লেখক: Daily BD Times

  • ৪২২ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ঈদগাহ মসজিদ

    ৪২২ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ঈদগাহ মসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    উত্তরবঙ্গের ধর্মীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর মধ্যে ৪২২ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ঈদগাহ মসজিদ অন্যতম। স্থাপনাটি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকি গ্রামে অবস্থিত। ছোট আকৃতির এ মসজিদে এখনো নামাজ আদায় করা হয়। দেশি-বিদেশি মানুষ এখনো মসজিদটি দেখতে ছুটে আসেন।

    শালবন ঘেরা মনোরম পরিবেশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মসজিদের শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১০১০ বঙ্গাব্দ বা ১৬০৪ সালে নির্মিত হয় এটি। ১২ ফুট দৈর্ঘ ও প্রস্থের মসজিদের উচ্চতা মিনারসহ প্রায় ৩০ ফুট। একসময় নিয়মিত নামাজ আদায় করা হতো। বর্তমানে নিয়মিত না হলেও মাঝে মধ্যে দেখতে আসা পর্যটকেরা নামাজ আদায় করেন। এ ছাড়া দুই ঈদের নামাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।স্থানীয়রা জানান, মসজিদটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হলে শুধু ধর্মীয় উপাসনালয় নয় বরং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টিকে থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগই পারে এই শতাব্দী প্রাচীন স্থাপনাটিকে রক্ষা করতে। যদিও বা অপরিকল্পিত সংস্কারের কারণে মসজিদটি রক্ষা পেলেও অনেকটা নিদর্শন হারিয়ে ফেলেছে।

    মসজিদটি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ইউসুফ আলী জানান, তার পূর্বপুরুষরাই মসজিদটি নির্মাণ করেন। সে আমলে জনবসতি এবং জনসংখ্যা কম থাকায় ছোট পরিসরে নির্মিত হয় মসজিদটি। মাত্র ৮ থেকে ১০ জন মুসল্লি দুই কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। এখন চারপাশে গড়ে উঠেছে জনবসতি। সেই গভীর জঙ্গলের অস্তিত্ব নেই।

    তিনি জানান, মসজিদটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে এখনো টিকে আছে। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার ফলে এটি প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। ২০১১ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে সংস্কার করা হয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংস্কার করলে বাইরের নকশা এবং কারুকাজ ঠিক রাখা সম্ভব হতো। এতে মসজিদটি জৌলুস হারাতো না। পুরোনো নকশার আদলে নতুন করে ৪টি মিনার ও ১টি গম্বুজ নির্মাণ করলেও বর্তমানে ২টি মিনার ও ১টি গম্বুজ টিকে আছে।স্থানীয় শিক্ষাবিদ মাহাতাব উদ্দীন বলেন, ‘কালের বিবর্তনে মসজিদের ব্যবহারেও পরিবর্তন এসেছে। আমরা শুনেছি, অতীতে এখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হতো। এখন পর্যটকেরা এসে আত্মতৃপ্তির জন্য নামাজ আদায় করেন। তবে দুই ঈদের জামাতের জন্য ব্যবহৃত হয়। অতীতের সেই জঙ্গলঘেরা নির্জন পরিবেশ আর নেই। ঈদগাহ মসজিদটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে।’

    ২০১১ সালে সংস্কার কাজের মিস্ত্রি নুর আলম বলেন, ‘মসজিদটি ব্যবহারের উপযুক্ত ছিল না। মসজিদটির ওপরে বটগাছসহ জঙ্গলে ভরে গিয়েছিল। চুন, সুরকির পলেস্তারা খসে ইটগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। চেষ্টা করেছি পূর্বের নকশা অনুযায়ী সংস্কার করার। যদি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে সংস্কার করা যেত, তাহলে উন্নতমানের প্রযুক্তি ও মেডিসিন ব্যবহার করে আগের অবস্থায় আনা যেতো।’

    এম কে

  • পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    ডেক্স নিউজ :নেত্রকোনার পূর্বধলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগ রাত ১২টা ১ মিনিটে জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় পূর্বধলা উপজেলার তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা অমানুর রশিদ খান জুয়েল সমর্থিত আওয়ামী লীগ (একাংশ) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্বধলা জগত পানি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারকে বেছে নেয় এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে দলীয় ব্যানার নিয়ে আসতে দেখা না গেলেও, রাতের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারের বেদীতে দলটির নামে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে দেখা যায়। এটি নিয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    এ ঘটনার পর পূর্বধলা সদরের প্রধান সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।

    m

  • ভাবীকে হত্যা মামলায় দেবর আটক

    ভাবীকে হত্যা মামলায় দেবর আটক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাবিকে হত্যার সাড়ে তিন মাস পর অভিযুক্ত দেবর কমল চন্দ্র অধিকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে র‍্যাব-১৩ এর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের পশ্চিম দলিরাম শ্রী ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মনকষা গ্রামের বাসিন্দা রতনের সঙ্গে বিয়ে হয় কৃষ্ণা রানীর। বিয়ের পর থেকে তার স্বামী রতনের সঙ্গে দেবর কমলের দ্বন্দ্ব দেখা যায়। চলতি বছরের মার্চের দিকে এক সড়ক দুর্ঘটনায় কৃষ্ণার স্বামী রতন মারা যায়। এরপর তমার সঙ্গে দেবর কমলের প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

    স্বামীর মৃত্যুর পর তার অংশের ৪০ শতক জমি কৃষ্ণা রানীর নামে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্ত তার আগেরদিন গত জুলাই সন্ধ্যায় কৃষ্ণার শরীরে বিষ জাতীয় দ্রব্য স্যালাইন/ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করে হত্যা করে। পরেরদিন নিহত কৃষ্ণার বাবা দীজেন্দ্র চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে সাতজনকে আসামি করা হয়।

    র‍্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেপ্তার আসামি কমলকে গঙ্গাচড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ডেক্স নিউজ : নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করেছেন মীর মো. আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সাতপাই এলাকায়। ছেলে মীর মো. সাজেদুর রহমান ছোটন কৈশোর থেকে পারিবারিক নীতি বিচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সর্বশেষ তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    গত ৬ মার্চ নেত্রকোনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে ছোটনকে ত্যাজ্য করে আব্দুল মালেক একটি অ্যাফিডেভিট করেন; যার নাম্বার ৩১০।

    পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকাংশ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময়ে তার দাবি- দাওয়া আদায়ে অসদাচারণের কারণে তার সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান রয়েছে। এসব কারণে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন বলে অ্যাফিডেভিটে উল্লেখ করেছেন আব্দুল মালেক।

    নেত্রকোনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী মো. আজিজুল হকের মাধ্যমে এ অ্যাফিডেভিট করেন মীর মো. আব্দুল মালেক।

    অ্যাফিডেভিটে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ছেলে ছোটন তার নিষেধ উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন। এ ঘটনা জানার পর তিনি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ছেলে কোনো বেআইনি কাজে জড়িত থাকলে তার দায়-দায়িত্ব তিনি নেবেন না।

    m

  • গণভোট উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারের সঙ্গে থাকবে না : আখতার

    গণভোট উপেক্ষা করলে জনগণ সরকারের সঙ্গে থাকবে না : আখতার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে জনগণ কোনো সরকারের সঙ্গেই থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    তিনি বলেন, গণভোটকে যদি উপেক্ষা করা হয়, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপি সরকারের সঙ্গেও থাকবে না।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়ায় মোফাজ্জল হোসেন মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলের আয়োজনে গণসংবর্ধনা ও গণ-ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আখতার হোসেন বলেন, গণঅভ্যুত্থান, গণভোট এবং জুলাই আদেশের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। জুলাই সনদের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

    তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণহত্যা ও বিচার প্রসঙ্গে বিএনপি এখনো স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরতে পারেনি। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

    গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে পরিমাণ ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে, তার চেয়ে বেশি মানুষের সমর্থন গণভোটের পক্ষে ছিল। সেই রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলতে পারে না।

    তার ভাষ্য, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ ও সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। অন্যথায় জনগণ রাজপথে নামবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

    বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আগে পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণতন্ত্রের আন্দোলন করা হলেও পরবর্তী সময়ে তারা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাউনিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুস সালাম সরকার। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম, নায়েবে আমির শেখ নজরুল ইসলাম, এনসিপি, জেলা ও উপজেলা নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারা।

  • রাজারহাটে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    রাজারহাটে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে এনসিপি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় সাবেক ছাত্রদলের নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রাজারহাট বাজারের তিস্তা রোড রেলগেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এনসিপির জাতীয় যুবশক্তি রাজারহাট উপজেলা শাখার আহ্বায়ক চৌধুরী রিংকু র‍্যাবেনকে নিয়ে সাইলেন্ট আশরাফুল নামের ফেসবুকে পেজে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এ নিয়ে প্রথমে এনসিপি ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

    আহত ব্যক্তির নাম আশরাফুল ইসলাম। ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন এবং টহল জোরদার করেন।

    এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে সমাহিত করার দাবি

    বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে সমাহিত করার দাবি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস। এই দিনে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রতিবছর ডিসেম্বরের ৯ তারিখ থেকে তিনদিনব্যাপী বেগম রোকেয়া দিবস পালন করা হয় পায়রাবন্দে।

    ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম নারীদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতে যে নারী অবদান রেখেছেন, সেই নারীর জন্মভিটে এখনও অন্ধকারে নিমজ্জিত। এবার পায়রাবন্দবাসীর প্রধান দাবি—ভারতের কলকাতার সোদপুর থেকে বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে এনে সমাহিত করার। অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্মৃতিকেন্দ্র চালু, দখলদারদের হাত থেকে ৫১ একর জমি উদ্ধার।

    একসময় কঠোর পর্দা প্রথা, নানা কুসংস্কার এবং কূপমণ্ডূকতায় ভরা ছিল পায়রাবন্দ। মেয়েরা বন্দিজীবন কাটাতো। ধীরে ধীরে সেই অবস্থা কেটে যাচ্ছে। এখন মেয়েদের বন্দি জীবনযাপন করতে হয় না। এখানকার মেয়েরা দলবেঁধে স্কুল-কলেজে যাচ্ছে। বাল্যবিয়েও কমে গেছে। নারীরা কঠোর পরিশ্রম করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

    ক্ষণজন্মা নারী বেগম রোকেয়া ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার সোদপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ তার দেহাবশেষ সেখান থেকে ফিরিয়ে আনার দাবি করেছিলেন। কিন্তু উপেক্ষিতই থেকেছে সেই দাবি। তবে এবার এই দাবি জোরালো হয়েছে। পায়রাবন্দবাসী বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ পায়রাবন্দে এনে সমাহিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

  • রমেশ সেনের বাড়িতে জামায়াত নেতা দেলোয়ার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অঞ্জলি

    রমেশ সেনের বাড়িতে জামায়াত নেতা দেলোয়ার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অঞ্জলি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে। জ্যেষ্ঠ এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার রুহিয়ার গ্রামের বাড়িতে শেষবারের মতো দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলাওয়ার হোসেন।

    সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রমেশ চন্দ্র সেনের সহধর্মিণী অঞ্জলি রানী সেনকে সান্ত্বনা দিতে গেলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত অঞ্জলি রানী সেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তুমি এসেছ বাবা। আমার আর কেউ নাই। নির্বাচনটা পর্যন্ত (তিনি) থাকলেন না।

    এ সময় তিনি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার স্মৃতিচারণ করেন এবং দেলাওয়ার হোসেনকে নিজের সন্তানের মতো সম্বোধন করেন। জামায়াত প্রার্থীও পরম মমতায় তাকে পানি খাইয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেন।

    উপস্থিত সাংবাদিকদের দেলাওয়ার হোসেন বলেন, রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুতে ঠাকুরগাঁও একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন। আজ শোকাহত পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ানোকে আমি নৈতিক দায়িত্ব মনে করেছি। আমি তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।

    কারা সূত্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে দিনাজপুর জেলা কারাগারে অবস্থানকালে রমেশ চন্দ্র সেন অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকালের নাস্তা সেরে গোসলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তিনি হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান। কারা কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    রমেশ চন্দ্র সেন ১৯৪০ সালের ৩০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ের কশালগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচবারের নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৬ আগস্ট তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে হত্যাসহ একাধিক মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

  • ঘুষের চুক্তি ১৫ লাখ, কম টাকা আনায় যে কাণ্ড শিক্ষা কর্মকর্তার

    ঘুষের চুক্তি ১৫ লাখ, কম টাকা আনায় যে কাণ্ড শিক্ষা কর্মকর্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের রৌমারী কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীর এমপিওভুক্তির জন্য ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয় রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের সাথে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত টাকা নিয়ে না আসায় ক্ষুব্ধ হয়ে মাইদুলকে দুদক ও পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।

    সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে রংপুর নগরীর সুমি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন মাইদুল ইসলাম। এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি নগরীর কাচারিবাজার এলাকায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ঘুষের টাকাসহ পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ১৮ দিন কারাভোগ শেষে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

    সংবাদ সম্মেলনে মাইদুল ইসলাম বলেন, তার বাবা আব্দুর সবুর খানের দান করা এক একর জমিতে কাজাইকাটা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দৌড়ঝাঁপ করছিলেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের কথা হয়।

    মাইদুলের দাবি, গত ডিসেম্বর মাসে কার্যালয়ের সিঁড়িতে উপপরিচালক রোকসানা বেগমের সাথে তার কথা হয়। এসময় প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য ছয় লাখ এবং কর্মচারীদের জন্য তিন লাখ টাকা করে দাবি করেন তিনি। পরে একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর জন্য মোট ১৫ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।

    মাইদুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা জোগাড় করে ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি নির্দেশনা অনুযায়ী সাত লাখ টাকা একটি উপহারের প্যাকেটে করে নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে অবস্থান করেন। তার ব্যাংক হিসাবে ছিল আরও এক লাখ টাকা। পরে দুপুরের দিকে রোকসানা বেগম তাকে অফিসে ডেকে কত টাকা এনেছেন জানতে চাইলে তিনি আট লাখ টাকার কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর রোকসানা বেগম সঙ্গে সঙ্গে তার স্বামী জাহেদুল ইসলামকে ফোন করে জানান, তিনি আট লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন। স্বামীর সাথে কথা বলার পরক্ষনই উত্তেজিত হয়ে তিনি অফিসের গাড়িচালক শফিকুল ইসলাম ও কম্পিউটার অপারেটর আশরাফ আলীসহ কয়েকজন কর্মচারীকে ডেকে আনেন এবং তার ব্যাগ থেকে জোর করে টাকা বের করে নেন।

    মাইদুল ইসলামের অভিযোগ, এ সময় রোকসানা বেগম তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোমার স্কুল শেষ করে ফেলব।’ পরে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করার জন্য নানা ধরনের চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    ঘটনার দিন রোকসানা বেগম সাংবাদিকদের জানান, মাইদুল ইসলামকে তিনি চেনেন না, তবে এর আগে একদিন তার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন।

    তবে মাইদুল ইসলামের দাবি, এর আগে ৫-৬ বার তিনি ওই কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। এবং তার সাথে এ বিষয় নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তার অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ, উপ-পরিচালক রোকসানা বেগমের মোবাইল ফোন, অফিস কর্মচারী আশরাফ ও গাড়ি চালক শফিকুলের মোবাইল ফোন চেক করা হলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম কালবেলাকে বলেন, ‘উনি (মাইদুল) এখন নিজেকে বাঁচানোর জন্য নানা ধরনের অভিযোগ তুলছেন। এ ঘটনায় দুদক বাদী হয়ে মামলা করেছে। এখন মামলা তদন্তাধীন আছে, তদন্তে যা আসবে তাই। এখন আমি আর কী বক্তব্য দেব?’

  • শিরোনামহীন পোস্ট 580

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সৌদি আরবে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি যুবক মাহামুদুর হাসান নিংকনের (২৬) সন্ধান পাওয়া গেছে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে তার সন্ধান পাওয়া যায়। এর আগে শুক্রবার দুপুরে একটি অনলাইন পত্রিকায় ‘সৌদি আরবে নিখোঁজ বাংলাদেশি যুবক’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

    নিংকনের বাবা আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, শুক্রবার রাতে তার ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। বর্তমানে নিংকন সৌদি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ সময় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে কেন তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন তা জানা যায়নি।

    এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কাতিফ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন নিংকন। এ ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন গত বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন।