ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।নওগাঁর রাণীনগরে চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে (৪০) গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।

    মামলার বরাত দিয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

    পরে ওই শিশু বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। এছাড়া শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে শিশুর পরিবারের লোকজন থানায় এসে আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, গ্রেফতার রাজ্জাককে শুক্রবার (৮ মে) আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এ, আর
  • চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)

    যশোরেরচৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যশোরের চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

    জানা যায়, ২০০৪ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চৌগাছা শহরকে পৌরসভায় উন্নিত করা হয়। নতুন হলেও খুব দ্রুত পৌরসভার সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ২০২২ সালের পর থেকে এ শহরের সড়কসহ সকল উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ে। পরে অন্তবর্তী সরকারের সময় ও পৌরসভার সকল উন্নয়ন কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান সরকারের মেয়াদ কয়েক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত পৌরসভার উন্নয়ন কাজে কোনো গতি আসেনি।

    চৌগাছা পৌরসভায় মূলত চারটি বড় ও ব্যস্ত সড়ক রয়েছে। এ সড়ক গুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এগুলো হলো চৌগাছা কোটচাঁদপুর সড়ক, চৌগাছা মহেশপুর সড়ক, চৌগাছা শার্শা সড়ক ও চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়ক। এ সব সড়কের পৌরসভার বাইরের অংশটুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সংস্কার করলেও পৌরসভার অংশটুকু চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন আর প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

    পৌরবাসী সড়ক সংস্কারের দাবি নিয়ে পৌরকর্তৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ চারটি সড়ক ছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সড়ক, বেড়বাড়ি পাঁচনামনা সড়ক, বাকপাড়া সড়ক, বিশ্বাসপাড়া সড়ক, কারিগর পাড়া সড়কসহ পৌর এলাকার প্রায় ৯৫ শতাংশ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক।

    পৌর শহরের বাসিন্দা পাশাপোল কলেজের ইংরেজী প্রভাষক আজিজুর রহমান বলেন, ‘পৌর শহরের রাস্তাঘাটের এই বেহাল অবস্থার কারণে পৌরবাসীর চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছোট-বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা।’

    স্থানীয় সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে অনেক রিপোর্ট করা হয়েছে, যেখানে পৌরবাসীর ক্ষোভ ও অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, ‘পৌরসভার রাস্তাগুলো নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। কি কারণে এসব রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়। আমার বাসায় যাওয়ার রাস্তাটাও একেবারে ভেঙেচুরে গেছে।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, ‘পৌরসভার সড়কগুলো চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে গেছে। আমাদের দাবি অতি দ্রুত সড়কগুলো মেরামত করা হোক।’

    পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলো

    কোন সময়ই এত খারাপ ছিল না বর্তমানে পৌরবাসী চলাচলে চরম সমস্যার মধ্যে আছে। রাস্তাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার হওয়া দরকার।’

    সাবেক প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভায় এখন নির্বাচিত মেয়র না থাকায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। যেকারণে রাস্তাঘাটসহ কোনো সেক্টরই ঠিকঠাকমতো চলছে না।’

    তিনি অতিদ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের দাবি জানান।

    এ ব্যাপারে চৌগাছা পৌরসভার প্রকৌশলী রুহুল আমিন জানান, পৌর প্রশাসক মহোদয় দীর্ঘদিন যাবত না থাকায় আমরা কোনো কাজ করতে পারছি না। সম্প্রতি প্রশাসক যোগদান করেছেন এবার রাস্তাগুলো সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    চৌগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার নয়া প্রশাসক জি এম এ মুনীব বলেন, ‘আমি সবেমাত্র এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আশা করছি পর্যায়ক্রমে অতিদ্রুত পৌর শহরের সড়কসহ সকল উন্নয় কাজ শুরু করা হবে।’

    সকল উন্নয়ন কাজে পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    এ, আর

  • মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা :

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে মেহেরপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে টহল কার্যক্রম।

    চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান মুঠোফোনে জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেহেরপুর সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার করেছি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহজনক চলাচল দ্রুত শনাক্ত করা যায়। এছাড়া সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) থেকে দিন-রাত নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা সহিংসতার আশঙ্কা এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
    সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলায় মোট ৬৫ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবির বিওপি ক্যাম্প রয়েছে ১৮ টি।

    এমকে

  • পে-স্কেলে বৈশাখী ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ

    পে-স্কেলে বৈশাখী ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় বেতন কমিশনের নতুন সুপারিশে সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য আসছে বড় সুখবর। প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলে কিছু পেনশনধারীর মাসিক পেনশন প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাব হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে বৈশাখী ভাতা ও টিফিন ভাতার হারও।

    জানা গেছে, যাদের মাসিক ২০ হাজার টাকার কম, তাদের পেনশন ১০০ শতাংশ বা দ্বিগুণ করার সুপারিশ করেছে কমিশন। এছাড়া ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেলেও নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য প্রচলিত মাসিক ২০০ টাকা টিফিন ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষা ভাতার ক্ষেত্রেও ১ হাজার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে মাসিক ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব এসেছে।

    প্রথম ধাপে আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল বেতনের একটি অংশ কার্যকর করার জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছে অর্থ বিভাগ। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনায় নিয়ে ভাতাগুলো ২০২৮-২৯ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন গত জানুয়ারিতে এসব সুপারিশ সম্বলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এই সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকে তিন ধাপে এই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।

    বি/ এ

  • হাম উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজশাহী বিভাগে ২ জন ছাড়াও বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন করে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৮৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৩৮ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ২০৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩১ হাজার ৯১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৮ হাজার ২৩৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    বি/ এ

  • প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রাথমিকের আওতায় নিয়ে আসা হবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, তবে এই মুহূর্তেই আমরা এই কার্যক্রমটি শুরু করছি না কারণ হলো আমাদের নিজেদেরও গোছানোর আছে। গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। তাই অনেক মেরামতের কাজ আছে। এই মেরামতের কাজগুলো হাতে নেওয়ার অগে আরও বড় বড় দায়িত্ব হাতে নেওয়া খুব মুশকিল।

    তিনি আরও বলেন, তাই আমরা আগে একটা একটা করে মেরামতের চেষ্টা করছি। তবে এটুকু নিশ্চিত করছি আগামী দিনগুলোতে আন্ডার টেন ইয়ার ওল্ড সব এডুকেশন আমরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনব মানে সিমিলার কারিকুলাম স্ট্যান্ডার্ড, সিমিলার স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে আসার কাজ করছি এবং আগামীতে এটা হবে ইনশাআল্লাহ।

    বি/ এ

  • পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারো স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদ্য প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) রিপোর্টে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সংখ্যক নবনির্বাচিত বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিধায়কদের (সংসদ সদস্য) সম্পত্তির পরিমাণও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এডিআরের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্লেষণ করা ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে প্রায় ৫৮ শতাংশ, অর্থাৎ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধমূলক মামলা বিচারাধীন। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১৩। সব মিলিয়ে ১৯০ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো না কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যা মোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

    এডিআর জানিয়েছে, গুরুতর ফৌজদারি মামলা বলতে এমন অপরাধ বোঝানো হয়েছে, যার সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর বা তার বেশি, অথবা যেগুলো অজামিনযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্নীতি এবং সরকারি তহবিল সংক্রান্ত অপরাধ।

    রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ১৪ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রয়েছে। ৫৪ জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নারী সংক্রান্ত অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা ৬৩। এদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ২০২৬ সালের দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা বিজেপির ২০৬ জন বিধায়কের মধ্যে ১৪১ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে, যা প্রায় ৬৮ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ২৫ জন, অর্থাৎ প্রায় ৩১ শতাংশের বিরুদ্ধে এমন মামলা রয়েছে।

    এডিআর আরো জানিয়েছে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী), অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সব জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই গুরুতর মামলা রয়েছে। তবে কংগ্রেসের দুই জয়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা নেই।

    অপরাধমূলক মামলার পাশাপাশি বিধায়কদের সম্পত্তির পরিমাণও নজর কেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৯২ জনের মধ্যে ১৭৮ জন বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ এক কোটির বেশি। বর্তমানে সব বিধায়কের মোট ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ১ হাজার ৯১ কোটি টাকা। গড় সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৭ কোটি টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২ দশমিক ৫ কোটি।

    দল অনুযায়ী সম্পত্তির গড় হিসাবেও পার্থক্য দেখা গেছে। তৃণমূল বিধায়কদের গড় সম্পত্তি ৫ দশমিক ৩ কোটি টাকা, বিজেপির ক্ষেত্রে তা ২ দশমিক ৯ কোটি। অন্যদিকে কংগ্রেসের দুই বিধায়কের গড় সম্পত্তি সবচেয়ে বেশি ১৭ দশমিক ৯ কোটি টাকা।

    রিপোর্টে বিজেপি নেতা দিলিপ সাহার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ সম্পত্তির ঘোষণা করেছেন, যার পরিমাণ ৪৩ কোটিরও বেশি। এছাড়া, টিএমসির জাকির হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ ১৩৩ কোটিরও বেশি বলে অন্য রিপোর্টে উঠে এসেছে।

    পুনর্নির্বাচিত ১০২ জন বিধায়কের সম্পত্তির হিসাব বিশ্লেষণ করে এডিআর জানিয়েছে, তাদের গড় সম্পত্তি ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে যেখানে গড় সম্পত্তি ছিল ২ দশমিক ৩ কোটি টাকা, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮ কোটি টাকায়।

    নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছবি উঠে আসেনি। ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ৩৭ জন মহিলা, যা মোটের মাত্র ১৩ শতাংশ। আগের বিধানসভায় এই হার ছিল ১৪ শতাংশ।

    শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নানা চিত্র উঠে এসেছে। এডিআর জানিয়েছে, ৬৩ শতাংশ বিধায়কের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা তার বেশি। ৩২ শতাংশের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মধ্যে। এছাড়া একজন বিধায়ক নিজেকে নিরক্ষর বলে ঘোষণা করেছেন।

    এডিআরের এই রিপোর্ট রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একদিকে যেমন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কদের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে তেমনই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় আরো কড়াকড়ি আনা এবং অপরাধমূলক পটভূমি থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে ভোটারদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

  • ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    ভারতের বিরুদ্ধে আবারও তীব্র ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তোমাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না।’

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

    ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতের বিরুদ্ধে এই কঠোর বক্তব্য দেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান নৌবাহিনীর উপপ্রধান (অপারেশনস) রিয়ার অ্যাডমিরাল শাফাআত আলী এবং বিমানবাহিনীর উপপ্রধান (প্রকল্প) এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী।

    গত বছরের ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলা থেকে শুরু করে পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ এবং ১০ মে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সামরিক উত্তেজনার যে অধ্যায় শেষ হয়, পাকিস্তান সেটিকে ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে।

    এদিনের সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই আহমেদ শরিফ চৌধুরী দেশবাসীকে ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তির শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে এবং বহু-মাত্রিক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শত্রুকে পরাজিত করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আজ আমরা কী হয়েছিল তা নিয়ে খুব বেশি কথা বলব না। বরং ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময় নিয়ে বেশি আলোচনা করব’।

    তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের ‘কৌশলগত পরিণতি’ তুলে ধরা হবে।

    আইএসপিআর প্রধান বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর ১০টি কৌশলগত পরিণতি রয়েছে। এর প্রথমটি হলো— পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে উপস্থাপনের ভারতীয় বয়ান ‘সমাধিস্থ’ হয়েছে। তার ভাষায়, কোনও প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে ভারতে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পেহেলগাম ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও পাকিস্তানের তোলা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও মেলেনি।

    তিনি প্রশ্ন করেন, ‘(পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার) প্রমাণ কোথায়?’। এরপর তিনি বলেন, ‘কেউ এটা বিশ্বাস করে না। সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না’। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কৌশলগত পরিণতি হলো— পুরো অঞ্চলে পাকিস্তানের ‘নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার প্রধান শক্তি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা দূত হলো পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্ব।’

    তৃতীয় কৌশলগত পরিণতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, ‘ভারতীয় সামরিক নেতৃত্বের রাজনীতিকরণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সামরিকীকরণ’ ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘ওদের সামরিক বাহিনী আগে পেশাদার ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন তা রাজনীতিকরণ হয়েছে।’

    আইএসপিআর প্রধান আরও বলেন, ভারতীয় রাজনীতিকদের বক্তব্য দেখে মনে হয় তারা ‘যুদ্ধবাজ’। তার মতে, সামরিক বাহিনীর রাজনীতিকরণ এবং রাজনীতির সামরিকীকরণ ‘বিপজ্জনক’।

    তিনি দাবি করেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যার মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘু ও কাশ্মীরিদের দমন-পীড়ন। তার ভাষায়, ‘এটি এক ধরনের ভ্রান্ত শ্রেষ্ঠত্ববোধ ও অহংকার থেকে আসে’। তিনি বলেন, ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে চায় না। তাই তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে যে— দেশটি ভারতে সন্ত্রাসবাদে জড়িত।

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় যে সেখানে জনসংখ্যার চিত্র বদলে দেয়া হবে’। তিনি আবারও অভিযোগ করেন, ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে। এমনকি নিজেদের দেশেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর অন্যদের দোষারোপ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে ভারত কীভাবে এসব ভণ্ডামিপূর্ণ কাজ করে। পঞ্চম কৌশলগত পরিণতি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভারতীয় গণমাধ্যমের আসল চেহারা এবং তাদের তথ্যযুদ্ধের ব্যর্থতা’ প্রকাশ পেয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের বিভিন্ন পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে গিয়েছিল। এরপর অক্টোবর মাসে পাকিস্তান প্রতিবেশী আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালায়। এর পর ঘটনাগুলো কমে আসে বলে দাবি করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ভারতের ভূমিকা রয়েছে এবং আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হকে শিক্ষা পাওয়ার পর ভারত কাকে ফোন করেছিল, দেখেছেন? আফগান তালেবান সরকারের তথাকথিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে।’

  • পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

    পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন। তিনি ফিতা কেটে ও ধান-চাল মাপার মাধ্যমে এই সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে এক হাজার ২০০ টন ধান এবং উপজেলার একটি অটোরাইসমিলসহ নয়টি হাসকিং মিল থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে দুই হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আক্তার জানান, বর্তমানে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সারাদেশের ন্যায় এ উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে মানসম্মত ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান এবং চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিনে তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর মৌসুমের শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে সারাদেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হাওর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।’ দলীয় নেতাকর্মীদেরকে কৃষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ,আর

  • নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষির দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর অডিও দুটি ফাঁস হয়। পরে রাতেই অভিযুক্ত এসআই মো. আবু হানিফকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া অডিও আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা বডি স্প্রে, শ্যাম্পু, অলিভ অয়েলসহ বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করে। এ সময় পিকআপের চালক নাজিরপুরের শিংপুর এলাকার মো. নাছিম (২৩) ও তাঁর সহকারী সেইচাহানি গ্রামের মনির হোসেনকে (২১) আটক করা হয়। পরে ওই দুই যুবক ও মূল হোতা উপজেলার রাজনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফ ও চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সুপার স্যার দেখছেন। এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। চোরাই পণ্যের মালিক জসিম মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ এসব ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন ওসি।

    এআর/এনআর