ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

    ভাইয়ের লাশ নিতে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে মীর ওয়াসী

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটি আফগানিন্তানের নাগরিক হাশমত মোহাম্মাদির। লাশের ছবি দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আমেরিকা প্রবাসী ভাই মোহাম্মাদ ইরি। এবং ভাইয়েল লাশ নিতে লন্ডন প্রবাসি আর এক ভাই মীর ওয়াসী বাংলাশে এসেছেন।
    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, গত ১৩ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতি নদীতে একটি লাশ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবি ক্যাম্প ও মহেশপুর থানায় খবর দেয়।
    পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। পুলিশ ও পিবিআই লাশের পরিচয় সনাক্তের জন্য আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র খোঁজার চেষ্টা করে কিন্তু কোথাও ম্যাচ না করায় শেষ পর্যন্ত লাশটি বেওয়ারিশ হয়ে যায়।
    বেওয়ারিশ লাশটি দাফনের জন্য ঝিনাইদহ আন্জুমানে মফিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে। সংস্থাটি ১৪ এপ্রিল লাশটি দাফন করে ফেলে।
    এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া লাশের ছবি দেখে নিহত হাশমত মোহাম্মাদীর ভাই আমেরিকা প্রবাসি মোহাম্মাদ ইরা লাশটি তার ভাইয়ের বলে শনাক্ত করে। এসময় তিনি আমেরিকায় তার পরিচিত বাংলাদেশের বগুড়ার সন্তান আহসান এর সাথে যোগাযোগ করে। আহসান লাশটির অবস্থান সঠিকভাবে শনাক্ত না করতে পারলেও এটি যশোরের চৌগাছা সীমান্ত হতে পারে বলে অনুমান করেন। সেই হিসেবে তিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে চৌগাছা হাসপাতালের ডাক্তার সাইদুর রহমান ইমনের সাথে যোগাযোগ করেন। ডা. ইমন তাকে সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। নিহতের ভাই জানান, তার ভাই হাশমত সর্বশেষ ইটালিতে বসবাস করতো। সে ইটালির পার্সপোর্ট নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আংটির পাথরের ব্যবসা করতো।
    সর্বশেষ ১০ এপ্রিল (০১৭৯০৮৫১৭৮৫ / +৯১৯৩৩০০৮৫৮৫৩) মোবাইল নম্বরে তার ভাইয়ের সাথে কথা হয় বাংলাদেশের দালাল কথিত মাসুদ নামের একজনের মাধ্যমে। সে জানায় তার ভাই বাংলাদেশের ভারত সীমন্তে আছে। ১১ তারিখে হাসমত তার আমেরিকা প্রবাসি ভাইকে জানায় সে বাংলাদেশ সীমন্তে ইছামতির নদীর পাশে অবস্থান করছে।
    মোহাম্মদ ইরা আরো জানান এরপর থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারা এসময় মাসুদের ফোনও বন্ধ পায়। কয়েকদিন পর মাসুদের সাথে তার একবার কথা হয় মাসুদ তাকে জানায় আপনার ভাই মারা গেছে বাংলাদেশে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন। এসময় মাসুদ তার মোবাইল ফোন থেকে মৃতদেহের দুটি ছবিও পাঠায়। এরপর থেকে তার সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি।
    পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল আমেরিকা প্রবাশি বাংলাদেশী আহসানের মাধ্যমে হাশমত মোহাম্মাদির ভাইয়ের সাথে এব্যাপারে কথা হয়। আহাসন ইন্টারনেটের মাধ্যমে চৌগাছা সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। হাসপাতালের ডা. ইমন সাংবাদিক রহিদুল খানের মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে নিহতের ভাই রহিদুল খানের সহযোগিতায় মহেশপুর থানার এসআই টিপু সুলতানের সাথে কথা বলে লাশটি তার ভাইয়ের বলে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করেন।
    এর পরে তিনি ২৪ এপ্রিল শুক্রবার লন্ডন থেকে ভাইয়ের লাশ নিতে বাংলাদেশে পৌছান লন্ডন প্রবাসি মির ওয়াসি। মির ওয়াসির সাথে তার স্ত্রী জহুরা হাসমিও বাংলাদেশে এসেছেন।
    এদিকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া লাশ নিয়ে পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হয়। নউজ প্রকাশ হওয়ার পরে প্রশাসনের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করে।
    মীর ওয়াসী ঢাকা এসেই সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান এর সাথে যোগাযোগ করে। রহিদুল খানের দেওয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ি তারা পরবর্তীতে মহেশপুর থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।
    এসময় ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফসহ সাংবাদিক বাবুল আক্তার, আসুদুজ্জামান, আজিজুর রহমান, ডিজিএফআইরে সদস্য ও ডিএসবির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তাদেরকে লাশ নেওয়ার প্রক্রিয়াগুলো বলেন।
    এবং তাদেরকে আফগান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিলে তারা শুক্রবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

     

     

  • ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

     

    ইরানি বাহিনীর অতর্কিত হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা ও এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে এনবিসি নিউজ।
    কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে বলেছেন, জনসমক্ষে এখন পর্যন্ত ধ্বংসের পরিমাণ যা জানানো হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তা অনেক বেশি এবং এসব মেরামতের জন্য শত শত কোটি ডলার খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার শুরু করলে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। অন্তত সাতটি দেশে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। অস্ত্রভাণ্ডার থেকে শুরু করে কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপনের কেন্দ্রে হামলা চালায় তেহরানের বাহিনী।

    ইরানের হামলায় এসব দেশের রানওয়ে, রাডার সিস্টেম, এমনকি যুদ্ধবিমানও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পুরাতন একটি এফ-৫ যুদ্ধবিমান যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।

    তবে ইরানের হামলায় কী পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য জানায়নি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড।

    ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তুলে না ধরায় ইতিমধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রিপাবলিকান নেতা। এদিকে পেন্টাগন মার্কিন কংগ্রেস থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার অর্থ চেয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন বাহিনীর ব্যয় হয়েছে ১১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য দেড় ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা জানান।

  • মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে হত্যা

    মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে হত্যা

    নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিম আফ্রিকার জান্তা-শাসিত দেশ মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও ক্যামারাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর সমন্বিত হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাটির গ্যারিসন শহরে প্রথমে সাদিওর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এর একদিন পরেই সাদিও ক্যামারার নিহত হওয়ার খবর এলো।

    এর আগে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মালি জুড়ে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে বন্দুকধারীরা। রাজধানী বামাকোসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চলছে বলে দেশটির সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে।

    হামলায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী জড়িত রয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো বামাকোতে সেনা ব্যারাকে এবং অন্যান্য সেনাশাসিত অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে।
    বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মালির সবখানে গোলাগুলি চলছে।

    মালি বর্তমানে জেনারেল আসসিমি গোইতার নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জান্তা দ্বারা শাসিত হচ্ছে। ২০২০ সালে তিনি একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রথম মালির ক্ষমতা দখল করেন।

  • জাতীয় সংসদে নিজের নিরাপত্তা চাইলেন এমপি

    জাতীয় সংসদে নিজের নিরাপত্তা চাইলেন এমপি

    নিউজ ডেস্ক:

    জাতীয় সংসদে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চাইলেন নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাসুদ মোস্তফা। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ নিরাপত্তা চান।

     মাসুদ মোস্তফা বলেন, ‘গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের আতকাপাড়া পেট্রোল পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখে সেখানে খোঁজ-খবর নিতে গেলে বিএনপির নামধারী কিছু সন্ত্রাসী তার ওপর হামলা চালায় এবং গাড়ি ভাংচুর করে। এ সময় তারা পাশের মসজিদে গেলে সেখানেও ঘেরাও করে তিনি ও তার নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। মসজিদের দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়। সেখানে পেশাদার সন্ত্রাসী নিয়ে আসা হয় এবং আমাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় মামলায় নয়জনকে আটক করলেও তাদের একজন মাত্র তালিকাভুক্ত আসামি। বাকিরা নিরীহ লোক।’

    মাসুদ মোস্তফা এ সময় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও তাদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন।

    এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা সবাই দুঃখিত। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই নয়জন গ্রেফতার হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দাষীদের উপযুক্ত বিচারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’ এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক। পুরো সংসদই এ ব্যাপারে একমত। আপনি ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করুন।’

  • ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার : চিরকুটে শিক্ষকের নাম, আটক ২

    ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার : চিরকুটে শিক্ষকের নাম, আটক ২

    নিউজ ডেস্ক:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে এক শিক্ষক ও এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করেছে পুলিশ।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডা থানা পুলিশ উত্তর বাড্ডা পূর্বাচল উদয়ন ম্যানশন ১০ নম্বর লেনের ৫৯০ নম্বর বাড়ির নবম তলা থেকে লাশটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    নিহতের নাম মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। মাদারীপুর জেলার শিবচর থানা ডাইয়ারচর গ্রামের মো: গোলাম মোস্তফার মেয়ে ছিলেন তিনি।

    বাড্ডা থানা উপপরিদর্শক (এসআই) মোসা: ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উত্তর বাড্ডার ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ‘

    তিনি আরো বলেন, ‘সবার অজান্তে নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে জানিয়ে পরিবারের লোকজন থানায় ফোন দিলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করি।’ নিহতের মা তাহামিনা আক্তার জানান, ‘জানতে পেরেছি যে আমার মেয়ের লাশের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নোটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভাল থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।’

    নিহত শিক্ষার্থীর সুইসাইড নোটে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুদীপ চক্রবর্তী এবং এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীর নাম উল্লেখ থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ আজ দুপুরে  জানান, মিমোর লাশ বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তিনি নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিরকুটে তিনি একজন শিক্ষক ও একজন সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন। ত্রিকোণ প্রেমের জটিলতায় মেয়েটি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে নিজের ধারণার কথা জানান এ শিক্ষক।

  • ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারী কীভাবে ঢুকেছিলেন, বলরুমে কী ঘটেছিল

    ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারী কীভাবে ঢুকেছিলেন, বলরুমে কী ঘটেছিল

    নিউজ ডেস্ক:

    হোয়াইট হাউসে সংবাদ সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের নৈশভোজের আয়োজন যে হোটেলে করা হয়েছিল সেটি ওয়াশিংটন ডিসিতে। হোটেলের ভেতরের একটি বলরুমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাঁর স্ত্রী ও অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারাও যোগ দিয়েছিলেন। এমন একটি অনুষ্ঠানে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হোটেলে বন্দুক কীভাবে ঢুকল- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

    উপস্থিত থাকা অতিথিরা জানিয়েছেন, বলরুমের বাইরে একটি মেটাল ডিটেক্টর বসানো ছিল। কিন্তু হোটেলের প্রবেশ পথ বা এর আগে কোনো তল্লাশির ব্যবস্থা ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি যে চেকপয়েন্ট পেরিয়ে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, সেটি বলরুমের একেবারে বাইরে ছিল। মার্কিন অ্যাটর্নি জিনিন পিরো বলেন, ‘ওই চেকপয়েন্ট সক্রিয় থাকায় কেউ আহত হননি।’

    ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে হোটেলের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে তিনিই বলেন, ‘বন্দুকধারী বলরুমে প্রবেশ করতে পারেনি। সেটি অত্যন্ত নিরাপদ ছিল।’

    অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    হোটেলটিতে বন্দুকধারী বন্দুক নিয়ে কীভাবে ঢুকেছিলেন সেটির প্রাথমিক ধারণা দিয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেফ ক্যারল। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বন্দুকধারী কীভাবে হোটেলে ঢুকলেন এবং সেখানে (বলরুমের কাছে) পৌঁছালেন, তা বোঝার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হবে।

    সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল হিলটন হোটেলের অতিথি ছিলেন। তবে কখন চেক-ইন করেছিলেন বা তাঁর কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে কী পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে ক্যারল বিস্তারিত জানাননি। তিনি উল্লেখ করেন, নৈশভোজের জন্য নির্ধারিত বলরুমের বাইরে একটি নিরাপত্তা চেকপয়েন্টে সন্দেহভাজন বন্দুকধারীর কাছে থেকে একটি শটগান, হ্যান্ডগান এবং একাধিক ছুরি পাওয়া গেছে।

    বলরুমে কী হয়েছিল?
    এএফপির সাংবাদিক ও অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের বার্ষিক এই নৈশভোজে স্বাগত বক্তব্যের পরপরই গুলির শব্দ শোনা যায়। সঙ্গে সঙ্গে সশস্ত্র নিরাপত্তা টিম মঞ্চে অবস্থান নেয়। মঞ্চে তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বসেছিলেন। নিরাপত্তা দলের সদস্যরা তাদের দ্রুত সরিয়ে নেন।

    আতঙ্কে বলরুম ছেড়ে যান অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    আতঙ্কে বলরুম ছেড়ে যান অতিথিরা। ছবি: এএফপি

    বলরুমে উপস্থিত কয়েক’শ অতিথি টেবিলের নিচে আশ্রয় নেন। পরে অনুষ্ঠান স্থগিত ঘোষণা করা হলে তারা হোটেলের লবিতে এবং সেখান থেকে বাইরে বেরিয়ে যান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা অনুষ্ঠানের অতিথি আহত হননি।

    গুলির ঘটনা যেভাবে ঘটল
    কর্তৃপক্ষ জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৬ মিনিটে একজন বন্দুকধারী বলরুমের ঠিক বাইরে হোটেলের লবিতে থাকা নিরাপত্তা চেকপয়েন্টের কাছে যান। তিনি জোর করে চেকপয়েন্ট পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি চেকপয়েন্টে হামলা চালাচ্ছে এবং পুলিশ তাঁকে ঘিরে ধরছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলির পর তাঁকে আটক করে। তবে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হননি। পর্যবেক্ষণের জন্য তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার আদালতে তোলা হবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হোটেলে অতিথি হিসেবে থাকা এই ব্যক্তিই ঘটনার একমাত্র সন্দেহভাজন।

    বন্দুকধারী গুলি করার পর সতর্ক অবস্থানে নিরাপত্তা দলের সদস্যরা। ছবি: এএফপি

    বন্দুকধারী গুলি করার পর সতর্ক অবস্থানে নিরাপত্তা দলের সদস্যরা। ছবি: এএফপি

    মার্কিন অ্যাটর্নি জিনিন পিরো জানান, সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথমটি সহিংস অপরাধে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার এবং দ্বিতীয়টি, বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে ফেডারেল কর্মকর্তার ওপর হামলা।

    সন্দেহভাজন ব্যক্তি কে?
    ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি পোস্ট করেছেন। এতে দেখা গেছে, হোটেলের লবির কার্পেটে খালি গায়ে উপুড় হয়ে আছেন এক ব্যক্তি। তাঁর হাত পেছনে বাঁধা। কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেনি। তবে একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম কোল টমাস অ্যালেন (৩১)। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার টরান্স শহরের বাসিন্দা।

    সন্দেহভাজনের ছবি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

    সন্দেহভাজনের ছবি ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

    এএফপির একজন আলোকচিত্রী জানান, স্থানীয় সময় শনিবার রাতেই এফবিআই এজেন্টদের টরান্সের একটি বাড়ির বাইরে দেখা গেছে। লিংকডইনে ‘কোল অ্যালেন’ নামে একটি প্রোফাইলে এমন এক ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে, তাঁর চেহারা ট্রাম্পের পোস্ট করা ব্যক্তির মতোই। লিংকডইনের অ্যাকাউন্টধারী কোল অ্যালেনের পরিচয় হিসেবে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট, গেম ডেভেলপার ও শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসকে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি জানিয়েছে, কোল অ্যালেন নামে একজন ২০১৭ সালে সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন।

  • ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহার করা বিমান ঘাঁটিতে আগুন

    ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহার করা বিমান ঘাঁটিতে আগুন

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহিনী যুক্তরাজ্যের যে ঘাঁটি ব্যবহার করেছে, সেখানে আগুন লেগেছে। স্থানীয় সময় রোববার ভোরের দিকে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

    আগুনে কেউ হতাহত হননি এবং কোনো আরএএফ বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত একটি পুরনো পরিত্যক্ত ভবনে। সেখানে মার্কিন বিমানবাহিনীর সরঞ্জামের কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

    একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘাঁটির কমিসারি ভবন থেকে ধোঁয়া উড়ছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সাধারণত কমিসারি হিসেবে পরিচিত দোকান থেকে খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। ঘটনাস্থলের অন্য ছবিতে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর সময় ভবনটির ছাদ ধসে পড়েছে।

    যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ার ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের একজন মুখপাত্র বলেন, কর্মীরা ফেয়ারফোর্ড এলাকার একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন নেভাতে গেছেন। ধোঁয়ার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের দরজা-জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না’

    ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না’

    নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরানের সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কোনো অবস্থাতেই তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে না।  রোববার (২৬ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এটি সরাসরি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে আসা একটি সুনির্দিষ্ট আদেশ।

    বক্তব্য চলাকালীন নিকজাদ উল্লেখ করেন, বিপ্লবের নেতার নির্দেশ অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির বর্তমান রুদ্ধ অবস্থা বজায় রাখা হবে। উল্লেখ্য, মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত জনসম্মুখে আসেননি বা কোনো প্রকাশ্য ভাষণ দেননি।

    হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মানদাবকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে নিকজাদ বলেন, যুদ্ধের এটি একটি ঐশ্বরিক আশীর্বাদ যে আমরা বুঝতে পেরেছি—যদি আমরা হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মানদাবের কণ্ঠনালীতে পা দিয়ে চেপে ধরি, তবে বিশ্ব অর্থনীতির ২৫ শতাংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।ইয়েমেন ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী বাব আল-মানদাব প্রণালীটিও বিশ্ব নৌ-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

    চলতি বছরের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে আসা প্রথম বার্তাতেই এই প্রণালি বন্ধ রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। তার এই অবস্থান বিশ্ব বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

    বর্তমানে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের একটি অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এই সমুদ্রপথটি। ইরানের এই নতুন অবস্থান বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও দীর্ঘস্থায়ী সংকটের দিকে ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • ইরানে আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন

    ইরানে আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের চাহারবাগ শহরের আঘদাসিয়েহ এলাকায় একটি আঠা কারখানায় ভয়াবহ আগুন লেগেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও দেশটির অফিসিয়াল সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য জানিয়েছে। শনিবার এ আগুন লাগে।

    কারখানায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর চাহারবাগ ও আশপাশের শহর থেকে ফায়ার ফাইটার বাহিনী ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

    চাহারবাগের সিটি কর্তৃপক্ষ আইআরএনএকে বলেছেন, দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

    এখন পর্যন্ত আগুনের কারণ এবং হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তীব্র প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

  • জাপানে ভয়াবহ দাবানল, নিয়ন্ত্রণে হাজারের বেশি কর্মী মোতায়েন

    জাপানে ভয়াবহ দাবানল, নিয়ন্ত্রণে হাজারের বেশি কর্মী মোতায়েন

    নিউজ ডেস্ক:

    জাপানের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি ১,৪০০ জন দমকলকর্মী এবং ১০০ জন সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স সদস্য মোতায়েন করেছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা পঞ্চম দিনের মতো আগুন জ্বলতে থাকায় এটি একটি সুন্দর উপকূলীয় শহরের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সকাল পর্যন্ত আগুনে পুড়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ ১ হাজার ৩৭৩ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এ পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় ৭ শতাংশ বেড়েছে। এই আগুন প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত ওৎসুচি শহরের আবাসিক এলাকাগুলোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ২০১১ সালের মার্চ মাসের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে শহরটি তার প্রায় এক-দশমাংশ জনসংখ্যা হারিয়েছিল।

    এলাকাটি থেকে বর্তমানে ১ হাজার ৫৪১টি পরিবার বা মোট ৩ হাজার ২৩৩ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংখ্যা ওৎসুচির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।ওৎসুচির মেয়র কোজো হিরানো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু শুষ্ক আবহাওয়া ও বাতাস আগুনকে আরও ছড়িয়ে দিচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োশিনোরি কোমাতসু আগুনে সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দূরে হেলিকপ্টার থেকে পানি ফেলার দৃশ্য দেখতে দেখতে তিনি বলেন, “আগুন সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। সুনামির পরেও কিছু না কিছু অবশিষ্ট থাকতে পারে, কিন্তু আগুন কিছুই রাখে না।”

    জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মাত্র একজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, রোববার ও সোমবার ওই অঞ্চলে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, তবে মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি হতে পারে।