ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার  উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

    সরকারের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ জনপদের পিছিয়ে পড়া নারীদের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত পরিবারগুলো সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও খাদ্য সহায়তা সাশ্রয়ী মূল্যে সরাসরি গ্রহণ করতে পারবে।

    বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও দুস্থ পরিবারগুলো যাতে এই সুবিধার আওতায় আসে, সে লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিখুঁত তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের ফলে বাজারে নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও দরিদ্র পরিবারগুলো স্বস্তিতে থাকতে পারবে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তারা মনে করছেন, নারীদের স্বাবলম্বী করার এই প্রচেষ্টা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং নারী ক্ষমতায়নে সহায়ক হবে।

    এম কে

  • মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    নিউজ ডেস্ক

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে একজনের পরীক্ষার পর হাম শনাক্ত করা গেছে। বাকি ২৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে পজিটিভ আছে একজন। বাকি ২৯ জনের নমুনা টেস্ট করে হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।

    অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত কর্নার এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখব।

    আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। তবে এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।

    রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১ হাজার ২শ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন আড়াই হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • লে. কর্নেল আফজাল নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

    লে. কর্নেল আফজাল নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

    ডেস্ক নিউজ:

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (বরখাস্তকৃত) মো. আফজাল নাছেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন আসামির সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

    রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী। আদালতে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে রাখেন দিয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। সেখানে এই আসামি নাছের হসপিটালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা থাকায় চিকিৎসা নিতে দেননি। এরকম অনেকভাবে এ আসামি ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ড দেওয়া হোক। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে রিমান্ডে নেয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।

    আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন বিকাল ৩ টা ২০ মিনিটে জুলাই আন্দোলনে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করেন। এসময় এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৫শত থেকে ৭শত জন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা গ্রেপ্তার সন্ধিগ্ধ আসামি মো. আফজাল নাছেরের নিদের্শে নির্বিচারে এলোপাথারী গুলি চালায়। এর ফলে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভিকটিম দেলোয়ার হোসেনকে রক্তাক্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে ভিকটিমের অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ২০ জুলাই উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিটি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই ভিকটিম দেলোয়ার হোসেন মৃত্যু বরণ করেন। ওই ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার মামলাটি দায়ের করেন।

    রিমান্ড আবেদনে আর হয়, সন্দিগ্ধ আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমান পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি আফজাল নাছেরকে নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড একান্ত প্রয়োজন।

    এর আগে সোমবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের ১২ নম্বর সড়কের ৮৬৪ নম্বর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

  • সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তার সংসদ সচিবালয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ে স্বাগত জানান।

    আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয়ের দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্যতা ও শিষ্টাচার দেখে উপস্থিত সবাই প্রশংসা করেন।

    বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা নামাজ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা। জানাজা শেষে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে এগোচ্ছিলেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন বিরোধীদলী নেতা। সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে ডা. শফিকুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, সাক্ষাৎটি ছিল সংক্ষিপ্ত। দুই নেতা প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেন। সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সংসদ সচিবালয়ের কার্যালয় ত্যাগ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে তার কার্যালয়ে দিকে খানিকটা পথ এগিয়ে দেন।

  • গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির এক নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলছড়ি উপজেলার বালাশীঘাট এলাকার রসুলপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তি হলেন, মিলন মিয়া (৪৪)। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন সরকারের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা মিলন মিয়ার নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে চারটি রাম দা, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো জব্দ করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা, ভয়ভীতি ও নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যৌথ বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করছে।

    ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম জয় বলেছেন, আটক মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তার বিরুদ্ধে আমরা দলীয় সিদ্ধান্ত নেবো।

    ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, যৌথ অভিযানে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  রাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই দিন দুপুরে কমিটি গঠন করা হয়।

    প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বাড়ির একটি ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা ভিজিএফের ৭২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে উদ্ধার করা চাল স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের জিম্মায় রাখা হয়।

    ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেন, উদ্ধার হওয়া চালের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভেঙে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি, হেলে পড়েছে আরও কয়েকটি। এতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় বিদ্যালয়ে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  সন্ধ্যায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। অনেক বাড়ির টিনের চালা উড়ে গিয়ে দূরের আবাদি জমিতে পড়ে। ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে, কোথাও আবার হেলে পড়েছে। ফলে রোববার রাত থেকেই ওই এলাকার কয়েকশ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

    রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, রাতের ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় তিন থেকে চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবারের থাকার ঘর না থাকায় তারা অস্থায়ীভাবে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে তার ওয়ার্ডে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘর ভেঙে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে আছে।

    তিনি আরও জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের জন্য দুটি বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

    ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বুলু মিয়া বলেন, ঝড়ের সময় তার ওয়ার্ডের শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা স্কুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ইটের দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির চালা, কাঠ ও বাঁশ ছিটকে পড়ে আছে জমিতে।

    গোবিন্দগঞ্জ জোনের পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, ঝড়ে রাজাহার ইউনিয়ন এলাকায় আমাদের দুটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে এবং সাত থেকে আটটি খুঁটি হেলে পড়েছে। এতে গতকাল ঝড়ের সময় হতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    তিনি বলের, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইনের দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি আমরা।

    এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানাকে।

    গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা মোবাইল ফোনে বলেন, গতকাল রাতের ঝড়ে গোবিন্দগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউএনও। ক্ষতিগ্রস্ত ১৪২টি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৪. ২৬০ মেট্রিকটন চাল এবং ৪ লাখ ২৬ হাজার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে তাদেরকে কৃষিসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি উন্নত জাতের বিদেশি গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আগুনে গরুসহ গোয়ালঘরের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের পবনতাইড় গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবনতাইড় গ্রামের সিনতউল্লার ছেলে আসাদুল ইসলাম প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হঠাৎ তার গোয়ালঘর থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা চিৎকার শুরু করেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে আসাদুল ইসলাম দেখেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দুটি বিদেশি জাতের গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পাশাপাশি গোয়ালঘরে থাকা আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আসাদুল ইসলাম বলেন, এই গরু দুটিই ছিল আমার পরিবারের আয়ের প্রধান সম্বল। আগুনে সবকিছু হারিয়ে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি। প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল পাশা মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

    এ সময় কামাল পাশা মণ্ডল ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

    গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।

    পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে আজ ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

    এ ঘটনায় আজ রোববার হত্যার শিকার ববিতা বেগমের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন।

    পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

    ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এম কে

  • এসিল্যান্ডের অভিযানে পালাতে গিয়ে ট্রাক্টর উল্টে ধানখেতে

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পুকুর খননের মাটি বহনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অভিযানের সময় পালাতে গিয়ে একটি ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানখেতে উল্টে পড়েছে। এ সময় ট্রাক্টরের ধাক্কায় একটি মুরগির ঘর (খোয়ার) ভেঙে যায় এবং চালকসহ আশপাশের কয়েকজন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

    ডেস্ক নিউজঃ

    শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের উত্তর দামোদরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি পুকুর খনন করছিলেন। খননকৃত মাটি ট্রাক্টর দিয়ে বহনের কারণে স্থানীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক্টরচালক জাহাঙ্গীর আলম দ্রুত গাড়ি চালিয়ে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। পালানোর সময় ট্রাক্টরটি রাস্তার পাশে আব্দুল মজিদ আকন্দের একটি মুরগির ঘরে (খোয়ার) ধাক্কা দিলে ঘরটি ভেঙে যায়। এ সময় খোয়ারের আশপাশে থাকা শিশুসহ কয়েকজন ব্যক্তি অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান।

    পরে ট্রাক্টরটি স্থানীয় এমদাদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের ভুট্রু মিয়ার ধানখেতে নামিয়ে দেন। এতে ট্রাক্টরটি উল্টে যায় এবং গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে চালক জাহাঙ্গীর আলম দ্রুত নেমে দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।

    এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসীম উদ্দিন বলেন, অভিযানের সময় ট্রাক্টরটি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালক নির্দেশ না মেনে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েন।

    ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পুকুর খনন ও মাটি বহনের কারণে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অসন্তোষ ছিল।

    এম কে