ক্যাটাগরি গোপালগঞ্জ

Gopalganj district

  • কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করা ইয়াবা খুলনায় নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। তাঁর নাম আশিকুল ইসলাম। তিনি খুলনা জেলা পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

    আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকার শহীদ বশরুজ্জামান গোলচত্বরের সামনে থেকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা–পুলিশ। আশিকুল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে।

    বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান  বলেন, গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আশিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    জানতে চাইলে খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) আনিসুজ্জামান আজ বিকেলে  বলেন, ‘ইয়াবাসহ এক পুলিশ সদস্য চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জেনেছি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কনস্টেবল আশিকুল ছুটিতে ছিলেন নাকি দায়িত্বরত থাকাকালে চট্টগ্রাম এসেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    এ, আর

  • বিএনপির এমপি হচ্ছেন ‘আওয়ামী লীগ নেত্রী’ সুবর্ণা

    ডেক্স নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের এক নেত্রীকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    আলোচিত সুবর্ণা ঠাকুর গোপালঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি দাবি করছেন, আওয়ামী লীগের কমিটিতে অনুমতি না নিয়েই তার নাম রাখা হয়েছিল।

    কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১ জানুয়ারি কমিটির পূর্ণাজ্ঞ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম।

    আজ সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিএনপি।

    এই তালিকার ২০ নম্বরে রয়েছে সুবর্ণা শিকদারের (ঠাকুর) নাম। 

    বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কমিটিতে আমার স্বইচ্ছায় নাম ছিল না। অনুমতি ছাড়াই কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছিল।

    আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম না।’ 

    তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে সুবর্ণা ঠাকুরের উপস্থিতি দেখা গেছে।গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, ‘সুবর্ণা ঠাকুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পদে ছিলেন। এখন তিনি অস্বীকার করে থাকলে ঠিক করছেন না। নতুন পদ-পদবি পাওয়ার জন্য তিনি দলের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন নারী। তিনি ওড়াকান্দি হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য ও পেশায় শিক্ষক।

    M

  • গোপালগঞ্জে বিএনপির রেকর্ড

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সাড়ে পাঁচ দশক ধরে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের একক আধিপত্য চলে আসলেও সেখানে নতুন রাজনৈতিক ইতিহাসের সূচনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি ভিআইপি আসনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে বিএনপি রেকর্ড গড়েছে। এ তিনটি আসনে বরাবর আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এ কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারেনি। এ তিনটি আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট, জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তিনটি আসনে মোট ৪০ শতাংশ ভোট পড়ে।

    গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) সেলিমুজ্জামান মোল­া জয়ী হয়েছেন। তিনি ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা ছয়বার নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মো. ফারুক খান।

    গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. কে এম বাবর আলী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়েছেন। এ আসন থেকে টানা নয়বার নির্বাচিত হয়েছেন আরেক হেভিওয়েট নেতা আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফজলুল করিম সেলিম।

    গোপালগঞ্জ-৩ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়েছেন। এ আসনটিও ছিল ভিভিআইপি আসন। এ আসন থেকে শেখ হাসিনা টানা সাতবার নির্বাচিত হয়েছেন।

    গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী হুমায়রা তাবাসুম বলেন, প্রথমবার আমি ভোট দিয়েছি। পছন্দের দল ও প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আমি খুশি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আবু সালেহ যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গোপালগঞ্জের মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের যে আকাক্সক্ষা সৃষ্টি হয়েছে এটি তারই প্রতিফলন।

  • নিখোঁজের ৩ মাস পর পুকুরে মিলল যুবকের মরদেহ

    নিখোঁজের ৩ মাস পর পুকুরে মিলল যুবকের মরদেহ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ তিন মাস পর মো. তৌহিদুল ইসলাম মোল্যা নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ভাকুড়ি গ্রামের একটি কচুরিপানা ভর্তি পুকুর থেকে তার গলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত তৌহিদুল মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের আকতার আলী মোল্লার ছেলে।

    পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তৌহিদুল ইসলাম হঠাৎ নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ছেলের কোনো হদিস না পেয়ে তৌহিদুলের বাবা মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও অভিযোগ দায়ের করেন।

    সোমবার দুপুরে পার্শ্ববর্তী ভাকুড়ি গ্রামের একটি পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার করতে যান স্থানীয় কয়েকজন। এসময় তারা পানির নিচে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা জড়ো হয় এবং পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    মরদেহটি উদ্ধার করার পর নিখোঁজ তৌহিদুলের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরনের পোশাক ও অন্যান্য চিহ্ন দেখে তাকে শনাক্ত করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

    মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিন মাস আগে নিখোঁজ হওয়া এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় মরদেহটি প্রায় গলে গেছে।

  • গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

  • বাবা-মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

    বাবা-মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় জীবিত বাবা-মাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্তরা হলেন, রাসেল মোল্লা ও রানা মোল্লা। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা সত্তার মোল্লার ছেলে।ভুক্তভোগী সত্তার মোল্লা জানান, জমি বিক্রির টাকা ছেলেদের দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত রোববার রাসেল ও রানা তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। এক পর্যায়ে উঠানে কবর খুঁড়ে তাদের জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে।

    মা আসমা বেগম বলেন, ‘যে সন্তানদের কষ্ট করে বড় করেছি, তারাই আজ আমাদের খেতে দেয় না। সরকারের দেওয়া একটি ঘরে আমরা থাকি। জমি বিক্রির টাকার জন্য তারা আমাদের মারধর করে জ্যান্ত কবর দিতে চেয়েছিল।’

    প্রতিবেশী আক্কাস ভুঁইয়া বলেন, সত্তার মোল্লা ও আসমা বেগমের ছয় সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে বড় ছেলে রাসেল ও মেজো ছেলে রানা দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তির লোভে বাবা-মাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল। শুনতে পাই ছেলেরা উঠানে কবর খুঁড়ছে। বাবা-মাকে মাটি দেবে। দ্রুত গিয়ে দেখি সত্যিই কবর খোঁড়া হয়েছে।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে কাশিয়ানী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সত্তার মোল্লা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাসেল মোল্লা ও রানা মোল্লাকে গ্রেফতার করে।

    কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    এম কে

  • শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারেননি গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করেন। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন এই প্রার্থী।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটে এমন ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচার শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে গণসংযোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।

    এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন হাবিব।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছি। আর প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

    হাবিব বলেন, ‘একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

    দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে হাবিব বলেন, ‘আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই। ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।’

    এম কে

  • মায়ের কোল থেকে ছিটকে সড়কে প্রাণ গেল শিশুর

    মায়ের কোল থেকে ছিটকে সড়কে প্রাণ গেল শিশুর

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) ও মাহেন্দ্র অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে তিন মাস বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে সাতজন।

     বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চাপরাইল ব্রিজ-সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    আহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী।

    নিহত শিশু ঋষি মজুমদার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের জোয়ারিয়া গ্রামের রায়মোহন মজুমদারের ছেলে।

    ওসি আইয়ুব আলী বলেন, যাত্রীবাহী একটি মাহেন্দ্র কোটালীপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়া আসছিল। অন্যদিকে যাত্রীবাহী একটি ইজিবাইক জোয়ারিয়া থেকে কোটালীপাড়ার মাঝবাড়ি যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি গোপালপুরের চাপড়াইল ব্রিজ-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন ইজিবাইকে থাকা মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিন মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে টুঙ্গিপাড়া হাসপাতালে নেয়।

    এ ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ওসি।

    এম কে

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1019

    ডেস্ক নিউজ

    যশোরে তাপমাত্রা ৭.৮

    facebook sharing button
    messenger sharing button
    whatsapp sharing button
    copy sharing button
    যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

    expand
    যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    যশোরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবার মাঝারি আকার ধারণ করেছে। তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে আরও। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

     

     

    যশোরে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।  যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটি ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো যশোরে। এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

    স্থানীয় আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে কাঁপন লেগেছে হাড়ে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ামের নিচে নেমে গেলে তাকের অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

     

     

    যশোরে সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    এই অনুযায়ী যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

    তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

     

     

    যশোরে শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায় ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    শহরের খড়কি এলাকার নির্মাণ শ্রমিক রুহুল আমিন বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। কাজের জন্য এসে বসে থাকলেও কাজ মিলছে না।

    শহরের রায়পাড়া এলাকার শ্রমজীবী শহিদুল হোসেন বলেন, রাজমিস্ত্রির জোগালে বা শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। কাজের সন্ধানে এসে বসে আছি। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে। পেটের দায়ে ঘরের বাইরে বের হয়েছি। কাজ পাবো কিনা জানি না।

     রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি।

    গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। তীব্র রকমের শীতে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিরাও নাকাল হয়ে পড়েছ।

    এ/ আর

     

  • স্লুইসগেটের বেহাল দশা

    স্লুইসগেটের বেহাল দশা

    বিডিনিউজ ডেস্ক

    রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে অকার্যকর হয়ে পড়েছে খুলনার তেরখাদার স্লুইস গেটগুলো। খালগুলোরও মৃতপ্রায় অবস্থা। এতে পানির প্রবাহ না থাকায় ও বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায়  বিভিন্ন ফসল চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক।

    জানা যায়, তেরখাদা উপজেলার মোট আয়তন ১৮ হাজার ৭৬৯ হেক্টর। উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে প্রায় দেড় লাখ মানুষ বসবাস করেন। অঞ্চলটির প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজ করেন। অঞ্চলটি মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত গঙ্গা পললভূমি, গঙ্গা কটাল পললভূমি ও গোপালগঞ্জ-খুলনা জৈব মাটির বিলাঞ্চল নিয়ে গঠিত। চাষাবাদ প্রধানত বৃষ্টি নির্ভর হলেও বর্তমানে সেচের মাধ্যমে আধুনিক জাতের বোরো ধানের আবাদ করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

    উপজেলার পানির প্রধান উৎস নদী ও খাল। বছরের তিন-চার মাস লবণাক্ত থাকে এসব নদী-খালের পানি। এসময় লবনাক্ত পানির প্রবাহ আটকাতে স্লুইস গেটগুলো মুখ্য ভূমিকা পালন করে। খালগুলো নদীর সঙ্গে যুক্ত স্লুইস গেটর মাধ্যমে। কিন্তু খাল ও স্লুইস গেটের সংস্কার না হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে এ অঞ্চলের চাষাবাদ।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, তেরখাদায় বোরোর আবাদ বেশি হয়। গত বছর ৮ হাজার ৪৬৫ হেক্টর ধান উৎপাদন হয়েছে। এ বছর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৯৪৯ হেক্টর। উপজেলায় ৩৭টি খাল ও ২১টি স্লুইস গেইট রয়েছে। এসব খাল ও স্লুইস গেটের ওপর নির্ভর করে কৃষকরা চাষাবাদ করেন। এর মধ্যে ১৪টি খাল প্রায় মৃত ও ৯টি স্লুইস গেট সংস্কারের অভাবে অকেজো হয়ে আছে। এতে চাষাবাদের জন্য কৃষকরা সঠিকভাবে পানি পাচ্ছেন না।