ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • পাবনার দুই আসনে নির্বাচন স্থগিত

    পাবনার দুই আসনে নির্বাচন স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমানা জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আজ শনিবার নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। এতে স্বাক্ষর করেন সংস্থার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।

    ইসি জানায়, জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকা ৬৮ (পাবনা-১) ও ৬৯ (পাবনা-২)-এর সীমানা সংক্রান্ত মামলায় আপিল বিভাগ গত ৫ জানুয়ারি আদেশ দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ দুই নির্বাচনি এলাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

    সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ইসি চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলার সমন্বয়ে পাবনা-২ আসন চূড়ান্ত করা হয়।

    ইসির ওই গেজেটের এই দুটি আসন-সংক্রান্ত অংশের বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে গত ১৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

    তাতে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া সংক্রান্ত ইসির গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এরপর গত ২৪ ডিসেম্বর পাবনার আসন দুটি নিয়ে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইসি। তাতে আগের মতোই পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা ও বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন (হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন) নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। এছাড়া পাবনা-২ আসনও বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন এবং পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়।

    অন্যদিকে হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথক আবেদন করে। আবেদন দুটি গত ২৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আদালত আবেদন দুটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য দিন ধার্য করে।

    গত ৫ জানুয়ারি এই দুই আসনের আগের সীমানা পুনর্বহাল করে ইসির ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
    সুত্র আমারদেশ

  • যেকোনো উসকানির বিরুদ্ধে আমাদের শান্ত থাকতে হবে

    যেকোনো উসকানির বিরুদ্ধে আমাদের শান্ত থাকতে হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রাখার পর যোগ দেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। বেলা ৩টা ৫৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। শুরুতেই বলেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ।’
    তারপর দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে শুরু করেন বক্তব্য। তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া— আপনাদের দোয়ায় প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’ বক্তব্যের একপর্যায়ে দেশবাসীর উদ্দেশে দিলেন ‘ইনসাফের শাসনের বার্তা’।
    তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেশের শান্তি চাই। মার্টিন লুথার কিং—নাম তো শুনেছেন না আপনারা? তার একটি বিখ্যাত ডায়ালগ আছে, আই হ্যাভ আ ড্রিম। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই, আই হ্যাভ আ প্ল্যান, পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি। আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে।’
    সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা চেয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, প্রিয় ভাইবোনেরা এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, এই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তি যত মানুষ উপস্থিত আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন ইনশা আল্লাহ আমরা আই হ্যাভ আ প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো।’
    বিএনপি একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো আমরা, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু- যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।’
    তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন, আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি। হে রাব্বুল আলামিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমত দানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী—আজ আপনি যদি আমাদেরকে রহমত দেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে; আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া এই দেশের মানুষের উপরে থাকে– ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবে আমরা সবাই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ন্যায়পরায়ণতা, সেই ন্যায়পরায়ণতার আলোকে আমরা দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
  • ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে জরিমানা গুণলেন ব্যবসায়ী

    ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে জরিমানা গুণলেন ব্যবসায়ী

    ডেস্ক নিউজ:

    সিরাজগঞ্জের তাড়াশের সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুইচিং মং মারমার স্বাক্ষর জাল করায় এক মাটি ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ওই ব্যবসায়ীর একটি মাটি ভর্তি ট্রাকও জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের চৌপাকিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ীর নাম মামুন হোসেন। তিনি সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। তিনি জানান, ইউএনও সুইচিং মং মারমার স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে খননযন্ত্র দিয়ে ফসলি জমির মাটি খনন করে অন্যত্র বিক্রি করছিলেন মামুন। এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই মাটি ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

  • অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    ডেস্ক নিউজ:

    সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার রায়দলতপুর ইউনিয়নের চৌবাড়ী পশ্চিমপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আহত গৃহবধূর নাম মোছাঃ দোলা খাতুন (২৫)। তিনি ওই এলাকার মোঃ আসিক মোল্লার স্ত্রী। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে রফিক মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিবেশী লাইলী বেগম, পলাশ, পলি, সুমাইয়াসহ আরও কয়েকজন দাও, বটি ও বাটাম দিয়ে মোছাঃ দোলাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ উপস্থিত না থাকায় একা পেয়ে তাকে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    আরও জানা যায়, ঘটনার আগে মোছাঃ দোলার ছোট ছেলে প্রতিবেশীদের বাড়িতে বড়ই কুড়াতে গেলে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই বিরোধের জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। মোছাঃ দোলা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে স্থানীয়রা জানান।

    আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত লাইলী বেগম বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশিক মোল্লাসহ তাদের বাড়ির লোকজন আমাদের মারধর করে। পরে বেলা ১১টার দিকে আমার মেয়ে গিয়ে দোলাকে আঘাত করে।

    এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

     

  • পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    ডেস্ক নিউজ

    নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছেড়েছেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন (পুতুল)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

    গণপ্রতিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কোনো লাভজনক পদে থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    জানা গেছে, ফারজানা শারমিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা, ক্যাপিটাল ল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি, গ্রিন ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড ও ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) স্বাধীন পরিচালকের পদ ছেড়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে তিনি এসব পদ থেকে সরে এসেছেন।

    ফারজানা শারমিন বলেন, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া তিনি নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো সময়ও দিতে পারছিলেন না।

  • ধুনটে বিএনপির অফিস ভাঙচুর মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    ধুনটে বিএনপির অফিস ভাঙচুর মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার ধুনটে দোয়া মাহফিলে হামলা, বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও ব্যানারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাহমুদুল হাসান মিথু (৩২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান মিথু ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য এবং নারায়ণপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩০ মে ধুনট বাজারে হোটেল আরাফাত ভবনের দোতলায় অবস্থিত বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।

    এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে দোয়া মাহফিলে হামলা চালায়। এতে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর করা হয় এবং কার্যালয় ভাঙচুর ও ব্যানারে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

    এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর যুবদল নেতা ইমদাদুল হক রনি বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের ৬১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৬০ জনের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার অজ্ঞাত আসামি হিসেবে মাহমুদুল হাসান মিথুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ধুনট থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোস্তাফিজ আলম জানান, মামলার এজাহারে গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম উল্লেখ না থাকলেও তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাকে বগুড়া আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এআর/নিই

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1038

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ছেড়ে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

    বুধবার বিকেল ৫টায় উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা শাখার সেক্রেটারি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম রাজু।

    বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন— ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী, আলম রেজা, ইউসুফ আলী, মো. বদিউজ্জামান, আতাউর রহমান, মোরশেদুল ইসলাম, শাকিল আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, গোলাম মোস্তফা, সেকেন্দার আলী, আব্দুল হাকিম, শাহিন হাসান, আব্দুল আলিম, খোরশেদ মোস্তাকসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী।

    অনুষ্ঠানে ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দলে বরণ করে নেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ বলেন, ৫২-৫৩ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। তাদের যোগদানের মাধ্যমে নন্দীগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হলো।

    নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, যাদের নিয়ে প্রচার হচ্ছে, তারা বিএনপির কেউ নয়। ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম একসময় খাসি জবাই করে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিল, এখন আবার জামায়াতে গেছে। এসব লোক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ যোগদান নন্দীগ্রাম এলাকায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

    এআর/নিই

  • স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা  শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    বিডটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।

    বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।

    মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।

    পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।

    ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

    এআর/নিই

  • সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    সোনাতলায় বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে ৫০ কোটি টাকার সেতু

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালি নদী থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। এতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আড়িয়ারঘাট সেতুটি হুমকির মুখে পড়েছে।

    নদীপাড়ের বাড়িঘর বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খরস্রোতা বাঙালি নদীর ভাঙন দেখা দিতে পারে।

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে জানান স্থানীয়রা।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির বালু ব্যবসায়ী উপজেলার আড়িয়ারঘাট থেকে পোড়াপাইকর (ছলুরঘাট) পর্যন্ত অর্ধশতাধিক স্থানে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। ২০২০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার নামাজখালী, রানীরপাড়া, রংরারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর, হলিদাবগা, পোড়াপাইকর এলাকায় নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজ করে।

    নদীর তীর সংরক্ষণের এ প্রকল্প হুমকির মুখে রয়েছে। নদীতে অবাধে বালু উত্তোলন করায় বাড়িঘর, ফসলি জমি, গাছপালাও হুমকির মুখে পড়েছে। এ ছাড়াও পরিবেশের ভারসাম্য হারাতে বসেছে।

    এআর/নিই
  • দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমানকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    তিনি দুপচাঁচিয়া উপজেলার পশ্চিম আলোহালী গ্রামের মৃত হাসেন আলী আকন্দের ছেলে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

    তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণসহ জুলাই যোদ্ধা শহীদ মনির হত্যার মামলার আসামি হিসেবে অভিযোগ রয়েছে।

    দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত জিল্লুর রহমানকে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এআর/নিই