ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির সরকারি নির্দেশনা

    ডেস্ক নিউজ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) বিপিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য হলেও ব্যবহৃত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে কখনও কখনও আমদানি কার্যক্রম বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভোক্তা ও ডিলারের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    বিপিসি জানায়, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক ডিলার ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তেল উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি কিছু ভোক্তা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।

    এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কন্টেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা যাবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি বিক্রির সময় পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে নগদ স্মারক দিতে হবে এবং পুনরায় জ্বালানি নেওয়ার আগে আগের ক্রয়ের বিলের কপি জমা দিতে হবে। ডিলারদেরও নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে এবং ডিপোতে মজুদ ও বিক্রির তথ্য জমা দিতে হবে।

    বিপিসি জানায়, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে তেলের চালান দেশে আসছে। প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে সারা দেশের ডিপোগুলোতেও নিয়মিত জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত বাফার মজুদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সংস্থাটি আরো জানায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে জ্বালানি বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিপিসি।

  • শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    শিমুলে রাঙা পথ, পলাশে বসন্তের আমেজ গাংনীতে

    ডেস্ক নিউজ

    প্রকৃতি থেকে এখনো পুরোপুরি সরেনি শীতের চাদর। রৌদ্রোজ্জ্বল মিষ্টি দিন গায়ে লাগে আলতোভাবে। পাতা ঝরা গাছে গজিয়েছে নতুন কুঁড়ি, কোকিলের কুহুতানে জেগে উঠছে চারপাশ। বাতাসে ভেসে আসছে নানা ফুলের ঘ্রাণ। এরই মধ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের রাস্তার ধারে ফুটে থাকা শিমুল ও পলাশ ফুলে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রকৃতি।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শিমুলগাছে লাল ফুল ফুটে আছে। তবে পলাশগাছ তুলনামূলক কম। তেঁতুলবাড়িয়া, কল্যাণপুর, বামন্দী, করমদি, দেবীপুর, বালিয়াঘাট, হারাভাঙ্গাসহ বিভিন্ন গ্রামের সড়কে শিমুলের উপস্থিতি চোখে পড়ে বেশি। পলাশ দেখা যায় অল্প কয়েকটি স্থানে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শিমুল-পলাশের রঙে প্রকৃতি এখন অপরূপ সাজে সেজেছে। তবে পলাশগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের মতো দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য আর দেখা যায় না।

    কল্যাণপুর গ্রামের ফয়সাল আহাম্মেদ বলেন, ‘আমাদের এলাকার রাস্তায় অনেক শিমুলগাছ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি গাছে ফুল ফুটেছে। চারদিকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়েছে। যদি পলাশগাছ বেশি থাকত, তাহলে দৃশ্য আরও মনোমুগ্ধকর হতো।’পথচারী রাজু আহমেদ বলেন, ‘পলাশী গ্রামের একটি পলাশগাছে পরিপূর্ণ ফুল ফুটেছে। দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। কিন্তু পলাশগাছ খুব কম দেখা যায়। এই ফুল প্রকৃতিকে নতুন রূপ দেয়।’

    বামন্দী ইউনিয়নের পুকুরপাড়া গ্রামের রাসেল আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও বাড়ির পাশে শিমুল ফুল ফুটেছে। রাস্তার ধারে আরও বেশি ফুলের গাছ লাগালে সৌন্দর্য বাড়বে।

    তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, এলাকায় পলাশগাছ খুব বেশি নেই। ধীরে ধীরে পলাশগাছ হারিয়ে যাচ্ছে। শিমুলগাছ রয়েছে বেশ কিছু। রাস্তার ধারে পলাশ ও শিমুলগাছ লাগালে পরিবেশ যেমন সুন্দর হবে, তেমনি প্রকৃতিও ফিরে পাবে তার রঙিন রূপ। তিনি নিজ উদ্যোগে পলাশগাছ লাগানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

    জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার বলেন, আগামী জুন-জুলাই মাসে বন বিভাগের পরিচালন ব্যয় থেকে প্রায় ২০ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ লাগানো হবে। তবে রাস্তার ধারে ফুলের গাছ লাগানোর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে এই উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি জানান।

    এম কে

  • যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    যশোরে শপিংমলে থাকবে না আলোকসজ্জা রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে যশোরের ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অতিরিক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার করবেন না। শপিংমলগুলোতে থাকবে না আলোকসজ্জা। রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে পোশাক ও জুতা ব্যবসায়ীরা ঈদের পর রাত ৮টার পর তাদের দোকান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ে করণীয় শির্যক আলোচনা সভায় ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতির গুরুত্বারোপ করেন।

     

  • ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।

    অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম।

    এম কে

  • রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীতি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ডেস্ক নিউজ

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত ) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু দুর্নীত। এটি শুধু অর্থনীতির ক্ষতিই করে না, এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর হতে ক্ষয় করে দেয়। সেই সঙ্গে জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়। ঠিক তেমনভাবেই কোনো কারাসদস্য যদি নিজ স্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হিসেবে কাজ করে তবে শুধু আইন ভাঙে না। সে রাষ্ট্র ও আইনের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কাশিমপুর কারাগারের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে এসব বলেন তিনি।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, কারা সদস্যরা কোনো স্বার্থান্বেষী রক্ষক নয়। তারা রাষ্ট্রের জনগণের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী, জনগণের কল্যাণই তার একমাত্র বৃত। আপনারা কারও বেতনভুক্ত কর্মচারী নয়, আপনারা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারী। জনকল্যাণ আপনাদের একমাত্র কাজ। ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষীদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সম্পূর্ণকারী সবার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করি৷

    এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তাফা কামাল, কর্নেল তানভীর হোসেন, কর্নেল মেছবাহল আলম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট টিপু সুলতান, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার, উপ-কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    এর আগে সকালে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তিনি। পরে প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রশিক্ষণার্থীদের সশস্ত্র সালাম ও অভিবাদন গ্রহণের মাধ্যমে সমাপনী কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান শুরু হয়। এসময় নবীন কারারক্ষীগণ সুসজ্জিত বাদক দলের বাদ্যের তালে তালে ঘীর ও দ্রুতলয়ে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মাঠ প্রদক্ষিণ এবং শারীরিক সক্ষমতা, মনোবল ও দলগত সমন্বয়ের দক্ষতায় বিভিন্ন শারীরিক কসরত, অস্ত্রবিহীন আত্মরক্ষা কৌশলের চমকপ্রদ পরিবেশনা ফুটিয়ে তোলেন। কুচকাওয়াজ শেষে প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পিটি, ড্রিল, ফায়ারিং, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধ, লিখিত পরীক্ষা ও সর্ববিষয়ে চৌকস এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়।

  • অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ :

    মাদারীপুরে অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী তামান্না আক্তারকে (১৪) উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর জেলার কালকিনি উপজেলার কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোরী একই উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের মিরাকান্দি গ্রামের আলী আজগরের কন্যা।

    আটককৃতরা হলেন মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ চলবল গ্রামের সঞ্জিত হালদারের ছেলে সুব্রত হালদার, গোবিন্দ হালদারের ছেলে প্রশান্ত হালদার এবং লক্ষণ মধুর ছেলে নয়ন মধু। শুক্রবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন।

    মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে জোরপূর্বক ১৪ বছর বয়সী তামান্না আক্তারকে অপহরণ করে সুব্রত হালদারসহ তিন যুবক। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবার বাদী হয়ে কালকিনি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এরপর কালকিনি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ১১ ডিসেম্বর ঢাকার সাভার থানা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। এ সময় মামলার মূল আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    কালকিনি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করার পর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক ৩ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট শাখার সুস্ময় চক্রবর্তী (২৫) নামে এক কর্মীর কাছ থেকে নগদ ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। 

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রাজৈর উপজেলার কামালদি ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সুস্ময় বর্তমানে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

    পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সুস্ময় চক্রবর্তী টেকেরহাট ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাস্টার এজেন্ট শাখায় ডিএসআর হিসেবে কর্মরত। বৃহস্পতিবার (গতকাল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন এজেন্ট শাখা থেকে মোট ২৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে পাইকপাড়া ইউনিয়নের ফুলতলা শাখা থেকে ৭ লাখ, আমগ্রাম বাজার থেকে ৭ লাখ এবং টেকেরহাট মাস্টার এজেন্ট থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলে করে মজুমদার বাজার এজেন্ট শাখার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

    পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কামালদি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা একদল দুর্বৃত্ত সুস্ময়ের গতিরোধ করে। অভিযোগ উঠেছে, দুর্বৃত্তরা তাকে একটি ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে তার কাছে থাকা ২৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    ডাচ্-বাংলা ব্যাংক টেকেরহাট শাখার ম্যানেজার মনতোশ সরকার জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।

    রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, ‘তার নাকের সামনে শয়তানের নিঃশ্বাস ধরায় ছিনতাইকারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়ে টাকার ব্যাগটি তাদের হাতে দিয়ে দেয়। ছেলেটি ঘটনাস্থলেই দাঁড়িয়ে ছিল, কাউকে কিছু বলার মতো জ্ঞানও ছিল না তার।’

    তিনি আরও জানান, পরে একজনের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুস্ময়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগ পেলে ৩২৮ ধারায় মামলা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।

  • শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    মাদারীপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিবচর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    নিহত কিশোরীর নাম হালিমা খাতুন (১২)। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। হালিমা তার মা কাকলি বেগমের সঙ্গে শিবচর পৌর এলাকার লিটন মিয়ার বাড়িতে ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলার সাড়ে এগারো রশি এলাকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালিমার বাবা হানিফ খান প্রায় পাঁচ বছর আগে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকেই হালিমার মা কাকলি বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন। তিন বোনের মধ্যে হালিমা ছিল সবার বড়।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১২টার দিকে কয়েকজন শিশু হালিমা ঘরের বাইরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে। পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।এ বিষয়ে মাদারীপুরের শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনা রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

  • মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরের যাত্রীবাহী বাসে ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো. রণি (২৫) ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকার মিজানুর রহমান তালুকদারের ছেলে।

    আহতরা হলেন, পান্তাপাড়া এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রফিকুল ফকির (২৪) ও ভাঙ্গাব্রীজ এলাকার মো. এনামুলের ছেলে মাহফুজ (২৭)। পেশায় হতাহতরা রাজমিস্ত্রি।

    হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালকিনি উপজেলার গোপালপুর থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন রনি ও তার দুই সহযোগী। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়াপাড় এলাকায় আসলে পেছন থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রনির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রফিকুল ও মাহফুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করে চিকিৎসক।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, নিয়তের লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

  • যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
     যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির  সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে পৃথক দুটি শোকজ করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
    মঙ্গলবার (২৭জানুয়ারী) কমিটির প্রধান গোলাম রসুল স্বাক্ষরিত শোকজে আগামী ২৯ জানুয়ারী স্বশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
    চৌগাছা ও ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রার্থীকে কারন দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন কমিটির কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০১/২০২৬ এ বলা হয়েছে, যশোর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ-এর প্রেস সেক্রেটারি জনাব তারিকুল ইসলাম তারেক কর্তৃক দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে দুপুরের দিকে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সাধারণ নারী ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনপূর্বক নারী ভোট কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা নারী কর্মীদের শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, তাদের লাঞ্ছিত করে এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরকৃত মোবাইল ফোনসমূহ হামলাকারীরা সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এছাড়াও নারী কর্মীদের সাথে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই করা হয়, যেখানে নগদ অর্থ, কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিল। এ সময় তাদের অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং পরবর্তীতে পুনরায় ভোট চাইতে এলে প্রাণনাশের হমকি প্রদান করা হয়। উক্ত ঘটনায় আহত নারী নেতা-কর্মীরা হলেন-রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনা প্রমুখসহ মোট ১০ (দশ) জন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, হামলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোল, সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১০-১৫ জনের একটি দল জড়িত ছিল। লিখিত অভিযোগে বর্ণিত উক্ত ঘটনাসমূহ “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায়, উপরোক্ত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, ঝিকরগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০২/২০২৬ এ বলা হয়েছে, আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর জেলাধীন নির্বাচনি এলাকা নং-৮৬, যশোর-২ থেকে রাজনৈতিক দল “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” কর্তৃক মনোনীত একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি সরজমিনে চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন কালে বহু স্থানে আপনার নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত রঙ্গিন ফেসটুন, ব্যানার ও পোস্টার দেয়ালে সাথে সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পাই (নমুনা ছবি সংযুক্ত) যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ৭(গ) (ঙ) বিধির লঙ্ঘন।

    এমতাবস্থায়, উপরোক্ত আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(গ) (ঙ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, চৌগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।