ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • ঢাকা জেলায় ২৭ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ঢাকা জেলায় ২৭ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই দিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ঢাকার ২০টি আসন থেকে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন সম্ভাব্য ১৬২ প্রার্থী। তাদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ২৭ প্রার্থী ভোটের মাঠ ছেড়েছেন। সে হিসেবে ঢাকার এই আসনগুলোতে ভোটের মাঠ লড়বেন ১৩৫ প্রার্থী।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সারাদিনে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তিনটি কার্যালয়ে পৃথক পৃথকভাবে এসব মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন প্রার্থীরা।

    জানা যায়, সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়, ঢাকা আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় এবং ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় মিলে মোট ২৭ প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।

    এদের মধ্যে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত বিলকিস নাসিমা রহমান। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য প্রধানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদম এ তথ্য জানান।

    এছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাহারের মধ্যে আছেন, ঢাকা-৫ আসনের বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো. লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস এম শাহরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নায়ু মুন্সী।

    ঢাকা-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) গাজী নাসির, ঢাকা-৭ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. ফয়েজ বখশ্ সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ।

    এছাড়া ঢাকা-১০ আসনে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ, খেলাফত মজলিসের মো. রিফাত হোসেন মালিক, ঢাকা-১৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. এমদাদুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।

     

    ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১৩ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুরাদ হোসেন ও ঢাকা-১৫ আসনে গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

    ঢাকা জেলা প্রশাসক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিশের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে খেলাফত মজলিশের এ কে এম এনামুল হক, জামায়েতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আসনে জামায়েত ইসলামীর আব্দুর রউফ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

    উল্লেখ্য, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পেরোনোর পর বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ পাবেন প্রার্থীরা। এর ফলে তারা পরদিন থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।

    এদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ১৬ অনুচ্ছেদে দলীয় মনোনয়ন ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিধানে বলা হয়েছে, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সই যুক্ত কোনও লিখিত নোটিসের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত দিন বা তার আগে নিজে অথবা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন।

    কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে থাকলে ওই দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী ব্যক্তিকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে এদিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, সংশোধিত তফসিলের নির্বাচন সময়সূচি অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

  • একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    একের পর এক খুন করেছে সবুজ

    ডেস্ক নিউজ

    মশিউর রহমান সম্রাটের ছদ্মনামে সবুজ শেখ যেন হয়ে ওঠেছিলেন অপরাধের সম্রাট। একের পর এক ঘটিয়েছেন নৃশংস হত্যাকাণ্ড। তার ভাষায় ‘থার্টি ফোর বা সানডে মানডে ক্লোজড’ মানেই হত্যা করা। 

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)  রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার (১৯ জানুয়ারি)  সন্ধ্যায় তাকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ছয় হত্যার দায় স্বীকার করেন সবুজ শেখ।

    মশিউর রহমান সম্রাটের প্রকৃত নাম সবুজ শেখ। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া মুছামান্দা গ্রামের পান্না শেখের ছেলে। ২০২৪ সাল থেকে সাভার মডেল মসজিদে থাকতেন তিনি। এরপর সাভার থানার  আশপাশে ভবঘুরেদের মতো থাকতেন।

    সর্বশেষ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তার নাম তানিয়া আক্তার সোনিয়া। তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

    সাভার মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, সম্রাটের প্রকৃত পরিচয় জানা গেছে। মূলত তার নাম সবুজ শেখ। সে গতকাল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে ভবঘুরেদের মতো চলাফেরা করতো। ছদ্মনাম ব্যবহার করে অপরাধ করেছে। তার পরিবারের সদস্যরা মুন্সিগঞ্জে থাকেন। তবে তার বিস্তারিত আর কিছু পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের কাছ থেকে আসমা বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরে ২৯ আগস্ট রাতে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার  থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে নিহত ওই যুবকের এখনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পরে ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে অজ্ঞাত (৩০) এক নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরে ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোড়ে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভেতর থেকে এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তবে তিন খুনের ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করতে পারেনি। এরপর রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভেতরে দুইজনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    ডেস্ক নিউজ

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার সঙ্গে থাকা ময়না মিয়ার ছেলে শব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেটে প্রেরণ করেন এবং সিলেটে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। নিহত দুজন সুনামগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।

    য়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

     

  • ৪৯তম বিসিএসে সুনামগঞ্জের তরুণ-তরুণীর বাজিমাত

    ৪৯তম বিসিএসে সুনামগঞ্জের তরুণ-তরুণীর বাজিমাত

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় বইছে উৎসবের আমেজ। ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে উপজেলার দুই মেধাবী তরুণ-তরুণী বাজিমাত করেছেন। একজন হয়েছেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাডার, আরেকজন গণিত ক্যাডারে সারাদেশে অর্জন করেছেন প্রথম স্থান।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার এবার দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাডার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। অনার্সের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগেই বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি নজির স্থাপন করেছেন।

    খাদিজা মধ্যনগর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের মরহুম আব্দুল আজিজ ও হাজেরা বেগম দম্পতির একমাত্র কন্যা। স্থানীয় মধ্যনগর বিশ্বেশ্বরী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে খাদিজা আক্তার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, এই অর্জন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমার এই সাফল্যের পেছনে ছিল মায়ের দোয়া। আজকের এই আনন্দঘন সময়ে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাবাকে। আমার মা, ভাই, শিক্ষক ও বন্ধুদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। আমি আমাদের পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া চাই।

    অন্যদিকে, গণিত ক্যাডারে সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মধ্যনগরেরই আরেক কৃতি শিক্ষার্থী মো. অলি উল্লাহ। তিনি উপজেলার বংশীকুন্ডা গ্রামের মো. আব্দুল হেকিম ও হাজেরা খাতুন দম্পতির একমাত্র ছেলে।

    দুই তরুণের এই সাফল্যে পুরো মধ্যনগরজুড়ে বইছে আনন্দের ঢেউ। শুভাকাঙ্ক্ষী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন বার্তা ও শুভেচ্ছায় ভাসছে মধ্যনগর।

     

  • হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনি বিজয়ী হবেন, তাকেই তিনি অভিনন্দন জানাবেন। বর্তমান বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে পুরোনো পথেই হাঁটা হবে, এতে কোনো উপকার হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আবার আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।

    নির্বাচনে গালিগালাজ ও বকাবকির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি জরুরি।

    এদিকে,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় আচরণবিধি প্রতিপালন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুললেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে সমান সুযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।

    বি/এ

  • সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে বুধবার ভোররাত পর্যন্ত ধারাবাহিক এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কেজি গাঁজাসহ উজানগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নাছের ছেলে জহিরুল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একই রাত সাড়ে ৩টায় পৃথক আরেকটি অভিযানে দৌলতপুর গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী উজ্জলা বেগম (৩৭) এবং রূপ মিয়া ওরফে রুইক্কাকে (৫০) ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।

    স্থানীয়দের মতে, শাল্লায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিরা সক্রিয় থাকলেও এতো বড় চালান একসঙ্গে ধরা পড়া বিরল ঘটনা। পুলিশি তৎপরতায় এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    শাল্লা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গাঁজার একটি বড় চালান শাল্লায় আসছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। দুটি পৃথক অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ  তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে।

    শুক্রবার  দুপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মতিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ইতোপূর্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিলে গ্রামবাসী সালিসে মীমাংসা করেন। কিন্তু দুপুরে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধারালে সুলফির আঘাতে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া গুরুতর আহত হয়। এরপর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জামালগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জয়নাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রামের পরিবেশ শান্ত আছে।

  • সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে বিস্ফোরক জাতীয় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ১১৯৫/১-এস-এর নিকট থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ গজ ভেতরে মাইজহাটি নামক স্থানে পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত এসব ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করা সম্ভব, যা জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এসব বিস্ফোরক চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের ভয়াবহ পরিণতিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করায় আপন ভাতিজার হাতে গতকাল রাতে নির্মমভাবে খুন হন চাচি রুকশানা বেগম (৩৫)।

    রুকশানা বেগম দোহালিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফিরিজ আলীর স্ত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ওয়ারিছ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬) দীর্ঘদিন ধরেই চাচি রুকশানা বেগমের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার গ্রাম্য সালিশ হলেও জসিমের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে রুকশানা বেগম বারান্দায় বের হলে, জসিম উদ্দিন তার দেখে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে। চাচি এর প্রতিবাদ করলে, উত্তেজিত হয়ে জসিম ঘর থেকে বটি এনে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘাতক জসিম পালিয়ে যায়।

    এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় রুকশানাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পলাতক ঘাতক ভাতিজাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত টমটম গাড়ির স্ট্যান্ড ও ভাড়া নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার  দুপুরে দিকে উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনশ্রী ও বাউধরন গ্রামের লোকজনের মধ্যে খাড়ারপার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজার গাড়ি স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ রানীগঞ্জ থেকে বাউধরন রোডের টমটম ভাড়া ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। এতে বাউধরন ও স্বজনশ্রী গ্রামের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সদস্য বাউধরন গ্রামের সালেহ উদ্দিন আহমদ পুনরায় ভাড়া ৩০ টাকা নির্ধারণ করেন। এতে উভয় গ্রামের টমটম চালকদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

    এর জেরে শুক্রবার বিকেলে বাউধরন গ্রামের মুজিব মার্কেট এলাকার গাড়ি স্ট্যান্ড থেকে স্বজনশ্রী গ্রামের টমটমগুলো বের করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সংঘর্ষে আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক বদরুদ্দোজা জানান, আহত ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।