লেখক: Daily BD Times

  • বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    বরের জুতা লুকানো নিয়ে সংঘর্ষ, ভেঙে গেলো বিয়ে

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিয়েবাড়িতে বরের জুতা লুকিয়ে রাখা নিয়ে সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বরপক্ষ বউ না নিয়েই ফেরত চলে গেছে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের গুলিয়াখালীর চর গ্রামের কনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি সমঝোতা না হওয়ায় একদিন পর জানাজানি হয়।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার ওই ইউনিয়নের গুলিয়াখালী গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ৬০-৭০ জন বরযাত্রী নিয়ে গুলিয়াখালীর চরে কনের বাড়িতে আসে। বিয়ে উপলক্ষে ওই বাড়িতে সেদিন প্রায় ২০০ লোকের আয়োজন ছিল। কিন্তু জুতা লুকানোকে কেন্দ্র করে বর পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বিয়ে সম্পন্ন না করে কনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে চলে যায়।

    কনের মা খাদিজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বরকে স্মার্টফোন ও ১০ আনা সোনার চেইন দিয়ে আমরা বরণ করেছিলাম। শুধু তাই নয় বাড়িতে ২০০ লোকের আয়োজন করতে এক লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু ও পাঁচ মণ দই কেনা হয়েছিল। সবাই খাবার খাওয়া শেষ করেছে। কিন্তু তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট হওয়ায় বিয়ে ভেঙে গেছে।শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • দেশি মাছের সংকটে শুঁটকি উৎপাদন কমেছে

    দেশি মাছের সংকটে শুঁটকি উৎপাদন কমেছে

    ডেস্ক নিউজ

    শুঁটকির গ্রাম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভর তেঁতুলিয়া গ্রাম। এখানকার উৎপাদিত দেশীয় ছোট মাছের শুঁটকি প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হওয়ায় কদর রয়েছে দেশজুড়ে। শুধু দেশেই নয়, ভারতে রয়েছে এখানকার শুঁটকির কদর। তবে এখন ভরা মৌসুম হলেও মাছের অভাবে ভাটা পড়েছে শুঁটকি উৎপাদনে। অল্পস্বল্প যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।

    আত্রাই উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ টন শুঁটকি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এখানকার উৎপাদিত শুঁটকির বাজার মূলত দেশের রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও ঢাকা। রপ্তানি হয় ভারতেও। এ উপজেলায় একসময় ৪০ জন ব্যবসায়ী শুঁটকি উৎপাদনে জড়িত থাকলেও বর্তমানে আছেন ১৫-১৮ জন।

    সম্প্রতি দেখা গেছে, আত্রাই রেলস্টেশনের দুই পাশে রয়েছে শুঁটকি মাছ শুকানোর চাতাল। নারী-পুরুষেরা মাছ কাটা, ধোয়া, লবণ লাগিয়ে চাতালে শুকাতে দিচ্ছেন। সকালে রোদে দেওয়া ভেজা মাছগুলোও কেউ কেউ এপিঠ-ওপিঠ উল্টে রাখছেন। মাছের অভাবে অনেক চাতাল ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    স্থানীয় শুঁটকি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আত্রাই উপজেলা একটি বিল অধ্যুষিত এলাকা। উপজেলার মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই নদী। পাশাপাশি ছোট যমুনা নদী ও আরও রয়েছে শতাধিক খাল-বিল। এসব নদী ও খাল-বিলের পানি কমতে শুরু করলে বাজারে উঠতে শুরু করে দেশীয় প্রজাতির ট্যাংরা, পুঁটি, খলসে, টাকি, শোল, চাঁদাসহ নানা জাতের মাছ। কিন্তু চায়না দুয়ারি, সুতি, কারেন্ট ও ভাদাই জালের অবাধ ব্যবহারে পানি কমলেও এ বছর দেখা নেই মাছের। মাছের অভাবে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বন্ধ ছিল অধিকাংশ চাতাল। এতে চাহিদা অনুযায়ী শুঁটকি উৎপাদন করতে পারছেন না। এ ছাড়া শুঁটকি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকেরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন।

    শুঁটকি ব্যবসায়ী ভর তেঁতুলিয়া গ্রামের রামপদ শীল বলেন, ‘এ বছর মাছের খুব অভাব। বাজারে যেটুকু মাছ পাওয়া যাচ্ছে তাও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। মানভেদে প্রতি কেজি ১০০-২২০ টাকা কেজিতে মাছ কিনতে হচ্ছে। প্রতিদিন ২০-২৫ মণ মাছের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাজার ও মৎস্য আড়ত ঘুরে ৭-১০ মণের বেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী শুঁটকি উৎপাদন করতে পারছি না।’

    ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কয়েক বছর আগেও এই সময় শুঁটকিপল্লি মুখর থাকত। কিন্তু এখন বর্ষার শুরুতেই সুতি, দুয়ারি ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরায় বাজারে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। মাছ পাওয়া গেলে এত দিন দুই-আড়াই মাস ব্যবসা করা যেত। মাছের অভাবে অনেক চাতাল বন্ধ আছে। এ অবস্থায় চাতালের কাজে জড়িত নারী-পুরুষ শ্রমিকও বেকার হয়ে পড়ছেন।’ নারী শ্রমিক আনজুমান বেগম বলেন, ‘মাছের অভাবে কাজ কমে গেছে। এই শুঁটকি মাছের চাতালে কাজ করে যে টাকা পাই, তা দিয়েই সংসার চলে। কাজ না পেয়ে অনেকে বসে থাকে।’

    এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘শুঁটকির সঙ্গে জড়িতদের নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে শুঁটকি তৈরিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অসাধু উপায়ে মাছ শিকার বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

  • নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    নওগাঁয় মাদকের বিরুদ্ধে চলছে সাঁড়াশি অভিযান, আটক

    ডেস্ক নিউজ

    নওগাঁ, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বাসস):জেলা জুড়ে চলছে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান।চারজনকে আটক করা হয়েছে।

    জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর থেকে জেলা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে একের পর এক বড় বড় অভিযান পরিচালনা করে আসছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। শুধু মাদকের বিরুদ্ধেই নয় অভিযান অব্যাহত রেখেছেন ডেভিলদের বিরুদ্ধেও। প্রতিদিন জেলার কোন না কোন উপজেলাতে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রাখা হয়েছে।

    মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ধারাবাহিকতায় আজ রোববার সকালে শহরের মাদকের আখড়া নামে পরিচিত সুইপার কলোনি এলাকায় সদর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ৪৫কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে গাঁজা ছাড়াও বাংলা মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদক বিক্রির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    এ সময় যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কদমতলা বারোপুতা গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২৪) কে আটক করা হয়। তাকে সহায়তা করার অপরাধে জেলার বদলগাছী উপজেলার লক্ষিকুল গ্রামের মৃত আব্বাস মন্ডলের ছেলে জলিল মন্ডল (৫০) কে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার জানান, নওগাঁ জেলা ভারতীয় সীমান্তঘেষা হওয়ার কারণে মাদককারবারীরা নওগাঁকে মাদক চালানের জন্য উত্তম পথ হিসেবে ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে এই অঞ্চলে মাদকের কারবার কিছুটা বেশি হয়েছে। আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সজাগ রয়েছে।

    জেলা জুড়ে এই ধরনের অভিযান আগামীতে আরো বেশি  পরিচালনা করার কথা জানান তিনি।

    বি/এ

  • ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ভ্রমণপিপাসুদের চাহিদা মেটায় ছোট সোনামসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ ঐতিহ্য, ইতিহাস আর স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনামসজিদ। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিন দিন বাড়ছে এর কদর। শুধু ইতিহাসপ্রেমী নয়, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও এটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় গন্তব্য। তাই শুধু সারাদেশের মানুষ নয়, বিদেশ থেকেও আসছেন একনজর দেখতে।

    শত শত বছরের পুরোনো স্থাপনাটি যেমন নিখুঁত কারুকাজে পরিপূর্ণ; তেমনই এটি দাঁড়িয়ে আছে গৌরবময় অতীতের সাক্ষী হয়ে। সুলতানি আমলে নির্মিত মসজিদটি ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটন সম্ভাবনার বিশাল ক্ষেত্র। ইতিহাসের পাতায় যার নাম ‘সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর রত্ন’। যা চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতির সম্ভাবনাময় স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। ছোট সোনামসজিদকে কেন্দ্র করে পূর্ণাঙ্গ ‘ঐতিহাসিক পর্যটন করিডোর’ গড়ে তোলার দাবি স্থানীয়দের। আশপাশেই আছে দারসবাড়ি মসজিদ, খনিয়া দিঘি মসজিদ, তোহাখানা প্রাসাদসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা।

    নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলা থেকে ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন আয়েশা বেগম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ছোট সোনামসজিদ নিজ চোখে দেখবো। কিন্তু কোনো দিন হয়ে ওঠেনি। আজকে এসে দেখলাম। খুবই ভালো লাগলো।’পাকিস্তানের করাচি থেকে এসেছেন তারেক জামিল খান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত ১০ দিন আগে বাংলাদেশে এসেছি। চারদিন ধরে রাজশাহীতে অবস্থান করছি। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল সোনামসজিদ দেখবো। বড় সোনামসজিদ ভারতে হওয়ায় দেখার সুযোগ হয়নি। তাই ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছি। এখানে নামাজ আদায় করলাম।’তিনি বলেন, ‘পাথরের তৈরি মসজিদটি আয়তনে খুব বড় না হলেও শিল্পসৌন্দর্য নজর কেড়েছে। জানতে পারলাম, উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে নির্মিত মসজিদটির ছাদে আছে ১৫টি গম্বুজ—যার মাঝে তিনটি ‘চৌচালা’ ধাঁচের এবং বাকি ১২টি অর্ধগোলাকৃতির। চার কোণে আছে চারটি অষ্টকোণীয় মিনার। যা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। নামাজ আদায় করে শান্তি পেলাম। কারণ দেওয়ালগুলো খুবই মোটা, ভেতরটা শীতল হয়ে আছে।’ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন মাহবুব হক। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যায় এসে দেখলাম ছোট সোনামসজিদে দুই শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করছেন। দেখে খুবই ভালো লাগলো। মসজিদের দেওয়ালে, দরজায়, জানালায় খচিত খোদাই ও নকশা আজও নজর কাড়ছে। দেখে মনে হচ্ছে, খুব যত্ন করে বানানো হয়েছে মসজিদটি।

    মসজিদটির অভ্যন্তরভাগে আছে তিনটি মেহরাব। যার মাঝখানেরটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং পাথরের নিখুঁত কারুকার্যে অলংকৃত। মসজিদের ভেতরের দেওয়ালজুড়ে যে নিপুণ নির্মাণশৈলী দেখা যায়, তা বাংলার মধ্যযুগীয় শিল্পকলার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিন শতাধিক দর্শনার্থী এখানে আসেন। কেউ আসেন ইতিহাস জানতে, কেউবা ফটোগ্রাফি করতে, কেউ আসেন পাথরের ছোঁয়া আর প্রকৃতির নীরবতায় সময় কাটাতে।

    ঢাকার নতুন বাজার এলাকা থেকে চাঁপাইনবাগঞ্জে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন স্বজল আহমেদ। তিনি বিকেলবেলায় ছোট সোনামসজিদ দেখতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তো ইতিহাস বইয়ে পড়ে এসেছি ছোট সোনামসজিদ সম্পর্কে। আজ বাস্তবে এসে যেন ইতিহাসকে ছুঁয়ে দেখলাম। খুবই ভালো লাগছে।’

  • দেশজুড়ে   সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    দেশজুড়ে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

    ডেস্ক নিউজঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ৯০০ মেক্টিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।

    সোমবার  সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, ৩০টি অনুমোদনপত্রের বিপরীতে সোনামসজিদ বন্দরে দিয়ে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে আমদানি শুরু হয়েছে।  এর আগে রোববার সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর গিয়ে ভারতের মোহদীপুর থেকে দুটি ট্রাকে ৬০ টন পেঁয়াজ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    সবশেষ ৯ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এসেছিল বলে জানান সমীর চন্দ্র ঘোষ।

  • বিএনপি প্রার্থী   সরকার গঠন করলে আমি যা বলবো তাই আইন, তাই আল্লাহর হুকুম

    বিএনপি প্রার্থী সরকার গঠন করলে আমি যা বলবো তাই আইন, তাই আল্লাহর হুকুম

    ডেস্ক নিউজঃ ‘দুইদিন পরেতো ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করবে। তখন কথা বলার মানুষই থাকবে না। আমি যা বলবো তাই আইন, আল্লাহর হুকুম’ বলে মন্তব্য করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম।

    মঙ্গলবার বিকেল থেকে তার এই বক্তব্যের ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

    ভাইরাল ওই ৪২ সেকেন্ডের ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা গেছে, ‘এটাকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে, মন মানসিকতা দিয়ে। সবখানে হাজি (আমিনুল ইসলাম) করে দিবে তা না। আপনাদেরও দায়িত্ব আছে। বিল আছে, বিল তো কেউ উঠিয়ে নিয়ে বাইরে চলে যাবে, কারোও ক্ষমতা আছে। ফের আগের নিয়মে চলবে। যা ভাগ করে দিয়েছি তার বাইরে একটা সুচ লড়বে না। ভোটের আগে এগ্লা (এগুলো) লিয়ে (নিয়ে) আর বসবো না। এক দুই মাসের জন্য সমস্যা হবে না। আল্লাহর ওপর ভরসা করেন আগামী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠন করবে। তখন কথা বলার মানুষই থাকবে না। আমি যা বলবো তাই আইন, আল্লাহর হুকুম। তাই এখন ভয় করতে হবে না।’

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নে কয়েকটি মৌজা নিয়ে ছোট বিল্লা-বড় বিল্লা নামে একটি বিল আছে। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিরাজমান এবং বিলটির উপর হাইকোর্টে মামলা চলমান আছে। এছাড়া বিলটি থেকে সরকার প্রতি বছর রাজস্বও হারাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলামের বাড়িতে রাধারনগর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উঠান বৈঠকে বিএনপির নেতা কর্মীদের মাঝে বিলটি নিয়েই বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বক্তব্যের এক পর্যায়ে এমন বিতর্কিত বক্তব্য
    নাচোল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন বলেন, আমিনুল হাজির এমন বক্তব্যে আমরা চরমভাবে বিব্রত। তিনি দলীয় আদর্শ থেকে এমন বক্তব্য দিতে পারে না। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রে জানাবো।

    তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে একাধিকবার আমিনুল ইসলামকে কল করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

  • মহাসড়কে জব্দের পর ১৪ হাজার লিটার তেল আত্মসাতের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    মহাসড়কে জব্দের পর ১৪ হাজার লিটার তেল আত্মসাতের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    ডেস্ক নিউজঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের খাদ্যপণ্য প্রস্তুত ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান আদর্শ গ্রুপের ১৩ হাজার ৯৫০ লিটার পাম তেল জব্দের পর তা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। জব্দ করা তেলের দাম ২৩ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টাকা।

    গতকাল শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান আদর্শ গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাদিকুল ইসলাম।

    অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই তেল অন্য একটি মামলার চোরাই পণ্য হিসেবে জব্দ করে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা আদালতই যাচাই করবে।

    সাদিকুল ইসলামের অভিযোগ,  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে তাঁদের নিজস্ব ট্রাকে ১৩ হাজার ৯৫০ লিটার (৭৫ ড্রাম) পাম তেল চাঁপাইনবাবগঞ্জে আনা হচ্ছিল। পথে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকায় রায়গঞ্জ থানা-পুলিশ ট্রাকসহ তেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় ওসি মাসুদ রানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মালামালের প্রমাণপত্র দিতে বলেন। পরে ক্রয়কৃত মালামালের মেমোর ফটোকপি থানায় জমা দেওয়া হয়, তবে ওসি তা বিবেচনায় নেননি। পরে তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে ট্রাক ও তেল ফেরত নিতে হবে।

    সাদিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘২৫ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের আদালতে গিয়ে জানতে পারি ট্রাকটি অন্য একটি মামলায় জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকে থাকা পাম তেল কোথাও জব্দ তালিকায় নেই।’ তিনি বলেন, ২৬ নভেম্বর রায়গঞ্জ থানার ওসি মাসুদ রানা ও এসআই ফিরোজসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তেল ও ট্রাক আত্মসাতের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের আমলি আদালতে মামলা করা হয়েছে। ট্রাকটি যমুনা সেতুর টোল প্লাজা পার হওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ তাঁর কাছে আছে।

    অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রায়গঞ্জ থানার ওসি (সদ্য বদলি) কে এম মাসুদ রানা  বলেন, ওই ট্রাকে যে তেল পাওয়া গেছে, তা একটি চোরাই গোডাউন থেকে লোড করা হয়েছে। পুলিশ তেলসহ ট্রাকটি জব্দ করে আদালতে জমা দিয়েছে। এখন আদালতই সত্য-মিথ্যা যাচাই করবে।

    একই দাবি করেছেন রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান। তিনি  বলেন, পাম তেল আত্মসাতের অভিযোগ অবান্তর। তেল আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। অন্য একটি ডাকাতি মামলার তেল একটি চোরাই গুদাম থেকে লোড করা হয়েছিল। তা জব্দ দেখিয়ে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

  • চাল বিক্রেতা থেকে বড় উদ্যোক্তা প্রতিবন্ধী তরিকুল

    চাল বিক্রেতা থেকে বড় উদ্যোক্তা প্রতিবন্ধী তরিকুল

    স্কুলে ভর্তি হয়েও দ্বিতীয় শ্রেণির গণ্ডি পেরোতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মোকরামপুরের আলীনগর গ্রামের তরিকুল ইসলাম। তারপর শৈশবেই পোলিও রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের একটি অংশের কার্যক্ষমতা হারান। সেই থেকে চলতে–ফিরতে ক্রাচ তাঁর নিত্যসঙ্গী।

    শরীরের একাংশের কার্যক্ষমতা হারিয়েও দমে যাননি তরিকুল। কঠোর চেষ্টা ও উদ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা। স্থানীয়ভাবে অনেকের জন্য অনুকরণীয়। তরিকুল এখন ফিন্টু সুপার অটো রাইস মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। তাঁর অধীন কাজ করেন ছয়জন মহাব্যবস্থাপক আর ২০০ কর্মচারী। বর্তমানে দুটি অটো রাইস মিলের মালিক তিনি।

    সমাজের চোখে প্রতিবন্ধী এই ব্যবসায়ীর ডাকনাম ফিন্টু। এই নামেই নামকরণ করেন নিজের প্রতিষ্ঠানের। তাঁর চালকল কারখানা অবস্থিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের এনায়েতপুর গ্রামে। এই চালকলের প্রতিদিনের উৎপাদনক্ষমতা তিন হাজার মণ। তাঁর চালকলে উৎপাদিত চাল দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অত্যন্ত সুপরিচিত। ‘ফিন্টু রাইস’ ব্র্যান্ড হিসেবে একনামে বিক্রি হয়। এই চালের চাহিদা এতটাই বেশি যে স্থানীয় চালের চেয়ে প্রতিবস্তা ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়। বিশেষ করে কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও কানাইপুর; মাদারীপুরের টেকেরহাট, বরিশাল, ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা এসব এলাকায় এই চাল বেশি বিক্রি হয়। কুষ্টিয়া ও কিশোরগঞ্জে প্রতিদিন দুই ট্রাক করে চাল যায়। নারায়ণগঞ্জে যায় প্রতিদিন এক থেকে তিন ট্রাক, ঝিনাইদহে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ ট্রাক। কালীগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গায়ও যায় এই চাল।

    সম্প্রতি কথা হয় ৬০ বছর বয়সী তরিকুল ইসলামের সঙ্গে। শৈশবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে কীভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন, সেই গল্প তিনি শোনান আলাপকালে। গল্পে গল্পে জানা যায়, শৈশবে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন প্রথম শ্রেণিতে; কিন্তু প্রথম শ্রেণির পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তরিকুল বলেন, যখন পরীক্ষায় পাস করতে পারলাম না, তখন বাবা বললেন, তোকে দিয়ে লেখাপড়া হবে না। বাবার এই কথার পর লেখাপড়া আর বেশিদূর এগোয়নি। শুরু হলো জীবনযুদ্ধ। শৈশবেই যুক্ত হয়ে যান ব্যবসার সঙ্গে, তা–ও কিছু না জেনে, না বুঝে।

    তরিকুল জানান, সেই ছোটবেলাতেই প্রতিদিন ১০ কেজি চাল নিয়ে ট্রেনে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে যেতেন তিনি। সেই চাল বিক্রি করে আবার ফিরে আসতেন। প্রতিদিন চাল বিক্রি করে পাঁচ থেকে আট টাকা লাভ হতো। তখন ঈশ্বরদীতে ফুটপাতের দোকানে প্রতি প্লেট ভাত বিক্রি হতো আট আনায়। এভাবে একটু একটু করে বিক্রি বাড়তে থাকে। ঈশ্বরদীর পরে কুষ্টিয়ায় গিয়ে চাল বিক্রি শুরু করেন তিনি। হঠাৎ একদিন যাত্রীবাহী ট্রেনে অবৈধভাবে চাল পরিবহনের অভিযো

    বিয়ের কথা বলতে গিয়ে কিছুটা বিষণ্ন হয়ে পড়েন তরিকুল। কিছুক্ষণের মধ্যে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, বিয়ের পরপরই বাবা দুই মণ ধান ও পাঁচটি ঢেউটিন দিয়ে আলাদা করে দিলেন। এরপর শুরু হলো জীবনের প্রকৃত লড়াই। তরিকুলের মনের মধ্যে শুধু ব্যবসার চিন্তা। সেই চিন্তা থেকে বাবার দেওয়া দুই মণ ধান বিক্রি করে কিনলেন আম; কিন্তু সেই আম বিক্রি করে ২০ টাকা লোকসান গুনতে হলো। লোকসানের পর ভাবলেন, বাড়িতে নতুন বউ, লোকসানের কথা বললে মন খারাপ করতে পারে। তাই লোকসানের কথা ভুলে মাছ কিনে বাড়ি ফিরলেন হাসতে হাসতে। আমের ব্যবসার এক লোকসানেই আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি। এ অবস্থা দেখে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আতাউর রহমান দুই হাজার টাকা ধার দিলেন কিছু একটা করতে। সেই টাকা দিয়ে প্রথম মুদিদোকান খোলেন তরিকুল। কারণ, আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যেভাবেই হোক ব্যবসায় করবেন তিনি। এভাবেই চলল কয়েক বছর। ১৯৯১ সালে আবার পুঁজিসংকটে। বাড়িঘরও নেই। এ সময় গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২ হাজার টাকা ঋণ পেলেন। নগদ হাতে পেলেন ১ হাজার ৮৫০ টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে একটি গরু কিনলেন। সাত-আট মাস পর গরুটা ৩ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করলেন। গরু বিক্রির ৩ হাজার ৬০০ টাকার সঙ্গে দোকানের জমানো ৪০০ টাকা যোগ করে মোট ৪ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করলেন আতপ চালের ব্যবসা।

    তরিকুল জানান, ব্যবসায়ীরা চাল নিয়ে কোথায় বিক্রি করেন, কেউ কাউকে বলেন না। একদিন এক ব্যবসায়ী ঠিকানা দিলেন কুষ্টিয়ার বড়বাজারের ব্যবসায়ী প্রবীর বাবুর। চাল নিয়ে তাঁর কাছে গেলেন। তখন বিকেল হয়ে গেছে। প্রবীর বাবু চাল না কিনে ফিরিয়ে দিলেন তাকে। তিনি ঘুরতে থাকলেন কুষ্টিয়ার বড়বাজারে এ–দোকান, ও–দোকান। একপর্যায়ে এক ব্যবসায়ী তাঁর চাল কিনতে রাজি হলেন। সেই থেকে কুষ্টিয়ায় তাঁর চালের ব্যবসা শুরু। তরিকুলের মতে, এখন কুষ্টিয়ার চালের বাজারে যদি ১০০ বস্তা চাল বিক্রি হয়, তার মধ্যে ৯০ বস্তাই ‘ফিন্টু রাইস’, অর্থাৎ তরিকুলে চালকলের চাল। তরিকুল বলেন, ‘কোনো ভেজাল চাল বিক্রি করি না। তাই আমার চালের চাহিদা বেশি।’

  • লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২  আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভুঁইয়ার পক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এতে দিনব্যাপী ৫ শতাধিক মেডিসিন, শিশু, চর্ম ও যৌন, চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

    শনিবার  সকালে সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়েছে।

    চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিন ভুঁইয়া।

    রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, জামায়াত ইসলাম মানবিক সেবায় নিয়োজিত একটি আদর্শ ইসলামী সংগঠন। আমাদের ভিশনের শুরুর লাইনটি হলো মানবতার সেবা। মানবতার সেবা, দেশ পরিচালনায় যোগ্যতা অর্জন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এই তিনটি কথা নিয়েই জামায়াত ইসলামীর ভিশন। এরমধ্যে শুরুটাই হলো মানবতার সেবা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল রাসেল, আলিফ মীম হাসপাতালের চেয়ারম্যান আমির হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জেলা কমিটির সহ সেক্রেটারি আবুল বাশার, চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলী আহমেদ, রসুলগঞ্জ বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামছুল আলম রিটু প্রমুখ।

  • কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    কবরস্থানে মিললো নতুন ৬ আগ্নেয়াস্ত্র

    ডেস্ক নিউজঃ

    নোয়াখালীর একটি কবরস্থান থেকে নতুন ৫টি রাইফেল ও একটি এলজি উদ্ধার করেছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারে এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল অভিযান চালায় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় একটি কবরস্থান থেকে কাগজে মোড়ানো ৬টি প্যাকেটে উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটে ৫টি রাইফেল ও ১টি এলজি ছিল।
    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। অস্ত্রগুলো জব্দ দেখানো হয়েছে। এই অস্ত্র কার তা জানা যায়নি। জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।গত ১ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরের পশ্চিম চন্দ্রগঞ্জ বাজারে একটি ওয়ার্কসপে অস্ত্র তৈরির সন্ধান মিলে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি পিস্তল ও অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করে।