ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    পদ্মা সেতুর টোল থেকে তিন হাজার কোটি টাকা আয়

    ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু থেকে ৪৩ মাসে টোল বাবদ আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত এই টাকা আয় হয়েছে।

    সব ধরনের যানবাহনের পদ্মা সেতু পারাপার করতে হলে টোল দিতে হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন টোল হার নির্ধারিত আছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ হাজারের মতো যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৮২ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর সংযোগকারী দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। ওই অঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ এই সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন।

    প্রায় চার বছর আগে চালুর পর থেকে সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    তারা বলছে, সেতুটি চালু হওয়ার ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বিশাল পরিবর্তন।

    পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) টোল প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল আদায় (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু আছে। এই পদ্ধতিতে যানবাহন দাঁড় না করিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করা যায়। এর ফলে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে।

    সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের ‘মাইলফলক’ অর্জনের জন্য যানবাহনের মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

    পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় হয় ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ২০০৭ সালে যখন পদ্মা সেতু

  • ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ, ৭ ঘণ্টা পর চালু

    ঘন কুয়াশায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া এবং মানিকগঞ্জের আরিচা-পাবনার কাজিরহাট নৌপথে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গতকাল রোববার মধ্যরাতে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর আজ সোমবার সকাল সোয়া সাতটা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    অন্যদিকে প্রায় ১০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সকাল সোয়া নয়টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    এ ছাড়া প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৯টা থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচলও শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াশার কারণে আগের দিন রাত থেকে প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টা ফেরি বন্ধ ছিল। এরপর গতকাল মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে আবারও কুয়াশা পড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া রো-রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী রাত ১২টার দিকে মাঝনদীতে কুয়াশায় আটকা পড়ে। পরে ফেরিটি মাঝনদীতে নোঙর করতে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তৃপক্ষ এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

    এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তিক এলাকার ৩ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও হাসনাহেনা, ৪ নম্বর ঘাটে ঢাকা এবং ৫ নম্বর ঘাটে বাইগার নামের পাঁচটি ফেরি নোঙর করে কুয়াশা কমার অপেক্ষায় থাকে।

    একইভাবে দৌলতদিয়া এলাকায় ৪ নম্বর ঘাটে এনায়েতপুরী এবং ৫ নম্বর ঘাটে ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা ও শাহ মখদুম নামের তিনটি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে কুয়াশা কমলে উভয় ঘাট থেকে নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহন নিয়ে

    এদিকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক আবু আবদুল্লাহ রনি বলেন, কুয়াশার কারণে দুই সপ্তাহ ধরে রাতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আগের দিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রোববার রাত সাড়ে ১১টা থেকে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। ফেরিগুলো ঘাটের কাছেই নোঙর করে রাখা হয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল সোয়া নয়টা থেকে এই রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

    কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে লঞ্চ চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। রোববার রাত আটটার পর থেকে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৯টা থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়।

    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা কার্যালয়ের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার কারণে প্রায় প্রতি রাতেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ১৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে এই দুই নৌপথে লঞ্চ চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে।

  • জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেক্স  : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নঠুরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

    ভুক্তভোগী মো. আ. রাজ্জাক জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী নাজিম উদ্দীনের পরিবারের সঙ্গে তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রবিবার সন্ধ্যায় পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন ও তার অনুসারীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    রাজ্জাক আরও জানান, হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে নারী ও শিশুসহ অন্তত পাঁচজনকে মারধর করা হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    1. এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আ. রাজ্জাক গোপালপুর থানায় ৯ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— মৃত অভিশেখের ছেলে নাজিম উদ্দীন, মৃত আজালী শেখের ছেলে আ. হামিদ, হামিদের ছেলে মো. হাফিজুল ইসলাম, মো. কবির হোসেন, হারুন, নাজিমের ছেলে কামরুল হোসেন, হাফিজুলের ছেলে শাহীন ও হারুনের ছেলে পারভেজ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজ্জাকের পরিবারের সঙ্গে নাজিমের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় সেই বিরোধের জের ধরেই নাজিম উদ্দীনের অনুসারীরা রাজ্জাকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙচুর করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    তবে অভিযুক্ত পক্ষের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, রাজ্জাকের পরিবার নিজেরাই ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে নাটক সাজিয়েছে এবং তারাই উল্টো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    M

  • টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য যুক্ত পানি, দুর্গন্ধ ও আবর্জনার স্তূপ|| চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি

    বিডিনিউজ ডেক্স : টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেলার সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হলেও বর্তমানে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা বর্জ্য যুক্ত পানি, ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধ। অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান শহরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

    এ সময় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছকে সাথে নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা  ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখতে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পরিদর্শন করেন। এসময় দেখা যায়, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ সিঁড়ি, ভেতরে ও বাইরে বর্জ্য অব্যবস্থাপনা, আঙিনা, ওয়ার্ডের আশপাশে খোলা অবস্থায় আবর্জনা পড়ে আছে। কোথাও কোথাও মেডিকেল বর্জ্যও সঠিকভাবে অপসারণ না করায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতালে এসে রোগ সেরে ওঠার কথা, কিন্তু এই নোংরা পরিবেশে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে।” অনেক রোগী জানান, দুর্গন্ধের কারণে ওয়ার্ডে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এমন পরিবেশ মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, একটি হাসপাতাল কখনোই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের প্রতীক হতে পারে না, বরং পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ চিকিৎসার আদর্শ হওয়া উচিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা-আবর্জনায় ভরে থাকে। স্যালাইন, ন্যাকিন, সূঁচ সহ সিরিঞ্জ, গজ-ব্যান্ডেজ হাসপাতালের পরিত্যক্তস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। হাসপাতালে ঢুকলেই উৎকট গন্ধে অবস্থান করা দূরূহ হয়ে পড়ে।

    টাঙ্গাইলের নবাগত পৌর প্রশাসক (ডিডিএলজি) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের এই কাজটা জেলা প্রশাসকেরও ইচ্ছা। যেগুলো ময়লা বাইরে আছে, পৌরসভার পক্ষ থেকে আমরা সেগুলো পরিস্কারের ব্যবস্থা করবো। কিন্তু ভেতরের অবস্থা খুবই অস্বাস্থ্যকর। মেডিকেল বর্জ্যগুলোকে অপসারণের জন্য আলাদাভাবে রাখতে বলেন। যাতে পৌরসভা সেগুলো আলাদাভাবে সরিয়ে নিতে পারেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন সমস্যা হলে, তিনি হাসপাতালের পরিচালককে তাকে সাথে নিয়ে জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের সাথে কথা বলতে বলেন।

    টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, আপনারা যেমন চান আমিও চাই, এই হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মুক্ত হোক। যাতে রোগীরা সুন্দরভাবে চিকিৎসা নিতে পারে। আমি মনে করি এটা আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে, একটা প্লান করে কিভাবে ধীরে ধীরে  এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা যায়, সেই চেষ্টা করবো। এ সময় তিনি পৌর প্রশাসককে হাসপাতাল পরিদর্শনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ আনিসুর রহমান, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূর মোহাম্মদ রাজ্য, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী সাজু, মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটি’ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), বিডি ক্লিনের সদস্যগণ, পৌরসভার স্টাফগণ ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজন।

    M

  • ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

    ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

    বিডিনিউজ ডেক্স : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর ইউনিয়নের সাতের রশি গ্রামে অবস্থিত সতেররশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত ৫ দিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বৃস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির সব শ্রেণিকক্ষের দরজায় তালা ঝুলছে। স্কুল প্রাঙ্গণ ছিল সম্পূর্ণ নীরব ও শিক্ষার্থীশূন্য। গত কয়েকদিন পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

    স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই গত পাঁচদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা তাদের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ শহীদুর রহমান জানান, পার্শ্ববর্তী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত ওরস উপলক্ষে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তার দাবি, ওরসকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় ও নিরাপত্তাজনিত কারণ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তবে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষা বিভাগের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না- এ বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ে ১৪৮ জন শিক্ষার্থী। স্কুল বন্ধ রাখার বিষয়ে আমরা কাউকে অনুমতি দেইনি। বিষয়টি জানার পর আমি প্রধান শিক্ষককে ডেকে এনেছি। কেন স্কুল বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানের অজুহাতে দীর্ঘ সময় ধরে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা নিয়মবহির্ভূত। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    M

  • বাবা-মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

    বাবা-মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় জীবিত বাবা-মাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্তরা হলেন, রাসেল মোল্লা ও রানা মোল্লা। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা সত্তার মোল্লার ছেলে।ভুক্তভোগী সত্তার মোল্লা জানান, জমি বিক্রির টাকা ছেলেদের দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত রোববার রাসেল ও রানা তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। এক পর্যায়ে উঠানে কবর খুঁড়ে তাদের জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে।

    মা আসমা বেগম বলেন, ‘যে সন্তানদের কষ্ট করে বড় করেছি, তারাই আজ আমাদের খেতে দেয় না। সরকারের দেওয়া একটি ঘরে আমরা থাকি। জমি বিক্রির টাকার জন্য তারা আমাদের মারধর করে জ্যান্ত কবর দিতে চেয়েছিল।’

    প্রতিবেশী আক্কাস ভুঁইয়া বলেন, সত্তার মোল্লা ও আসমা বেগমের ছয় সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে বড় ছেলে রাসেল ও মেজো ছেলে রানা দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তির লোভে বাবা-মাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল। শুনতে পাই ছেলেরা উঠানে কবর খুঁড়ছে। বাবা-মাকে মাটি দেবে। দ্রুত গিয়ে দেখি সত্যিই কবর খোঁড়া হয়েছে।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে কাশিয়ানী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সত্তার মোল্লা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাসেল মোল্লা ও রানা মোল্লাকে গ্রেফতার করে।

    কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    এম কে

  • শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারেননি গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করেন। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন এই প্রার্থী।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটে এমন ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচার শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে গণসংযোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।

    এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন হাবিব।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছি। আর প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

    হাবিব বলেন, ‘একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

    দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে হাবিব বলেন, ‘আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই। ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।’

    এম কে

  • ফরিদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল ৫

    ফরিদপুর-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ, বাতিল ৫

    • বিডিনিউজ ডেক্স : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের মনোনয়পত্র যাচাই-বাছাই শেষ করেছেন জেলা রিটানিং কর্মকতা মো. কামরুল হাসান মোল্লা। এসময় এ আসনে দাখিলকৃত মোট ১০ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীসহ ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীসহ পাঁচ জনের।

    শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আসনটির সকল প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মকর্তা তারেক আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রামানন্দ পাল, মিন্টু বিশ্বাস, সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

    জেলা রিটানিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লা জানান, দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে পাঁচ প্রার্থীর কাগজপত্রে ক্রটি থাকায় তা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া অন্য ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেন বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বলেন, দলের ও ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞতা। ভোটাররা দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেননি, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নতুন ও পুরাতন ভোটার আনন্দের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবে।

    M

  • মায়ের কোল থেকে ছিটকে সড়কে প্রাণ গেল শিশুর

    মায়ের কোল থেকে ছিটকে সড়কে প্রাণ গেল শিশুর

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) ও মাহেন্দ্র অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে তিন মাস বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে সাতজন।

     বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চাপরাইল ব্রিজ-সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    আহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী।

    নিহত শিশু ঋষি মজুমদার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের জোয়ারিয়া গ্রামের রায়মোহন মজুমদারের ছেলে।

    ওসি আইয়ুব আলী বলেন, যাত্রীবাহী একটি মাহেন্দ্র কোটালীপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়া আসছিল। অন্যদিকে যাত্রীবাহী একটি ইজিবাইক জোয়ারিয়া থেকে কোটালীপাড়ার মাঝবাড়ি যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি গোপালপুরের চাপড়াইল ব্রিজ-সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন ইজিবাইকে থাকা মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিন মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে টুঙ্গিপাড়া হাসপাতালে নেয়।

    এ ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান ওসি।

    এম কে

  • যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার, সাবেক ছাত্রদল নেতার শোডাউন

    যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার, সাবেক ছাত্রদল নেতার শোডাউন

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার পৈতৃক বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের পর থেকেই ওই সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেন ও তার অনুসারীরা টানা দুই দিন ধরে এলাকায় শোডাউন করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে কদমীরচর এলাকার আবুল কাশেমের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে একটি পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এসব অস্ত্র জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলির ঘটনায় অস্ত্র আইনে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসেনের বাবা আবুল কাশেম।

    অভিযানের পর থেকেই মোবারক হোসেন ও তার অনুসারীরা এলাকায় মিছিল ও শোডাউন করছেন বলে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন। তাদের দাবি- প্রকাশ্যে এমন শোডাউনের কারণে এলাকায় ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

    এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের কদমীরচর এলাকা থেকে একটি পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আবুল কাশেমের নামে মামলা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক।

    ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোবারক হোসেনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।