ক্যাটাগরি কান্ট্রি সাইড

  • আজ প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন

    আজ প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন

     

    প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন আজ। ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে তিনি যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন চাটমোহরের হরিপুর গ্রামের জমিদার বংশের সন্তান। প্রমথ চৌধুরী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করছে। প্রমথ চৌধুরী নদীয়ার কৃষ্ণনগরে শৈশব ও কৈশর কাটলেও তিনি মাঝে মাঝে আসতেন পৈত্রিক নিবাস হরিপুরে।

    তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে এন্ট্রাস, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে এফএ, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স) দর্শন ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা, আইন কলেজে ও ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা ও ঠাকুর এস্টেটের ব্যবস্থাপক পদে কাজ করেন তিনি। এরই মাঝে সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন তিনি। সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে সম্মানের আসনে বসিয়েছেন। তার সমসাময়িক সময়ে তার মতো প্রখর রুচিশীল লেখক খুব একটা ছিল না।

    তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা, তেল নুন লাকড়ী, নানা কথা, আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা, নানাচর্চা ও প্রবন্ধ সংগ্রহ। বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন তিনি। বাংলা সাহিত্যের জন্য কাজ করে গেছেন নিরলসভাবে। প্রমথ চৌধুরী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি প্রভাষক ইকবাল কবীর জানান, প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিকনিবাস ৩ বছর আন্দোলনের পর তিন একর জমি দখলমুক্ত করে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পাঠাগার গড়ে তোলা হয়েছে।

    সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর প্রধান খ্যাতি মননশীল প্রবন্ধলেখক হিসেবে। তবে তিনি উচ্চমানের গল্প ও কবিতাও রচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। বুদ্ধিদীপ্ত তির্যকভঙ্গি তার গদ্য-পদ্য সব রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য। শাণিত যুক্তি ও আলঙ্কারিক ভাষা প্রয়োগেও তিনি দক্ষ ছিলেন। তিনি ইংরেজি ও ফরাসি সাহিত্যে সুপন্ডিত ছিলেন। ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট, তের্জারিমা ইত্যাদি বিদেশি কাব্যবন্ধ বাংলা কাব্যে তিনিই প্রবর্তন করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬), সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), চার-ইয়ারি কথা (১৯১৬), বীরবলের হালখাতা (১৯১৬), The Story of Bengali Literature (১৯১৭), পদচারণ (১৯১৯), রায়তের কথা (১৯২৬), নীললোহিত (১৯৩২) ও আত্মকথা (১৯৪৬)।

    প্রমথ চৌধুরী ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে কৃষ্ণনগরে অনুষ্ঠিত একবিংশ বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষ-বক্তারূপে বঙ্গ সাহিত্যের পরিচয় তুলে ধরেন। ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জগত্তারিণী স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ২ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে তার মৃত্যু হয়।

  • মাদরাসায় ফিরছে মেধাবৃত্তি

    মাদরাসায় ফিরছে মেধাবৃত্তি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর এবার দেশের সব ইবতেদায়ী মাদরাসাতেও পঞ্চম শ্রেণিতে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাদরাসাগুলোর পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী।

    বুধবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ইবতেদায়ি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৮ ডিসেম্বর। পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে পাঁচটি বিষয়ের ওপর— কুরআন মাজিদ ও আকাইদ-ফিকহ, আরবি (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), বাংলা, ইংরেজি এবং গণিত ও বিজ্ঞান। এর মধ্যে কুরআর মাজিদ ও আকাইদ-ফিকহ, আরবি প্রথম ও দ্বিতীয় এবং গণিত ও বিজ্ঞান সম্মিলিতভাবে হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য বরাদ্দ নম্বর ১০০। সব মিলিয়ে মোট নম্বর ৫০০।

    তবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে কেবল বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কোডভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা ও সংযুক্ত ইবতেদায়ি শাখাসমূহের শিক্ষার্থীরা। মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

    এ বিষয়ে বিস্তারিত সিলেবাস ও মানবণ্টন বোর্ড থেকে শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গত ১৭ জুলাই সরাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে। চলতি বছরের শেষে অর্থ্যাৎ ডিসেম্বর মাসেই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে।

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৬ বছর পর পুনরায় চালু হওয়া এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে নির্ধারিত হারে বৃত্তি সুবিধা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার পাবে। এর আগে, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ‘প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা’ (পিইসি) শুরুর পর থেকে আলোচিত এই বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ ছিল।

    বিডি/বিএ

  • প্রবাসীদের ভোটগ্রহণে পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা ইসির

    প্রবাসীদের ভোটগ্রহণে পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা ইসির

     

    প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটগ্রহণের জন্য পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা রাখল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে করতে ডাক বিভাগ ১৯২টি দেশকে টার্গেট করে যোগাযোগ স্থাপনে কাজ করছে। এক্ষেত্রে বিশ্ব ডাক ইউনিয়নের (ইউপিইউ) পলিসি ও নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভোটদান কার্যক্রমটি সহজতর করার জন্য ডাক বিভাগকে সর্বোচ্চ ২৮ দিন এবং সর্বনিম্ন আটদিন সময় ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে খরচ ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের জন্য ৪৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছিল পরিকল্পনা কমিশনে। কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে প্রস্তাবনাটি ইসিতে ফেরত পাঠানো হয়। সেগুলো ঠিক করে প্রস্তাবটি পুনরায় কমিশনে পাঠানো হবে। সারাবিশ্বে এক কোটি ৩০ লাখ বাংলাদেশির মধ্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ইসির টার্গেট ৫০ লাখ প্রবাসীর অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন করা।

    ইসি ও ডাক বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘ইউপিইউ’ জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী ডাক ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কাজ করে। সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ১৯২টি।

    এদিকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটগ্রহণের প্রকল্প শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। সরকারি অর্থায়নে এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রম সম্পন্নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে ডাক বিভাগের খরচ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডাক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডাক বিভাগের সঙ্গে ১৯২ দেশের সম্পর্ক রয়েছে। কমিশন আমাদের বরাদ্দ দেয়নি। আমরা কাজ করছি। আমাদের দূরত্ব বিচনা করে সর্বোচ্চ ২৮ দিন এবং সর্বনিম্ন আটদিন সময় টার্গেট দেওয়া হয়েছে।

  • শিশুর শরীরে ক্ষতিকর সিসা; পদেক্ষপ জরুরী

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের ৩৬ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু সিসার ক্ষতিকর বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। যার মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী অন্তত ২ কোটি শিশু সিসার ক্ষতিকর প্রভাবে বেড়ে উঠেছে দুর্বল মেধা নিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসার কোনো গ্রহণযোগ্য মাত্রা নেই, যদিও বাংলাদেশের শিশুদের শরীরে সিসার গড় পরিমাণ ৬৮ মাইক্রোগ্রাম। এমনকি দেশে প্রতি বছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪ জনের মৃত্যু হয়, তার পেছনেও সিসার পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সিসা দূষণ প্রতিরোধ: অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় জানানো হয়, সিসা বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা নীরবে লাখ লাখ মানুষের বিশেষ করে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে চলেছে। রক্তের মধ্যে সিসার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) শিশুদের রক্তে প্রতি লিটারে ৩৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি সিসার উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করে।

    ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে সিসা দূষণে আক্রান্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানে চতুর্থ। যেখানে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু রক্তে উচ্চমাত্রার সিসা নিয়ে জীবনধারণ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার বস্তি এলাকায় দুই বছরের কম বয়সী ৮৭ শতাংশ শিশুর রক্তে প্রতি লিটারে সিসার মাত্রা ৫০ মাইক্রোগ্রামের বেশি ছিল, যা তাদের শারীরিক বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতার প্রধান কারণ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আইসিডিডিআর,বির হেলথ সিস্টেমস অ্যান্ড পপুলেশন স্টাডিজ ডিভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ড. সারাহ স্যালওয়ে বলেন, ‘সিসা দূষণ বাংলাদেশের একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা প্রায়ই আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। বিশেষ করে দূষণ সৃষ্টিকারী শিল্পের আশপাশের শিশুরা এর সবচেয়ে বড় শিকার।’

    সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে বলে জানান স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং আইসিডিডিআর,বির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক স্টিভ লুবি। তিনি বলেন, ‘এর ফলে বুদ্ধিমত্তা ও শেখার ক্ষমতা কমে যায়, যা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে। আমরা নিঃশ্বাসে যে বাতাস নিই, যে খাবার খাই, দূষিত মাটি বা ধূলিকণা স্পর্শ করি এবং এমনকি গর্ভাবস্থায় মায়ের প্লাসেন্টা (গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ অঙ্গ, যা মা ও ভ্রূণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে) থেকেও সিসা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।’

    আইসিডিডিআর,বির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. মাহবুবুর রহমান গত ১০ বছরের সিসা-সম্পর্কিত গবেষণার ফল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সিসা দূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে সিসা ও ব্যাটারি-সম্পর্কিত শিল্পকারখানা, সিসাযুক্ত রং এবং প্রসাধনী ও রান্নার পাত্রের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। হলুদে ভেজাল (লেড ক্রোমেট দিয়ে পালিশ করা) প্রতিরোধে বেশ সফলতা এসেছে। স্ট্যানফোর্ড ও আইসিডিডিআর,বির একটি দল অন্তঃসত্ত্বা নারীদের রক্তে সিসা দূষণের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে হলুদকে চিহ্নিত করার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে ২০১৯ সালে যেখানে ৪৭ শতাংশ হলুদের নমুনায় সিসা পাওয়া যেত, তা কমে ২০২১ সালে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে। আইসিডিডিআর,বির সহকারী গবেষক ডা. জেসমিন সুলতানা ২০২২-২৪ সালের মধ্যে ঢাকায় পরিচালিত গবেষণার প্রাথমিক ফল তুলে ধরেন। এই গবেষণায় ২ থেকে ৪ বছর বয়সী ৫০০ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতিটি শিশুর রক্তেই সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে (মধ্যমমাত্রা: ৬৭ মাইক্রোগ্রাম/লিটার) এবং ৯৮ শতাংশ শিশুর রক্তে সিডিসির উদ্বেগজনক মাত্রা ৩৫ মাইক্রোগ্রাম/লিটার-এর চেয়ে বেশি সিসা ছিল। এই গবেষণায় চিহ্নিত সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনার ১ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ছিল ৫ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি। অন্য উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘরের ভেতরে ধূমপান, দূষিত ধূলিকণা, সিসাযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ও রান্নার পাত্র।

    আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘সিসার বিষক্রিয়া নীরবে আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কেড়ে নিচ্ছে। এটি তাদের মস্তিষ্কের পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত করে ও দেহে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি করে। তাই আমাদের এখনই এই সিসা নিঃসরণকারী ক্ষতিকর উৎসগুলো বন্ধ করতে হবে, যাতে প্রতিটি শিশু সুস্থ ও বুদ্ধিমান হয়ে বেড়ে উঠতে পারে।’

    আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনা যেমন—সিসা-এসিড ব্যাটারি বানানো বা রিসাইক্লিং করার কারখানা বা স্থাপনা, অথবা যেসব কারখানা বা স্থাপনায় সিসা গলানো বা পোড়ানো হয়, এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগাদা দেন।

  • কেমিকেল মিশ্রিত খাবার; হুমকির মুখে মানবজাতি

    কেমিকেল মিশ্রিত খাবার; হুমকির মুখে মানবজাতি

    বিশ্বব্যাপী রাসায়নিক দূষণ এখন মানবজাতি ও প্রকৃতির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের মতোই ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠেছে। নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই বিপদের ব্যাপারে এখনো যথেষ্ট জনসচেতনতা কিংবা কার্যকর পদক্ষেপ গড়ে ওঠেনি।

    বিশ্বব্যাপী ১০ কোটির বেশি ‘নতুন রাসায়নিক পদার্থ’ তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার থেকে সাড়ে তিন লাখ রাসায়নিক বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এসব রাসায়নিক পদার্থ আমাদের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের ওপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে সচেতনতা খুবই কম।

    ডিপ সায়েন্স ভেঞ্চার্স (ডিএসভি) নামক একটি গবেষণা সংস্থা জানায়, আমরা প্রতিদিন যে পানি পান করি, বাতাসে শ্বাস নিই, খাবার খাই, এমনকি যে সাবান, শ্যাম্পু বা ঘরের জিনিসপত্র ব্যবহার করি—তাতে থাকা অনেক রাসায়নিকের নিরাপত্তা পরীক্ষা হয়নি বা প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়নি।

    গবেষণা বলছে, খাদ্য প্যাকেট ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের সংস্পর্শে থাকা ৩ হাজার ৬০০-র বেশি রাসায়নিক পদার্থ মানুষের শরীরে পাওয়া গেছে, যার মধ্যে অন্তত ৮০টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। বিশেষ করে পিএফএএস বা ‘ফরএভার কেমিক্যালস’, যা একবার শরীরে ঢুকলে সহজে বের হয় না, তা প্রায় সব মানুষের শরীরে পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি অনেক জায়গায় বৃষ্টির পানিতেও এর উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষ এমন শ্বাস নিচ্ছে, তা দূষণের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এসব রাসায়নিক পদার্থ মানুষের প্রজননক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ, স্নায়ুবিক কার্যক্রম, হৃদযন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, যকৃত ও কিডনি পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে গবেষণায় জানা গেছে।

    বিশেষ করে কীটনাশকের ব্যবহার ও বন্ধ্যাত্ব, গর্ভপাত ও গর্ভধারণে জটিলতার মধ্যে স্পষ্ট যোগসূত্র পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানান, হরমোনে প্রভাব ফেলা রাসায়নিকগুলো অনেক সময় অতি সামান্য মাত্রাতেই মারাত্মক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা প্রচলিত টেস্ট পদ্ধতিতে ধরা পড়ে না।

    এই গবেষণাটি প্লাস্টিক দূষণ এবং রাসায়নিক দূষণের বিষয়েও সতর্ক করেছে। ডিএসভি বলছে, রাসায়নিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যরক্ষা ব্যবস্থায় এখনই বিপুল পরিবর্তন দরকার। আর এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন ও উদ্যোগ সৃষ্টিতে কাজ করছে।

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • ইসিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি

    ইসিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি

    নিউজ ডেস্ক:

    আগামী বছর তথা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। এর মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

    ৬ আগষ্ট বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর প্রেরিত এক পত্রে উল্লিখিত সময়ে প্রত্যাশিত মানের অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

    ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া তার ভাষণে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয়ার কথা বলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই চিঠি পাঠালো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

    জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণের উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে অবিলম্বে এক্ষেত্রে সকল প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরুর কথা বলেছেন। বিগত পনের বছরে নাগরিকদের ভোট দিতে না পারার প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচন যেন মহা-আনন্দের ভোট উৎসবের দিন হিসেবে স্মরণীয় হয় তেমন আয়োজনের উপর প্রধান উপদেষ্টা জোর দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নির্বাচন আনন্দ-উৎসবে, শান্তি-শৃঙ্খলায়, ভোটার উপস্থিতিতে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতায় অবিস্মরণীয় হয়ে উঠার যে প্রত্যাশা করেছেন তা উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন আয়োজনে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্বারোপের পাশাপাশি একটি প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, অবাধ, শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রত্যয়ের কথাও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়।

  • চৌগাছায় বিএনপির সমাবেশ ও বিজয় র‌্যালী

    চৌগাছায় বিএনপির সমাবেশ ও বিজয় র‌্যালী

     

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমাবেশ ও বিজয় র‌্যালী করেছে। জুলাই গণভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৫ আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব মোড়ে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম.এ সালামের সভাপতিত্ত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর জেলার চেম্বার্স অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান।

    উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বর্ক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী দফাদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলীবুদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাগ, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়র, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, প্রভাষক বিএম হাফিজুর রহমান, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, স্বরুপদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপিতি জহুরুল ইসলাম বাবু, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল হামিদ কাজী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সালাহউদ্দীন প্রমুখ।

    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, কৃষকদল, ছাত্রদলসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

     

  • গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    গ্রামীণ ঐতিহ্য; বড়শিতে মাছ ধরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে একসময় বর্ষার পানি নামতে শুরু করলেই গ্রামের জলাশয়ে সারি সারি বাঁশের কঞ্চি আর পাটখড়িতে বাঁধা বড়শি পুঁতে রাখতেন জেলে ও কৃষকেরা। নল বড়শি নামে পরিচিত মাছ ধরার এই চিরায়ত পদ্ধতি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। আধুনিক জাল-ফাঁদের প্রসার আর জলাশয় হারানোর ফলে গ্রামীণ জীবনের এই পরিচিত দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা কিংবা শরৎকালে শুকনো পাটখড়ি বা চিকন বাঁশের কঞ্চিতে সুতা ও বড়শি বেঁধে জলাশয়ে গেঁথে রাখা হতো। বাড়তি খরচ ছিল না, জটিল কোনো সরঞ্জামেরও প্রয়োজন পড়ত না। এই সহজ পদ্ধতিতে শোল, বোয়াল, টাকি, আইড়সহ নানা দেশি মাছ ধরা যেত।

    ফুলবাড়ীর পশ্চিম ফুলমতি বারোমাসিয়া নদীর মাছ ব্যবসায়ী আজিবর রহমান জানান, তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় কয়েক ডজন নল বড়শি বসান। ভোরে তুলে দেখেন কোনদিন একটা মাছ পান, কোনদিন একটাও না। নল বড়শি আর নেট জাল দিয়ে কোনোরকমে সংসার চলে তার।

    সীমান্তঘেঁষা কুরুষাফেরুষা এলাকার কৃষক ধীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, কমপক্ষে বিশ বছর পর নল বড়শির কথা শুনলেন। আগে দোলায় করে নিয়ে গিয়ে মাছ তুলতেন। এখন খাল-ডোবা নেই, মাছ নেই — নল বড়শি এখন ইতিহাস।

    আরেক কৃষক দেলোয়ার হোসেন জানান, ছোটবেলায় শত শত নল বড়শি নিয়ে বের হতেন। চ্যাং, চ্যাংটি, শোল, মাগুর — কত দেশি মাছ ধরতেন। এখন সেসব নেই বললেই চলে।

    ফুলবাড়ী উপজেলার ধরলা, বারোমাসিয়া ও নীলকমল নদী এবং শিমুলবাড়ী ও ভাঙ্গামোড় অঞ্চলের বিল-খালে একসময় নল বড়শির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও মাছের সংকটে এখন তা অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে। নতুন প্রজন্মের অনেকে এই নামই শোনেনি।

  • এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম

    এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নতুন চেয়ারম্যান পদে যোগদান করেছেন মো. আমিনুল ইসলাম।

    সোমবার (৪ আগস্ট) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনটিআরসিএর অফিসে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    এর আগে ২৭ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ পদে নিযুক্ত করা হয়। মো. আমিনুল ইসলাম এর আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে: মাহফুজ আলম

    ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে: মাহফুজ আলম

    নিউজ ডেস্ক:

    ওয়ান ইলেভেনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

    এদিকে মাহফুজ আলমের এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিভিন্নজন তার পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন।এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ‘ফ্যাসিবাদ থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে আইনজীবীদের ভূমিকা: আলোচনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে, যার ইঙ্গিত ভালো নয়। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সবাই একতাবদ্ধ ও সতর্ক না থাকলে দেশে আরেকটি এক-এগারোর পুনরাবৃত্তি অসম্ভব নয়।