লেখক: Daily BD Times

  • ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ওয়ার্কশপের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি, যুবক গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে ওয়ার্কশপ ব্যবসার আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করার ঘটনায় নুর উদ্দিন জিকু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন গহীন অঞ্চল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করে।

    জানা গেছে, গ্রেফতার জিকু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নে জগদীশপুর গ্রামের আব্দুল গোফরানের ছেলে ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের নোহা অটো ট্রেডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক।

    জেলা পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটোর নেতৃত্বে রাঙ্গমাটির চন্দ্রঘোনা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরিকারক নুরউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামি ছিল। ১ ডিসেম্বর দুপুরে তার ওয়ার্কশপ থেকে ১টি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ওয়ার্কশপের আড়ালে তিনি সেখানে অস্ত্র তৈরি করতো। ওইদিন তার বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তিনি পালিয়ে থাকায় তখন তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ৬ দিন পর ৭ ডিসেম্বর সকালে গোয়েন্দা তথ্যেরভিত্তিতে নোয়াখালীর জগদীশপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের বাড়ির কবরস্থান থেকে ৫টি দেশীয় ১ নলা বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রগুলো তার ওয়ার্কশপে প্রস্তুতকৃত। অস্ত্রগুলো নতুন ছিল।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ওয়ার্কশপের আড়ালে নুরউদ্দিন আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করতো। তার দোকান ও বাড়ির কবরস্থান থেকে অস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে রাঙ্গামাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

  • মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    মাছ-মুরগি-তরকারি রান্নায় গরুর চর্বি, জরিমানা ৫০ হাজার

    ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরে হোটলে মুরগি-মাছসহ তরকারি রান্নায় জমিয়ে রাখা গরুর চর্বি ব্যবহার করায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। হোটেলে পচা ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগেরও সত্যতা মিলেছে।

    বুধবার  বিকেলে বিসমিল্লাহ হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।এদিকে একই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে একতা ফার্মেসি নামে এক দোকানিকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী ও জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। ভোক্তা অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালের সামনে বিসমিল্লাহ্ হোটেলে গরুর জমানো চর্বির তেল দিয়ে মাছ, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন তরকারি রান্নায় ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও হোটেল থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটিসহ ফ্রিজ থেকে বাসি মাছ ও মাংস জব্দ করা হয়। এসব ঘটনায় হোটেল মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় পচা ও বাসি খাবারসব বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে।নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমুধু চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা এ হোটেলে খাবার খায়। কিন্তু হোটেলটির পরিবেশ নোংরা, ফ্রিজে বাসি খাবার সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাছাড়া গরুর চর্বির জমানো তেল দিয়ে রান্না করা হয়। এছাড়া একটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে। দুই দোকানিকে জরিমানাসহ ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

  • সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরীর সম্ভাবনা

    ডেস্ক নিউজঃ

    লক্ষ্মীপুরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) গড়ে ওঠেনি আশানুরূপ শিল্প-কারখানা। বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরও বিভিন্ন সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্লট বরাদ্দ নিলেও অর্ধেক প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনে যেতে পারেনি। অথচ মেঘনাপাড়ের এ জনপদে সস্তা শ্রম, দেশের ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যাপক কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। বিসিকে পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বদলে যাবে এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।এদিকে বিসিক এলাকায় গ্যাস-পানি সংকট, ভেতরের অংশে সড়ক খানাখন্দে ভরপুর, অপরিকল্পিত ড্রেনেজে ব্যবস্থা, লোডশেডিং, বাতিহীন ল্যাম্পপোস্ট ও নিরাপত্তা প্রাচীর না থাকা উদ্যোক্তাদের সমস্যার অন্যতম কারণ। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কার্যকর সুফল আসছে না বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরে বাঞ্ছানগর এলাকায় ১৬ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে শিল্পায়নের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সাল থেকে প্লট বরাদ্দ হয়। এরমধ্যে তিন স্তরে ৫৪টি শিল্প ইউনিটের জন্য ৯৯টি প্লট বরাদ্দ হয়। বর্তমানে ৩০টি ইউনিট চালু রয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে বিসিকের দিকে একটু এগুলেই দেখা যায় বেশ কয়েকটি বড় গর্তে পানি জমে আছে। ভেতরে রাস্তা, ড্রেনেজ সমস্যা প্রকট। সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত; মালামাল পরিবহনে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহন চলছে হেলেদুলে। ধুলাবালিতে একাকার। ড্রেনে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে মশা-মাছির দাপট চলছে। বর্ষা এবং সামান্য বৃষ্টি হলে ভেতরে হাঁটু পানি জমে থাকে। ভেতরে ২০-২৫টি প্লট খালি রয়েছে। সেখানে আশপাশের লোকজন গরু-ছাগল চরায়। এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এখানে উল্লেখযোগ্য অয়েল মিল, বেকারি, চকলেট তৈরি, সয়াবিন প্রক্রিয়াকরণ, অটোরাইস মিল ও মবিল রিপ্যাকিং মিল রয়েছে।

    পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার নারী শ্রমিক ফাতেমা বেগম জানান, বিসিকে তিনি প্রতিদিন হেঁটে আসেন। মাঝেমধ্যে রিকশা নিলেও ভেতরে আসতে চান না রিকশাচালক। একটু বৃষ্টি হলে হাঁটুপানি মাড়িয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক তরুণ উদ্যোক্তা জানান, এখানে পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে। তবে সহজে আশানুরূপ ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় না। অনেক সময় শ্রমিকের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় লোকসানের কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ রেখেছেন।

  • মকিমপুর জমিদারবাড়ি

    মকিমপুর জমিদারবাড়ি

    ডেস্ক নিউজঃ

    চুন–সুরকি খসে পড়েছে অনেকাংশে। বেরিয়ে এসেছে লাল ইট। বাড়িটির এখন জীর্ণ দশা। হবেই না কেন। বয়স তো কম হলো না—প্রায় দেড় শ বছর। বলছি মকিমপুর জমিদারবাড়ির কথা। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা সদর থেকে কিলোমিটার দুয়েক উত্তরে গেলে মকিমপুর গ্রামে দেখা মিলবে বাড়িটির।

    সম্প্রতি বাড়িটিতে গিয়ে কথা হয় জমিদার পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে। তাঁরা জানালেন বাড়িটির ইতিহাস–ঐতিহ্যের নানা কথা। বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী। তাঁর ছিল দুই ছেলে। জমিদার জীবিত থাকা অবস্থায় এক ছেলের মৃত্যু হয়। আরেক ছেলের বংশধরেরা বর্তমানে এখানে রয়েছেন।

    মকিমপুরের মূল জমিদারবাড়িটি নির্মাণ করা হয় ১৮৮৫ সালে। এই ভবনে সাতটি কক্ষ। জমিদার পরিবারের পরবর্তী প্রজন্ম কয়েক বছর আগেও এই ভবনেই বসবাস করতেন। এখন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভবনের উত্তর ও পশ্চিম পাশে আলাদা বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছেন। তবে বাড়ির সামনে ১৮৮৭ সালে নির্মাণ করা মন্দিরে এখনো পূজা হয়।

    মন্দিরটিতে বিশেষ করে লক্ষ্মীপূজা হয় বেশ ঘটা করে। আগের দিনের নিয়ম মেনে এলাকার হিন্দুধর্মাবলম্বী এবং আত্মীয়স্বজনদের নিমন্ত্রণ করে জমিদার পরিবার। পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের সদস্য অমল কুমার রায় বলেন, ‘আমাদের দাদু মকিমপুর জমিদারবাড়ি নির্মাণ করেন। তিনি বাড়ির সামনে এই মন্দিরও নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপূজায় সবাইকে আমরা ডাকি।’

    জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী সম্বন্ধে ভালো ও মন্দ—দুই ধরনের জনশ্রুতিই রয়েছে। কেউ বলেন, তিনি ছিলেন প্রজাদরদি জমিদার। আবার কেউ বলেন অন্য কথা। তাঁর দাপটের কারণে প্রজারা নাকি জমিদারবাড়ির সামনে দিয়ে ছাতা মাথায় ও জুতা পায়ে যেতে পারতেন না। খাজনা আদায়ের বেলায়ও নাকি জমিদার গোবিন্দ রায় চৌধুরী ছিলেন ভীষণ কড়া।

    তবে জমিদার নিয়ে ভালো–মন্দ যে জনশ্রুতিই থাকুক না কেন—বাড়িটি একনজর দেখতে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই।

    সে কথাই বলছিলেন জমিদার পরিবারের সদস্য অশোক কুমার রায়। তিনি জানালেন, জমিদারবাড়ি ও মন্দিরটি দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগ্রহী মানুষজন আসেন। বিভিন্ন তথ্য জানতে চান তাঁরা। জমিদারবাড়ির চতুর্থ প্রজন্মের পুত্রবধূ আঁখি রায়ও বললেন একই কথা। তিনি বলেন, ‘আমাদের জানাশোনা যা আছে, তা তাঁদের জানাই।’

    পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার স্কুলশিক্ষক মো. মোকসেদ আলমের সঙ্গে দেখা হয় জমিদারবাড়িতে। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের খোঁজে সারা দেশে ঘুরে বেড়াই। মকিমপুর জমিদারবাড়িতে এসে পুরোনো দিনের নকশার বাড়ি ও মন্দিরটি দেখে খুব ভালো লাগল।’ জমিদার ভবনের করুণ দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সংস্কার করে আগামী প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখা দরকার।

    একই আহ্বান রায়গঞ্জ: ইতিহাস সমাজ ও সংস্কৃতি বইয়ের লেখক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক খ ম রেজাউল করিমেরও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আগের দিনের নির্মাণশৈলী খুবই সুন্দর ছিল। জমিদারবাড়ি ও মন্দিরটি নির্মাণে স্থাপত্যশিল্পের চমৎকার ব্যবহার লক্ষণীয়। কালের বিবর্তনে এ বাড়িটি ধ্বংসের পথে কিন্তু এটি রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেই। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের নিদর্শন মকিমপুর জমিদারবাড়িটি রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    এম কে

  • কাজিপুরে উদ্বোধনের পৌণে তিন বছর পর জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু

    কাজিপুরে উদ্বোধনের পৌণে তিন বছর পর জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু

    ডেস্ক নিউজঃ

    অবশেষে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরায় আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ইনস্টিটিউটের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নিপোর্টের যুগ্মসচিব ও পরিচালক (গবেষণা) মো. শফিকুল ইসলাম। পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকাদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

    কাজিপুরের আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ডা. মোদাব্বেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক রায়হানুল ইসলাম, কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাসেল ও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ।

    ১৯ কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ২০২২ সালের ১০ মার্চ ভবনটি হস্তান্তর করেন। এরপর অনলাইনে ইনস্টিটিউটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ।

    এম কে

  • ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ওসমান হাদীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

    ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ওসমান হাদীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যারা সাহসিকতার সঙ্গে কথা বলছে, তাদেরই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হচ্ছে। শহীদ আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর শাহাদাতের মধ্য দিয়ে এই হত্যাযজ্ঞের সূচনা হয়, আর ওসমান হাদী সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ শিকার।

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া (শনিবার বিকালে) উপজেলার পৌর উন্মুক্ত মঞ্চে মরহুম শরিফ ওসমান হাদীর (রহ.) মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা একজন দেশপ্রেমিক ও সময়ের বীর সন্তানকে হারালাম। যাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের কারণেই আজ বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছি।” তিনি আরও বলেন, “ওসমান হাদীর প্রতিটি রক্তবিন্দু থেকে ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঘৃণার আগুন আরও তীব্র হয়ে উঠবে।”

    হত্যাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

    রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আজ যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে কিংবা উপদেষ্টার আসনে বসে আছেন, তারা ওসমান হাদীদের মতো সাহসী মানুষের আন্দোলনের ফলেই সেখানে পৌঁছেছেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল, কিন্তু রাষ্ট্র সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।”

    তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, “আর কত ওসমান হাদীর মতো বিপ্লবী সন্তান হারাতে হবে—এই প্রশ্ন আজ গোটা জাতির সামনে।”

    আলোচনা সভা শেষে মরহুম ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

    উপজেলা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল বারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলি।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, সাবেক সেক্রেটারি আলাউদ্দিন আল আজাদ, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম (মুত্তালিব), পৌর জামায়াতের আমীর আব্দুল করিম, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আকন্দ এবং জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি আতাউর রহমানসহ স্থানীয় ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।

    এম কে

  • ইনক্লাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদীর স্বরণে, বেলকুচিতে জামায়াতের দোয়া ও আলোচনা সভা

    ইনক্লাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদীর স্বরণে, বেলকুচিতে জামায়াতের দোয়া ও আলোচনা সভা

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদী আধিপত্যবাদী ফ্যাসিস্টদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধিন থাকা অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁর এই শহীদি মৃত্যুতে সারা দেশে শোক, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায়, কেন্দ্রিয় জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ,শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আয়োজনে শেরনগরস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও ৬৬ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ,আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মোঃ আলী আলম।

    আলোচনা সভায় প্রধান অথিতি বলেন, মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে শহীদ হাদীর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং একই সঙ্গে তাঁর জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতা ও তার হত্যাকারীদের এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে না পারার কারণে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের পদত্যাগ দাবি করছি।

    তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর দেশের ছাত্র-জনতার মধ্যে যে ক্ষোভ ও আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা ন্যায্য ও বোধগম্য। কিন্তু এই ক্ষোভকে পুঁজি করে কোনো পক্ষ যদি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে, তা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা স্পষ্টভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করছি- এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা হতে পারে।

    উপজেলা জামায়াতের আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেল তার সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
    দেশের এই সংকটময় সময়ে সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জাতীয় ঐক্যই হতে পারে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। আমরা সকল দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা ও নাগরিককে ধৈর্য, সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, এনায়েতপুর থানা জামায়াতের আমির ডা: সেলিম রেজা, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রশিদ শামীম, ছাত্রশিবিরে বেলকুচি উপজেলা শাখার সভাপতি ইউসুফ বাবু, সেক্রেটারি আরিয়ান ইসমাইল প্রমুখ। দোয়া ও আলোচনা সভায় উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভার শেষে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম আযম।

    এম কে

  • সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপির সম্পদের খোঁজে দুদক

    সিরাজগঞ্জে সাবেক এমপির সম্পদের খোঁজে দুদক

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল (৪৫) ও তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তাজ উদ্দিনের (৫৫) বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহিদুল আলম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।দুদক সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল ও তার পিএস চৌহালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তাদের নিজ নাম ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়েছে দুদক। যা নিয়ে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করছে তারা।

    আব্দুল মমিন মণ্ডল ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হন। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।

    এম কে

  • অবৈধ পথে ইতালি যাত্রা, ছেলে জীবিত নাকি মৃত—জানে না পরিবার

    অবৈধ পথে ইতালি যাত্রা, ছেলে জীবিত নাকি মৃত—জানে না পরিবার

    ডেস্ক নিউজঃ

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার এক যুবক অবৈধ পথে ইতালি যাত্রাকালে সাগরে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। ছেলেকে ইতালি পাঠাতে জমি বন্ধক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মোট ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বাবা।

    নিখোঁজ যুবকের নাম রাকিবুল ইসলাম স্বাধীন (২২)। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার ভুতগাছা গ্রামের ফিরোজ আহমেদের ছেলে। চলতি বছরের মার্চের শেষ দিকে অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি বাড়ি ছাড়েন। তবে তিনি মারা গেছেন নাকি বেচেঁ আছেন, জানে না পরিবার৷

    এ ঘটনায় মানবপাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে উল্লাপাড়া মডেল থানা-পুলিশ।

    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে আবুল কালাম নামের সেই ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা গেছে, নিখোঁজ রাকিবুল ইসলামকে তিনিই বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।

    উল্লাপাড়া মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরে আলম বলেন, আবুল কালাম নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রাকিবুল ইসলাম স্বাধীনকে তিনি পাঠিয়েছিলেন, যিনি বর্তমানে নিখোঁজ। তার বাবা এসে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন।

    পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা যায়, চলতি বছরে ভাগ্য বদলের আশায় শতাধিক মানুষের সঙ্গে ট্রলারে করে ইতালির উদ্দেশে রওনা দেন স্বাধীন। পথে দুর্ঘটনায় অনেকেই সাগরে পড়ে যান। সেই ঘটনার পর থেকেই স্বাধীন নিখোঁজ, তার কোনো খোঁজ মিলছে না।

    নিখোঁজ রাকিবুলের বাবা ফিরোজ আহমেদ বলেন, আবুল কালামের ছেলে সাদ্দাম ইতালিতে থাকে। সেই সূত্র ধরে আবুল কালামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ছেলেকে পাঠাতে জমি বন্ধক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মোট ২৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, মার্চের শেষ দিকে আবুল কালাম প্রথমে স্বাধীনকে ভারতের চেন্নাই নিয়ে যায়। সেখান থেকে দুবাই, মিশর, শ্রীলঙ্কা হয়ে সর্বশেষ লিবিয়ায় নেয়।স্বাধীনের সঙ্গে যাওয়া আরেক ব্যক্তি ফজলুল হক সম্প্রতি দেশে ফিরে এসেছেন। সে পরিবারের কাছে জানিয়েছেন, যাত্রার অল্প কিছুদিন পরই তাদের ট্রলারটি ডুবে যায় এবং স্বাধীন আর ফিরে আসেননি।নিখোঁজ যুবকের মা নার্গিস খাতুন ছেলের খোঁজ পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন। পাশাপাশি অভিযুক্ত দালালের কঠোর শাস্তিও দাবি করেছেন।

    এম কে

  • সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালন

    সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও জাতীয় প্রবাসী দিবস পালন

    ডেস্ক নিউজ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করা হয়েছে।

    ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ১১ টায় সরাইল উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনাড়ম্বর পরিবেশে দিবসটি পালন কর হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যোগ দেয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমীন আক্তার।

    (বিস্তারিত…)