ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    আটোয়ারীর শাহী জামে মসজিদ শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    শিল্প সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় আড়াই শ বছরের পুরোনো মির্জাপুর শাহী মসজিদ। মির্জাপুর শাহী মসজিদের সর্বত্র ইসলামি টেরাকাটা ফুল ও লতাপাতার নকশায় পরিপূর্ণ। মসজিদে ব্যবহৃত ইটগুলো চিকন, রক্তবর্ণ ও অলংকৃত।

    তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২৫ ফুট। আয়তাকার এক সারিতে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ সাধারণত মোগল স্থাপত্যরীতির বৈশিষ্ট্য। গম্বুজের শীর্ষবিন্দু ক্রমহ্রাসমান বেল্টযুক্ত। চার কোণে রয়েছে স্তরযুক্ত ও নকশাখচিত বেল্ট করা চারটি সুচিকন মিনার।

    এছাড়া সম্মুখবর্তী দেওয়ালের মধ্য দরজার দুই পাশে মধ্য গম্বুজের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্মিত হয়েছে আরও দুটি ক্ষুদ্র মিনার। এই মিনারের দেওয়াল সংযুক্ত অংশ বর্গাকার। অনুরূপ সমমানের ক্ষুদ্রাকৃতির দুটি মিনার রয়েছে পশ্চিম দেওয়ালেও।

    এ মসজিদে সামনের দেওয়ালে রয়েছে সুশোভন লতাপাতা ও ইসলামি টেরাকাটা নকশাখচিত মাঝারি আকৃতির তিনটি দরজা। দরজার কিছুটা দূরবর্তী উভয় পাশে রয়েছে অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল। তিনটি দরজায়ই ছাদ ও দরজার উপরিভাগের মাঝামাঝি স্থানে বাইরের দিকে উভয় পাশে ঢালু তোরণ আকৃতির একটি স্ফীত অংশ সংযুক্ত হওয়ায় অলংকরণ বিন্যাসে সৃষ্টি হয়েছে নতুনত্ব।

    সামনের তিনটি দরজার অনুরূপ আরও তিনটি দরজার নকশা ও অন্তঃপ্রবিষ্ট প্যানেল স্থাপিত হয়েছে পশ্চিম দিকের দেওয়ালেও। তবে এই দরজা সম্ভবত স্থাপত্যকৌশল হিসাবেই নির্মিত পশ্চিমের মাঝের দরজা। সুস্পষ্ট কোনো মেহরাব নেই। উত্তর ও দক্ষিণ দেওয়ালও নকশাখচিত। তবে এই দরজা দুটির উপরিভাগের স্ফীত অংশটি সমান্তরাল নয়। গ্রামবাংলার চিরায়ত রীতি অনুযায়ী দোচালা আকৃতির। কথিত আছে, সামনের ইটগুলো নাকি ঘিয়ে ভেজে তৈরি করা হয়েছে।

    দেওয়ালের অলংকরণে ফুল ও পাতার পাশাপাশি পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর চিত্র রয়েছে। সম্ভবত নির্মাণকারী কারিগরদের মধ্যে হিন্দু স্থপতিও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অথবা এমনও হতে পারে যে প্রতিবেশী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খচিত হয়েছে জীবজন্তুর চিত্র। অবশ্য বর্তমানে জীবজন্তুর চিত্রগুলো অপসৃত হয়েছে।

    মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে ফারসিলিপিখচিত একটি ক্ষুদ্র কালো ফলকের ভাষা ও লিপি অনুযায়ী এই মসজিদটি মোগল সম্রাট শাহ আলমের রাজত্বকালে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। উল্লিখিত লিপি ফলকটিতে মুদ্রিত সন পারস্য বছর।

    লক্ষণীয় বিষয়, সমসাময়িককালে বাংলাদেশের অন্যান্য মসজিদ বা ইমারতের সন তারিখ হিজরি অথবা খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী লেখা ছিল। কিন্তু এই মসজিদে পারস্য বছরের উল্লেখ থাকায় অনুমিত হয় যে, যেসব কারিগর ও স্থপতি এই মসজিদের নির্মাণ মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে নিযুক্ত ছিলেন, তারা ছিলেন পারস্য অথবা ইরানের অধিবাসী। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এ ধরনের কারুকার্য সমসাময়িককালে ইরানের মসজিদ ও অন্যান্য অট্টালিকায় বিদ্যমান ছিল।

    মির্জাপুর মসজিদের মূল ভবনের সামনে রয়েছে একটি আয়তকার পাকা অঙ্গন। অঙ্গনের উপরিভাগ উন্মুক্ত। অঙ্গনের বাইরে রয়েছে একটি সুদৃশ্য তোরণ। তোরণটির নির্মাণশৈলী অপূর্ব। এতে রয়েছে খিলান করা অন্তঃপ্রবিষ্ট দরজা। উভয় পাশে খাঁজ করা স্তম্ভ এবং ঢাল ও অর্ধ বৃত্তাকার, চ্যাপ্টা নাতিদীর্ঘ একটি গম্বুজ। গম্বুজের উপরিভাগে রয়েছে কোরক আকৃতির একটি ক্ষুদ্র চূড়া

    মির্জাপুর মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও এই গ্রামের মির্জা বংশীয় উত্তরসূরিদের অভিমত অনুযায়ী মির্জাপুর গ্রামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পূর্ব পুরুষরা মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। অতঃপর ফুল মোহাম্মদের ভাই দোস্ত মোহাম্মদ সম্ভবত এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। এটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রায় দুই শ বছর আগে মুলুকউদ্দীন বা মালেকউদ্দীন মির্জাপুর মসজিদের মেরামত বা সৌন্দর্যের কাজ শেষ করেন। তিনি হুগলি মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ইরান থেকে কারিগর এনেছিলেন।

    মির্জাপুর মসজিদের স্থাপত্য নিদর্শনের সঙ্গে ঢাকার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে নির্মিত মসজিদের সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় অনুমিত হয় যে উভয় মসজিদ সমসাময়িককালে নির্মিত হয়। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মসজিদের নির্মাণকাল ১৬৭৯ খ্রি.। সেদিক থেকে মির্জাপুর মসজিদের বয়স আড়াই শ বছরের কম নয়। বস্তুত বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার মধ্যে একমাত্র মির্জাপুর শাহী মসজিদটিই প্রাপ্ত মোগল আমলে নির্মিত অন্যান্য মসজিদের তুলনায় সবচেয়ে সুষমমণ্ডিত, উৎকৃষ্ট শিল্পনিদর্শন ও সর্বাপেক্ষা মজবুত অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে। বর্তমানে এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সংরক্ষণ করছে।

    এ/আর

  • সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

    সংখ্যালঘুরা জুলুমের শিকার হলে পাশে থাকবে এনসিপি: সারজিস

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    পঞ্চগড়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যায় কম তারা যদি অন্য যে কোনো ব্যক্তি, নেতা বা রাজনৈতিক দল, কারো দ্বারা বিন্দুমাত্র হুমকি, হয়রানি কিংবা জুলুমের শিকার হন, আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা পাশে থাকবো।

    শনিবার  পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় কমিটি প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় তিনি তার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কোনোদিন কারো পায়ে লাগতে যাবো না। কেউ যদি পায়ে পা দিয়ে লাগতে আসে আমরা তাদের ছাড়ও দেবো না। অন্য যে কোনো দলের যারা ভালো কাজ করবে, সে যেই দলই হোক না কেন, আপনারা তাদেরকে সমর্থন করবেন, সহযোগিতা করবেন। ভালোটাকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উৎসাহ পাবে না।

    এ/আর

  • দিনে কোটি টাকার জলপাই বিক্রি, যাচ্ছে বিদেশেও

    দিনে কোটি টাকার জলপাই বিক্রি, যাচ্ছে বিদেশেও

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    জলপাইয়ের নাম শুনলে জিহ্বায় জল আসে না-এমন মানুষ বোধ হয় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাছাড়া জলপাইয়ের কথা উঠলেই কবি সুকুমার রায়ের সেই বিখ্যাত নাটক অবাক জলপান এর কথাও স্মৃতিতে ভেসে উঠে। ছোটবেলায় জলপাই নিয়ে এমন হাসির নাটক পড়ে আমরা প্রায় সবাই কমবেশি হেসেছিও সমানতালে। আর এই জলপাই এখন পঞ্চগড় তথা দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রতিদিন জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা শহরের দেবদারু তলায় বসছে জলপাইয়ের হাট। এটি দেশে জলপাইয়ের সর্ববৃহৎ হাট। এই হাটে প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১০০ টন জলপাই বিক্রি হচ্ছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।

    ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই দেবীগঞ্জের দেবদারু তলায় শুরু হয় জলপাই কেনাবেচা। বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভর্তি করে বস্তা বোঝাই জলপাই আসে বাজারে। রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে জলপাই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মানভেদে প্রতি কেজি জলপাইয়ের দাম পড়ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি বছর অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয় জলপাই আহরণ। মৌসুমের ৩ মাস ধরে বেচাকেনা চলে জলপাই।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদ জানান, জলপাইয়ের এই হাটটি প্রতিদিনই সম্প্রসারিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পঞ্চগড়ে জলপাইয়ের আবাদও বাড়ছে। আমরা চাষিদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি। জলপাই চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। পঞ্চগড়ে উৎপাদিত জলাপাই শুধু দেশের বাজারেই নয়। রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। অনলাইনের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় জলপাই পাঠাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ফলে জেলার অর্থনীতিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। জলপাই ব্যবসাকে ঘিরে পঞ্চগড় জেলার কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ধারায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, পঞ্চগড়ে বড় পরিসরে বাগান না থাকলেও জেলায় ছোট ছোট খামার, বাড়ির উঠান, রাস্তার ধার ও জমির আইলে সব মিলিয়ে জলপাই চাষ হচ্ছে ১৩ দশমিক ৮ হেক্টর জমিতে। গত মৌসুমে পঞ্চগড়ে জলপাই উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার টন। এবার তা আরও বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

    এ/আর

  • জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস আলম

    বিডি নিউজ ডেস্কঃ-

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে বিএনপি যদি মনে করে, তারা জনগণের বিপক্ষে গিয়ে রাজনীতি করে টিকে থাকতে পারবে এবং সংসদ স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করবে- তা সম্ভব নয়। কোনো একটা দল যদি তাদের দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন করতে চায়, স্বৈরাচারের পথে হাঁটতে চায়, তাহলে জনগণ এবং আমরা বিরোধী দল একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই রাষ্ট্রপতির অভিশংসন চেয়েছি, কারণ এ রাষ্ট্রপতির হাত ধরে নতুন সরকার চলতে পারে না।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরের মুক্তমঞ্চে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের মানুষকে বিএনপি ভালো বার্তা দিল না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী সংসদে স্পিকার সরকারি দল থেকে হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার দেওয়া হয়েছে বিএনপি সমর্থিত এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে।

    এ/আর

     

  • চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজ

    চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
    যশোরের চৌগাছায় জামায়াতের আয়োজনে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর শহরের মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এতে সভাপতিত্ব করেন ৫ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মাওলানা আজাদ হুসাইন। প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোর্শেদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস, মাস্টার আইনাল হক, মাওলানা আব্দুল আলিম, মাস্টার মনিনুর রহমান, মাস্টার আনিচুর রহমান প্রমুখ।

    এ আর ১২/০৩/২০২৬

  • শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। এতে শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থীসহ মোট ৪ জন বৈধ প্রার্থী রইলেন।

    বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। আগামী ১৫ মার্চ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর হতে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।

    এর আগে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে ৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম বাদশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

    জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

    এম কে

  • কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    কাউনিয়ার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই রাখার দাবীতে মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজঃ

    কাউনিয়া উপজেলার সবার চর ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানে রাখার দাবি জানিয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

    মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকা বাসী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। সেই সাথে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা।

    এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বলেন  চর  ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম প্রায় এক বছর  ধরে স্থগিত রয়েছে। স্কুলে তালা ঝুলছে, ছাত্র-ছাত্রীরা অনুপস্থিত, ৩  বছর থেকে স্কুলের পরিচালনা কমিটি নেই। বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে লিখিত এবং মৌখিক ভাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শোনা যাচ্ছে  স্কুলটি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। ১৯৬০ সালে সরকারি হওয়া স্কুলটি কাউনিয়া থানার ৪০ নম্বর স্কুল নামে পরিচিত । বর্তমানে স্কুলের আশে-পাশের প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করে এবং স্কুলে ১০৫ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকার পরেও স্কুলে ১ (এক) বছর ধরে তালা ঝুলে আছে। অন্যত্র সরিয়ে নিলে এলাকার কোমলমতি শিশুদের নদী পাড়ি দিয়ে অন্য গ্রামে গিয়ে লেখাপড়া করা প্রায় অসম্ভব। স্কুলটি নিয়ে বর্তমানে দুর্নীতি ও অনিয়ম সহ ছিনিমিনি খেলা  চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ  গত ১৯ ফেব্রুয়ার  অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান তোতা ও মোঃ মুকুল ইসলাম সহ বহিরাগত কিছু কু-চক্রী মহল যোগসাজস করে উক্ত বিদ্যালয়টি অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বাধা দিলে তারা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি পত্র দেখিয়ে বলে আপনারা আমাদের বাঁধা দিয়ে কোন লাভ নেই। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা উক্ত বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিচ্ছি।
    এলাকার মহৎ ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি জানতে পেরে স্কুল টি সরিয়ে নিতে  নিষেধ করে। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়টি পূর্বের স্থানেই বিদ্যমান আছে। অভিযোগ কারী নজরুল ইসলাম মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে  বলেন  বিদ্যালয়টি যদি কখনো স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয় আমরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত বিদ্যালয়ের জমি জায়গা দিতে প্রস্তুত আছি। স্কুলটি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে পূর্বের স্থানেই কার্যক্রম চলমান রাখা ও পরিচালনার সু-ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।
    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আঞ্জুমানআরা বেগম বলেন স্কুলটি পূর্বের স্থানে রাখার দাবীতে একটি অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানার কাছে একটি স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। এ সময় পাপিয়া সুলতানা বলেন।স্কুলটি বন্ধ আছে কিনা এ বিষয়ে আমি ভালো জানিনা সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে  বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত করবো।

    এম কে

  • ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি পীরগাছা জোনাল অফিসের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি পীরগাছা জোনাল অফিসের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি পীরগাছা জোনাল অফিসের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার  বিকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জোন প্রধান নাছরীন নাহারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রংপুর এরিয়া প্রধান বদিউজ্জামান।

    এজিএম জাকিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সহকারী জোনাল ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর রেজাউল করিম, রহিমা খাতুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

    এসময় বক্তারা রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, রমজান আত্মসংযম, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার মাস। তারা প্রতিষ্ঠানের সেবার মান উন্নয়ন, গ্রাহকদের আস্থা অর্জন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    ইফতারের পূর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য এবং সকলের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

    পরে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে পীরগাছা জোনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শাখার প্রতিনিধি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।

    এ কে

  • তারাগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাঁটার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

    তারাগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাঁটার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড

    ডেস্ক নিউজঃ

    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

    রবিবার  বিকালে উপজেলার খিয়ারজুম্মা বাজারের বাঙ্গালীপুর নামক স্থানে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানকালে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারা লঙ্ঘন করায় উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের দোয়ালীপাড়া গ্রামের মোঃ ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ হামিদুল ইসলাম (৩৫) কে এ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ও অতিরিক্ত কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা। তিনি বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এম কে

  • এনসিপির ইফতারে যুবশক্তির নেতাদের পেটাল ছাত্রশক্তির নেতারা, আহত ৫

    এনসিপির ইফতারে যুবশক্তির নেতাদের পেটাল ছাত্রশক্তির নেতারা, আহত ৫

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে রংপুরে জাতীয় যুবশক্তির রংপুর মহানগর ও জেলা নেতাদের ওপর মহানগর ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যুবশক্তির নেতাদের দাবি, তাদের পাঁচ নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া আরও দুইজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

    বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

    ইফতার মাহফিলে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, রংপুর বিভাগীয়আসাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মুজাহিদ এমপি, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি তারিকুল ইসলামসহ এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    রংপুরের এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ইফতার মাহফিলে স্টেডিয়াম প্রবেশ ফটকে অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন রংপুর মহানগর ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা।

    এনসিপির রংপুর মহানগর কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়ন অভিযোগ করেন, কাউনিয়া-পীরগাছার যুবশক্তির পাঁচকর্মী এসেছিলেন। তাদের হাতে দাওয়াত কার্ড ছিল না। ছাত্রশক্তির নেতারা তাদের স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি তাদের ঢোকাতে যান। তখন ছাত্রশক্তির নেতারা সেখানে হট্টগোল শুরু করেন।

    রংপুরের এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ইফতার মাহফিলে স্টেডিয়াম প্রবেশ ফটকে অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন রংপুর মহানগর ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা।

    এনসিপির রংপুর মহানগর কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়ন অভিযোগ করেন, কাউনিয়া-পীরগাছার যুবশক্তির পাঁচকর্মী এসেছিলেন। তাদের হাতে দাওয়াত কার্ড ছিল না। ছাত্রশক্তির নেতারা তাদের স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি তাদের ঢোকাতে যান। তখন ছাত্রশক্তির নেতারা সেখানে হট্টগোল শুরু করেন।

     

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রশক্তির মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারহান তানভীর ফাহিম বলেন, আমাদের রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল। এটা নিয়ে আমাদের হাউসে মিটিং হচ্ছে। এটা নিয়ে স্টেটমেন্ট (বক্তব্য) দেওয়ার কিছু নেই। তেমন কিছু হয়নি ওখানে। মারামারি দুই পক্ষের হয়েছে।

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মুজাহিদ বলেন, বিষয়টা নিয়ে আমরা বসেছি। যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে