ দিন যেতে না যেতে মাছ মারা যেত। আর এখন মাছ মরে না বললেই চলে। নির্ধারিত পদ্ধতিতে আমরা মাছ চাষ করে শতকে তিন-চার কেজি মাছ উৎপাদন করতে পেরেছি।’

    এ বিষয়ে কালীগঞ্জের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্পের আওতায় শিবপুরের ২৩ জন চাষিকে নিয়ে কাজ শুরু করি। সেখানে সফলতা ব্যাপক। বায়োসিকিউরিটি ও ভাইরাসমুক্ত পোনা ব্যবহার করা হয় ঘেরে। আমরা খুব আনন্দিত, মাত্র ৩ মাসে ২০টি চিংড়িতে ১ কেজি ওজন হচ্ছে। চাষিদের এ পদ্ধতিতে বাগদা চাষ করা উচিত।’

     

  • নড়াইলে ১৩ মাদক মামলার আসামি গাঁজাসহ গ্রেফতার

    নড়াইলে ১৩ মাদক মামলার আসামি গাঁজাসহ গ্রেফতার

    বিডিনিউজ ডেস্কঃ

     

     

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ১৩ মাদক মামলার আসামি ইউসুফ শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আড়াই কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ।

    শদনিবার (১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম এক প্রেফ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

    গ্রেফতার ইউসুফ শেখ উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের পাঁচড়িয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়া শেখের ছেলে

    লওসি শরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে পুলিশের একটি দল উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের পাঁচুড়িয়া গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় ইউসুফ শেখ নামে এক ব্যক্তিকে তার নিজ বাড়ির উঠান থেকে গ্রেফতার করেন। পরে তার হাতে থাকা একটি ব্যাগ থেকে আড়াই কেজি গাঁজা জব্দ করে পুলিশ।তিনি আরও জানান, গ্রেফতার ইউসুফ শেখের নামে বিভিন্ন থানায় ১৩ মাদক মামলা রয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরও একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • চৌহালীতে ৮০পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জন

    চৌহালীতে ৮০পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জন

     

    বিডিনিউজ ডেক্স :  রবিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে কোদালিয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত বেল্লাল( ৩৫) সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী থানার মধ্য খাষকাউলিয়া গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।

    এ বিষয়ে চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কোদালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ পিস ইয়াবাসহ বেল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়।

    এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলার পর আজ সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    • চরে সক্রিয় কাকন, মণ্ডল, টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনী
    • জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক ও অস্ত্র পাচারে জড়িত এসব বাহিনী
    • অনেকে বংশপরম্পরায় ধরেছেন বাহিনীর হাল। পুলিশের অভিযান শুরু। প্রথম দিনে গ্রেপ্তার নেই

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল এবং ভারত সীমান্তঘেঁষা অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি পদ্মার চরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলিতে তিনজন নিহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, শুধু কাকন কিংবা মণ্ডল বাহিনী নয়; টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনীও সক্রিয় এই চরাঞ্চলে।

    রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব বাহিনী জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক, অস্ত্র পাচারসহ নানা অপরাধে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বাহিনী পদ্মার এমন দুর্গম চরে ‘সাম্রাজ্য’ গড়ে তুলেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সীমিত। রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা জেলার দুর্গম চরাঞ্চলজুড়ে তাদের বিস্তার।

    সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরে কাকন বাহিনী ও মণ্ডল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের তিনজন নিহত হন। এরপর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় করা মামলায় ‘কাকন বাহিনীর’ প্রধান কাকনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা পুলিশের একাধিক ইউনিট শতাধিক সদস্য নিয়ে পদ্মার চরে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে প্রথম দিনের অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুরের পদ্মা চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে ডজনখানেক সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তবে ২০ বছর আগে দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল বিস্তৃত পদ্মার দুর্গম এই চরাঞ্চলে। তাদের ভাগ না দিয়ে কেউ চরের ফসল ঘরে তুলতে পারত না। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের হাতে ওই সময় ৪১ জন খুন হয় বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তখন চরের মাটিতে পা দিতে গা ছমছম করত। দুই বাহিনীর নাম ছিল ‘পান্না বাহিনী’ ও ‘লালচাঁদ বাহিনী’। পান্নার ওস্তাদ ছিলেন এই কাকন। সূত্র জানায়, এ বছরের জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ‘কাকন বাহিনী’র বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী, বাঘা, লালপুর ও দৌলতপুর থানায় মোট ছয়টি মামলা হয়েছে। বাহিনীর প্রধান কাকন পাবনার ঈশ্বরদী কলেজ রোডের বাসিন্দা হলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে।

    ১৯৯৪ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি চাকরি করলেও ২০০৫ সালে পান্না নিহত হওয়ার পর ২০০৭ সালে সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন। বর্তমানে তাঁর বাহিনীতে প্রায় ৪০ জন সদস্য রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নইম উদ্দিন সেন্টুকে নিজ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচনায় আসে টুকু বাহিনী। বাহিনীর প্রধান তরিকুল ইসলাম ওরফে টুকু ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দলের সদস্য ২০ জনের বেশি। হত্যাকাণ্ডের পর টুকুসহ বেশ কয়েকজন সহযোগীর নামে মামলা হয়, যদিও আটকের পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

    চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর মণ্ডলপাড়া এলাকায় রাজু আহমেদ (১৮) নামের এক যুবককে গুলি চালিয়ে হত্যা করে সাইদ বাহিনী। বাহিনীর প্রধান আবু সাঈদ মণ্ডল (৩৫) মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর দক্ষিণ ভাঙ্গাপাড়া এলাকার ভাদু মণ্ডলের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় ৯টির বেশি মামলা রয়েছে।

    ২০০৯ সালে লালচাঁদ বাহিনীর প্রধান লালচাঁদ নিহত হওয়ার পর তাঁর ভাই সুখচাঁদ দায়িত্ব নেন। তাঁরা ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা।

    বাহিনীতে লালচাঁদের ছেলে রুবেলসহ একাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছেন। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে।

    দৌলতপুর থানায় আলোচনায় থাকা আরেক বাহিনী ‘রাখি বাহিনী’র প্রধান রাকিবুল ইসলাম রাখি। তাঁর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। তাঁর বাড়ি ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড়ে। এ ছাড়া রয়েছে কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী ও বাহান্ন বাহিনী।

    একাধিক গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ৫ আগস্টের পর দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে বিপুল অস্ত্র দেশে ঢোকার তথ্য রয়েছে। জানা গেছে, তিন চালানে মোট প্রায় ২ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এসেছে দেশে।

    দুর্গম চরে অভিযান

    গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ ১২০ জন সদস্য নিয়ে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে পুলিশ এই অভিযানে চরবাসী খুবই খুশি। এতে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে তাঁরা আশা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    গতকাল শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই অভিযান রাতেও চলবে। অভিযান শেষ হবে না। এটা যে শুধু আসামি ধরা, তা নয়। মানুষকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় এই চরগুলোতে আর হবে না।’ সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/

  • সাতক্ষীরার টালি যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

    সাতক্ষীরার টালি যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

    ডেস্ক নিউজ:

    কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বলেছেন- ‘মধুর চেয়ে আছে মধুর, সে এই আমার দেশের মাটি, আমার দেশের পথের ধূলা, খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।’ আর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন- ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।’ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মুরারিকাটি গ্রামের মাটি যেন কবিদের সেই কথার দৃষ্টান্ত। কারণ এই গ্রামের মাটিতে তৈরি দৃষ্টিনন্দন টালি যাচ্ছে ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

    জানা গেছে, মুরারীকাটি গ্রামের মৃৎশিল্পীরা তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় এসব টাইলস তৈরি করেন। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এখনও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি এই পালপাড়ায়। আগের মতোই মাটি সংগ্রহ করে বছরের পর বছর উঁচু স্তূপ করে রাখতে হয়। তারপর সেখান থেকে মাটি কেটে কুমাররা পায়ের মাধ্যমে কাদা তৈরি করেন মণ্ড বা খামির। মাটি তৈরির পর শিল্পী তার নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ও খাঁচে ফেলে তৈরি করেন বিভিন্ন ধরনের টাইলস। সেগুলো রোদে শুকিয়ে তারপর রঙ ধরানো হয়। রঙ লাগানোর কাজ শেষ হলে রোদে শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে আগুনে পোড়ানোর জন্য সাজানো হয় এই টাইলস।

    ব্যবসায়ীরা জানান, ২০০২ সালের পর এই টাইলস তৈরি শুরু হয়। সে সময়ে ৪১টি কারখানা থাকলেও এখন টিকে আছে মাত্র ১৩টি কারখানা। সেখান থেকে উৎপাদিত টালি বছরে ১০ থেকে ১২ কোটি মতো টালি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়। দেশে আসে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার মতো বৈদেশিক মুদ্রা। মুরারিকাটিতে মাটিতে তৈরি উৎপাদিত টালির মধ্যে ফেক্স এ্যাংগুলার, হেড ড্রাগুলার, স্কাটিং, স্টেম্প, স্কয়ার, রুপ, ব্রিকস্ ও ফ্লোর টালি রফতানি হচ্ছে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান জেকে ইন্টাররন্যাশনাল, নিকিতা ইন্টারন্যাশনাল, মা-কটোস্ ইন্টারন্যাশনালসহ ১০ থেকে ১২টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মুরারিকাটিতে উৎপাদিত টালি ইউরোপ-আমেরিকায় রফতানি করছে। সংশ্লিষ্টরা জানান,  আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের রফতানিতে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে মুরারিকাটির টালি।

    টালি কারখানার শ্রমিক রুস্তম শেখ বলেন, আমাদের এই মাটি মাঠের মিষ্টি মাটি। মহাজন এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এই মাটি কিনে আনে। বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এই মাটি দিয়ে টালি তৈরি করা হয়।

    শ্রমিক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, মুরালিকাটির মাটি মিষ্টি মাটি। এই মাটি সোনার চাইতে খাঁটি। এ কারণে এই মাটিটা বিদেশে রফতানি হয়। মাটি দিয়ে তৈরির এসব কারখানায় আমরা পাঁচ থেকে ছয়টি কর্মজীবী মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

    প্র-এসও অর্গানিক টাইলস কোম্পানির মালিক কামাল হোসেন ভুট্টু বলেন, যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন তারা এই সিন্ডিকেট তৈরি করে। সিন্ডিকেটের কারণেই আমরা যারা দীর্ঘদিন ব্যবসা পরিচালনা করছি আমাদের কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টালি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান ‘জে কে ইন্টারন্যাশনাল’ এর সিইও জাকির হোসেন বলেন, সাতক্ষীরা কলারোয়ার মুরালিকাটির মাটি বেলে হওয়ার কারণে এই মাটি দিয়ে টালি সুন্দরভাবে উৎপাদন হয়। যেটা বিশ্বমানের টালি হয়ে ওঠে। এই মাটিটা পোড়ানোর পরে যে সৌন্দর্য্যতা হয় সেটি পৃথিবীর সব থেকে বেশি সুন্দর টালি হয়ে ওঠে। যার জন্য এই টালি দিয়ে আমরা গোটা দুনিয়ার মার্কেট দখল করতে পেরেছি। যারা একবার কলারোয়ার মাটির তৈরি টালি ব্যবহার করেছে তারা পৃথিবীর অন্য কোনো মাটির তৈরি টালি ব্যবহার করবে না।

    তিনি বলেন, আমরা এই টালি বিশ্ববাজারে রফতানি করে থাকি। বিশেষ করে এটার বড় বাজার ইটালিতে। যার জন্য এই কলারোয়াকে ইটালির শহর বলা হয়ে থাকে। এছাড়া, আরব আমিরাত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, তুর্কি ও ব্রিটেনের লন্ডনে আমরা রফতানি করে থাকি।

    বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) সাতক্ষীরার উপ-ব্যবস্থাপক গৌরব দাস বলেন, কলারোয়ার মুরালিকাটির টালি খুব সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। আমাদের পক্ষ থেকে এই শিল্প এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের আর্থিক এবং কারিগরি সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।