ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • নারায়ণগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানচাপায় শ্রমিক নিহত

    নারায়ণগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানচাপায় শ্রমিক নিহত

    ডেস্ক নিউজঃ

    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় জীবন চন্দ্র (২০) নামের এক গার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

     বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে লিংক রোডের চাঁদমারী এলাকায় ট্যাক্সিস্ট্যান্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জীবন চন্দ্র নামের এক তরুণ বাইসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় ইজিবাইকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যান। এরপরেই পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী কাভার্ড ভ্যান তাঁকে চাপা দেয়। চাপা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাভার্ড ভ্যানটি দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মিলন ফকির জানান, নিহত তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক আইনে মামলা করা হবে।

    এম কে

  • আলফাডাঙ্গার ভিপি হলফনামায় কেন ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন

    আলফাডাঙ্গার ভিপি হলফনামায় কেন ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন

    বিডিনিউজ ডেক্স : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে এবার জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। সাতবার দল পরিবর্তন করে তিনি একাদশবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর আগে তিনি চারবার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন।

    শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন। ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে রাজেন্দ্র কলেজের ভিপি হিসেবে তিনি ফরিদপুরে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

    তবে গত ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় শাহ জাফর নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন ‘স্বশিক্ষিত’ হিসেবে। অথচ রাজেন্দ্র কলেজের একজন ডাকসাইটে ভিপি কীভাবে ‘স্বশিক্ষিত’ হলেন—এ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

    শাহ জাফর প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন ১৯৭৯ সালে। এরপর ২০২৬ সাল পর্যন্ত ২০১৪ সাল বাদে সব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকেই প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়। এসব হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের হলফনামায় তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এইচএসসি, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তা উল্লেখ করা হয় এসএসসি আর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দাখিল করা হলফনামায় লেখা হয় স্বশিক্ষিত।

    বিভিন্ন সময়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিন্নভাবে উল্লেখ করার কারণ জানতে চাইলে শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় আগুন লাগার ঘটনায় তাঁর শিক্ষাসনদের কাগজপত্র পুড়ে যায়। নতুন করে সনদ সংগ্রহ করা জটিল হওয়ায় তিনি সর্বশেষ হলফনামায় ‘স্বশিক্ষিত’ লিখেছেন।

    ২০২৪ সালে এসএসসি লেখার বিষয়ে শাহ জাফর বলেন, ওই সময় তাড়াহুড়োর মধ্যে এসএসসি সনদটিই হাতের কাছে পাওয়া গিয়েছিল।নিজের শিক্ষাজীবনের বর্ণনা দিতে গিয়ে শাহ জাফর বলেন, ১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি বৃহত্তর ফরিদপুর ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক হন এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ডিগ্রি প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। তবে পরবর্তী সময়ে ডিগ্রি পরীক্ষা দেওয়া তাঁর পক্ষে আর সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

    M

  • তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সোনারগাঁয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ

    তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সোনারগাঁয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ

    ডেস্ক নিউজঃ

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তারেক রহমান সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বালুর মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় যোগ দেবেন।

    নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের উদ্যোগে এবং জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

    পথসভাকে ঘিরে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দলীয় নেতারা জানান, এই প্রথমবারের মতো বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান সোনারগাঁয়ের মাটিতে আগমন করছেন, যা স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি আবেগ ও প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

    সভাকে জনসমাবেশে রূপ দিতে কাঁচপুর বালুর মাঠে দ্রুতগতিতে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতির কাজ চলছে, যা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সভাস্থলের মঞ্চ প্রস্তুতির কাজ পরিদর্শন করেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। এ সময় তার সঙ্গে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, তারেক রহমানের আগমন সোনারগাঁসহ পুরো নারায়ণগঞ্জের বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। এই পথসভা আমাদের আন্দোলন ও নির্বাচনি প্রস্তুতিকে আরও বেগবান করবে।

    তিনি আরও বলেন, নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের কাছ থেকে সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাবেন বলে আমরা আশা করছি। এই সভা প্রমাণ করবে, বিএনপি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত।

    সভাকে সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই পথসভা সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।

    এম কে

  • নগরকান্দায় জামায়াত নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম

    নগরকান্দায় জামায়াত নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় জামায়াতের স্থানীয় এক নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আহত জামায়াত নেতার নাম আলমগীর শেখ (৩৬)। তিনি কদমতলী গ্রামের হালিম শেখের ছেলে। তিনি তালমা ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা জামায়াতের আমির মো. সোহরাব হোসেন।

    ভুক্তভোগী নেতার দাবি, বিএনপিকে ভোট দিতে রাজি না হওয়ায় এবং জামায়াতে ভোট দিতে চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেনি। প্রতিপক্ষের সঙ্গে জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হামলা হয়।

    ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর শেখের ভাষ্য, তিনি একজন জামায়াত নেতা। তাঁর দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জোট গঠন করেছে। গতকাল রাতে তিনি বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। কদমতলী সেতুর কাছে এলে কদমতলী গ্রামের রত্তন মোল্লার ছেলে রাশেদ মোল্লা ও নয়ন শেখের ছেলে মিলন শেখ তাঁর পথ আটকান। তাঁরা তাঁকে বলেন, ‘তোর কাজকর্ম সুবিধার মনে হচ্ছে না, তোকে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে।’ তখন তিনি অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি জামায়াত করেন এবং ভোট তাঁদের জোটের প্রার্থীকে দেবেন। এতে ওই ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন।

    অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত শরিফ বলেন, হামলা হয়েছে সত্য। তবে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেনি। আলমগীরের সঙ্গে প্রতিপক্ষের জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।

    ঘটনার পর রাতেই আহত আলমগীরকে দেখতে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে জামায়াত–সমর্থিত জোটের প্রার্থী শাহ আকরাম আলী ও উপজেলা জামায়াতের আমির মো. সোহরাব হোসেন। তিনি বলেন, ‘যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য এ ঘটনা না ঘটে, তাহলে বিএনপি নেতা শওকত শরিফ দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি কেন জানাচ্ছেন না?’ তিনি বলেন, যাঁরা আলমগীরের ওপর হামলা করেছেন, তাঁরা আগে আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে বিএনপিতে যোগ দিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলাসহ এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন।নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল সামদানি আজাদ বলেন, ঘটনা শোনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে জামায়াত–সমর্থিত জোটের প্রার্থীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

    M

  • রূপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নারী নিহত, অভিযুক্তকে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা

    রূপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নারী নিহত, অভিযুক্তকে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রুপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেরাবো মোড় এলাকায় আধা ঘণ্টার ব্যবধানে এ দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারীর নাম আমেনা বেগম (৪৫)। তিনি স্থানীয় মুদি দোকানি বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অন্যদিকে পিটুনিতে নিহত যুবকের নাম মেহেদী ইসলাম (৩২)। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং উপজেলার বিরাবো খালপাড় এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে বাবুল দেওয়ানের নবনির্মিত বাড়িতে টাইলসের কাজ করেছিলেন রাজমিস্ত্রি মেহেদী ইসলাম। চার দিন আগে সেই কাজ শেষ হয়। আজ বিকেল তিনটার দিকে বাড়িটি ফাঁকা পেয়ে মেহেদী সেখানে ঢুকে একটি মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় আমেনা বেগম তাকে দেখে ফেললে মেহেদী তার গলায় ছুরিকাঘাত করেন।

    আমেনার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্ত মেহেদীকে আটক করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আমেনার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা আটক থাকা মেহেদীর ওপর চড়াও হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। কিন্তু আমেনার মৃত্যুর খবরে উত্তেজিত জনতা পুলিশের কাছ থেকে মেহেদীকে ছিনিয়ে নিয়ে মারধর শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ অভিযুক্তকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করলেও একদল লোক তাকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে লাথি, ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করছেন। গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল ‘সি’) মেহেদী ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযুক্তকে পুরোপুরি হেফাজতে নেওয়ার আগেই জনতা তার ওপর হামলা চালায়।”

    পুলিশ জানায়, দুটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি হত্যাকাণ্ডের বিষয়েই পৃথক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    এম কে

  • মধুখালি উপজেলায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, একজন গ্রেপ্তার

    মধুখালি উপজেলায় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, একজন গ্রেপ্তার

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির একটি অবৈধ কারখানার সন্ধান পেয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এ সময় কারখানার একজন মিস্ত্রিকে আটক করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার ডুমাইন গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। মধুখালী আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে অভিযানটি চালানো হয়।

    আটক ব্যক্তির নাম বাদল সরকার (৫২)। তাঁর বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, একটি ১২ গেজের কার্তুজ, ১৪টি রিকয়েল স্প্রিং, দুটি হ্যামার, একটি ড্রিল মেশিন, প্লায়ার্স, ব্লোয়ার ও হ্যাকসহ অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, ডুমাইন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, বাদল সরকার নিজস্ব কারখানায় নিয়মিতভাবে অস্ত্র তৈরি করতেন এবং এসব অস্ত্র ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকার দুর্বৃত্তদের কাছে সরবরাহ করা হতো।

    আটক বাদল সরকারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অস্ত্র সংক্রান্ত একাধিক মামলা আছে। তিনি নজরদারিতে ছিলেন। অভিযানের পর তাঁকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ মধুখালী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মধুখালী থানায় একটি মামলা করেছে। মামলায় বাদল সরকারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ শনিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে

    M

  • পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    পরিত্যক্ত জমি থেকে আধুনিক খেলার মাঠ: সমাজসেবক তুহিনের অনন্য উদ্যোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যাত্রা শুরু করেছে একটি নিজস্ব ও আধুনিক খেলার মাঠ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গত ১৬ ডিসেম্বর বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও কার্যক্রম শুরু হয়।

    এর আগে উপজেলা পরিষদের নিজস্ব মাঠ না থাকায় জাতীয় দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানগুলো স্থানীয় আরিফুজ্জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজন করা হতো। এবারই প্রথম উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিজস্ব মাঠে বিজয় দিবস উদযাপিত হওয়ায় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

    উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পরিষদের পুরোনো ভবনের পেছনে অবস্থিত একটি বড় নিচু জমি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল হক জায়গাটিকে ভরাট করে একটি আধুনিক খেলার মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নেন এবং এ কাজে স্থানীয় সমাজসেবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

    ইউএনওর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তরুণ সমাজসেবক তাজমিনউর রহমান তুহিন সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাঠ নির্মাণের দায়িত্ব নেন। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মরহুম আলহাজ্ব আলী আহমেদ মৃধার ছেলে।

    হযরত শাহ্ জালাল মৎস্য অ্যান্ড ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী এবং লেবাজ সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান তুহিন প্রায় এক মাস ধরে বিপুল পরিমাণ মাটি ভরাট করে জমিটিকে একটি সমতল ও দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠে রূপান্তর করেন। বর্তমানে মাঠটি সবুজ ঘাসে আচ্ছাদিত একটি মনোরম পরিবেশে পরিণত হয়েছে।

    ১৬ ডিসেম্বর এই মাঠেই সুশৃঙ্খলভাবে কুচকাওয়াজ ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা নতুন মাঠে প্রথম বড় আয়োজন হিসেবে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

    নতুন মাঠে প্রথম আয়োজন সফল হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তাজমিনউর রহমান তুহিন বলেন, “তৎকালীন ইউএনও রফিকুল হকের অনুপ্রেরণায় আমরা এই উদ্যোগ নিই। আজ যখন দেখি আলফাডাঙ্গাবাসী এই মাঠে একত্রিত হয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করছে, তখন সত্যিই ভালো লাগছে। এটি ভবিষ্যতে সবার জন্য একটি স্থায়ী মিলনকেন্দ্র হবে।”

    এই উদ্যোগের প্রশংসা করে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুল হক সিকদার বলেন, “উপজেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি খেলার মাঠের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। সমাজসেবক তুহিনের উদ্যোগে সেই সংকট দূর হয়েছে। এ ধরনের তরুণ উদ্যোগ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখে।”

    উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুধীজনদের মতে, নতুন এই খেলার মাঠটি ভবিষ্যতে খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

    M

  • সালথায় নান্দনিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হাজী বাড়ি, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

    সালথায় নান্দনিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হাজী বাড়ি, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নারানদিয়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী হাজী বাড়ি বর্তমানে স্থানীয়দের পাশাপাশি ভ্রমণপ্রেমীদের কাছেও এক আকর্ষণীয় নাম। অনন্য স্থাপত্যশৈলী, নান্দনিক নকশা ও পরিবেশবান্ধব সাজসজ্জার কারণে বাড়িটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গুগল ম্যাপ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। প্রতিদিনই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন এই দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি এক নজর দেখতে।

    গ্রামের শান্ত-নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত হাজী বাড়িটির প্রবেশপথেই চোখে পড়ে একটি সুন্দর নকশার সেতু, যা বাড়ির মূল ভবনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। সেতুর দু’পাশে কৃত্রিম জলাধার ও সবুজ গাছপালার সমন্বয় দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। মূল ভবনটি বহুতল বিশিষ্ট, যেখানে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের চমৎকার মেলবন্ধন ঘটেছে। কারুকাজ করা বারান্দা, সুদৃশ্য রেলিং, খুঁটিনাটি অলংকরণ এবং রঙের ব্যবহার বাড়িটিকে দিয়েছে রাজকীয় এক আবহ।

    স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, হাজী বাড়ি শুধু একটি আবাসিক ভবন নয়; এটি নারানদিয়া গ্রামের গর্ব। অনেকেই বলেন, এ ধরনের স্থাপনা গ্রামবাংলার সৌন্দর্যকে নতুনভাবে তুলে ধরে। বিশেষ করে তরুণরা এখানে এসে ছবি তুলতে ভালোবাসেন। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে হাজী বাড়ির ছবি ও ভিডিও নিয়মিত ভাইরাল হচ্ছে, যা এলাকাটিকে নতুন করে পরিচিত করে তুলছে।

    দর্শনার্থীদের কেউ কেউ জানান, শহরের কোলাহল ছেড়ে এমন একটি নান্দনিক ও শান্ত জায়গায় সময় কাটানো সত্যিই প্রশান্তিদায়ক। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসে বাড়ির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন এবং স্মৃতিচারণমূলক ছবি তুলছেন। কেউ কেউ আবার এটিকে সম্ভাবনাময় গ্রামীণ পর্যটন স্পট হিসেবেও দেখছেন।

    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, হাজী বাড়িকে কেন্দ্র করে যদি পরিকল্পিতভাবে পর্যটনবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে এটি সালথা উপজেলার অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি এলাকার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।

    সব মিলিয়ে, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নারানদিয়ার হাজী বাড়ি এখন শুধু একটি ব্যক্তিগত স্থাপনা নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। নান্দনিক স্থাপত্য আর প্রাকৃতিক পরিবেশের অপূর্ব সমন্বয়ে হাজী বাড়ি নিঃসন্দেহে সালথার একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

    M

  • ভাঙ্গায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ট্রাকচালক ও সহকারী নিহত

    ভাঙ্গায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, ট্রাকচালক ও সহকারী নিহত

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন। এতে আরও ১০ বাসযাত্রী আহত হন। আজ শনিবার সকালে ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন ট্রাকচালক নবীন শেখ (২২) ও সহকারী রাশেদ (৩০)। নবীনের বাড়ি ফরিদপুর শহরতলির ধলার মোড় এলাকায়।

    হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল ১০টার দিকে ঢাকা থেকে রাজবাড়ীগামী সপ্তবর্ণা লিজা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ঢাকামুখী মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ট্রাকের সহকারী নিহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়।

    ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, দুজনের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বাস ও ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

    M

  • ফরিদপুরে সদরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী গণমিছিল

    ফরিদপুরে সদরে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী গণমিছিল

    বিডিনিউজ ডেক্স

    ফরিদপুরে ১০ দলীয় জোটের উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে এক বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলকে ঘিরে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফরিদপুর মডেল মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় মিছিলকারীরা দলীয় স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চেয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ফরিদপুর-৩ আসনের ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রফেসর আব্দুর তাওয়াব। এছাড়া জেলা জামায়াতের আমির মো. বদরুদ্দীন, নায়েবে আমির মো. আবুল বাশার, খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেনসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যেখানে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বক্তারা আরও বলেন, ১০ দলীয় জোট একটি আদর্শিক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির লক্ষ্য নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।

    সমাবেশে জানানো হয়, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই ১০ দলীয় জোটের প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোট মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর আব্দুর তাওয়াবকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

    কর্মসূচিকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নেতাকর্মীরা আগে থেকেই সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানও লক্ষ্য করা যায়। সমাবেশ শেষে পুনরায় একটি সংক্ষিপ্ত নির্বাচনী মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে, যেখানে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।

    M