লেখক: Daily BD Times

  • সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে বিস্ফোরক জাতীয় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ১১৯৫/১-এস-এর নিকট থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ গজ ভেতরে মাইজহাটি নামক স্থানে পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত এসব ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করা সম্ভব, যা জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এসব বিস্ফোরক চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের ভয়াবহ পরিণতিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করায় আপন ভাতিজার হাতে গতকাল রাতে নির্মমভাবে খুন হন চাচি রুকশানা বেগম (৩৫)।

    রুকশানা বেগম দোহালিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফিরিজ আলীর স্ত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ওয়ারিছ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬) দীর্ঘদিন ধরেই চাচি রুকশানা বেগমের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার গ্রাম্য সালিশ হলেও জসিমের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে রুকশানা বেগম বারান্দায় বের হলে, জসিম উদ্দিন তার দেখে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে। চাচি এর প্রতিবাদ করলে, উত্তেজিত হয়ে জসিম ঘর থেকে বটি এনে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘাতক জসিম পালিয়ে যায়।

    এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় রুকশানাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পলাতক ঘাতক ভাতিজাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত টমটম গাড়ির স্ট্যান্ড ও ভাড়া নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার  দুপুরে দিকে উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনশ্রী ও বাউধরন গ্রামের লোকজনের মধ্যে খাড়ারপার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজার গাড়ি স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ রানীগঞ্জ থেকে বাউধরন রোডের টমটম ভাড়া ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। এতে বাউধরন ও স্বজনশ্রী গ্রামের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সদস্য বাউধরন গ্রামের সালেহ উদ্দিন আহমদ পুনরায় ভাড়া ৩০ টাকা নির্ধারণ করেন। এতে উভয় গ্রামের টমটম চালকদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

    এর জেরে শুক্রবার বিকেলে বাউধরন গ্রামের মুজিব মার্কেট এলাকার গাড়ি স্ট্যান্ড থেকে স্বজনশ্রী গ্রামের টমটমগুলো বের করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সংঘর্ষে আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক বদরুদ্দোজা জানান, আহত ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান (চলতি) নদীর পাড়ে পেয়ারপুল ডালা নামক বেড়িবাঁধ রক্ষায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা।

    সোমবার  দুপুরে ‘আমাদের নদী, আমাদের জীবন : সুস্থ ধারার সুরক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত নদীর পুনর্জাগরণ’ এই স্লোগানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি। আর এতে সহযোগিতায় করেছে এলআরডি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণেই ধোপাজান নদীর পাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ১৫টি গ্রামজুড়ে আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের, আর ধোপাজানের তীরে প্রতিনিয়ত শোনা যাচ্ছে হাহাকারের শব্দ।

    এসো কাজ করি সমিতির সভাপতি জাহানারা বেগমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রতারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুহসীন আহমদ ইয়াসিন, শিক্ষক হাবিবুর রহমান, আবদুল হালিম, আবুল মনসুর, বদরুল আলম, সোহাগ হোসেন, আব্দুল খালেক, কামাল উদ্দিন, রহমত আলী, সাজেদা বেগম, পারুল বেগম, এবং শিক্ষার্থী নাঈম ও আশরাফুল।

    এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি’র সভাপতি জাহানারা বেগম বলেন, পানির স্তর কম থাকলেও ভাঙন থামছে না। বর্ষায় পানি বাড়লে বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।

  • সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনা পরিবহনের একটি বাস ও পিকআপ ভ্যনের সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ঘোড়ারগাঁও এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশের একটি ছোট খালে পড়ে যায় এবং পিকআপটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে আসা এনা পরিবহনের একটি বাস সুনামগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপের চালক মারা যান।

    দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে সাত থেকে আটজন বিভিন্নভাবে আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এনা বাসের চালকও রয়েছেন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেয়।

    জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেছেন।

  • প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    ডেস্ক নিউজ:

    কর্মীদের বাধায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি সুনামগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমেদ খান। জামায়াতের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ৬ ঘণ্টা পর তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অবরুদ্ধ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খান।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায়  সুনামগঞ্জ শহরের হাছননগরে জামায়াতে ইসলামীর জেলা কার্যালয়ের ভেতরে সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানকে ভেতরে রেখে কার্যালয়ের প্রধান ফটক ও ভেতরে তালা দেন তার সর্মথক ও কর্মীরা। রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

    এ সময় জামায়াতের কর্মীরা জানান, এই আসনের জামায়েতের কর্মীরা কেবল নয়, সাধারণ ভোটারও তোফায়েল খানকেই প্রার্থী চায়। জোটের পক্ষ থেকে যাকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, তাকে চেনেন না কেউ।

    জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহ্ বললেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদকে নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য রওয়ানা দেওয়ার সময় সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা ঘিরে রাখে, তারা দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে রাখে তোফায়েল আহমদসহ নেতৃবৃন্দকে। এ কারণে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়নি।

    ১০ দলীয় জোট এই আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদারকে (বই প্রতীক) প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের স্বরস্বতীপুর গ্রামে।

    সুনামগঞ্জ-১ আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা প্রার্থী মুজাম্মিল হক তালুকদার  জানান, তিনি নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগরের আমির, সুনামগঞ্জেরও আহ্বায়ক। তাকে এই আসনে ১০ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে। জামায়েতের জেলা আমির মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন না কেন- এটা তার সিদ্ধান্ত।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যেহেতু জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটে আছি তাই এই বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ খান ও তার কেন্দ্রীয় নেতারা বুঝবেন। আমার এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই।

     

  • বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    বরগুনার দুটি আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন তারা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিব্বুল্যাহ এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিব্বুল্যাহ বলেন, ‘১০ দলীয় জোট হওয়ায় এ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন নির্বাচনে অংশ নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ কারণে দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফ পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’
    বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেয়া হয়েছে। এবং বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, ‘বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আস থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
  • ৫ ব্যবসায়ীর ভাগ্য আগুনে পুড়ে ছাই

    ৫ ব্যবসায়ীর ভাগ্য আগুনে পুড়ে ছাই

    ডেস্ক নিউজ:

    রগুনার আমতলীতে আগুনে পুড়ে গেছে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

    বুধবার  দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী বাঁধঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো- মোশারফ হোসেনের ছাত্র বন্ধু লাইব্রেরি, খোকন হাওলাদারও ইদ্রিস মোল্লার মোদিম নোহারি দোকান, আবু তাহেরের ওষুধের দোকান ও যুগল বাবুর দোকান।

    ব্যবসায়ী আবু তাহের বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। রাতে খবর পায় দোকানে আগুন লেগেছে। এক টাকার মালামালও বের করতে পারিনি। সব পুড়ে শেষ। আমি এখন নিঃস্ব।

    গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ৪টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং একটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের ওয়ার হাউসম্যান মো. হানিফ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, গভীর রাতে আগুন লাগার বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

  • এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    ডেস্ক নিউজ:

    বরগুনার পাথরঘাটায় জেলের বরশিতে ধরা পড়েছে সাড়ে ২৩ কেজি ওজনের একটি পাঙাস মাছ। শুক্রবার  বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কালমেঘা বাজারের স্লুইসগেট এলাকায় রিয়াজ হোসেন নামের এক জেলের বরশিতে এ মাছটি ধরা পড়ে।

    জেলে রিয়াজ হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেই স্লুইসগেটে বরশি পেতে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর হঠাৎ বরশিতে শক্ত টান অনুভব করলে বড় কোনো মাছ আটকে পড়েছে বুঝতে পারেন। বরশি টেনে তুলতেই দেখা যায় বিশালাকৃতির এ পাঙাস মাছটি।

    পরে দুপুর ১২টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য স্থানীয় কালমেঘা বাজারে নিয়ে গেলে মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাজু মিয়া কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকা দরে মোট ২৩ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।

    ব্যবসায়ী রাজু মিয়া বলেন, পাঙাসটির গুণগত মান ভালো হওয়ায় ঢাকায় দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি সম্ভব বলে আশা করছি। দুপুরেই মাছটি পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

  • বনের গাছ বিক্রির অভিযোগ

    বনের গাছ বিক্রির অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজ:

    বরগুনার তালতলীতে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এক বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে গাছ কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তার নাম হায়দার আলী। তিনি উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া বিটের দায়িত্বে রয়েছেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর যোগসাজশে প্রায়ই গাছ কাটা হয়। তিনি যোগদানের পর থেকেই বনাঞ্চলে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। গাছচোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে। সম্প্রতি নিশানবাড়িয়া বিটের বনাঞ্চল থেকে বড় আকারের পাঁচটি কেওড়াগাছ কাটা হয়েছে।

    কাটা গাছের শিকড় ও পাশের গাছ দেখে ধারণা করা হচ্ছে প্রতিটির দাম ২০ হাজার টাকা করে হবে। সে হিসাবে এক লাখ টাকার গাছ কাটা হয়েছে। বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই সুযোগবুঝে গাছগুলো কাটা হয়েছে। এভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে বনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই গাছ কাটা হয়। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

    স্থানীয়রা জানায়, হায়দার আলীর বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রতি বছর বনের চরের জমি স্থানীয় জেলেদের কাছে ইজারা দিয়ে হাজার হাজার টাকা লুফে নেন। এমনকি আটক করা জেলের ট্রলার বিক্রি করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে কার্যালয়ে কথোপকথনের এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ করেন। তিনি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যানেজ করারও চেষ্টা করেন।

    উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান  বলেন, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তালতলীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সেবক মণ্ডল  বলেন, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। রেঞ্জ কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।