ক্যাটাগরি বরিশাল বিভাগ

  • ‘ঘুষের টাকা’ ফেরত চেয়ে ভূমি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ

    ‘ঘুষের টাকা’ ফেরত চেয়ে ভূমি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ

    ডেস্ক নিউজ:

    ‘ঘুষের টাকা’ ফেরত চেয়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা কাজী মো. জাহিদুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ভুক্তভোগীরা।

    রোববার দুপুর ১টায় সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

    এ সময় ১৫ থেকে ২০ জনের তোপের মুখে অন্তত ৩০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকেন ওই কর্মকর্তা। পরে উপজেলা সার্ভেয়ার আনসার উদ্দীন ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জাকির হোসাইন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব দাশ পুরকায়স্থের বরাত দিয়ে অবরুদ্ধকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। বিষয়টি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দিয়ে লিখিত অভিযোগ রাখা হয়।

    অবরুদ্ধকারীরা জানান, ভেকু গাড়ি আটক, খাসজমি বন্দোবস্ত, নিজস্ব দালাল চক্রের মাধ্যমে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, হোল্ডিং অনুমোদন, মিউটেশন, সরকারি খাল-পুকুর খাস আদায় নামে প্রতারণা ও মামলার প্রতিবেদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছেন কাজী জাহিদুল ইসলাম। টাকা না দিলে করা হয় হয়রানি। দালালদের মাধ্যমে দেওয়া হয় হুমকি-ধমকি। অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা লেনদেন করেছেন। তবে ঘুষ নিয়েও কাজ না করে নানা অজুহাতে আড়ালে থেকেছেন।

    তারা আরও জানান, সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপরই গুঞ্জন ওঠে তার বদলি নিয়ে। ঘুষ দিয়েও সেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে টাকা ফেরত নিতে ভূমি অফিসে আসেন তারা।

    এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা কাজী জাহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ  বলেন, জেলায় মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি শুনেছি, সবার লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখব।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাসুদ উল আলম কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি শুনেছি। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।

  • বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    বরগুনার দুটি আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন তারা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিব্বুল্যাহ এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিব্বুল্যাহ বলেন, ‘১০ দলীয় জোট হওয়ায় এ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন নির্বাচনে অংশ নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ কারণে দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফ পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’
    বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেয়া হয়েছে। এবং বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, ‘বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আস থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
  • ৫ ব্যবসায়ীর ভাগ্য আগুনে পুড়ে ছাই

    ৫ ব্যবসায়ীর ভাগ্য আগুনে পুড়ে ছাই

    ডেস্ক নিউজ:

    রগুনার আমতলীতে আগুনে পুড়ে গেছে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

    বুধবার  দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী বাঁধঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো- মোশারফ হোসেনের ছাত্র বন্ধু লাইব্রেরি, খোকন হাওলাদারও ইদ্রিস মোল্লার মোদিম নোহারি দোকান, আবু তাহেরের ওষুধের দোকান ও যুগল বাবুর দোকান।

    ব্যবসায়ী আবু তাহের বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। রাতে খবর পায় দোকানে আগুন লেগেছে। এক টাকার মালামালও বের করতে পারিনি। সব পুড়ে শেষ। আমি এখন নিঃস্ব।

    গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ৪টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং একটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের ওয়ার হাউসম্যান মো. হানিফ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, গভীর রাতে আগুন লাগার বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

  • এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    এক পাঙাস সাড়ে ২৩ হাজারে বিক্রি

    ডেস্ক নিউজ:

    বরগুনার পাথরঘাটায় জেলের বরশিতে ধরা পড়েছে সাড়ে ২৩ কেজি ওজনের একটি পাঙাস মাছ। শুক্রবার  বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কালমেঘা বাজারের স্লুইসগেট এলাকায় রিয়াজ হোসেন নামের এক জেলের বরশিতে এ মাছটি ধরা পড়ে।

    জেলে রিয়াজ হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেই স্লুইসগেটে বরশি পেতে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর হঠাৎ বরশিতে শক্ত টান অনুভব করলে বড় কোনো মাছ আটকে পড়েছে বুঝতে পারেন। বরশি টেনে তুলতেই দেখা যায় বিশালাকৃতির এ পাঙাস মাছটি।

    পরে দুপুর ১২টার দিকে মাছটি বিক্রির জন্য স্থানীয় কালমেঘা বাজারে নিয়ে গেলে মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রাজু মিয়া কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকা দরে মোট ২৩ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নেন।

    ব্যবসায়ী রাজু মিয়া বলেন, পাঙাসটির গুণগত মান ভালো হওয়ায় ঢাকায় দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি সম্ভব বলে আশা করছি। দুপুরেই মাছটি পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

  • বনের গাছ বিক্রির অভিযোগ

    বনের গাছ বিক্রির অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজ:

    বরগুনার তালতলীতে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এক বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে গাছ কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তার নাম হায়দার আলী। তিনি উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া বিটের দায়িত্বে রয়েছেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর যোগসাজশে প্রায়ই গাছ কাটা হয়। তিনি যোগদানের পর থেকেই বনাঞ্চলে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। গাছচোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে। সম্প্রতি নিশানবাড়িয়া বিটের বনাঞ্চল থেকে বড় আকারের পাঁচটি কেওড়াগাছ কাটা হয়েছে।

    কাটা গাছের শিকড় ও পাশের গাছ দেখে ধারণা করা হচ্ছে প্রতিটির দাম ২০ হাজার টাকা করে হবে। সে হিসাবে এক লাখ টাকার গাছ কাটা হয়েছে। বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই সুযোগবুঝে গাছগুলো কাটা হয়েছে। এভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে বনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই গাছ কাটা হয়। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

    স্থানীয়রা জানায়, হায়দার আলীর বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রতি বছর বনের চরের জমি স্থানীয় জেলেদের কাছে ইজারা দিয়ে হাজার হাজার টাকা লুফে নেন। এমনকি আটক করা জেলের ট্রলার বিক্রি করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে কার্যালয়ে কথোপকথনের এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ করেন। তিনি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যানেজ করারও চেষ্টা করেন।

    উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান  বলেন, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তালতলীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সেবক মণ্ডল  বলেন, বিট কর্মকর্তা হায়দার আলীর বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। রেঞ্জ কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

  • বরিশালে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেতাগীর জুয়েলী

    বরিশালে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেতাগীর জুয়েলী

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গা‍র্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় প‍‍র্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।

    এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কা‍র্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা প‍‍র্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অ‍‍র্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদ‍‍র্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গা‍র্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহক‍‍র্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অ‍‍র্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার ক‍‍র্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল ক‍‍র্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

  • ভোলার উপকূলে অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি

    ভোলার উপকূলে অস্তিত্ব সংকটে অতিথি পাখি

    ডেস্ক নিউজ

    শীতের চিরচেনা রূপ পাল্টে যাচ্ছে ভোলার উপকূলীয় চরাঞ্চলে। এক সময় দিগন্তজোড়া জলরাশিতে হাজার হাজার অতিথি পাখির জলকেলি আর কিচিরমিচির শব্দে মুখর থাকত যে চরগুলো, সেখানে এখন যান্ত্রিক নৌযানের শব্দ আর মানুষের কোলাহল।

    বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা ভোলার উপকূলীয় বিচরণভূমিগুলো এখন পরিযায়ী পাখিদের জন্য হয়ে উঠেছে চরম অনিরাপদ। মানুষের সৃষ্ট এসব বহুমুখী সমস্যার কারণে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে কমছে এবং পাখিরা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করছে তাদের আবাসস্থল। এতে একদিকে যেমন শীতকালীন উপকূলীয় পরিবেশ তার সহজাত সৌন্দর্য হারাচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য হারাচ্ছে।

    ভোলার চর কুকরী মুকরী, ঢালচর ও মনপুরাসহ উপকূলের বিভিন্ন ডুবোচরগুলোতে হাজার হাজার অতিথি পাখির ডানা মেলে উড়ে চলা, দলবেঁধে খাবার সংগ্রহের প্রতিযোগিতা আর জলকেলি ছিল শীত মৌসুমের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু বর্তমানে সেসব চরের দৃশ্যপটে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।


    স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, চর কুকরী মুকরী, চর শাহজালাল, চর শাজাহান, চর পিয়াল, আইলউদ্দিন চর, চরনিজাম, দমার চর, ডেগরারচরসহ মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী প্রায় অর্ধশত নতুন চর একসময় পাখিদের 
    নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র ছিল। তীব্র শীত থেকে বাঁচতে এবং খাবারের সন্ধানে সুদূর সাইবেরিয়া বা হিমালয় অঞ্চল থেকে আসা এসব অতিথিদের কলতানে মুখর থাকত সাগরকূলের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। তবে মানুষের বসতি স্থাপন, কৃষি আবাদ বৃদ্ধি, পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত ঘোরাঘুরি এবং চরাঞ্চলগুলোকে গোচারণভূমি হিসেবে ব্যবহারের ফলে সেই মুখর পরিবেশ এখন স্তব্ধপ্রায়।
    চর কুকরী মুকরির নারিকেল বাগানের বাসিন্দা নিয়ামুল মাঝি ও তাড়ুয়ার ব্যবসায়ী মিজান খানসহ স্থানীয়রা জানান, দিনরাত যান্ত্রিক নৌযানের শব্দদূষণ এবং মানুষের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে পাখিরা এখন আর আগের মতো এসব চরে ভিড়ছে না।

    সম্প্রতি বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের রিসার্চ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ড. সায়াম ইউ. চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গত ১১ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা আট দিন উপকূলীয় এলাকায় পাখি শুমারি পরিচালনা করেছেন। এই দলটির সদস্যরা ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর প্রায় ৫৩টি চরে পাখি গণনার কাজ করেন।

    ড. সায়ামের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এবারের জরিপে উপকূলীয় মেঘনা মোহনার ৫৩টি স্থানে ৬৩ প্রজাতির মোট ৪৭ হাজার ১৫৭টি জলপাখির অস্তিত্ব রেকর্ড করা হয়েছে। এবারের শুমারিতে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ইউরেশিয়ান উইজিয়ন প্রজাতির পাখি, যার সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ১২টি। এছাড়া ব্ল্যাক-টেইলড গডউইট ৪ হাজার ৪৩৪টি এবং লেসার স্যান্ড প্লোভার ৩ হাজার ৯৬২টি শনাক্ত করা হয়েছে।

    এই জরিপে আরও দেখা গেছে, ভোলার মনপুরার কাছে চর আতাউর, ভাসান চরের কাছে জৈজ্জার চর এবং আন্ডার চরে জলপাখির সর্বাধিক ঘনত্ব বজায় ছিল। এর মধ্যে চর আতাউরে ৬ হাজার ৪৭৯টি, জৈজ্জার চরে ৫ হাজার ৮১৪টি এবং আন্ডার চরে ৪ হাজার ৯৮৭টি পাখি রেকর্ড করা হয়েছে। শুমারি দলটি বর্তমানে ঢাকায় ফিরে সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করছে এবং শীঘ্রই পাখি কমে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

    পাখি শুমারি দলের সদস্য ও বিশিষ্ট পর্বতারোহী এম এ মুহিত উপকূলের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এক সময় ভোলার উপকূলীয় অঞ্চলে বার-হেডেড গুজ বা রাজহাঁস জাতীয় পাখি হাজারেরও বেশি দেখা যেত, অথচ এ বছর সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ২০ থেকে ২৫টিতে। একইভাবে খয়রা চখাচখি ও গাঙচষা পাখির সংখ্যাও আগে হাজারের ঘরে থাকলেও এখন তা মাত্র শতকের ঘরে ঠেকেছে। সংখ্যায় কমে যাওয়া পাখিদের তালিকার মধ্যে আরও রয়েছে উত্তরে খুন্তেহাঁস, লেনজা হাঁস, ইউরেশিয়ান টিল, গ্যাডওয়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির সৈকত পাখি। এমনকি হাড়গিলা নামের পরিযায়ী পাখি যা আগে শত শত দেখা যেত, এ বছর শুমারি চলাকালে সেটির একটিরও দেখা মেলেনি। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান পাখিদের বসবাসের উপযোগীতা হারাচ্ছে।

    বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব, স্কোপ ফাউন্ডেশন এবং বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই শুমারিতে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান শুমারি দলের সদস্য নাজিম উদ্দিন প্রিন্স। তিনি বলেন, ভোলার পার্শ্ববর্তী চরগুলোতে পাখির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার পেছনে পাখি শিকারিদের উপদ্রব যেমন দায়ী, তেমনি নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ। এই কৃষিকাজের ফলে পাখিদের বিচরণভূমি সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
    শুমারি দলের আরেক সদস্য মো. ফয়সাল জানান, তাদের এই কার্যক্রম মূলত জলচর ও পরিযায়ী পাখি কেন্দ্রিক ছিল এবং প্রতিবছরই তারা আবাসস্থল নষ্ট হওয়া ও পাখি শিকারের মতো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করছেন।

    শুমারি দলের সঙ্গে পুরো সময় চরের অভয়াশ্রমগুলো পর্যবেক্ষণ করেছেন বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফা-তু-জো খালেক মিলা। তিনি বলেন, পরিযায়ী পাখিদের আশ্রয়ের জন্য জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত কাদাজলের চরগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এসব এলাকায় মানুষের আনাগোনা ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় পাখিরা ভীত হয়ে এলাকা ছাড়ছে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় অতি গুরুত্বপূর্ণ এই চরগুলোতে মানুষের অবাধ যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ ও সীমাবদ্ধ করার জন্য বন অধিদফতরের পক্ষ থেকে শীঘ্রই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

    লালমোহনে ভাঙারি গুদামে আগুন ৭ লাখ টাকার ক্ষতি

    ডেস্ক নিউজ:

    ভোলার লালমোহন উপজেলায় ভাঙারি গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে লালমোহন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কর্তারকাচারি মিয়ার হাট সড়ক সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে গুদামের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রতন ও দুলাল পরিকল্পিতভাবে তার ভাঙারি গুদামে আগুন দিয়েছে। আগুনে গুদামে থাকা সব মালামাল সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। এতে করে আমার প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রতন ও দুলাল বলেন, শত্রুতা থাকতেই পারে। তাই বলে কারো দোকানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো কাজ আমরা করিনি। তারা অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।

    লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার খোরশেদ আলম বলেন,  প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটতে পারে।

  • ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    তবে ওই জোটের অন্য শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে বহুল আলোচিত এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিমের সাথে নির্বাচনী লড়াইয় করবেন একই জোটের (১০ দলীয় জোটের) দুই প্রার্থী। তারা হলে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফজলুল করিম ও এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী। 

  • ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করছে।

    সোমবার  দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলছিল। এ সময় স্থানীয় বিএনপির একদল নেতাকর্মীর সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহত জামায়াত কর্মীদের অ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে নেওয়ার সময় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা কাজী হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কর্মী জামাল উদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা করছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রথমে জামাল উদ্দিনের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে খবর পেয়ে আমাদের অন্যান্য কর্মীরা পুলিশকে জানিয়ে আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা আবারও হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই হামলার ঘটনায় প্রশাসন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

    চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মালতিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।