লেখক: Daily BD Times

  • নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে দেশের নেতৃত্ব। নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা বা বানচালের পাঁয়তারা করে কোনো লাভ হবে না।

    তিনি বলেন, নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে, আর জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।

    শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজার ও শেহালা এলাকায় বিএনপির দুটি আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানা দুটি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শরিফ উদ্দিন জুয়েল। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, জনগণ এখন অনেক সচেতন। তারা জানে, অরাজকতা বা ষড়যন্ত্র করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারে না। দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে চাচ্ছে, তারা আসলে জনগণকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

    বৈঠকে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের একটি দফা ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি ৩১ দফা সুফল সাধারণ মানুষের মধ্যে তুলে ধরে তিনি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ উদ্দিন জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে দৌলতপুরের মানুষের পাশে আছেন। তিনি যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, আসন্ন নির্বাচনে তিনি দৌলতপুরবাসীর আস্থা অর্জন করবেন।

    উঠান বৈঠক শেষে শরিফ উদ্দিন জুয়েল এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি থেকে যদি মনোনয়ন পাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দৌলতপুরকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।

    স্থানীয় তরুণরা বলেন, শরিফ উদ্দিন জুয়েলের মতো নেতৃত্বই দেশের প্রয়োজন যিনি রাজনীতিকে জনগণের সেবার হাতিয়ার হিসেবে দেখেন এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করতে জানেন।

    বৈঠকে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/

  • শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    ডেস্ক নিউজ:

    সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত শতবর্ষী এক পোস্ট অফিসকে নিজের সম্পত্তি দাবি করে তালা ঝুলিয়ে দেন এক ব্যক্তি। এ সময় তিনি দরজায় ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডও লাগিয়ে দেন। পরে প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অবশেষে তালা খুলে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয় পোস্ট অফিসটি।

    সোমবার  আশাশুনি উপজেলার চাম্পাফুল স্কুলগেট সংলগ্ন শোভনালী পোস্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

    পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে চাম্পাফুল গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আহসানুল্লাহ মীম কয়েকজনকে নিয়ে এসে দাবি করেন, পোস্ট অফিসের ভবনটি তাদের জায়গায় নির্মিত। এরপর দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন এবং নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার  আশাশুনি উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার, পুলিশ, শোভনালী ভূমি অফিসের নায়েবসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জায়গা মাপা হয়।

    সার্ভেয়ার অমল কুমার জানান, পোস্ট অফিসটি ২০৬ ও ২১০ দাগের জমিতে অবস্থিত এর মধ্যে ২১০ দাগ সরকারি রাস্তার জমি হলেও ২০৬ দাগ ব্যক্তিমালিকানাধীন। তবে খতিয়ান যাচাই না করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। পরে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হলে আহসানুল্লাহ মীম নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং পোস্ট অফিসের দরজার তালা খুলে দেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা কামাল সরদার বলেন, আমার জন্মের আগ থেকেই এই পোস্ট অফিস এখানে রয়েছে। হঠাৎ করে কেউ এসে তালা ঝুলিয়ে দিল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    আরেক স্থানীয় খায়রুল ইসলাম বলেন, পোস্ট অফিস বন্ধ থাকায় দুদিন ধরে লোকজন বিপাকে পড়েছেন। অনেকের গুরুত্বপূর্ণ চিঠি ও পরীক্ষার কাগজপত্র আটকে গেছে।

    আশাশুনি উপজেলা পোস্টমাস্টার মীর আহছানুজ্জামান বলেন, পোস্ট অফিস সরকারি সম্পত্তি। এভাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়াটা দুঃখজনক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

    আশাশুনি থানার ওসি সামছুল আরেফিন বলেন, এটি জমিসংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় আমরা এসিল্যান্ডকে জানিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে এমন দুঃসাহস কেউ দেখালে কঠোর আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমেদ বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে কিছু জটিলতা আছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তৎকালীন মালিক হেমনাথ মজুমদার পোস্ট অফিসের জায়গাটি লিখে দিলেও সেটি রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি। বিষয়টি বিস্তারিত যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, যতদিন পর্যন্ত জমির মালিকানা পরিষ্কার না হবে, ততদিন কেউ পোস্ট অফিসের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না। বিষয়টি পোস্টমাস্টার জেনারেলকেও জানানো হবে।

  • কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রেলসেতুর নিচ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। পুলিশ ও তাঁর স্বজনদের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (১নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন রেলসেতুর নিচ থেকে ৫২ বছর বয়সী ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    পরে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত নারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী ও সন্তান রয়েছে।

    জানা গেছে, এদিন ৬টার দিকে রেলসেতুর নিচে এক নারীর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে ওই নারীর ছেলে এসে তাঁর লাশ শনাক্ত করে। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

    নিহত নারীর ছেলে বলেন, ‘মা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত শুক্রবার সকালে গোয়ালন্দ রেলস্টেশনে মাকে দেখা গিয়েছিল বলে জানা গেছে। এরপর সেখানে গিয়ে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে লাশের সন্ধান পেয়ে কুমারখালী এসে মাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশের সন্দেহ। সে জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

    কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা নারীর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি।’ সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    বিডি/ এআর/ নিইআর/

  • চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের জিআই পণ্য খেজুর গুড়ের রস সংগ্রহের জন্য গাছ কা’টার (গাছ তোলা ও চাচ দেয়া) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
    রোববার (২নভেম্বর) বেলা পৌনে ১২টায় চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুরে গাছ তোলা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তার।
    এসময় এসিল্যান্ড প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা আনোযারুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা তাসলিমা জেবিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা মাহমুদা, সমবায় কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    হায়াতপুর গ্রামের গাছি আব্দুর রহমান গাজী গাছ তোলা ও চাচ দেয়া কাজ করেন। তার সাথে গাছি কামাল হোসেনসহ কয়েকজন গাছি ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
    ২০২২ সালে চৌগাছার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার উদ্যোগে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণে খেজুরগুড়ের মেলা, গাছিদের প্রশিক্ষণ, গাছি সমাবেশ, গাছিদের সমবায় সমিতি গঠন, খেজুর গাছ রোপণ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একই বছর যশোরের বিখ্যাত খেজুর গুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতির আবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে খেজুরগুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয় সরকার। সে বছর থেকে প্রতি বছর ১লা মাঘ থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে খাটি খেজুর গুড়ের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবারও মেলা যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলা প্রশসন সূত্রে জানা গেছে।
    বিডিটাইমস/এআর/নিইআর/
  • শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    মাগুরার শালিখায় গোপনে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বাজারে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামের মাংস বিক্রেতা হিরন বিশ্বাস রবিবার ভোর রাতে নিজ বাড়ির পিছনে চিত্রা নদীর তীরে নির্জন জায়গায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হিরণ বিশ্বাস পালিয়ে যায়। এ সময় তারা জবাইকৃত ঘোড়াটি পড়ে থাকতে দেখে হাজরাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংবাদ দেন।

    মাংস বিক্রেতা হিরণ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গরুর নাম করে বাজারে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়ে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

    শালিখার হাজরাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সুলতান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাইকৃত একটি ঘোড়া পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে পুলিশ পৌঁছবার আগেই বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি৷

  • ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    ৭৭ টন চাল ওএমএস ডিলারের গুদাম থেকে উদ্ধার

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর বাজার থেকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) উপকারভোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তারের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ চাল উদ্ধার করেন। কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবহান, সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মজনুর রহমান এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিনোদপুর বাজারের তিনটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়।

    তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান বলেন, গত জুলাই মাসে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুকে ৭৭.৮৩৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তিনি চালগুলো টিসিবির ডিলারদের কাছে সরবরাহ করেননি। তদন্ত কমিটির কাছে তিনি স্বীকার করেছেন যে, চালগুলো বিনোদপুর বাজারের একটি গুদামে সংরক্ষিত ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন ইউএনও বরাবর জমা দেওয়ার পর, তার নির্দেশে ওই রাতেই তিনটি গুদামে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চাল বর্তমানে মহম্মদপুর ও বিনোদপুরের সরকারি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে। ইতোমধ্যে ওএমএস ডিলার হোসনিয়া কান্তা ঋতুর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে চাল পরীক্ষা করে নির্দেশনা দেবেন।

    উল্লেখ্য, ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ৭৭ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে, তদন্তে নামে উপজেলা প্রশাসন। অভিযোগ অনুসন্ধানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহানকে আহ্বায়ক এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান ও আইসিটি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ইউএনও’র নির্দেশে চালগুলো জব্দ করা হয়।

     

  • মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    মাগুরায় দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে ৯০ ফুটের তোরণ

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    মাগুরায় ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী উৎসব। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত। শতবর্ষী এই কাত্যায়নী পূজাকে ঘিরে পুরো শহরে এখন উৎসবের আমেজ।

    জানা যায়, দুর্গাপূজার ঠিক একমাস পর দুর্গা প্রতিমার আদলেই প্রতিমা তৈরি করে প্রতিবছর কাত্যায়নী পূজা পালন করা হয়। মূলত, দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলেও মাগুরায় এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম। মাগুরায় কাত্যায়নী পূজাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করে আসছেন এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    এবারের কাত্যায়নী উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে শহরের নতুন বাজার সেতুর ওপর নির্মিত প্রায় ৯০ ফুট উচ্চতার বর্ণিল তোরণ। এটি নির্মাণ করেছে নিজনান্দুয়ালী এলাকার নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পূজা উদ্‌যাপন কমিটি।

    আর এই তোরণ দেখার জন্য এলাকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

    আয়োজকদের দাবি, জেলায় এর আগে এত উঁচু তোরণ নির্মিত হয়নি। প্রায় ৩০ জন শিল্পী ও শ্রমিকের তিন সপ্তাহের পরিশ্রমে তৈরি এই তোরণ এখন শহরের মানুষের প্রধান আকর্ষণ।

  • ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে যোগদান

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহে শৈলকুপায় ৮০টি হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় শৈলকুপার ভান্ডারীপাড়া গ্রামের মন্দিরে উপজেলা জামায়াতে আমির এ এস এম মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে জামায়াতে যোগদান করেন তারা।

    একযোগে ৮০ হিন্দু পরিবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করায় জেলাব্যাপী মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ভান্ডারীপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকাশ বলেন, আমি অনেক আগে থেকেই জামায়াতের মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের তিনটি সমাজের ৮০টি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জামায়াতে ইসলামী আমাদের ধর্মের মানুষকেও সুরক্ষা করবে।

    তিনি আরও বলেন, তারা শুধু যোগদানই নয়, একই সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

    শৈলকুপা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এ এস এম মতিউর রহমান বলেন, এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকে দ্বিধাহীনভাবে আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন নিরাপত্তা চায়। তাদের নিরাপত্তার জন্য জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। তাদের প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চাই।

  • হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    হরিনাকুন্ডে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় হাসের সঙ্গে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মোস্তাক হোসেন (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    মৃত শিশু মোস্তাক হোসেন একই গ্রামের সাগর হোসেনের ছেলে।

    মৃতের স্বজনরা জানান, সকালে বাড়ির পাশে হাঁসের সঙ্গে খেলা করছিল শিশু মোস্তাক। এ সময় তার সঙ্গে সমবয়সী কয়েকজন প্রতিবেশী শিশু ছিল। অন্য শিশুরা খেলাধুলা করলেও মোস্তাককে তাদের সঙ্গে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির পাশে ডোবা থেকে শিশু মোস্তাককে উদ্ধার করে স্বজনরা। পরে তাকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    হরিনাকুন্ড থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন

  • এক গরুতেই কোটিপতি

    এক গরুতেই কোটিপতি

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    ৩০ বছর ধরে গরু লালনপালনের নেশায় মগ্ন বিমল প্রামাণিক আজ একজন সফল খামারি। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ছয়খাদা গ্রামের কৃষক বিমল প্রামাণিক প্রথমে একটি গরু পালন শুরু করেন, সেই থেকে আজকে কোটিপতি হয়েছেন।

    গরু ও দুধ বিক্রি করে আজ তিনি দুটি ফ্লাট বাড়ির মালিক, কিনেছেন ৬ বিঘা জমিও। প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, গরু পালনে এ খামারির কোনো বাড়তি খরচ না থাকায় আজ তিনি সফল। বর্তমানে বিমলের খামারে ছোট-বড় ৪৫টি গরু রয়েছে।

    সফলতা দেখে এলাকাতে তার মতো অনেকেই ছোট-বড় খামার গড়ে তুলেছেন।

    বিমল প্রামণিক জানান, “প্রতিদিন সকালে বাড়ি থেকে গরুগুলো নিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াতে যাই। গরু লালনপালন করা আমার নেশা। যতদিন বেচেঁ আছি, ততদিনই গরু পালন করতে চাই।”

    স্থানীয় বাসিন্দা রইস উদ্দিন, রিনা খাতুন ও আফজাল হোসেন জানান, বিমল প্রামাণিক একটি গরু থেকে আজ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। গরুর ওপর নির্ভর করে তার অনেক উন্নতি হয়েছে। গরু বিক্রি করেই বাড়ি, জমি কিনেছেন।

    বিমলের মেয়ে চন্দনা বিশ্বাস জানান, বাবা গরু বিক্রির টাকায় আমাকে বিয়ে দিয়েছেন। আর দুই ভাইকে বিদেশও পাঠিয়েছেন।

    আর বিমল প্রামাণিকের স্ত্রী পদ্মা রানী জানান, প্রতিদিন সকালে গরুর পালগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেই। আর সারাটা দিন সে মাঠে গরুর ঘাস খাইয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি নিয়ে এলে খামারে রাখার সময় আমি সহযোগিতা করি। খামার থেকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি দুধ পাওয়া যায়। সে দুধ ঘোষদের কাছে বিক্রি করি। গোবর সংগ্রহ করে সেটিও বিক্রি করি।

     জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার ব্যনার্জী জানান, গাভি গরু লালনপালন করে বিমল প্রামণিক তার জীবনটাকেই পাল্টে ফেলেছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ তার সার্বিক খোঁজখবর ও পরামর্শ দিয়ে থাকে।