লেখক: Daily BD Times

  • এত এত বৈঠকের পরও হয়নি ঐকমত্য, আলোচনা কি গড়াবে মাঠেই?

    এত এত বৈঠকের পরও হয়নি ঐকমত্য, আলোচনা কি গড়াবে মাঠেই?

    Despite repeated meetings and discussions, differences of opinion remain between the parties on some fundamental issues of reform.

    Even some religiously-based political parties have now called for simultaneous programs on the streets to address the issue of implementation.

    Finally, the commission’s term is being extended again.

    So is the issue now on the negotiating table or on the streets? Where is the solution?

    Tanha Tasnim’s report…

  • গত এক বছরের রাজনীতি নিয়ে তরুণরা কী ভাবছেন?

    গত এক বছরের রাজনীতি নিয়ে তরুণরা কী ভাবছেন?

    While there is much discussion among many about the upcoming elections in Bangladesh, the situation is a bit different for young people, as a large portion of them will see the voting taking place in a different environment this time.

    These young people also showed considerable interest in politics in the post-August reality.

    Now, a year later, what is the status of this? What are they thinking and saying about politics?

    Watch Archie Atandrila’s video report

  • খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    খাগড়াছড়ির সেই কিশশোরীর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি

    নিউজ ডেস্ক:

    খাগড়াছড়িতে মারমা কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও সহিংসতার মধ্যেই ঘটনার নতুন মোড় নিয়েছে। ওই কিশোরীর মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত মেলেনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার ১০টি সূচকের প্রতিটিতে ‘স্বাভাবিক’ উল্লেখ রয়েছে।

    মারমা এই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর খাগড়াছড়িতে ব্যাপক উত্তেজনা, অবরোধ আর সহিংসতা ছড়িয়েছে; গুইমারায় ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে গুলিতে তিনজনের প্রাণ গেছে।

    জানা গেছে, খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জয়া চাকমা, ডা. মীর মোশাররফ হোসেন ও ডা. নাহিদ আক্তারের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম পরীক্ষা করে। চিকিৎসক দলটির প্রধান খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) জয়া চাকমা বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফলে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি।’

    খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল বলেন, প্রতিবেদন মঙ্গলবার পেয়েছি। ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খাগড়াছড়িতে ছড়ানো সহিংসতাকে ‘পরিকল্পিত’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত সহিংসতায় তিনটি জীবন ঝরে গেছে, যা খুবই দুঃখজনক।’

    উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের সিঙ্গিনালায় প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে ওই দিন রাত ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় একটি ক্ষেত থেকে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে শয়ন শীল (১৯) নামে এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

    এ ঘটনায় খাগড়াছড়িতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা একসময় সহিংসতায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় এবং অতিরিক্ত সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়। এর পরও উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি। ১৪৪ ধারার মধ্যেই জেলার গুইমারায় ঝরে যায় তিন প্রাণ।

    এদিকে খাগড়াছড়ি সদরের সিঙ্গিনালায় মারমা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ ও সহিংসতাকে কেন্দ্র করে গত রোববার গুইমারা সহিংসতার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুরে গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।

    সুত্র: কালবেলা

  • রমজানের আগেই নির্বাচন; প্রধান উপদেষ্টা

    রমজানের আগেই নির্বাচন; প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রমজানের আগেই দেশে ত্রয়োদশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ভিডিও কলে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। এসময় ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাসস জানিয়েছে, ড. ইউনূস জর্জিয়েভাকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সময়মতো ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের পর তিনি (ড. ইউনূস) তার পূর্ববর্তী কাজে ফিরে যাবেন।

    বাসসের প্রতিবেদন জানিয়েছে, আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

    তিনি বলেছেন, অধ্যাপক ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং এই কৃতিত্ব তার নিজেরই।

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, তার সরকার এরইমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।’

    অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, ‘আপনার অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি।’

    তিনি নিউইয়র্কে গত বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সময় জর্জিয়েভার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, সেই সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে আগামী ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের আগে নির্ধারিত সময়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, নির্বাচন শেষে তিনি তার পূর্বের কাজে ফিরে যাবেন।

    ফোনালাপে আইএমএফ প্রধান বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এই অমূল্য সময়ে শক্ত অবস্থানে যেতে হলে সাহসী সংস্কার অনিবার্য।’

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, সরকার ইতোমধ্যে ব্যাংকিং খাতে কাঠামোগত পরিবর্তন এবং রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা একেবারে ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কেউ কেউ আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে চুরি করে পালিয়ে গেছে।’

    আলোচনায় আঞ্চলিক বিষয়ও উঠে আসে। অধ্যাপক ইউনূস নেপালের চলমান যুব আন্দোলন এবং বাংলাদেশের আসিয়ানভুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি ঢাকার নতুন বন্দর ও টার্মিনাল প্রকল্পসহ বড় ধরনের অবকাঠামোগত উদ্যোগের অগ্রগতি সম্পর্কেও অবহিত করেন।

    এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনাকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

  • এসপি গৌতমকে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন, প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন

    এসপি গৌতমকে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন, প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধ

    ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি গৌতম কুমার বিশ্বাসকে চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছে চুয়াডাঙ্গাবাসী।

    রোববার  সকালে চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সামনে চুয়াডাঙ্গাবাসীর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশ নেন জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, এবি পার্টির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

    মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন করা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বিগত সরকারের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে চিহ্নিত।

    তিনি পাবনা ও ঢাকায় চাকরিরত অবস্থায় সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্নভাবে জুলুম ও নির্যাতন চালিয়েছেন। এমনকি জুলাই আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    এমন একজন পুলিশ অফিসারকে চুয়াডাঙ্গার মানুষ মেনে নিবে না। চুয়াডাঙ্গাবাসী কোনো ফ্যাসিস্ট চায় না, আমরা মানবিক পুলিশ সুপার চাই। অনতিবিলম্বে এ আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি গৌতম কুমার বিশ্বাসকে পুলিশ সুপার হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় পদায়ন করা হয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- চুয়াডাঙ্গা এবি পার্টির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন,  চুয়াডাঙ্গা জাতীয় নাগরিক কমিটির এনসিপির যুগ্ন আহবায়ক আমির হোসেন সমির, চুয়াডাঙ্গা পৌর জামায়াত ইসলামী শাখার ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি আমিরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পৌর শাখার ২নং ওয়ার্ড সভাপতি নুরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক, দৌলোতদিয়ার ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সুমন আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা এবি পার্টির যুগ্নআহবায়ক রেজওয়ান আহমেদ, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী রুজদী মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ যুগ্ম সমন্বয়কারী আমির হোসেন সামিরসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

  • জাবি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত

    জাবি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত

    নিউজ ডেস্ক:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জাকসু নির্বাচনে ভোটগণনা কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

    জানাজায় বিশ্বিবদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, দর্শন বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্যানেলের ভিপি প্রার্থীদের অংশ নিতে দেখা যায়।

    এর আগে, এদিন সাড়ে ৯টায় জান্নাতুল মৃত্যুবরণ করেন বলে নিশ্চিত করেছে জাকসু নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।

    জানা গেছে, দায়িত্বরত অবস্থায় বুকে ব্যথা অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় জান্নাতুল ফেরদৌসকে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জাবির চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ।

    এ বিষয়ে চারুকলা বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, ভোটগণনা অবস্থায় অসুস্থতা অনুভব করলে অ্যাম্বুলেন্স যোগে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহকর্মীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।

  • জাকসুর ফলাফল ঘোষণার দাবি সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের

    জাকসুর ফলাফল ঘোষণার দাবি সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের

    নিউজ ডেস্ক:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল আজকের মধ্যে ঘোষণা করা না হলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।

    শুক্রবার বিকাল পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কেবলমাত্র ২১টি হলের হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। আমরা জানি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে এর দ্বিগুণ সংখ্যক প্রার্থী রয়েছে। তাই ফলাফল ঘোষণা একটু অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের একটি গ্রুপ এখনো নির্বাচন বানচালে সচেষ্ট রয়েছে। তারা নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই যদি আজকের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না করা হয় তাহলে আমরা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব।

    ছাত্রদল ও বাগছাস মিলে অটোমেটিক মেশিনে ভোট গণনাকে বন্ধ করেছে একটি ঠুনকো অজুহাতে। তারা ওইমার মেশিনে ভোট গণনা কোম্পানিকে জামায়াতি প্রতিষ্ঠান ট্যাগ দিয়ে ভোট গণনাকে কষ্টকর করে তুলেছে। অথচ গতকাল আমরা তথ্য প্রমাণ সহ হাজির করেছি প্রতিষ্ঠানটি বিএনপিপন্থিদের। তারপরেও অযৌক্তিক ভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা হচ্ছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে জাকসুর ফলাফল ঘোষণা চাই।

  • ছাত্রদলকে মির্জা গালিবের পরামর্শ

    ছাত্রদলকে মির্জা গালিবের পরামর্শ

    নিউজ ডেস্ক

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জন করছে ছাত্রদল। বর্জন না করেও ভিন্ন কিছু করা যেত বলে মনে করেন ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তিনি বলেন, তিনি যদি দলটির পরামর্শক হতেন, তাহলে পরাজয় নিশ্চিত হলেও তাদেরকে সারা দিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে বলতেন।

    বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এর আগে সকাল থেকে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।

    এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি পদের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদসহ ২৩টি পদ জিতেছে তারা।

    ভিপি পদে সাদিক কায়েম পেয়েছেন মোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন এবং উমামা ফাতেমা যথাক্রমে ৩ হাজার ৮৮৪ এবং ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়েছেন।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পরিকল্পিত কারচুপির এ ফলাফল দুপুরের পরপরই অনুমান করেছি। নিজেদের মতো করে সংখ্যা বসিয়ে নিন। এ পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।

    ছাত্রদল জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর আজ বিকালে পোস্ট দেন মির্জা গালিব। তিনি লেখেন, আমি যদি ছাত্রদলের অ্যাডভাইজার হতাম, তাহলে বলতাম পরাজয় নিশ্চিত হলেও সারাদিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে। যাতে করে ফলাফলের পর মানুষের মনে দুঃখ লাগে, আহারে ছেলেগুলো কত কষ্ট করল, কিন্তু জিততে পারল না। ওই খারাপ লাগার অনুভূতিটুকু পরের নির্বাচনে কাজে লাগত।

  • জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় জানাল নির্বাচন কমিশন

    জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় জানাল নির্বাচন কমিশন

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ শেষে ২১টি হল থেকে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে নেওয়া হয়েছে।এখন চলছে গণনা।

    নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বে রয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তারা। নির্বাচনের ফলাফল প্রাথমিকভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘোষণা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত দের হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

    এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯১৯। ছাত্রদের হলের মধ্যে আল বেরুনী হলে ভোটার ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হলে ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন ভোটার রয়েছেন।

    ছাত্রীদের হলের মধ্যে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হলে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হলে ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হলে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হলে ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।

    এবারের নির্বাচনে ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৮ প্রার্থী। নির্বাচনে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের সমর্থিত ৮টি প্যানেল অংশগ্রহণ করে। তবে, কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।

    বৃহস্পতিবার বিকালে মওলানা ভাসানী হলের গেস্ট রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। পরবর্তীতে সম্প্রীতির ঐক্য, সংশপ্তক পর্ষদ ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদও ভোট বয়কটের ঘোষণা দেয়। ৫ স্বতন্ত্র প্রার্থীও এক পর্যায়ে ভোট বর্জন করে।

  • ছাত্রী কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর বিশৃঙ্খলা

    ছাত্রী কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীর বিশৃঙ্খলা

    নিউজ ডেস্ক

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ১৫ নম্বর হলে (সাবেক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল) ভোট কারচুপির মিথ্যা অভিযোগ এনে দলবলসহ কেন্দ্রে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা করেছেন ছাত্রদল প্যানেলের ভিপিসহ তার অনুসারীরা। এসময় ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিকে গলা ধাক্কা দেন ছাত্রদল কর্মী জিসান।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও হলের রিটার্নিং অফিসারের সূত্রে জানা যায়, হলে ভোট গ্রহণের সময় আঙুলে যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছিল তা মুছে যাচ্ছিল। এজন্য ছাত্রীরা অভিযোগ করেন। এরপর যাদের কালি মুছে যাচ্ছে তাদেরকে জড়ো করা হয়। এসময় হঠাৎ করে বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থীসহ তার অনুসারীরা ১৫ নং হলে প্রবেশ করে। এ সময় ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান সরাসরি কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। অনুসারীসহ কেন্দ্রে প্রবেশ করায় ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করেন। এ সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন কয়েকজন সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে ছাত্রদল কর্মী জিসান তাকে ঘাড় ধাক্কা দেন। এতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রক্টর এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো ভোট বন্ধ আছে।