ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী উদ্ধার, আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ :

    মাদারীপুরে অপহরণের ১৪ দিন পর কিশোরী তামান্না আক্তারকে (১৪) উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহরণ মামলার প্রধান আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর জেলার কালকিনি উপজেলার কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোরী একই উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের মিরাকান্দি গ্রামের আলী আজগরের কন্যা।

    আটককৃতরা হলেন মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ চলবল গ্রামের সঞ্জিত হালদারের ছেলে সুব্রত হালদার, গোবিন্দ হালদারের ছেলে প্রশান্ত হালদার এবং লক্ষণ মধুর ছেলে নয়ন মধু। শুক্রবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন।

    মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে জোরপূর্বক ১৪ বছর বয়সী তামান্না আক্তারকে অপহরণ করে সুব্রত হালদারসহ তিন যুবক। এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবার বাদী হয়ে কালকিনি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এরপর কালকিনি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ১১ ডিসেম্বর ঢাকার সাভার থানা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। এ সময় মামলার মূল আসামি সুব্রত হালদারসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    কালকিনি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করার পর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটক ৩ আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    মাদারীপুরে ব্যাংক কর্মীর কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট শাখার সুস্ময় চক্রবর্তী (২৫) নামে এক কর্মীর কাছ থেকে নগদ ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। 

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রাজৈর উপজেলার কামালদি ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সুস্ময় বর্তমানে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

    পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সুস্ময় চক্রবর্তী টেকেরহাট ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাস্টার এজেন্ট শাখায় ডিএসআর হিসেবে কর্মরত। বৃহস্পতিবার (গতকাল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন এজেন্ট শাখা থেকে মোট ২৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে পাইকপাড়া ইউনিয়নের ফুলতলা শাখা থেকে ৭ লাখ, আমগ্রাম বাজার থেকে ৭ লাখ এবং টেকেরহাট মাস্টার এজেন্ট থেকে ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলে করে মজুমদার বাজার এজেন্ট শাখার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

    পথিমধ্যে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কামালদি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা একদল দুর্বৃত্ত সুস্ময়ের গতিরোধ করে। অভিযোগ উঠেছে, দুর্বৃত্তরা তাকে একটি ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে তার কাছে থাকা ২৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    ডাচ্-বাংলা ব্যাংক টেকেরহাট শাখার ম্যানেজার মনতোশ সরকার জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।

    রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, ‘তার নাকের সামনে শয়তানের নিঃশ্বাস ধরায় ছিনতাইকারীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়ে টাকার ব্যাগটি তাদের হাতে দিয়ে দেয়। ছেলেটি ঘটনাস্থলেই দাঁড়িয়ে ছিল, কাউকে কিছু বলার মতো জ্ঞানও ছিল না তার।’

    তিনি আরও জানান, পরে একজনের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুস্ময়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। অভিযোগ পেলে ৩২৮ ধারায় মামলা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।

  • শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    শিবচরে ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    মাদারীপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিবচর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    নিহত কিশোরীর নাম হালিমা খাতুন (১২)। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। হালিমা তার মা কাকলি বেগমের সঙ্গে শিবচর পৌর এলাকার লিটন মিয়ার বাড়িতে ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি শিবচর উপজেলার সাড়ে এগারো রশি এলাকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালিমার বাবা হানিফ খান প্রায় পাঁচ বছর আগে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এরপর থেকেই হালিমার মা কাকলি বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন। তিন বোনের মধ্যে হালিমা ছিল সবার বড়।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১২টার দিকে কয়েকজন শিশু হালিমা ঘরের বাইরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে। পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।এ বিষয়ে মাদারীপুরের শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনা রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

  • মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    মাদারীপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ডেস্ক নিউজ

    মাদারীপুরের যাত্রীবাহী বাসে ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মো. রণি (২৫) ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকার মিজানুর রহমান তালুকদারের ছেলে।

    আহতরা হলেন, পান্তাপাড়া এলাকার সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রফিকুল ফকির (২৪) ও ভাঙ্গাব্রীজ এলাকার মো. এনামুলের ছেলে মাহফুজ (২৭)। পেশায় হতাহতরা রাজমিস্ত্রি।

    হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালকিনি উপজেলার গোপালপুর থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন রনি ও তার দুই সহযোগী। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাসার উপজেলার পাথুরিয়াপাড় এলাকায় আসলে পেছন থেকে আসা সার্বিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রনির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রফিকুল ও মাহফুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করে চিকিৎসক।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অখিল সরকার জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন আল রশিদ জানান, নিয়তের লাশ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

  • টাঙ্গাইলে ঘর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে ঘর থেকে বৃদ্ধ দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ ঘর থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

    নিহতরা হলেন- বাসাইলের গোসাখালি গ্রামের ঠান্ডু মিয়া (৭৫) ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম (৭০)।নিহতদের স্বজনরা জানান, দুই দিন আগে বোরো ধান আবাদে কাজ করার জন্য কয়েকজন দিনমজুর আনা হয়। তারা নিহত দম্পতির বাড়ির পাশের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাতে দিনমজুরদের অস্বাভাবিক চলাফেরা দেখে নিহতদের নাতি শাকিল সিকদারের সন্দেহ হয়। পরদিন সকালে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে ঠান্ডু মিয়া ও রেজিয়া বেগমকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এসময় ঘরের আলমারি ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, সোমবার রাতে তার বাড়িতে উত্তরাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এসেছিল। রাতে ঠান্ডু পেটে ব্যথা অনুভব করলে ওই শ্রমিকরা তাদের সঙ্গে থাকা ওষুধ খেতে দেয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তারা ঘুম থেকে না ওঠায় আশপাশের লোক ডাকাডাকির এক পর্যায়ে ঘরে গিয়ে দেখে তারা পড়ে আছেন। ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    M

  • টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    বিডিনিউজ ডেক্স : আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে বিএনপির সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিমকে দল থেকে বহিষ্কার করার কথা জানানো হয়েছে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য টাঙ্গাইল জেলাধীন কালিহাতী উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। একইসাথে ইঞ্জি. আব্দুল হালিমকে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম কালিহাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির হাই কমান্ড এ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিনকে মনোনয়ন দেয়। দলের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন এবং পুরো নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত প্রচারনা চালাচ্ছেন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পরেছেন।

    M

  • মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    মির্জাপুরের তরফপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব

    বিডিনিউজ ডেক্স :টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলছে পাহাড়ের টিলা কেটে লাল মাটি বিক্রির মহোৎসব। পাহাড় ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করায় একদিকে হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও ফলজবৃক্ষসহ উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। এই লাল মাটি বিক্রির উৎসব মাসব্যাপি ধরে চললেও প্রশাসন শক্ত হাতে দমনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। লালমাটি বহনকারি ড্রাম্প ট্রাকের চাকার দাপটে খানাখন্দক হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা।
    জানা গেছে, ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে মির্জাপুর উপজেলা গঠিত। এর মধ্যে আজগানা, বাঁশতৈল, তরফপুর, লতিফপুর ও গোড়াই ইউনিয়ন হলো পাহাড়বেষ্টিত। এই পাহাড়ের বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চলে ছিল শত শত উঁচু টিলা। পাহাড়বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোর বনে এক সময় বাঘসহ নানা জাতের পশু-পাখির বসবাস ছিল। এছাড়া এই বনাঞ্চল শাল ও গজারিসহ নানান জাতের ফলজ এবং ওষুধি গাছে ভরপুর ছিল।

    প্রতিবছর এই অঞ্চলে মাটি ব্যবসায়িরা অবৈধভাবে পাহাড়ের টিলা কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্য বছরের মতো টিলা কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব এবারও থেমে নেই। প্রতিবছর টিলা কেটে মাটি বিক্রি করায় পাহাড়ি অঞ্চলটির টিলার সংখ্যা দিনকে দিন কমে আসেছে। সরেজমিনে তরফপুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, এক মাসের ব্যবধানে এই এলাকায় পাহাড়ের কমপক্ষে ১০টি বড় বড় টিলা কেটে মাটি বিক্রি করেছে। ইউনিয়নটির রাখেরচালায় গিয়ে দেখা গেছে, কয়েকটি বড় বড় টিলার মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করা হয়েছে। পাশের অন্য আরও একটি টিলার মাটি কাটার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। টিলাটির ওপরের আকাশমনি, কাঠাল ও আমসহ সকল গাছ-গাছালি কেটে ফেলছেন কয়েকজন শ্রমিক।

    তরফপুর গ্রামের হযরত আলী, মাসুম ও শহিদ জানান বাঁশতৈল এলাকার রোকন নামে এক ব্যক্তি মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে টাকিয়া কদমা গ্রামের রাধারচালায় দুইটি টিলার মাটি একইভাবে কেটে নিচ্ছে অবৈধ এই লাল মাটিখেকোর দল। নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন বাঁশতৈল এলাকার শহিদুল নামে এক মাটি ব্যবসায়ি এই টিলার মাটি কেটে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এদিকে টিলার লালমাটি বহনকারি বড় বড় ড্রাম্প ট্রাক অনবরত চলাচল করায় ওই এলাকার গ্রামীণ রাস্তা খানাখন্দক হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন। মাটি ব্যবসায়িরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ টু শব্দ করতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। মাটি ব্যবসায়ি রোকনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি মাটি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন অন্যরা করছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে তরফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রেজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়ের টিলা কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।
    এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি থামাতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা রাতেও অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু ওরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    M

  • শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা, দুই আসামির বাড়িতে পুলিশের অভিযান

    শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে ও শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলাটি করেন। এখন পর্যন্ত তাঁদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

    ভুক্তভোগী খোকন চন্দ্র দাস হামলায় অংশ নেওয়া দুজনের নাম বলেছেন। এ ছাড়া পুলিশের তদন্তে আরও একজনের নাম উঠে এসেছে। ওই তিনজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ডামুড্যার কনেশ্বর এলাকার সোহাগ খান (২৭), রাব্বি মোল্যা (২১) ও পলাশ সরদার (২৫)। ঘটনার পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে আছেন। পুলিশ দুজনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের বাবাদের আটক করে থানায় আনলেও পরে ছেড়ে দেয়।

    ফেরার সময় সন্ত্রাসীরা তাঁকে প্রথমে কুপিয়ে আহত করে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সংকটাপন্ন অবস্থায় এখন তাঁকে বার্ন ইউনিটের আইসিইউয়ে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে আহত খোকন হামলাকারী হিসেবে কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান ও সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যার নাম বলেছেন। ঘটনার পর কেউরভাঙা বাজারের ব্যবসায়ী ও তিলই গ্রামের বাসিন্দারা অভিযুক্ত দুজনকে আটকের দাবি জানালে তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিদের না পেয়ে তাঁদের বাবাদের থানায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় অংশ নেওয়া পলাশ সরদার নামের আরেকজনের নাম জানতে পেরেছে। গতকাল গভীর রাতে থানায় তাঁদের তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস। এরপর সোহাগ ও রাব্বির বাবাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

    খোকনের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা তার (খোকন) কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পর হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে আহত করার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় সে প্রাণে বেঁচে গেছে। জানি না কত দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করেছি। আমরা চাই, পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনু

  • গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ আটক প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

    গোপালগঞ্জে ১০ লাখ টাকাসহ সড়ক বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলীসহ তিনজনকে আটকের ১৮ দিন পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সোহরাব হোসেন মামলাটি করেন। তবে বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানাজানি হয়।

    মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের পিয়ন মোশারফ হোসেন (৬০) ও চালক মনির হোসেন বেপারী (৪০) এবং গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম (৩৩)।

  • শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একই অ্যাম্বুলেন্স চক্র, একই ‘কৌশলে’ জিম্মি, আবার রোগীর মৃত্যু

    শরীয়তপুরে একটি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের কাছে জিম্মি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা। গত বছরের আগস্টে অ্যাম্বুলেন্স ‘আটকে’ রাখায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। পরে চক্রের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হলেও রোগী জিম্মি করার ঘটনা বন্ধ হয়নি।

    নবজাতক মৃত্যুর ওই ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় গত মঙ্গলবার সদর হাসপাতাল থেকে এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই দফায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এতে ঢাকায় হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগীর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

    গত বছরের ১৪ আগস্ট ওই নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের ও শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁরা অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ। এবার একই চক্রের সদস্য ও নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সুমন খানের নেতৃত্বে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার ঘটনা ঘটল

    তৎপর অ্যাম্বুলেন্স চক্র

    শরীয়তপুরে ৫০ শয্যার ৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ২০ শয্যার ১টি থানা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০০ শয্যার ১টি জেলা সদর হাসপাতাল রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার হাসপাতালগুলো থেকে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। জেলায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র ৭টি।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ জনের বেশি রোগী জেলার বাইরে বহন করা হয় না। অন্য রোগীদের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর নির্ভর করতে হয়।

    রোগীর স্বজন, চালক ও স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকার ও হাসপাতালের রোগীদের ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় নেওয়ার কাজ করছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্র। এ চক্রের ২৭টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করছে শরীয়তপুর স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই মোল্যা ও সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের দেওয়ান। আবু তাহেরের ছেলে রহিম দেওয়ান বাবার হয়ে কাজ করেন। এই তিনজনই নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।

    চার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। আর ওই চক্রের অ্যাম্বুলেন্স নিলে ভাড়া দিতে হচ্ছে সাত–আট হাজার টাকা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের একজন চালক প্রথম আলোকে বলেন, আগে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চক্রের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মী ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এক সংসদ সদস্যের চাচাতো ভাইয়ের হাতে। ২০২৫ সালের পর সেটি চলে যায় স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক গাড়িচালকের হাতে।

    ওই চালক আরও বলেন, শরীয়তপুর অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালক কল্যাণ সমিতির নামে ওই চক্র অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করে। তারাই ঠিক করে দেয় কোন গাড়ি কখন রোগী তুলবে, কত ভাড়া নেওয়া হবে। এটার অন্যথা হলেই বিপত্তি।

    অভিযোগপত্রে পাঁচজনের নাম

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক তাহেরের একটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সেটি চালান তাঁর ছেলে রহিম।

    ঘটনায় তাহের, রহিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নবজাতকের বাবা নূর হোসেন সরদার। অন্য দুই আসামি হলেন স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক গাড়িচালক আবদুল হাই ও অ্যাম্বুলেন্সচালক বিল্লাল মুন্সি। পুলিশ তদন্ত শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এতে ওই চার আসামি ছাড়াও চক্রের সদস্য সুমন খানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    নূর হোসেন সরদার ঢাকায় থাকেন। তিনি  বলেন, ‘আমি ছোটখাটো কাজ করি। মামলা পরিচালনা করার মতো আর্থিক সঙ্গতিও নেই। যদি সরকার মামলাটি চালায়, তাহলে হয়তো অপরাধীরা শাস্তি পাবে। আমিও চাই আমার সন্তানের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি হোক।’

    নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদনও দাখিল করেছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মীর সংশ্লিষ্টতা পায়নি কমিটি।

    সিভিল সার্জনের গাড়িচালক আবু তাহের বলেন, ‘গত বছর যে মামলা হয়েছিল, তাতে আমরা জামিনে আছি। আর ওই ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততা নেই, তা স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটির কাছে জানিয়েছিলাম।’ তিনি কোনো অ্যাম্বুলেন্স চক্রের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন।