ক্যাটাগরি সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে একসময় বর্ষার পানি নামতে শুরু করলেই গ্রামের জলাশয়ে সারি সারি বাঁশের কঞ্চি আর পাটখড়িতে বাঁধা বড়শি পুঁতে রাখতেন জেলে ও কৃষকেরা। নল বড়শি নামে পরিচিত মাছ ধরার এই চিরায়ত পদ্ধতি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। আধুনিক জাল-ফাঁদের প্রসার আর জলাশয় হারানোর ফলে গ্রামীণ জীবনের এই পরিচিত দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা কিংবা শরৎকালে শুকনো পাটখড়ি বা চিকন বাঁশের কঞ্চিতে সুতা ও বড়শি বেঁধে জলাশয়ে গেঁথে রাখা হতো। বাড়তি খরচ ছিল না, জটিল কোনো সরঞ্জামেরও প্রয়োজন পড়ত না। এই সহজ পদ্ধতিতে শোল, বোয়াল, টাকি, আইড়সহ নানা দেশি মাছ ধরা যেত।

    ফুলবাড়ীর পশ্চিম ফুলমতি বারোমাসিয়া নদীর মাছ ব্যবসায়ী আজিবর রহমান জানান, তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় কয়েক ডজন নল বড়শি বসান। ভোরে তুলে দেখেন কোনদিন একটা মাছ পান, কোনদিন একটাও না। নল বড়শি আর নেট জাল দিয়ে কোনোরকমে সংসার চলে তার।

    সীমান্তঘেঁষা কুরুষাফেরুষা এলাকার কৃষক ধীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, কমপক্ষে বিশ বছর পর নল বড়শির কথা শুনলেন। আগে দোলায় করে নিয়ে গিয়ে মাছ তুলতেন। এখন খাল-ডোবা নেই, মাছ নেই — নল বড়শি এখন ইতিহাস।

    আরেক কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, ছোটবেলায় শত শত নল বড়শি নিয়ে বের হতেন। চ্যাং, চ্যাংটি, শোল, মাগুর — কত দেশি মাছ ধরতেন। এখন সেসব নেই বললেই চলে।

    ফুলবাড়ী উপজেলার ধরলা, বারোমাসিয়া ও নীলকমল নদী এবং শিমুলবাড়ী ও ভাঙ্গামোড় অঞ্চলের বিল-খালে একসময় নল বড়শির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও মাছের সংকটে এখন তা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে। নতুন প্রজন্মের অনেকে এই নামই শোনেনি।

  • এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম

    এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নতুন চেয়ারম্যান পদে যোগদান করেছেন মো. আমিনুল ইসলাম।

    সোমবার (৪ আগস্ট) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনটিআরসিএর অফিসে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    এর আগে ২৭ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ পদে নিযুক্ত করা হয়। মো. আমিনুল ইসলাম এর আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে: মাহফুজ আলম

    ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে: মাহফুজ আলম

    নিউজ ডেস্ক:

    ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

    এদিকে মাহফুজ আলমের এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিভিন্নজন তার পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ‘ফ্যাসিবাদ থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে আইনজীবীদের ভূমিকা: আলোচনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে, যার ইঙ্গিত ভালো নয়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সবাই একতাবদ্ধ ও সতর্ক না থাকলে দেশে আরেকটি এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি অসম্ভব নয়।

  • খেজুর খাওয়া নিয়ে হাদিসে যা বলা হয়েছে

    খেজুর খাওয়া নিয়ে হাদিসে যা বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    খেজুর পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। শুধু পুষ্টি নয়, এর রয়েছে নানা রকম ওষুধি গুণও। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, খেজুর খেলে শরীরে নানা উপকার হয়। তবে শুধু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতেই নয়, হাদিসেও খেজুরের উপকারিতার কথা বহুবার উঠে এসেছে।

    বিশেষ করে মদিনার ‘আজওয়া খেজুর’ নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একাধিক বর্ণনায় এসেছে আশ্চর্যজনক সব উপকারের কথা।

    হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,‘মদিনার উচ্চভূমিতে উৎপন্ন আজওয়া খেজুরের মধ্যে রোগের নিরাময় রয়েছে। আর প্রথম ভোরে তা খাওয়া হলে এটি বিষের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে (মুসলিম : ৫১৬৮)।’

    অন্য এক হাদিসে হজরত সাদ (রা.) বলেন, আমি নবীজি (সা.) বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি ভোরে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ বা জাদুটোনা তার ক্ষতি করতে পারবে না (বুখারি : ৫৪৪৫)।’

    একবার হজরত সাদ (রা.) অসুস্থ হলে নবীজি (সা.) নিজ হাতে তার বুক স্পর্শ করে বলেছিলেন, ‘তুমি হৃদরোগে আক্রান্ত। হারিসা ইবনে কালদার কাছে যাও, সে অভিজ্ঞ চিকিৎসক। তাকে বলো আজওয়া খেজুর চূর্ণ করে সাতটি বড়ি তৈরি করতে (আবু দাউদ : ৩৮৩৫)।

    হজরত আলি (রা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন সাতটি আজওয়া খেজুর খায়, তার পাকস্থলীর প্রতিটি রোগ দূর হয়ে যায় (কানজুল উম্মাল : ২৮৪৭২)।’

    মহানবী (সা.)-এর ইফতারেও খেজুর ছিল প্রধান। হজরত আনাস (রা.) বলেন,‘নবীজি (সা.) কাঁচা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। না পেলে শুকনো খেজুর, সেটাও না পেলে পানি (তিরমিজি)।’

    এ ছাড়া তিরমিজির এক হাদিসে তো আজওয়া খেজুরকে জান্নাতের ফল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    উল্লিখিত উপকারিতাগুলো স্মরণে রেখে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন খেজুরও। বিশেষ করে ভোরবেলা নিয়ম করে সাতটি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আপনার জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

  • বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতের

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতের

    নিউজ ডেস্ক:

    শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ বেশকিছু দাবি জানিয়েছে দলটি।

    জামায়াতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেছি, যা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের প্রথম দাবি ছিল দেশের বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণ করতে হবে। কারণ জাতি গঠনের মেরুদণ্ড যদি শিক্ষা হয়, তবে শিক্ষার মেরুদণ্ড হলেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা যদি দুর্বল থাকেন, তাহলে জাতিও গঠিত হতে পারে না।

    তিনি বলেন, আমাদের দ্বিতীয় দাবি নন-এমপিও শিক্ষকদের দ্রুত এমপিওভুক্ত করা। বিগত ১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে যেসব শিক্ষক বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের অবসরভাতাও দ্রুত সময়ের মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকদেরও এমপিওভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

    সিলেবাস প্রণয়ন কমিটিতে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রতিনিধি রাখার দাবি জানানো হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত নেতা মজিবুর রহমান বলেন, সিলেবাস প্রণয়নের বিষয়ে একটি প্রস্তাব আমরা উত্থাপন করেছি। সেখানে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিনিধি রেখে কমিটি গঠন করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সিলেবাস প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো মন দিয়ে শুনেছেন এবং তা পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। আমরা আশাবাদী, আমাদের এ কথার মাধ্যমে গোটা দেশ ও জাতির প্রতিফলন হবে। আগামীর বাংলাদেশ সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামিকরণের মাধ্যমে ঈমান-আকিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠবে। একইসাথে সৎ ও আলোকিত মানুষ গড়ার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও জামায়াত-সমর্থিত আদর্শ শিক্ষক ফোরামের নেতারা।

  • প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নম্বর বিভাজন প্রকাশ

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নম্বর বিভাজন প্রকাশ

    নিউজ ডেস্ক:

    প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন প্রকাশ করা হয়েছে। ৫টি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

    সোমবার (৪ আগস্ট) জাতীয় শিক্ষা একাডেমির (নেপ) এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জন্য বলা হয়েছে। পরীক্ষা হবে পাঁচ বিষয়ের ওপর। এরমধ্যে তিনটি বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বর করে এবং দুটি বিষয় একসঙ্গে করে ৫০ নম্বর করে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে

    বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। প্রশ্নপত্রে ডোমেনভিত্তিক জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগমূলক এবং উচ্চতা দক্ষতামূলক প্রশ্ন থাকবে।

    জানা গেছে, প্রতিদিন একটি করে বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে একদিনে। দুটি বিষয়কে একটি ধরে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অংশ থেকে ৫০ নম্বর এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান থেকে ৫০ নম্বরের প্রশ্নপত্র থাকবে। এ পরীক্ষার জন্যও শিক্ষার্থীরা ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবে।

    এর আগে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বৃত্তি পরীক্ষা হতে পারে। পঞ্চম শ্রেণিতে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে এ বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

     

  • শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সাবেক তিন মন্ত্রী গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ (১৮) হত্যা মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (৪ আগস্ট) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন। এদিন তাদের কেরানীগঞ্জে বিশেষ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরিফ হোসাইন গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।  আদালত এটি মঞ্জুর  ফের তাদের করে ফের কারাগারে পাঠায়।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় তোলারাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহাদী হাসান পান্থ আন্দোলনে অংশ নেন। ঘটনার দিন বিকেল ৪টায় আসামিদের ছোড়া গুলি তার মুখের সামনের অংশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ৮ নভেম্বর কদমতলী থানায় মামলা হয়। এ মামলায় রাশেদ ৭, ইনু ৮ ও পলক ৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট রাতে পলককে গ্রেপ্তার করা হয়। ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ২৬ আগস্ট হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর অর্ধশতাধিকের বেশি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

     

  • ৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও পোশাক কারখানা

    ৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও পোশাক কারখানা

    নিউজ ডেস্ক:

    সারা দেশে আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ব্যাংক বন্ধ থাকবে। দিনটি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে সরকার ঘোষিত ছুটির দিন হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত ২ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সে উপলক্ষে দেশের সব অফিস-আদালতের মতোই তপশিলি ব্যাংকগুলোকেও ছুটির আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট সরকারি ছুটির দিন হিসেবে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। অতএব, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব্যাপারে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে এবং আর্থিক লেনদেন পরিকল্পনা করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫ আগস্ট ২০২৪ একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘদিনের দমনপীড়ন, ভোট কারচুপি, লুটপাট ও স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ অবশেষে ক্ষমতা হারিয়েছে। শেখ হাসিনা, যিনি একযুগ ধরে রাষ্ট্রক্ষমতা আঁকড়ে ধরে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। জনগণের বিজয় হয়েছে, আর বাংলাদেশের গণতন্ত্র ফিরে আসার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

    এদিকে শনিবার (২ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায় ৫ আগস্ট সব পোশাক কারখানা ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে এ ছুটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

     

  • ইয়েমেন উপকূলে ৬৮ অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু

    ইয়েমেন উপকূলে ৬৮ অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু

     

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

    ইয়েমেন উপকূলে আফ্রিকান অভিবাসী ও শরণার্থীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ায় কমপক্ষে ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৭৪ জন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সবাই আফ্রিকান নাগরিক।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোববার (৩ আগস্ট) এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা জানায় জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। সংস্থাটির ইয়েমেন শাখার প্রধান আবদুসাত্তার এসোয়েভ বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, নৌকাটিতে ১৫৪ জন ইথিওপীয় নাগরিক ছিলেন। এটি ইয়েমেনের আবিয়ান প্রদেশের উপকূলে ডুবে যায়।

    তিনি জানান, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৫৪ জনের মরদেহ খানফার জেলায় এবং আরও ১৪ জনের মরদেহ আশপাশের এলাকা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছিল, মৃতের সংখ্যা অন্তত ৫৪। তবে পরে আইওএম নিশ্চিত করে, মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৭৪ জন।

    এদিকে জাঞ্জিবার শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক আবদুল কাদের বাজামিল জানান, নিহতদের দাফনের জন্য শহরের শাকরা এলাকার কাছে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল এবং ইয়েমেনের মধ্যকার সমুদ্রপথ অভিবাসীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। ইয়েমেনে ২০১৪ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশটি দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দেশগুলোতে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে।

    আইওএম-এর মতে, ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি অভিবাসী ইয়েমেনে পৌঁছেছেন, যা আগের বছরের ৯৭ হাজার ২০০ জনের তুলনায় অনেক কম।

    আইওএম আরও জানায়, এই রুটে ২০২৩ সালে ৫৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত এক দশকে নিখোঁজ হয়েছেন কমপক্ষে ২ হাজার ৮২ জন। যাদের মধ্যে ডুবে মারা গেছেন ৬৯৩ জন। বর্তমানে ইয়েমেনে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার শরণার্থী ও অভিবাসী অবস্থান করছেন।