ক্যাটাগরি কৃষি

  • ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে পেয়ারার ভাসমান হাট

    ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে পেয়ারার ভাসমান হাট

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    বরিশালের ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের ভীমরুলি খালে বসে ভাসমান পেয়ারার হাট। ভাসমান এ হাট দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক আসেন। এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও পেয়ারা বাগান ও ভাসমান হাট দেখে মুগ্ধ হন।

    সম্প্রতি ভাসমান পেয়ারার বাজার দেখতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলোহাব সায়দানি। পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যবাহী ভাসমান বাজার দেখে তিনি মুগ্ধ। আলজেরিয়ায় পেয়ারা উৎপাদিত হয় না। এখান থেকে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

    প্রতিদিন সকালে ছোট ছোট নৌকায় করে পেয়ারা বিক্রির জন্য এ হাটে আসেন চাষিরা। শ্রাবণ মাসের প্রথম থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পেয়ারার মৌসুম। এ সময় প্রতিদিনই এখানে পেয়ারা বিক্রি হয়। তবে অন্য দিনের তুলনায় শুক্রবার কেনাবেচা বেশি হয়। বর্তমানে মণপ্রতি পেয়ারা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা। এখানে পেয়ারার পাশাপাশি আমড়া, লেবুসহ অন্যান্য ফল ও শাকসবজিও বিক্রি হয়। পর্যটককে বিনোদন দিতে বেসরকারি উদ্যোগে এখানের পেয়ারা বাগানের মধ্যে পার্ক গড়ে উঠেছে। শিশুদের খেলনাসহ বিভিন্ন রকমের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।

    পেয়ারা চাষি পরিমল হালদার, বস্রজিৎসহ কয়েকজন জানান, এ বছর পেয়ারার ফলন তেমন ভালো হয়নি। দাম মোটামুটি ভালো পাওয়া যচ্ছে। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর চাষিরা বেশি লাভবান হবেন।  আমাদের প্রধান আয়ের মাধ্যম হলো পেয়ারা চাষ। এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন ভালো হয়নি। বিগত বছরগুলোতে প্রতিদিন ৪-৫ মণ পেয়ারা বিক্রি করেছি আর এ বছর ১০ থেকে ৬০ কেজি পেয়ারা বিক্রি করি।

    পেয়ারা আড়তদার সঞ্চয় হালদার  বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের এখানে পাইকাররা পেয়ারা ক্রয় করার জন্য আসেন। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর পেয়ারার দাম দ্বিগুণ কারণ পেয়ারার ফলন কম। এতে পাইকারদের তেমন লাভ হয় না।

     

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।

    বিডি/বিএ

     

  • কেমিকেল মিশ্রিত খাবার; হুমকির মুখে মানবজাতি

    কেমিকেল মিশ্রিত খাবার; হুমকির মুখে মানবজাতি

    বিশ্বব্যাপী রাসায়নিক দূষণ এখন মানবজাতি ও প্রকৃতির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের মতোই ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠেছে। নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই বিপদের ব্যাপারে এখনো যথেষ্ট জনসচেতনতা কিংবা কার্যকর পদক্ষেপ গড়ে ওঠেনি।

    বিশ্বব্যাপী ১০ কোটির বেশি ‘নতুন রাসায়নিক পদার্থ’ তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার থেকে সাড়ে তিন লাখ রাসায়নিক বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এসব রাসায়নিক পদার্থ আমাদের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে সচেতনতা খুবই কম।

    ডিপ সায়েন্স ভেঞ্চার্স (ডিএসভি) নামক একটি গবেষণা সংস্থা জানায়, আমরা প্রতিদিন যে পানি পান করি, বাতাসে শ্বাস নিই, খাবার খাই, এমনকি যে সাবান, শ্যাম্পু বা ঘরের জিনিসপত্র ব্যবহার করি—তাতে থাকা অনেক রাসায়নিকের নিরাপত্তা পরীক্ষা হয়নি বা প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়নি।

    গবেষণা বলছে, খাদ্য প্যাকেট ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের সংস্পর্শে থাকা ৩ হাজার ৬০০-র বেশি রাসায়নিক পদার্থ মানুষের শরীরে পাওয়া গেছে, যার মধ্যে অন্তত ৮০টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। বিশেষ করে পিএফএএস বা ‘ফরএভার কেমিক্যালস’, যা একবার শরীরে ঢুকলে সহজে বের হয় না, তা প্রায় সব মানুষের শরীরে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি অনেক জায়গায় বৃষ্টির পানিতেও এর উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষ এমন শ্বাস নিচ্ছে, তা দূষণের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এসব রাসায়নিক পদার্থ মানুষের প্রজননক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ, স্নায়ুবিক কার্যক্রম, হৃদযন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, যকৃত ও কিডনি পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে গবেষণায় জানা গেছে।

    বিশেষ করে কীটনাশকের ব্যবহার ও বন্ধ্যাত্ব, গর্ভপাত ও গর্ভধারণে জটিলতার মধ্যে স্পষ্ট যোগসূত্র পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানান, হরমোনে প্রভাব ফেলা রাসায়নিকগুলো অনেক সময় অতি সামান্য মাত্রাতেই মারাত্মক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা প্রচলিত টেস্ট পদ্ধতিতে ধরা পড়ে না।

    এই গবেষণাটি প্লাস্টিক দূষণ এবং রাসায়নিক দূষণের বিষয়েও সতর্ক করেছে। ডিএসভি বলছে, রাসায়নিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যরক্ষা ব্যবস্থায় এখনই বিপুল পরিবর্তন দরকার। আর এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন ও উদ্যোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে।

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।

    বিডি/বিএ

     

  • গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল

    গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল

    গ্রামবাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লাল পদ্ম ফুল। তবে এ সময়ে আশার আলো দেখাচ্ছে যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের গরীবপুর নিউমার্কেটের পাশের পুকুরে ফোটা লাল পদ্মফুল।