ক্যাটাগরি গোপালগঞ্জ

Gopalganj district

  • গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মালিহা পাইক (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ  সকালে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মালিহা পাইক কোটালীপাড়া উপজেলার বান্দাবাড়ি গ্রামের বায়জিদ পাইকের মেয়ে।

    কোটালীপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, শিশু মালিহা বাড়ির সামনের উঠানে খেলছিল। এ সময় সবার অজান্তে  বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে মালিহাকে অনেক খোঁজা-খুঁজির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালিহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরিবারের অবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    চলমান এইচএসসি ও সমমান স্থগিত পরীক্ষাগুলোর পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মোট চারদিনের স্থগিত পরীক্ষার এ সূচি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী- ২২শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৭ই আগস্ট এবং ২৪শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৯শে আগস্ট নেয়া হবে। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ১০ই জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১২ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৭ই জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় স্থগিত পরীক্ষা ১৪ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১শে আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

     

  • ঢাকা দখলের চেষ্টায়  আ.লীগ

    ঢাকা দখলের চেষ্টায় আ.লীগ

    নিউজ ডেস্ক:

     

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকেই দেশে চলছিল একের পর এক ষড়যন্ত্র। নানামুখী অপতৎপরতার মাধ্যমে নতুন সরকারকে ব্যর্থ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল পরাজিত শক্তি। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজধানী ঢাকা দখলের চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগ। এই পরিকল্পনাকে সামনে রেখে বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণও নিয়েছেন।

    প্রশিক্ষণ নেওয়া গেরিলা বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছে।

    সম্প্রতি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানায়, অবাক হওয়ার বিষয় হলো—যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একটি অংশ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি। যারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মীও। প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এরই অংশ হিসাবে ৮ জুলাই রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণ চলাকালে কনভেনশন সেন্টারে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী নানা স্লোগান।

    সূত্র জানায়, কনভেনশন হলে প্রশিক্ষণের তথ্য পেয়ে ১৩ জুলাই রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট। ওই অভিযানে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। এরা হলেন-সোহেল রানা (৪৮) ও শামীমা নাসরিন শম্পা (৪৬)। সোহেল রানার বাবার নাম আব্দুস সোবহান গোলন্দাজ। বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার মৌপাড়া গ্রামে। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ১৮ নম্বর রোডে তার বাসা। গ্রেফতারকৃত শম্পার স্বামী আহাদুজ্জামান একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বড়াশুর গ্রামে। বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বাজরা গ্রামে।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে-জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তারা জানিয়েছে, ঢাকা দখল করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। এজন্য তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী একযোগে ঢাকা চলে আসবেন। সবাই সমবেত হবেন রাজধানীর শাহবাগে। শাহবাগ মোড় দখল করে জনমনে আতঙ্ক তৈরিসহ জনগণকে জানান দেওয়া হবে যে-আওয়ামী লীগের কয়েক লাখ লোক ঢাকা দখলে নিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব পড়বে সারা দেশে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী অধ্যুষিত কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও মাঠে নামার সাহস দেখাবে।

    এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘাত ও অরাজক পরিস্থিতি বেগবান করার সব প্রস্তুতি আগে থেকে ছক করা থাকবে। এভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট বুঝে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) কামরুল হাসান বলেন, ‘এটি একটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ। তদন্তের স্বার্থেই এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। একটু গুছিয়ে নিই। পরে বলব।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু ডিবি নয়, আরও কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।’

    অপর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগ তার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের এহেন রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারকে ফেলে দেওয়ার নানামুখী চক্রান্তের বিষয় সরকার জানার পর জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমত, পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত টিম দিয়ে ফেস করা। দ্বিতীয়ত, জড়িতদের কেউ যাতে পালিযেতে না পারে সেজন্য পুরো চক্রকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখা।

    এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ‘দেশে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকিও নেই। সবকিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ইস্যু করা চিঠিতে ২৯ জুলাই হতে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ১১ দিনের বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা পুরো বাংলাদেশের অভিযান নয়, ডিএমপি তাদের মতো করে অভিযান চালাচ্ছে।’

  • গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে যশোরে সড়ক অবরোধ, আল্টিমেটাম

    গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে যশোরে সড়ক অবরোধ, আল্টিমেটাম

    যশোর প্রতিনিধি
    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরের চাঁচড়া মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
    বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে দলের নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল বলেন, আমাদের তিন দফা দাবি
    অবিলম্বে মানতে হবে। গোপালগঞ্জসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে হবে, পুলিশি ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে এবং গোপালগঞ্জের ডিসি ও এসপিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
    প্রত্যাহার করতে হবে।
    তিনি আরও বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ। জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর প্রতিবাদে আমরা রাজপথে নেমেছি, প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই, যদি আমাদের ভাইদের কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে আমরা পুরো দেশ অচল করে দেবো। তাঁরা আহত নেতাকর্মীদের দ্রুত ও নিরাপদে উদ্ধারেরও দাবি জানান।
    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা সংগঠক নুরুজ্জামান, আল মামুন লিখন, বায়োজিত হোসেন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন সাকিব হোসেন, মোহাম্মদ ইবনে সাহাদ, ওসমান গণি, সাইদ সান, সোহানুর রহমান, মিনহাজ, সুলতানা খাতুন জান্নাত, ফারহিন আহমেদ, আসমা ইসলাম, রুবাইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নেতৃবৃন্দ।