লেখক: Daily BD Times

  • টাঙ্গাইলে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বুধবার সকালে ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক নারীর লাশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি দেলদুয়ার থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ধানক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার লাউহাটী ইউনিয়নের সল্পলাড়ু গ্রামে ধলেশ্বরী নদীর পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সকালে ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক নারীর লাশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি দেলদুয়ার থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

    দেলদুয়ার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম জানান, নিহত নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এ, আর

  • ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য প্রকাশের আহ্বান ৩০ মার্কিন আইনপ্রণেতার

    ইসরাইলের পারমাণবিক কর্মসূচির তথ্য প্রকাশের আহ্বান ৩০ মার্কিন আইনপ্রণেতার

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ জন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিকে ইসরাইলের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। টেক্সাসের কংগ্রেসম্যান হোয়াকিন কাস্ত্রোর নেতৃত্বে পাঠানো এক চিঠিতে তারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে কার্যকর পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ নীতি (নন-প্রলিফারেশন) তৈরি করা সম্ভব নয়, যদি ইসরাইলের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে সরকারি নীরবতা বজায় রাখা হয়।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “ইরানের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি বা সৌদি আরবের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে নীতিনির্ধারণ করতে হলে, চলমান সংঘাতে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতা সম্পর্কে অস্বচ্ছতা রাখা যৌক্তিক নয়।” আইনপ্রণেতারা আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে অন্যান্য দেশকে পারমাণবিক স্বচ্ছতার মানদণ্ডে বিচার করে, ইসরাইলের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রয়োগ করা উচিত।

    বর্তমানে ইসরাইল তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না—এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে না। একইভাবে, হোয়াইট হাউসও দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে অস্পষ্ট অবস্থান বজায় রেখেছে।ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা বলেন, কংগ্রেসের সাংবিধানিক দায়িত্ব হলো মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক ভারসাম্য, সম্ভাব্য উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের পরিকল্পনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা। কিন্তু তারা মনে করেন, এ ধরনের তথ্য তাদের দেওয়া হয়নি।

    চিঠিতে তারা ইসরাইলের সম্ভাব্য ওয়ারহেড সংখ্যা, উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা, ডিমোনা স্থাপনায় কী উৎপাদিত হয় এবং ইসরাইলের সামরিক নীতিমালা ও ‘রেড লাইন’ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র কী জানে—এসব তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। আইনপ্রণেতারা আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে খোলাখুলি স্বীকার করে। তাই ইসরাইলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের স্বচ্ছতা থাকা উচিত বলে তারা মনে করেন।

  • একদলীয় শাসনে ভারত

    একদলীয় শাসনে ভারত

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    এক দশকেরও বেশি সময় আগে নরেন্দ্র মোদি যখন দেশ পরিচালনার জন্য প্রথম প্রচারণা শুরু করেন, তখন তিনি কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেন। স্বাধীন ভারতের প্রতিষ্ঠাতা দল কংগ্রেস এরপর থেকে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর দলটি খুব একটা ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সেই নির্বাচনে পার্লামেন্টে তাদের আসনসংখ্যা ২০৬ থেকে কমে এক ধাক্কায় মাত্র ৪৪-এ নেমে আসে। দলটি রাজ্য বিধানসভাগুলোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এখন মোদির শাসক জোটের দখলে রয়েছে ২১টি রাজ্য। সেখানে কংগ্রেস মাত্র চারটি রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।

    কংগ্রেসের পতনের ফলে ভারতজুড়ে আঞ্চলিক দলগুলোই মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি এবং তার হিন্দু জাতীয়তাবাদী এজেন্ডার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়। এসব আঞ্চলিক দলের নেতারা মোদির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিলেন দুজন— একজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তিনি ২০১১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। আরেকজন এম কে স্ট্যালিন, যিনি ২০২১ সাল থেকে ছিলেন তামিলনাড়ুর দায়িত্বে।

    এ সপ্তাহে মমতা ব্যানার্জী ও স্ট্যালিন উভয়েই নির্বাচনে পরাজিত হন। ফলে মোদি নিজেকে এমন এক ভারতের নেতৃত্বের আসনে দেখতে পাচ্ছেন, যেখানে তার বিরোধীদের কার্যত কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতা নেই। বিভিন্ন সময়ে পার্লামেন্টে কংগ্রেসের আসনসংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন মোদি ভারতকে একটি একক নেতার নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রের মতো করে তুলে ধরছেন।

    স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু যে ‘ভারত রাষ্ট্রে ধারণা’ তুলে ধরেছিলেন, তা ছিল এই বিশাল দেশের ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মানবিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি রাজনৈতিক বহুত্ববাদের আদর্শ। এখন বিজেপির একটি রক্ষণশীল হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের শতবর্ষী স্বপ্নের কাছে নেহরুর সেই স্বপ্ন এক অদ্ভুত পরাজিত সত্তা বলেই মনে হচ্ছে।

    বিজেপি সব সময় তার সদস্যদের আদর্শগত অঙ্গীকার নিয়ে গর্ববোধ করে। সারা দেশের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করাই দলটির কৌশল। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দলটি অন্য যেকোনো জাতীয় দলের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে বেশি সুশৃঙ্খল। সেই সঙ্গে একটি ব্যবসাবান্ধব খ্যাতিও লাভ করেছে দলটি।

    সমর্থকদের মতে, গত জাতীয় নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর কঠোর পরিশ্রম করে বিজেপি। সেই পরিশ্রমের ফলেই সাম্প্রতিক রাজ্যস্তরের ধারাবাহিক বিজয়গুলো এসেছে। ২০২৪ সালের জুনে যখন ভোট গণনা করা হয়, তখন তাদের জোট মাত্র ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। কারণ সে সময় বিরোধী দলগুলো দীর্ঘস্থায়ী বেকারত্ব এবং বৈষম্য নিয়ে মোদির তীব্র সমালোচনা করে। তবে দুটি আঞ্চলিক দলকে জোট সরকারে অন্তর্ভুক্ত করে বিজেপি ক্ষমতায় থাকতে সক্ষম হয়।

    রাজনৈতিক ভাষ্যকার সুগত শ্রীনিবাসরাজু বলেন, ‘২০২৪ সালে মোদি ছিলেন এক আহত বাঘের মতো। এখন তিনি ঠান্ডা মাথায় প্রতিশোধ নিতে নেমেছেন।’ রাজ্যগুলোতে মোদির এই অগ্রযাত্রা একের পর এক চমক নিয়ে আসে, যার প্রতিটিই বিজেপির পক্ষে যায়। দলটি ২০২৪ সালের অক্টোবরে হরিয়ানায় জয়লাভ করে, যদিও কংগ্রেসের জেতার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। এরপর দলটি মহারাষ্ট্রে বিজয় ছিনিয়ে নেয়।

    পরাজিত দলগুলো কারচুপির অভিযোগ তোলে এবং নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে। কংগ্রেস বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরলেও বিজেপি তা প্রত্যাখ্যান করে।

    ২০২৫ সালে বিজেপি ২৭ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রাজধানী দিল্লিতে জয়লাভ করে। পরাজিত হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, যিনি ২০১৪ সাল থেকে মোদির উত্থানকে চ্যালেঞ্জ জানানো অল্প কয়েকজন রাজনীতিবিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

  • ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি

    ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি

     

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ আসনে সংখ্যালঘু ভোট এত দিন পর্যন্ত ছিল ‘নির্ণায়ক’। কিন্তু এবারের ভোটের ফলাফলে সেই সমীকরণে আমূল বদল ঘটে গেছে। ফলস্বরূপ, ৪০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনও জিতেছে বিজেপি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ২৫ শতাংশের বেশি, এমন ১৪৬টি (ফলতায় ভোট এখনো হয়নি) আসনের মধ্যে তৃণমূল এ বার পেয়েছে ৭৩টি আসন। ২০২১ সালের ভোটে সেই সংখ্যাটা ছিল ১২৯। ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে ৬৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, যেখানে গত ভোটে তারা জিতেছিল মাত্র ১৬টিতে। আবার ওই ১৪৬টি আসনের মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটারের হার ৪০ শতাংশের বেশি, এমন ১৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। যেখানে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এমন মাত্র দুটি আসনে জয়ী হয়েছিল তারা।

    ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী রাজ্যে মোট ২৭ শতাংশ মুসলিম। ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টি বিধানসভা রয়েছে, যেখানে সংখ্যালঘু অংশের ভোট ২৫ শতাংশ বা তার বেশি। এর মধ্যে আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ, ওই আসনগুলিতে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন সংখ্যালঘুরা। ৪০ শতাংশেরও বেশি সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছে, এমন আসনের সংখ্যা রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মুর্শিদাবাদে। সেখানকার ২২টি বিধানসভা আসনেই সংখ্যালঘু ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১১টি বিধানসভা আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। উত্তর ২৪ পরগনায় ৯টি এবং উত্তর দিনাজপুরে ৭টি আসনেও সংখ্যালঘু ভোট ৪০ শতাংশের বেশি। মালদহের ৮টি আসনে মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি। নদিয়ায় তেমন আসনের সংখ্যা ৬টি। কলকাতায় বন্দর এবং চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রেও মুসলিম ভোটার ৪০ শতাংশের বেশি।

    ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, বড়ঞাঁর মতো যে সব কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি, সেখানেও এ বার জিতেছে বিজেপি। মানিকচক, করণদিঘি, হেমতাবাদের মতো মুসলিম অধ্যুষিত আসনেও একই ছবি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বেশ কিছু আসনে দেখা গিয়েছে, দু’টি বিষয় সমান্তরাল ভাবে ঘটেছে। এক, তৃণমূলের বাক্সে থাকা সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়েছে সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফ এবং হুমায়ুন কবীরের দল এজেইউপি। দুই, উল্টোদিকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে হিন্দু ভোট। পরিসংখ্যান নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, হিন্দু ভোটের যে মেরুকরণ এ বার বিধানসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে, তা অতীতে কখনও হয়নি। এমনকি, উত্তর এবং পশ্চিম ভারতে বিজেপি-শাসিত যে সব রাজ্য রয়েছে, সেখানকার তুলনায়ও পশ্চিমবঙ্গে এ বারের নির্বাচনে হিন্দু ভোট ঐক্যবদ্ধ হয়েছে অনেক বেশি। অর্থাৎ, এক দিকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিভিন্ন জেলায় মুসলিম ভোট বিভাজিত হয়েছে। সমান্তরালভাবে সঙ্ঘবদ্ধ হয়েছে হিন্দু তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট।

  • চূড়ান্ত সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

    চূড়ান্ত সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধের অবসানের সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (মেমোরেন্ডাম) চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতায় জড়িত একটি পাকিস্তানি সূত্র।

    সূত্রটির দাবি, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি একটি এক পাতার নথি হলেও এতে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে এটাই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের সমঝোতা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সম্ভাব্য এই চুক্তিতে থাকতে পারে: ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ, আগামী সপ্তাহগুলোতে আরো বিস্তৃত আলোচনার কাঠামো নির্ধারণ।

    এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দেশটি নীরবে কাজ করে যাচ্ছে।

    তবে এখনো কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচির সময়সীমা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তবুও সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি সম্ভাবনাময়।

  • ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত, বলল হোয়াইট হাউস

    ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত, বলল হোয়াইট হাউস

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরানে সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, তা শেষ হয়েছে।

    রুবিও বলেন, “ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। যে লক্ষ্যে আমরা এ অভিযান শুরু করেছিলাম, তা অর্জিত হয়েছে। আমরা এখন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নিয়ে কাজ করছি।”

    ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই উল্লেখ তিনি আরো বলেন, ‘(ইরান ইস্যুতে) নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক তা আমরা চাইছি না। আমরা শান্তির পথই পছন্দ করি। আমাদের প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান। তিনি চান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হোক, যেন বিশ্ব ফের আগের অবস্থায় ফিরতে পারে।’

    রুবিও বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই করা হবে।’

  • চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে প্রশিণ

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় একীভূত শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশরাফ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বুধবার সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এ কর্মশালা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারী শিক্ষক রহিদুল ইসলাম খান।

    কর্মশালা সঞ্চালনা করেন আশরাফ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশিষ কুমার চ্যার্টাজি।

    আলোচনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ , মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল আহমেদ, ফাউন্ডেশনের ফিল্ড ট্রেইনার নজরুল ইসলাম, জোহরা খাতুন প্রমুখ।

    কর্মশালায় উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মৌলিক আলোচ্য বিষয় ছিল দেশে সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ,মেধাবী, কম মেধাবী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য একই রকম শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা। কর্মশালা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন লিলিয়েন্স ফনডস ও সেন্টার ফর ডিসএবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট নামে দুটি সংস্থা।

    বি/ এ

  • নবম পে স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত

    নবম পে স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত

    ডেস্ক নিউজ:

    সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য বড় ধরনের সুসংবাদ আসছে। সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকুরেদের বেতন বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তখন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের বর্তমান ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রয়োজন হতে পারে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।

    বেসামরিক কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বেতন কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে।

    তিনটি প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে তা বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরির জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিই মূলত তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সুপারিশ করবে।

    কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইভাবে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮, যা আগে ছিল ১:৯ দশমিক ৪। যদিও বেতন বৃদ্ধির এই বড় পরিবর্তনের মাঝেও বর্তমানের ২০টি গ্রেড বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

    নতুন বেতন কাঠামোতে উচ্চপদস্থ ও নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের মধ্যে বেতনের ব্যবধান বা অনুপাত কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। আগে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ছিল ১:৯.৪, যা নতুন প্রস্তাবে ১:৮-এ নামিয়ে আনা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ও সিনিয়র সচিবদের জন্য প্রচলিত ২০টি ধাপের বাইরে আলাদা বিশেষ ধাপ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হবে।

    বি/ এ

  • হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসময়ে নতুন রোগী সনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৪ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩২৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।

    চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৪২ হাজার ৯৭৯ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৯ হাজার ৮৩১ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ২৬ হাজার ৩৬৮ শিশু। আজ নতুন করে সনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৫৪ জন রোগীর।

    বি/ এ

  • ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বহু বছর ধরে জাল সনদে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের নেয়া টাকা ফেরত ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।   ৪৮৭ জাল সনদধারী শিক্ষকের কাছে প্রাথমিকভাবে তাদের লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। কেনো এসব জাল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

    বুধবার এ সংক্রান্ত পৃথক চিঠি মাধ্যমিক ও শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানোর হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা হতে ৪৭১ জন জাল, ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকাসহ একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো ৪৭১ (মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন) জন জাল, ভুয়া সনদধারী তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হেয়েছে।

    বি/ এ