ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • সারিয়াকান্দিতে বিএনপির মনোনয়ন: আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে মিছিল, যুবদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি

    সারিয়াকান্দিতে বিএনপির মনোনয়ন: আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে মিছিল, যুবদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায়িত করে তাঁকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে মিছিল সমাবেশ করার অভিযোগে সোনাতলা উপজেলায় দুই যুবদল নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    যাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

    জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালামকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা দলীয় সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।

    জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেন, ৮ নভেম্বর বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপি থেকে ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল সমাবেশ করা হয় শামিম হোসেন ও আব্দুস সালামের নেতৃত্বে। এ বিষয়ে প্রমাণসহ অভিযোগ উঠলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    জানতে চাইলে অব্যাহতি পাওয়া যুবদল নেতা শামিম হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সে বিষয়ে কিছু জানি না। আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে কৈফিয়ত তলব করা হয়নি।’

    শামিম আরও বলেন, ‘আমার নামে ১২ থেকে ১৪টি মামলা। গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর বিএনপিতে নতুন নতুন নেতার আবির্ভাব হয়েছে। আমাকে যুবদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও আমি ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পদে আছি। এ কারণে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাধা নেই।’

    এআর/নিই

  • কাহালুতে স্ত্রী ও ছেলের লাঠির আঘাতে সন্ত্রাসী নিহত

    কাহালুতে স্ত্রী ও ছেলের লাঠির আঘাতে সন্ত্রাসী নিহত

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার কাহালুতে স্ত্রী ও ছেলের লাঠির আঘাতে মিলন রহমান ওরফে টাইগার মিলন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

    তিনি এক সপ্তাহ আগে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ স্ত্রী মেঘনা বেগম ও তাঁর ছেলে শামিমকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে কাহালু উপজেলার পালপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র সরকার জানান, তিন বছর আগে মিলন ও মেঘনা বিয়ের মাধ্যমে উভয়েই তৃতীয়বারের মতো সংসার শুরু করেন। বিয়ের পর থেকেই নানা বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। মিলন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ প্রায় ১০টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি মারামারির এক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি এক সপ্তাহ আগে জামিনে মুক্তি পান।

    বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মিলন ও মেঘনার মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে মেঘনার প্রথম পক্ষের ছেলে শামিম সেখানে গিয়ে মা মেঘনার পক্ষ নিয়ে লাঠি দিয়ে মিলনের মাথায় একাধিক আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ মেঘনা ও তাঁর ছেলে শামিমকে গ্রেপ্তার করে।

    কাহালু থানার ওসি নিতাই চন্দ্র সরকার বলেন, এই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির মা মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে মেঘনা ও তাঁর ছেলে শামিমের নামে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় কারণে বগুড়ার মহাস্থানে হাটে ফুলকপির দরপতন হয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে দেড় টাকায়। শীতের প্রকোপে হাটে এ সবজির আমদানি বাড়লেও পাইকার কম থাকায় এই মূল্য পতন হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

    রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সবজির মোকাম মহাস্থানহাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশার চাঁদর ভেদে করে কৃষকরা ভোর থেকেই ভ্যানে করে ফুলকপি মহাস্থান মোকামে আনতে শুরু করেন। প্রথম দিকে ক্রেতা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমদানি বেশি হওয়ায় ব্যাপারিরা হারিয়ে যায়।

    সেই সময় ১০০ থেকে ১৩০ টাকা মণ দরে ফুলকপি বিক্রি কলেও পরে তা নেমে যায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা মণ দরে।

    ঘন কুয়াশার কারণে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলেনি। আর এ কারণে মোকামে পাইকারদের আগমন কম হয়েছে। এতে করেই দরপতন হয়েছে।

    রোববার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে, শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সামনে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

    মহাস্থান হাটে দেখা গেছে, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সবখানেই সবজিতে ঠাসা। সকাল থেকে দূরদূরান্তের কৃষকরা অটোভ্যান, ইজিবাইক, ভটভটি, সিএনজি যোগে তাদের জমিতে উৎপাদিত সবজি হাটে আনেন ভাল দাম পাওয়ার আশায়। ক্রেতা-বিক্রেতা আর আড়তদারদের ভিড় ছিল নিত্যদিনের মতো। কিন্তু ছিল না কপির কাঙ্ক্ষিত দাম। শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুমে প্রতিদিনই বাজার নিন্মমুখী হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন কৃষকরা।

    চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি, স্টক সুবিধা না থাকা ও ক্রেতা সংকট হওয়ায় জমিতে চাষ করা টাটকা সবজি বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করছেন তারা। যার ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক, উৎপাদন খরচ নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    মহাস্থান মোকামে ফুলকপি বিক্রি করতে আসা শিবগঞ্জ উপজেলার বালুয়া গ্রামের ফারুক ইসলাম বলেন, ১০ মণ ফুলকপি এনেছিলাম বিক্রির জন্য। কিন্তু আমদানি বেশি। ক্রেতা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ৪৫০ টাকায় ১০ মণ কপি বিক্রি করে ভ্যান ভাড়া তুলেছি। প্রতি কেজির দাম পড়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা।

    একই কথা জানালেন উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক হেলাল প্রামাণিক। তিনি ১৭ মণ ফুলকপি বিক্রি করেছেন ৫০ টাকা মণ দরে। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম পড়েছে এক টাকা পঁচিশ পয়সা।

    নারায়ণগঞ্জ থেকে সবজি কিনতে আসা ব্যাপারি এমদাদদুল হক জানান, তিনি মহাস্থানের গিয়াস উদ্দিনের আড়ত থেকে সবজি কিনেন। রোববার ফুলকপির দাম কমে যাওয়ায় তিনি ৫০ টাকা মণ দরে এক টন কিনেছেন। আরও কিনবেন।

    ঢাকার মিরপুরের ব্যবসায়ী মিলন রহমান কামাল হাাজর আড়তে সবজি কিনেন। কপির দাম কম পাওয়ায় তিনি তিন টন কপি কিনেছেন। যার মণ ছিল গড়ে ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

    মহাস্থানের ব্যবসায়ী বিশাল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী তাহেরুল ইসলাম বলেন, মহাস্থানে ছোটবড় আড়ত প্রায় ৪০টি। এখন প্রতিদিন মাল ডেলিভারি হচ্ছে প্রায় ৪০ ট্রাক। বাজারে আমদানি বেশি, বাহির থেকে ব্যাপারি না আসায় সবজির দাম প্রতিদিন নিম্নমুখী। আমরা কৃষকের কষ্টের কথা চিন্তা করে ঝুঁকি নিয়ে মালামাল ক্রয় করছি, এতে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমরা ব্যবসায়ীরাও হচ্ছি।

    শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, আবহাওয়াজনিত কারণে হঠাৎ করেই ফুলকপি দাম কমে গেছে। দুই-একদিনের মধ্যে দাম আবার বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

    বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে এবং রোগবালাই না থাকায় এবার প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়েছে। তাছাড়া একই সময় সব শীতকালীন সবজি বাজারে আসায় দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে এসেছে। নেমে গেছে কিছু সবজির দাম। কদিনে মধ্যে বাজার স্বাভাবিক হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    বিডি/এআর/এনই

  • পুকুরে বিষ দিয়ে ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

    পুকুরে বিষ দিয়ে ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

    ডেস্ক নিউজ:

    নাটোরের সিংড়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতের কোনো এক সময় উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের গোয়ালবাড়িয়া গ্রামে ১২ বিঘা আয়তনের ওই পুকুরে এই ঘটনা ঘটে।

    মাছগুলো বিক্রির উপযুক্ত হয়ে ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে এমন ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে পুকুরে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি জানাজানি হয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোয়ালবাড়িয়া গ্রামের মসজিদ ও কবরস্থান সংলগ্ন পুকুরটি গ্রামবাসীদের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন পাড়েরা গ্রামের মৎস্যচাষি সিদ্দিক প্রামাণিক। গত ছয় মাস ধরে তিনি সেখানে পাবদা, ট্যাংরা, রুই, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে ছিলেন।

    ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি সিদ্দিক প্রামাণিক জানান, পুকুরটিতে দেড় লাখ পাবদা, ২ লাখ ট্যাংরা, ২ হাজার রুই, ১ হাজার মৃগেল, ২২০টি বিগহেড ও ৩৮০টি সিলভার কার্পসহ বিপুল পরিমাণ মাছ ছেড়েছিলেন তিনি। মাছের পোনা, খাবার ও পরিচর্যা বাবদ তাঁর প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আশা ছিল, ৩৫ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে কে বা কারা শত্রুতা করে পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট (বিষ) প্রয়োগ করায় সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

    সিদ্দিক প্রামাণিক আক্ষেপ করে বলেন, ‘শত্রুতা করে আমার সব শেষ করে দিলো। আমি তো পথে বসে গেলাম। প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

  • নাটোরে রেললাইনে ফাটল

    নাটোরে রেললাইনে ফাটল

    ডেস্ক নিউজ:

    নাটোরের নলডাঙ্গায় রেললাইনে ফাটল দেখা দিয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মাধনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ফাটলটি নজরে আসে। তবে রেলকর্মীদের দ্রুত তৎপরতায় মেরামত কাজ সম্পন্ন হওয়ায় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে মাধনগর রেলস্টেশনের দক্ষিণে এনড়ার পাড় এলাকায় ২৫৩ নম্বর পিলারের কাছে ১ নম্বর রেললাইনে ফাটল দেখতে পান এলাকাবাসী। তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গ্রাম পুলিশ নাজমুল হোসেন ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ফাটল মেরামতের ব্যবস্থা নেয়।

    রেলওয়ের ট্রলিম্যান জুলফিকার হোসেন জানান, ফাটলের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরই দ্রুত মেরামত কাজ শুরু করা হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেলওয়ের কর্মীরা মেরামত কাজ শেষ করেন। মেরামতের সময় ওই লাইনে সতর্কতামূলকভাবে ট্রেন ধীরগতিতে চলাচল করে। বর্তমানে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

    খবর পেয়ে নলডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রেলকর্মী ও স্থানীয়দের ধারণা, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে রেললাইনের লোহা সংকুচিত হয়ে এ ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী বীরকুৎসা রেলস্টেশনের উত্তরেও একইভাবে রেললাইনে ফাটল দেখা দিয়েছিল, যা পরে মেরামত করা হয়।

  • নাটোরে নজর কাড়ছে ধানগাছে আঁকা জাতীয় পতাকা

    নাটোরে নজর কাড়ছে ধানগাছে আঁকা জাতীয় পতাকা

    ডেস্ক নিউজ

    নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রশিদপুর গ্রামের তরুণ কৃষক ইমরান হোসাইন ধানখেতে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার আকৃতি। ধান গাছ দিয়ে সবুজ জমির মাঝে লাল বৃত্ত তৈরি করে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন দেশের পতাকার রূপ। তার এই উদ্যোগ এখন এলাকাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

    ইমরান হোসাইন জানান, দেশপ্রেম আর কৃষির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এই উদ্যোগ। প্রায় ৪৫ শতক জমিতে দুই জাতের ধান রোপণ করে তিনি তৈরি করেছেন এই অনন্য চিত্র। সবুজ অংশে ব্যবহার করেছেন পাকিস্তানি লং বাসমতী ধান, আর মাঝের লাল বৃত্তের স্থানে লাগিয়েছেন বেগুনি রঙের পারপোল রাইস। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ধানের শীষে আঁকা পতাকাটি যেন বাতাসে দুলছে।

    ইমরান বলেন, দেশকে ভালোবাসা শুধু মুখের কথা নয়। কাজের মাধ্যমেই দেশপ্রেম প্রকাশ পেতে পারে। এই খেত আমার কাছে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার প্রতীক।

    তার এই ব্যতিক্রমী কাজ দেখতে প্রতিদিনই নানা বয়সী মানুষ ভিড় করছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন ইমরানের সৃজনশীল এই প্রচেষ্টা।

    জামাল উদ্দিন নামের একজন বলেন, ইমরানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কথা শুনে দেখতে এসেছি। জীবন্ত ধান গাছের পতাকা আগে কখনো দেখেনি। দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।

    গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেন, ইমরানের এই উদ্যোগ শুধু দেশপ্রেম নয়, কৃষিক্ষেত্রে সৃজনশীলতারও এক সুন্দর উদাহরণ। এমন উদ্যোগ তরুণদের কৃষির প্রতি উৎসাহিত করবে।

  • এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল!

    এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল!

    ডেস্ক নিউজ:

    নাটোরের বড়াইগ্রামে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল করেছেন  দুই শিক্ষার্থী। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার। 

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন, উপজেলার বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আইটি সাপোর্ট অ্যান্ড আইওটি বেসিকস ট্রেডের পরীক্ষার্থী আরাফাত সরদার এবং আহমেদপুর ডিগ্রি কলেজের ফুড প্রসেসিং ট্রেডের পরীক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ।

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, আরাফাত সরদার ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে ‘আইটি সাপোর্ট এন্ড আইওটি বেসিকস’ ট্রেডে অংশ নেয়। সে বছর ১৫টি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে রসায়ন বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এরপর ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শুধু রসায়ন বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা দেন। তার প্রবেশপত্রেও শুধু রসায়ন বিষয় উল্লেখ ছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের ১০ জুলাই প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি রসায়ন ছাড়াও কৃষি বিষয়েও ফেল করেছেন। অথচ কৃষি বিষয়টি তার পরীক্ষার অন্তর্ভুক্তই ছিল না।

    একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আহমেদপুর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদের ক্ষেত্রেও। তিনি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ‘ফুড প্রসেসিং’ ট্রেডে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আত্মকর্মসংস্থান বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের পরীক্ষায় শুধু আত্মকর্মসংস্থান বিষয়েই অংশ নেন। তার প্রবেশপত্রেও শুধু ওই একটি বিষয় উল্লেখ ছিল। কিন্তু ফলাফলে দেখা যায়, আত্মকর্মসংস্থান ছাড়া তাকেও কৃষি বিষয়ে ফেল দেখানো হয়েছে।

    সাব্বির আহমেদ বলেন, আমি এক বিষয়ে ফেল করেছিলাম, সে বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিয়েছি। এখন ফলাফলে দেখি কৃষি বিষয়েও ফেল। অথচ কৃষি আমার প্রবেশপত্রেই ছিল না।

  • বাবার কবরের পাশে করপোরাল মাসুদ রানার দাফন

    বাবার কবরের পাশে করপোরাল মাসুদ রানার দাফন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুদানে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত করপোরাল মাসুদ রানার দাফন রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে শায়িত হলেন তিনি।

    আজ বেলা আড়াইটার দিকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনে করে তাঁর মরদেহ বহনকারী সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার লালপুর উপজেলার বোয়ালিয়াপাড়ায় তাঁর গ্রামের বাড়িসংলগ্ন করিমপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। সেখানে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। সেখান থেকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মরদেহটি তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। দেশের এই বীর সন্তানকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন মানুষ।

    শহীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ মাসুদ রানার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর হেলিকপ্টারে মরদেহ নাটোরে আনা হয়। গ্রামের বাড়িতে কিছু সময় রাখার পর বিকেলে বোয়ালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

    সেনাবাহিনী জানায়, মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য অস্থায়ী হেলিপ্যাড নির্মাণসহ দাফনের আনুষঙ্গিক সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সেনাবাহিনীর ১১ পদাতিক ডিভিশনের একটি দল।

    শহীদ মাসুদ রানা ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। গত ৭ নভেম্বর স্ত্রী ও আট বছরের একমাত্র মেয়েকে রেখে শান্তি রক্ষা মিশনে যোগ দিতে সুদান যান তিনি। মিশন শুরুর মাত্র এক মাস সাত দিনের মাথায় সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন। শান্তিরক্ষী হিসেবে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার স্বপ্ন নিয়ে দেশ ছাড়লেও কফিনে করে ফিরেছেন এই বীর।

    ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ হন। তাঁদেরই একজন করপোরাল মাসুদ রানা।

  • নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    ডেস্ক নিউজ:

    নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছেড়েছেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন (পুতুল)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।গণপ্রতিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কোনো লাভজনক পদে থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    জানা গেছে, ফারজানা শারমিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা, ক্যাপিটাল ল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি, গ্রিন ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড ও ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) স্বাধীন পরিচালকের পদ ছেড়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে তিনি এসব পদ থেকে সরে এসেছেন।

    ফারজানা শারমিন বলেন, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া তিনি নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো সময়ও দিতে পারছিলেন না।

  • ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর সাপাহারে ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাপাহার উপজেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ হিল কাফির মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার  দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত জামায়াত নেতা সাপাহার উপজেলার কাওয়াভাসা গ্রামের মাওলানা আব্দুর রহিমের ছেলে।

    সাপাহার থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি জানান, শুক্রবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে মিটিং শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত আব্দুল্লাহ হিল কাফি। পথে উপজেলার সাপাহার-জবই বিল সড়কের সৈয়দপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গাড়ি থামিয়ে দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট শুরু করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। কিছু পরে দলীয় কিছু লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।