লেখক: Daily BD Times

  • জিয়াউর রহমানের খনন করা পাথেরাজ নদী আজ যেন মরা খাল

    জিয়াউর রহমানের খনন করা পাথেরাজ নদী আজ যেন মরা খাল

    সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত জিয়াউর রহমান একসময় নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছিলেন। শ্রমিকের মাথায় সেই মাটির ডালি তুলে দিয়ে খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সদরের ঐতিহাসিক পাথেরাজ নদী। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে সেই প্রমত্তা পাথেরাজ নদী।

    সেই সময় জনপ্রিয় খালখনন কর্মসূচির আওতায় খননের পর প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর ছিল পাথরাজ। মাছেও ভরপুর হয়ে উঠেছিল এই নদী। নদীর পানি হয়ে উঠেছিল শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয়দের কৃষিপণ্য উৎপাদনে সেচের একমাত্র উৎস।

    স্থানীয়রা জানান, ১৯৮০ সালের দিকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক নদী ও খালখনন কর্মসূচির সময় হেলিকপ্টারে করে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় এসেছিলেন। এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাথেরাজ নদীতে কোদাল হাতে খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। বেঁচে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগী হয়ে ওঠেন। খননের পর নদীর পানি দিয়ে তারা গোসল, কাপড় কাচাসহ বাড়ির দৈনন্দিন কাজ করতেন। কৃষকরা ফসল উৎপাদনে সেচ দিতেন। পাথেরাজ নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এটি বোদা উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবিকারও অংশ ছিল। কয়েক দশক আগেও বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে নদীতে বেশ পানিপ্রবাহ ছিল। নদীটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এলাকাবাসীর জীবনে।

    সেই নদীই আজ মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদী ভরাট ও পানিশূন্যতায় নদীটির এখন অস্তিত্বই সংকটাপন্ন। সময়ের ব্যবধানে মাটি ভরাট, পলি জমাসহ নানান কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে অধিকাংশ স্থানে হাঁটুপানিও নেই। কোথাও কোথাও শুকিয়ে গেছে সম্পূর্ণ। নদীর বুক চিরে জেগে উঠেছে বিশালাকার ধানক্ষেত। তবে নদীটি শুকিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এলাকার কৃষকরা। আগে নদীর পানি ব্যবহার করে শুষ্ক মৌসুমে সেচের মাধ্যমে উৎপাদন করা হতো নানান কৃষিপণ্য। নদীতে পানি প্রবাহ না থাকায় এখন গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে তাদের। ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। অন্যদিকে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র নষ্ট হওয়ায় বিলুপ্ত হয়েছে অনেক দেশীয় প্রজাতির মাছ।

    এলাকার প্রবীণ বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই নদীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি। সেই সময়ে নদী ও খাল পুনঃখননের বিশেষ কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেওয়া হলে এই নদীও নজরে আসে জিয়াউর রহমানের। এরই ধারাবাহিকতায় পাথেরাজ নদী সচল হয়ে উঠেছিল। তাই নদীটির পুনর্জাগরণকে শুধু পরিবেশগত কারণ নয়, ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেও দেখছেন স্থানীয়রা। নবনির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় আশায় বুক বেঁধেছেন এলাকার নবীন-প্রবীণরা। তাদের আশা, প্রতিমন্ত্রী আজাদের হাত ধরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাথেরাজ খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নিবেন, আবার পুনরুজ্জীবিত হবে স্মৃতিবিজড়িত পাথেরাজ নদী।

    বোদা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শাহাজান আলী বলেন, এটা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত একটা জায়গা। ১৯৮০ সালের দিকে তিনি এখানে খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার অভাবে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। যেখানে পানি থাকার কথা, মাছ থাকার কথা, সেখানে ধান আবাদ হচ্ছে। আমি মাননীয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদকে বিনীতভাবে অনুরোধ করব, আপনার মাধ্যমে পাথেরাজ খালটি পুনঃখনন করা হোক। আমরা যাতে প্রাণ খুলে বলতে পারি যে, এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন।

  • সারজিস আলম : জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি

    সারজিস আলম : জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি

    বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরে মেধাবৃত্তি বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিএনপি ভালো বার্তা দিচ্ছে না। জুলাই সনদ অনুযায়ী স্পিকার সরকারি দলের হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে বিএনপির কায়সার কামালকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়িয়েছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের রাষ্ট্রপতি। এর মাধ্যমে বিএনপি স্বৈরাচার সরকারের লেজ ধরে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আমাদের মর্মাহত করেছে।

    বর্তমান সরকারের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, জনগণ ও বিএনপি কর্মীরাও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-র পক্ষে রায় দিয়েছে যেন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার ও সংস্কার সম্পন্ন হয়। এসব উপেক্ষা করে জনগণের বিপক্ষে গিয়ে রাজনীতি করলে সংসদ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবে না।

    সারজিস আলম বলেন, আমরা প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতির অভিশংসন চেয়েছি। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার যত দ্রুত হবে, সরকারের জন্য ততই মঙ্গল।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে টার্গেটেড কিছু আসনে কারচুপি করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফলাফল প্রভাবিত করেছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা এ ধরনের কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং হতে দেব না। ১১ দলীয় জোট এবার যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

    এর আগে কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ, বাইসাইকেল ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন ও ছাত্রশিবির সভাপতি রাশেদ ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • গাছে ধাক্কা লেগে উল্টে গেলো যাত্রীবাহী বাস

    গাছে ধাক্কা লেগে উল্টে গেলো যাত্রীবাহী বাস

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী একটি বাস সড়কের পাশে আমগাছে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গেছে। এতে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়ণী ফুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নীলফামারীর ডোমার উপজেলা শহর থেকে দিনাজপুরগামী শাহী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি আমগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে দুই যাত্রী আহত হন। বাসটিতে ৩০-৩৫ যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

    দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলটি দূরবর্তী স্থানে। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ছুটে যাই। আমরা যাওয়ার আগেই যাত্রীরা নিজ উদ্যোগে সেখান থেকে চলে যান।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মালিক বলেন, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনাটি নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। যাত্রীদের মালামাল নিরাপদ রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।।

  • লে. কর্নেল আফজাল নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

    লে. কর্নেল আফজাল নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

    ডেস্ক নিউজ:

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (বরখাস্তকৃত) মো. আফজাল নাছেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন আসামির সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

    রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী। আদালতে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে রাখেন দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। সেখানে এই আসামি নাছের হসপিটালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকায় চিকিৎসা নিতে দেননি। এরকম অনেকভাবে এ আসামি ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ড দেওয়া হোক। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে রিমান্ডে নেয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।

    আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন বিকাল ৩ টা ২০ মিনিটে জুলাই আন্দোলনে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করেন। এসময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫শত থেকে ৭শত জন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা গ্রেপ্তার সন্ধিগ্ধ আসামি মো. আফজাল নাছেরের নিদের্শে নির্বিচারে এলোপাথারী গুলি চালায়। এর ফলে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে ভিকটিমের অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মৃত্যু বরণ করেন। ওই ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার মামলাটি দায়ের করেন।

    রিমান্ড আবেদনে আর হয়, সন্দিগ্ধ আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমান পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি আফজাল নাছেরকে নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।

    এর আগে সোমবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের ১২ নম্বর সড়কের ৮৬৪ নম্বর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

  • সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তার সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ে স্বাগত জানান।

    আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্যতা ও শিষ্টাচার দেখে উপস্থিত সবাই প্রশংসা করেন।

    বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা নামাজ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা। জানাজা শেষে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে এগোচ্ছিলেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন বিরোধীদলী নেতা। সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে ডা. শফিকুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, সাক্ষাৎটি ছিল সংক্ষিপ্ত। দুই নেতা প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেন। সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয় ত্যাগ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ে দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন।

  • গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির এক নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলছড়ি উপজেলার বালাশীঘাট এলাকার রসুলপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তি হলেন, মিলন মিয়া (৪৪)। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন সরকারের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা মিলন মিয়ার নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে চারটি রাম দা, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো জব্দ করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা, ভয়ভীতি ও নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যৌথ বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করছে।

    ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম জয় বলেছেন, আটক মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তার বিরুদ্ধে আমরা দলীয় সিদ্ধান্ত নেবো।

    ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, যৌথ অভিযানে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  রাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই দিন দুপুরে কমিটি গঠন করা হয়।

    প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বাড়ির একটি ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা ভিজিএফের ৭২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে উদ্ধার করা চাল স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের জিম্মায় রাখা হয়।

    ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেন, উদ্ধার হওয়া চালের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভেঙে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি, হেলে পড়েছে আরও কয়েকটি। এতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় বিদ্যালয়ে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  সন্ধ্যায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। অনেক বাড়ির টিনের চালা উড়ে গিয়ে দূরের আবাদি জমিতে পড়ে। ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে, কোথাও আবার হেলে পড়েছে। ফলে রোববার রাত থেকেই ওই এলাকার কয়েকশ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

    রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, রাতের ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় তিন থেকে চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবারের থাকার ঘর না থাকায় তারা অস্থায়ীভাবে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে তার ওয়ার্ডে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘর ভেঙে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে আছে।

    তিনি আরও জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের জন্য দুটি বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

    ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বুলু মিয়া বলেন, ঝড়ের সময় তার ওয়ার্ডের শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা স্কুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ইটের দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির চালা, কাঠ ও বাঁশ ছিটকে পড়ে আছে জমিতে।

    গোবিন্দগঞ্জ জোনের পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, ঝড়ে রাজাহার ইউনিয়ন এলাকায় আমাদের দুটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে এবং সাত থেকে আটটি খুঁটি হেলে পড়েছে। এতে গতকাল ঝড়ের সময় হতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    তিনি বলের, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইনের দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি আমরা।

    এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানাকে।

    গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা মোবাইল ফোনে বলেন, গতকাল রাতের ঝড়ে গোবিন্দগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউএনও। ক্ষতিগ্রস্ত ১৪২টি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৪. ২৬০ মেট্রিকটন চাল এবং ৪ লাখ ২৬ হাজার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে তাদেরকে কৃষিসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি উন্নত জাতের বিদেশি গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আগুনে গরুসহ গোয়ালঘরের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের পবনতাইড় গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবনতাইড় গ্রামের সিনতউল্লার ছেলে আসাদুল ইসলাম প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হঠাৎ তার গোয়ালঘর থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা চিৎকার শুরু করেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে আসাদুল ইসলাম দেখেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দুটি বিদেশি জাতের গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পাশাপাশি গোয়ালঘরে থাকা আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আসাদুল ইসলাম বলেন, এই গরু দুটিই ছিল আমার পরিবারের আয়ের প্রধান সম্বল। আগুনে সবকিছু হারিয়ে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি। প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল পাশা মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

    এ সময় কামাল পাশা মণ্ডল ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

    গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।

    পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে আজ ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

    এ ঘটনায় আজ রোববার হত্যার শিকার ববিতা বেগমের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন।

    পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

    ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এম কে