ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

    চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

    ডেস্ক নিউজ

    সম্প্রতি ভোলার লালমোহন উপজেলায় আবু বকর ছিদ্দিক নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালককে নৃশংভাবে কুপিয়ে হত্যার পর তার রিকশাটি নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি অটোরিকশাটি।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হতাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার চরকলমি ইউনিয়নের মো. ইব্রাহীম (৩৬), তার সহযোগী বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রাজা (৩২) ও কাজী তারেক ৩৫)।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে জেলা পুলিশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

    এর আগে, গত ৩১ ডিসেম্বর ‘চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাই’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয় ঢাকা পোস্টে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, হত্যাকারী সাতজন গত ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চরফ্যাশন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বোরহানউদ্দিন যাওয়ার কথা বলে আবু বকর ছিদ্দিকের অটোরিকশায় ওঠেন। সাড়ে ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলার কচুয়াখালী এলাকায় এসে অটোরিকশাচালক আবু বকর ছিদ্দিকের বুকের ডান পাশে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে তাকে ফেলে অটোরিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যায় হত্যাকারীরা। পরে নিহতের ছেলে সুলতান ১ জানুয়ারি বাদী হয়ে লালমোহন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার (৫ জানুয়ারি) মূল আসামি ইব্রাহীমকে গ্রেপ্তার করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করে ইব্রাহীমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. রাজা ও কাজী তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত ইব্রাহীম ও রাজার বিরুদ্ধে ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    পুলিশ সুপার আরও বলেন, হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও অটোরিকশাটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ সময় জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে

    বরিশালে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ আসন ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে

    ডেস্ক নিউজঃ

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরিশালে জামায়াতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলো ছেড়ে দিতে হচ্ছে জোটকে। এমনকি দলটির ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত বরিশাল-৫ (সদর) আসনটিও ছাড়তে হচ্ছে। বিজয়ের ক্ষেত্রে দলটির এ গ্রেডের তালিকায় ছিল আসনটি। পাশাপাশি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনটিও জামায়াতের এ গ্রেডের তালিকায় ছিল। এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আসনটি আগেই ছেড়ে দিয়েছিল দলটি, যে কারণে এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বরিশাল মহানগর দলের আমির জহির উদ্দীন বাবর প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

    এদিকে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনটিও জামায়াতের এ গ্রেডের তালিকায় রয়েছে। এ দুটি আসনে কে প্রার্থী হচ্ছেন তা এখনো নিশ্চিত করে জানা যায়নি।এদিকে বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে বরিশাল-৫ আসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে তার দেনদরবার চলছে। এ আসনে তার মনোনয়ন নিশ্চিত হলে জামায়াতকে ৬ আসনটি ছেড়ে দিতে পারেন বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে।

    সূত্র জানায়, সদর আসনটিতে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এখানে নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে আসছেন।

    জামায়াতে ইসলামীর একটি সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়ায়-মহল্লায় তাদের হাজার হাজার সক্রিয় কর্মী-সমর্থক রয়েছে। ইতোমধ্যেই দলের নির্বাচনি কেন্দ্র পাহারা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে জোটের কারণে এ আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছেড়ে দিতে হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    এদিকে সদর আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে গত রোববার সকাল থেকেই নগরীতে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর আসনটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ২০ জানুয়ারির আগেই জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    জানা যায়, সমঝোতার অংশ হিসেবেই জামায়াত সম্প্রতি তাদের সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে। এতে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলালকে।

     সদর আসনটিতে প্রার্থী হয়েছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এখানে নির্বাচনি প্রচার চালিয়ে আসছেন।

    জামায়াতে ইসলামীর একটি সূত্র জানায়, বরিশাল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পাড়ায়-মহল্লায় তাদের হাজার হাজার সক্রিয় কর্মী-সমর্থক রয়েছে। ইতোমধ্যেই দলের নির্বাচনি কেন্দ্র পাহারা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে জোটের কারণে এ আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ছেড়ে দিতে হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

    এদিকে সদর আসনটি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে গত রোববার সকাল থেকেই নগরীতে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর আসনটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ২০ জানুয়ারির আগেই জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করতে পারে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    জানা যায়, সমঝোতার অংশ হিসেবেই জামায়াত সম্প্রতি তাদের সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে। এতে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলালকে।

    দলীয় সূত্র জানায়, সাধারণত সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা নির্বাচনে প্রার্থী থাকেন না। সে বিবেচনায় বরিশাল-৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের পক্ষে জায়গা ছেড়ে দিয়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির জহির উদ্দীন মুহাম্মদ বাবর আমার দেশকে বলেন, জোটের স্বার্থে অনেক কিছুই ছাড় দিতে হয়। শুনেছি এ বিষয়ে দলীয় ঘোষণা আসতে পারে। তবে এখনও নিশ্চিত কিছু বলতে পারছি না।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি হওয়ায় শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানা গেছে।

    এম কে

     

  • জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    জামায়াতের রূপকল্পে অগ্রাধিকার তরুণ ও নারীদের প্রত্যাশা

    ডেস্ক নিউজঃ

    আসন্ন সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ‘জনতার ইশতেহার’ শিরোনামে এ ইশতেহারে থাকছে জনগুরুত্বপূর্ণ ২৫ বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার। এতে শিক্ষার উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দুর্নীতিবিরোধী পরিকল্পনার পাশাপাশি তরুণ ও নারীসমাজের আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে প্রস্তুত করা ইশতেহারটি ম্যানুয়ালি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এটি ভোটারদের মাঝে চমকপ্রদভাবে উপস্থাপনের জন্য অত্যাধুনিক ডিজাইনের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন নির্দেশিত সময়ে অথবা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০ জানুয়ারির পর এটি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনা এবং সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের তত্ত্বাবধানে গঠিত দলীয় কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে নির্বাচনি ইশতেহার। একই সঙ্গে ‘জনতার ইশতেহার’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়। এসব মাধ্যমে অডিও-ভিডিওসহ প্রায় সাড়ে চার হাজার মতামত আসে। এসব মতামতের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ইশতেহারে তুলে ধরা হচ্ছে। অন্যান্য মতামত সংশ্লিষ্ট আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকবে। যে কেউ সেটা দেখতে পারবেন।

    নির্বাচনি ইশতেহার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছিল জামায়াত। এরপর দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। তাই এবারের ইশতেহার হবে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে। বিভিন্ন চমকে ভরা ইশতেহারে তরুণ ও নারীদের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে

    তিনি বলেন, তিনভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে ‘জনতার ইশতেহার’। জনসাধারণের সহজে বোঝার সুবিধার্থে প্রথম পর্যায়ে থাকবে বুলেট পয়েন্ট। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০-৫০ পৃষ্ঠার বই থাকবে। বিস্তারিত তথ্য থাকবে ডিজিটাল আর্কাইভে। পরে যে কেউ সেসব তথ্য দেখতে পারবেন। ইশতেহারে উপস্থাপন করা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন দেওয়া হবে। এতে প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচি, ছয় মাস, এক বছর—ইত্যাদি পর্যায় উল্লেখ করা হবে।

    এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরো বলেন, আমরা ইশতেহারটি ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। সব দলের ইশতেহার একই দিনে ঘোষণার জন্য সরকারকে প্রস্তাব দেওয়া আছে। তাদের সিদ্ধান্ত পেলে সেভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। অন্যথায় নিজেদের মতো করে তা প্রকাশ করা হবে।

    সূত্রমতে, নির্বাচনি ইশতেহার তৈরি করতে দলীয় গণ্ডির বাইরে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানো হয়েছে। তাদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতেই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে। অতীতের যেকোনো ইশতেহারের চেয়ে এটি ভিন্ন প্যাটার্নের। সব মতের লোকদের নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জানানো হবে ইশতেহারে।

    দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করা হলেও এর সঙ্গে সব আসনের প্রার্থীর পক্ষ থেকে আলাদাভাবে আঞ্চলিক ও তৃণমূলের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনাগুলো চূড়ান্ত করেছেন প্রার্থীরা।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যার আলোকে উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যেমন আমার এলাকায় ফায়ার সার্ভিস নেই। উপজেলা পর্যায়ে ১০টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নে যেসব বরাদ্দ হবে, তার সব হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। এভাবে শিক্ষা-স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছি।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এ এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান। তাই প্রবাসে কর্মসংস্থানে আগ্রহীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া সামাজিক বিচারব্যবস্থা এবং মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করব।

    ইশতেহারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, এতে মৌলিক কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নৈতিক ও কর্মমুখী শিক্ষার কথা বলা হবে। সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের বিষয় তুলে ধরা হবে। নারীদের সম্মান ও মর্যাদার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। জুলাই বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে ইশতেহারে। সর্বোপরি এতে বিভাজনের রাজনীতিমুক্ত হয়ে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার অঙ্গীকার থাকবে।

    সুত্রঃ আমারদেশ

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1019

    ডেস্ক নিউজ

    যশোরে তাপমাত্রা ৭.৮

    facebook sharing button
    messenger sharing button
    whatsapp sharing button
    copy sharing button
    যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

    expand
    যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    যশোরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এবার মাঝারি আকার ধারণ করেছে। তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে আরও। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

     

     

    যশোরে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।  যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটি ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো যশোরে। এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

    স্থানীয় আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে কাঁপন লেগেছে হাড়ে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ামের নিচে নেমে গেলে তাকের অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

     

     

    যশোরে সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    এই অনুযায়ী যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

    তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

     

     

    যশোরে শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায় ¦ ছবি: গ্রামের কাগজ

     

     

    শহরের খড়কি এলাকার নির্মাণ শ্রমিক রুহুল আমিন বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। কাজের জন্য এসে বসে থাকলেও কাজ মিলছে না।

    শহরের রায়পাড়া এলাকার শ্রমজীবী শহিদুল হোসেন বলেন, রাজমিস্ত্রির জোগালে বা শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। কাজের সন্ধানে এসে বসে আছি। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে। পেটের দায়ে ঘরের বাইরে বের হয়েছি। কাজ পাবো কিনা জানি না।

     রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি।

    গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। তীব্র রকমের শীতে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিরাও নাকাল হয়ে পড়েছ।

    এ/ আর

     

  • যেকোনো উসকানির বিরুদ্ধে আমাদের শান্ত থাকতে হবে

    যেকোনো উসকানির বিরুদ্ধে আমাদের শান্ত থাকতে হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রাখার পর যোগ দেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। বেলা ৩টা ৫৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। শুরুতেই বলেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ।’
    তারপর দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে শুরু করেন বক্তব্য। তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া— আপনাদের দোয়ায় প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’ বক্তব্যের একপর্যায়ে দেশবাসীর উদ্দেশে দিলেন ‘ইনসাফের শাসনের বার্তা’।
    তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা দেশের শান্তি চাই। মার্টিন লুথার কিং—নাম তো শুনেছেন না আপনারা? তার একটি বিখ্যাত ডায়ালগ আছে, আই হ্যাভ আ ড্রিম। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে আমি বলতে চাই, আই হ্যাভ আ প্ল্যান, পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি। আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে।’
    সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা চেয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, প্রিয় ভাইবোনেরা এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, এই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তি যত মানুষ উপস্থিত আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন ইনশা আল্লাহ আমরা আই হ্যাভ আ প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো।’
    বিএনপি একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো আমরা, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু- যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে যেন নিরাপদে ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।’
    তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন, আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি। হে রাব্বুল আলামিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে একমাত্র রহমত দানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী—আজ আপনি যদি আমাদেরকে রহমত দেন, তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে; আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া এই দেশের মানুষের উপরে থাকে– ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবে আমরা সবাই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ন্যায়পরায়ণতা, সেই ন্যায়পরায়ণতার আলোকে আমরা দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
  • বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বগুড়ার শিবগঞ্জে ফুলকপির কেজি দেড় টাকা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় কারণে বগুড়ার মহাস্থানে হাটে ফুলকপির দরপতন হয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে দেড় টাকায়। শীতের প্রকোপে হাটে এ সবজির আমদানি বাড়লেও পাইকার কম থাকায় এই মূল্য পতন হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

    রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সবজির মোকাম মহাস্থানহাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াশার চাঁদর ভেদে করে কৃষকরা ভোর থেকেই ভ্যানে করে ফুলকপি মহাস্থান মোকামে আনতে শুরু করেন। প্রথম দিকে ক্রেতা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমদানি বেশি হওয়ায় ব্যাপারিরা হারিয়ে যায়।

    সেই সময় ১০০ থেকে ১৩০ টাকা মণ দরে ফুলকপি বিক্রি কলেও পরে তা নেমে যায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা মণ দরে।

    ঘন কুয়াশার কারণে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলেনি। আর এ কারণে মোকামে পাইকারদের আগমন কম হয়েছে। এতে করেই দরপতন হয়েছে।

    রোববার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা চলতি মৌসুমে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে, শনিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সামনে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

    মহাস্থান হাটে দেখা গেছে, এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সবখানেই সবজিতে ঠাসা। সকাল থেকে দূরদূরান্তের কৃষকরা অটোভ্যান, ইজিবাইক, ভটভটি, সিএনজি যোগে তাদের জমিতে উৎপাদিত সবজি হাটে আনেন ভাল দাম পাওয়ার আশায়। ক্রেতা-বিক্রেতা আর আড়তদারদের ভিড় ছিল নিত্যদিনের মতো। কিন্তু ছিল না কপির কাঙ্ক্ষিত দাম। শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুমে প্রতিদিনই বাজার নিন্মমুখী হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন কৃষকরা।

    চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি, স্টক সুবিধা না থাকা ও ক্রেতা সংকট হওয়ায় জমিতে চাষ করা টাটকা সবজি বাধ্য হয়ে কম দামে বিক্রি করছেন তারা। যার ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক, উৎপাদন খরচ নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    মহাস্থান মোকামে ফুলকপি বিক্রি করতে আসা শিবগঞ্জ উপজেলার বালুয়া গ্রামের ফারুক ইসলাম বলেন, ১০ মণ ফুলকপি এনেছিলাম বিক্রির জন্য। কিন্তু আমদানি বেশি। ক্রেতা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ৪৫০ টাকায় ১০ মণ কপি বিক্রি করে ভ্যান ভাড়া তুলেছি। প্রতি কেজির দাম পড়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা।

    একই কথা জানালেন উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক হেলাল প্রামাণিক। তিনি ১৭ মণ ফুলকপি বিক্রি করেছেন ৫০ টাকা মণ দরে। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম পড়েছে এক টাকা পঁচিশ পয়সা।

    নারায়ণগঞ্জ থেকে সবজি কিনতে আসা ব্যাপারি এমদাদদুল হক জানান, তিনি মহাস্থানের গিয়াস উদ্দিনের আড়ত থেকে সবজি কিনেন। রোববার ফুলকপির দাম কমে যাওয়ায় তিনি ৫০ টাকা মণ দরে এক টন কিনেছেন। আরও কিনবেন।

    ঢাকার মিরপুরের ব্যবসায়ী মিলন রহমান কামাল হাাজর আড়তে সবজি কিনেন। কপির দাম কম পাওয়ায় তিনি তিন টন কপি কিনেছেন। যার মণ ছিল গড়ে ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

    মহাস্থানের ব্যবসায়ী বিশাল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী তাহেরুল ইসলাম বলেন, মহাস্থানে ছোটবড় আড়ত প্রায় ৪০টি। এখন প্রতিদিন মাল ডেলিভারি হচ্ছে প্রায় ৪০ ট্রাক। বাজারে আমদানি বেশি, বাহির থেকে ব্যাপারি না আসায় সবজির দাম প্রতিদিন নিম্নমুখী। আমরা কৃষকের কষ্টের কথা চিন্তা করে ঝুঁকি নিয়ে মালামাল ক্রয় করছি, এতে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমরা ব্যবসায়ীরাও হচ্ছি।

    শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, আবহাওয়াজনিত কারণে হঠাৎ করেই ফুলকপি দাম কমে গেছে। দুই-একদিনের মধ্যে দাম আবার বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

    বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে এবং রোগবালাই না থাকায় এবার প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়েছে। তাছাড়া একই সময় সব শীতকালীন সবজি বাজারে আসায় দাম ক্রেতাদের হাতের নাগালে এসেছে। নেমে গেছে কিছু সবজির দাম। কদিনে মধ্যে বাজার স্বাভাবিক হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    বিডি/এআর/এনই

  • চৌগাছায় একদিনে তিন জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছায় আগুনে পুড়ে, পানিতে ডুবে ও আত্মহত্যায় একদিনে তিন জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
    ২৪ ডিসেম্বর বুধবার এসব মৃত্যুর ঘঠনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া গ্রামের মৃত কার্তিক পরামানিক বিশ্বাসের বিধবা স্ত্রী  ফেকসি বালা (৮০) বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাচ্ছিল। এ সময় অসাবধানতাবশত তার শাড়িতে আগুন লেগে যায়।  তাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় যশোর আড়াইশো শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার দুপুরবেলা তিনি মৃত্যবরণ করেন।
    অপরদিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের ওমর গাজীর পুকুরে ডুবে ঢাকার উত্তরার তানজিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হাফেজ আব্দুল্লাহ (১৬) মৃত্যবরণ করেছে। আব্দুল্লাহ নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে। তার পিতার চাকুরী সুবাদে তারা ঢাকার নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন। ওমর গাজী জানান, আব্দুল্লাহ নারায়ণগঞ্জ থেকে গত দুই দিন পূর্বে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বুধবার দুপুরে সে আমাদের পুকুরে গোসল করতে নামে। গোসল করার এক পর্যায়ে সে পুকুরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পুকুর থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে উপজেলার সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের সলেমান আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩০) স্বামীর সাথে গোলমাল করে বুধবার সকাল ১০ টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম তিনটি মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন এসব বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
  • ফরিদপুর বড়াল নদে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

    ফরিদপুর বড়াল নদে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

    ফরিদপুর বড়াল নদে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্য
    নিউজ ডেস্ক
    পাবনার ফরিদপুরের বড়াল নদে গোসল করতে নেমে তিন্নি খাতুন (১১) ও জোবায়ের আহমেদ (৭) নামে দুই শিশু ডুবে মারা গেছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার উত্তর থানাপাড়া এলাকার গড়াল নদে ডুবে যায় শিশু দুজন। আর বিকালে নদ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

    মৃত তিন্নি ওই এলাকার আবু সামা কাউন্সিলরের মেয়ে এবং জোবায়ের একই এলাকার আলমগীর হোসেনেরছেলে। স¤পর্কে দুজন চাচাতো ভাই-বোন।
    স্থানীয়রা জানান, পরিবারের অগোচরে দুপুর ২টার দিকে বাড়ির পাশে বড়াল নদে গোসল করতে নামে তিন্নি ও জোবায়ের। সাঁতার না জানার কারণে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। তাদের বাড়িতে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

    বিকেলে নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের গোপালনগর সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন্নি ও জোবায়েরকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ফরিদপুর থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
    এ/আর

  • মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করলেন কৃষক দল সভাপতি

    মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করলেন কৃষক দল সভাপতি

    মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করলেন কৃষক দল সভাপতি
    ডেস্ক নিউজ
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

    বৃহ¯পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুসা নাসের চৌধুরীর কাছ থেকে তিনি মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাজ্জাদ হোসেন, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বকুল, সাবেক সাধারণ স¤পাদক ভিপি আব্দুল হাকিম,চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, হাসান জাফির তুহিনের সহধর্মিণী নিলুফা জাফির।

    এ সময় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনসহ সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক কর্মীদের নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও মুসা নাসের চৌধুরী।

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সবার সহযোগিতা কামনা করে এ সময় হাসান জাফির তুহিন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে একটি ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পরে আমরা আজকে মুক্ত বাংলাদেশে বাস করছি। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আমি পাবনা-৩ এলাকার মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছি। আগামীতে আমি এই এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এজন্য তিনি এলাকার মানুষের দোয়া প্রার্থনা করেন।
    এ/আর

  • বাংলাদেশ জাতীয় page-top-ad ড. ইউনূসকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন

    বাংলাদেশ জাতীয় page-top-ad ড. ইউনূসকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন

    ডেস্ক নিউজ

    প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে হাদির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।সিঙ্গাপুরের চিকিৎসাধীন শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন বলে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে ফোনে জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান।বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান দেশটিতে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে গিয়েছিলেন।

    এরপর আজ রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করেন এবং হাদির চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। তিনি জানান, হাদির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন।

    প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে হাদির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আজ রাত সোয়া ১০টায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ/ আর ১৮/১২/২০২৫