ক্যাটাগরি ঢাকা বিভাগ

  • হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু ও নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এমন শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৪৪৫ জন।

    আজ (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।

    প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৭২৬ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩৬০ জন।

    বি/ এ

  • ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    ঢাকা বোর্ডে এসএসসির উত্তরপত্র সংগ্রহে অনীহা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র সংগ্রহ থেকে মূল্যায়নে সীমাহীন অবহেলা দেখা যায় পরীক্ষকদের মধ্যে। এর খেসারত দিতে হয় পরীক্ষার্থীদের।

    বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত দিনে উত্তরপত্র সংগ্রহ করেননি ২৩৫ জন পরীক্ষক। তাই তাদের আগামীকাল ৫ মে উত্তরপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    সোমবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর বাংলা ১ম পত্রের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ই-টিআইএফভুক্ত শিক্ষকদের পরীক্ষক হিসেবে বোর্ড থেকে নিয়োগ দেয়া হয়। আজ ৪ মে পরীক্ষার উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য গত ৩০ এপ্রিল বোর্ড থেকে তাদের মোবাইলে এসএমএস দেয়া হলেও উল্লিখিত পরীক্ষকরা অনুপস্থিত রয়েছেন। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি, আপনার প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষকদের আগামী ৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে বোর্ডে উপস্থিত হয়ে উত্তরপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ১০ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে আরও ১০ জনের মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

     

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া সবাই শিশু বলে জানা গেছে। আজ রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে একজনের নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে। আর বাকি নয়জন মারা গেছে হামজনিত উপসর্গ নিয়ে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫ জন, আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৬৬ জন।

    গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের, আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৪৪ জন।

    এই সময় পর্যন্ত সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার ৪৯১ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৩১৩ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে যারা মারা যাওয়া চারজন ঢাকায় মারা গেছে।

    বি/ এ

  • হাসপাতালেই হাম সংক্রমণ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

    হাসপাতালেই হাম সংক্রমণ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    শিশু মো. সানি, বয়স ৯ মাস। শরীরজুড়ে ছোপ ছোপ দাগ ও ফুসকুড়ি। চলছে স্যালাইন। কখনো কখনো শ্বাসকষ্টের জন্য দিতে হচ্ছে অক্সিজেন। এমনকি ক্যানুলা করার জন্য শিশুর মাথার অর্ধেক চুল ফেলে দিতে হয়েছে। সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছে। শিশুটির মা মারুফা আক্তার নানাভাবে সান্ত্বনা দিচ্ছেন, কিন্তু কোনোভাবেই কান্না থামছে না। পাশেই দাঁড়ানো বাবা শিশুটির কান্না দেখে নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন। মাঝেমধ্যে তিনিও কোলে নিয়ে কান্না থামানোর চেষ্টা করছেন, তবু থামানো যাচ্ছে না শিশুটিকে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের (শিশু হাসপাতাল) বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ডে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

    শিশুটির বাবা ইলিয়াস হোসেন আমার দেশকে জানান, তাদের বাড়ি শরীয়তপুরে। এক মাস আগে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশুটিকে প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে শিশু হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, ১৫ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর হামের সংক্রমণ দেখা দেয়। এরপর থেকে আমরা এক অন্যরকম যুদ্ধের মধ্যে আছি। এত ছোট বাচ্চা, আবার গুরুতর অসুস্থ। বুকের দুধ পর্যন্ত খাচ্ছে না। যখন কাঁদে, তখন বাবা হিসেবে নিজেকে খুব অসহায় লাগে।

    শুধু এ একটি ঘটনা নয়, শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত ১০ শিশুর অভিভাবক জানিয়েছেন, তাদের সন্তানরা প্রথমে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিল, পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্য রোগীর সংস্পর্শে এসে হামে আক্রান্ত হয়েছে। এতে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তারা। এছাড়া আরো অনেক শিশু অন্য রোগের চিকিৎসা নিতে এসে হামের সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছে, ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৬৬ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৭ শিশু। জানুয়ারিতে ভর্তি হয়েছিল মাত্র দুই শিশু, ফেব্রুয়ারিতে ছয়, মার্চে ১৩০ শিশু এবং এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২৮-এ। অর্থাৎ মার্চের তুলনায় এপ্রিলে রোগী ভর্তির হার বেড়েছে ১৫২ দশমিক ৩১ শতাংশ।

    আক্রান্ত শিশুদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ছয় থেকে ৯ মাস বয়সি শিশুÑসংখ্যা ১৫৮, যা মোট আক্রান্তের ৩৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। ৯ মাস থেকে দুই বছর বয়সি শিশু ১২৩, ছয় মাসের কম বয়সি শিশু ১০৭, দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশু ৫৩ এবং পাঁচ বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা ২৬। বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৮১ শিশু।

    সরেজমিন দেখা যায়, শিশু হাসপাতালে হামে আক্রান্তদের জন্য আলাদা ‘বিশেষায়িত হাম’ ইউনিট চালু করা হয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) মোট ৮০টি শয্যার একটিও খালি নেই। রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অধিকাংশ শিশুর বয়স দুই বছরের নিচে। কারো শরীরে স্যালাইন চলছে, কারো নাকে নল, আবার কেউ অক্সিজেন সহায়তায় রয়েছে।

    প্রচণ্ড জ্বর ও ব্যথায় শিশুদের অবিরাম কান্না যেন থামছেই না। পাশে বসে থাকা মা-বাবার চোখে অশ্রু, সন্তানের মাথায় হাত বুলিয়ে কিংবা ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তবে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে আইসিইউ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। গতকাল দুপুরে আইসিইউয়ের সামনে অপেক্ষা করেও অন্তত পাঁচজন রোগীর স্বজনকে শয্যা না পেয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। তারা জানান, বাধ্য হয়ে শিশুদের বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভর্তি করাতে হয়েছে।

    চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বাসিন্দা নূরুল ইসলাম বলেন, তার সাত মাসের শিশুকে ১৫ দিন আগে ভর্তি করা হয়। তিনদিন পর অবস্থার অবনতি হয়। মনে হচ্ছিল বাচ্চার প্রাণ বের হয়ে যাবে। চিকিৎসক আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন, কিন্তু সিট খালি ছিল না। অনেক তদবিরের পর তিনদিন পর আইসিইউতে জায়গা পাই। এখনো সেখানে চিকিৎসা চলছে, কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

    মাদারীপুর থেকে আসা আয়েশা বেগম জানান, তার আট মাসের শিশু আবু রায়হান প্রথমে ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হয়, পরে নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। অবস্থার অবনতি হলে শিশু হাসপাতালে আনা হয়। এখানে ১৫ দিন পর শরীরে লাল র‍্যাশ ওঠে। চিকিৎসকরা জানান, এটা হাম। এরপর থেকেই হামের চিকিৎসা চলছে। এখন কিছুটা ভালো হলেও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। তার অভিযোগ, অন্য হামের রোগীর সংস্পর্শ থেকেই তার শিশু আক্রান্ত হয়েছে।

    হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, হাম যেহেতু ছোঁয়াচে রোগ, তাই শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এক রোগী থেকে অন্য রোগীর শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। আর প্রাদুর্ভাব বেশি হওয়ার কারণে পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া সময়মতো টিকা না নেওয়া, অপুষ্টির ঘাটতির কারণেই হামের সংক্রমণ প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে বলেও জানান তারা।

    অন্যদিকে যেসব শিশু হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া কিংবা জন্মগত হৃদরোগে ভুগছে, তাদেরই বেশি মৃত্যু হচ্ছে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

    এ বিষয়ে শিশু হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আজহারুল ইসলাম বলেন, বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ডে শয্যা বাড়ানো হয়েছে এবং আইসিইউ সুবিধাও রাখা হয়েছে। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী আসায় চাপ বেড়েছে, ফলে সবাইকে শয্যা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবুও সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

    এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ‘সন্দেহজনক’ হামে আক্রান্ত হয়ে আরো চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে ‘সন্দেহজনক’ হামে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২৪ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭২ জনের। তাতে সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী এক হাজার ৯৬ জন। এ নিয়ে সরকারি হিসাবে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম সন্দেহে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫। আর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৪৯ শিশুর। ফলে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৮৪। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বি/ এ

  • হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ ডেস্ক:

     

    হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আরও ১ হাজার ৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকাতেই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৬ হাজার ৯১১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২৩ হাজার ২২৫ জন শিশু।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৪ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৩৯ হাজার ৩২৫ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৫ হাজার ২১৮ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

    বি / এ

  • এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    রুটিন অনুযায়ী, ২ জুলাই সকাল ১০টায় ‘বাংলা প্রথম পত্র’ (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। আর শেষ হবে ৮ আগস্ট ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।এবারের পরীক্ষা নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

    আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।এদিকে ব্যবহারিক বিষয় সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়ে পুলিশ বলছে, স্টোর রুমে রাখা ল্যাপটপসহ মালামালের ক্ষতি করতে ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    আসমাউল ইসলাম নামে একজন পুরুষ পরিচ্ছন্নতাকর্মী বোরকা পরে সেখানে আগুন দেয়। ওই আগুন দিতে তার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

    শনিবার (২ মে) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারসহ এসব তথ্য দেন।

    গ্রেফতার আসমাউল মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অধিদপ্তরে কাজ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার বাকি দুজন হলেন- স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস ও মাস্টাররোলে স্টোর কিপার হিসেবে কর্মরত হুয়ামুন কবীর খান।

    গতকাল শুক্রবার ভোরে অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। সেখানে ৭৩৫টি ল্যাপটপ ছিল, যেগুলো মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য রাখা হয়েছিল।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলছে, আগুনে ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায়। ২৯টির বেশির ভাগ অংশ এবং ৩৩টি ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।

    হিসাব অনুযায়ী বাকি ৮৩টি ল্যাপটপের ‘হদিস মেলেনি’ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সংবাদ সম্মেলনে উপকমিশনার মোস্তাক বলেন, ‘আগুন দেওয়া’ আসমাউলের সঙ্গে সেখানে কর্মরত আরো দুইজনসহ অন্তত তিনজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।

    “স্টোররুমে রক্ষিত ল্যাপটপ ও মালামালের ক্ষতি করতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। আগুনে প্রায় ২-৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।”

    ঘটনার পরপরই কাজ শুরুর ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ।

    মোস্তাক সরকার বলেন, “চিহ্নিত করার পর আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখি, আসলে সে প্রকৃত জড়িত কি না। নিশ্চিত হওয়ার পরে তাকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়।”

    এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসমাউল তার সঙ্গে জড়িতদের আরো তিনজনের বিষয়ে তথ্য দেয়- যাদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতারের কথা বলেন তিনি।

    “যে তথ্য পেয়েছি, হৃদয় নামে আরেকজন শনাক্ত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলমান আছে।”

    পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মূল যে মোটিভ এবং পরিকল্পনায় তাদের বাইরে আর কেউ আছে কি না সেগুলো বের করতে কাজ করছি। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব, আশা করি মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হব।”

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারা কিছু জিনিস বলেছে, এটা আরও যাচাই করতে হবে। অনেকগুলো বিষয় সামনে আছে। এটা একটা সরকারি ভবন, মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য ল্যাপটপগুলো রাখা ছিল, এই সময়ে কেন আগুন দেওয়া হল।

    “যে আগুন দিয়েছে সে ওখানেই চাকরি করে। অন্যান্য যারা আছে, তাদের উদ্দেশ্য কী? জানতে পেরেছি, যে আগুন দিয়েছে তাকে আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল এ কাজটা করে দেওয়ার জন্য। এরমধ্যে নগদ ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সে বিভিন্ন জিনিস কিনেছে। এ তথ্যগুলো আছে, জিনিসগুলো উদ্ধারসহ অন্যান্য কাজগুলো করতে একটু সময় লাগবে।”

    তার ভাষ্য, “যেহেতু তদন্ত চলমান, সবগুলো বিষয় খোলাসা করে বলা যাবে না। তাতে তদন্তকাজ বাধাগ্রস্থ হতে পারে।”

    ৮৩টি ল্যাপটপের হদিস না মিললেও সিসিটিভি ভিডিয়োতে সেখান থেকে কোনোকিছু সরানোর প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

    কার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপাতত জানতে পেরেছি এ বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই কথাবার্তা হয়েছে।

    বি / এ

  • হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৮৫ জন।

    শুক্রবার (১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৫ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৪৬।

    বি/ এ

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    শুক্রবার (১ মে) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। ঘটনাটির পেছনে কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন মন্ত্রী।

    এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০২৬ (NHSPC)  নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রচার-প্রচারণা ও নিবন্ধন কার্যক্রম শনিবার (০২ মে) রাত ১২টার মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

    আগামী ১৬ মে দেশব্যাপী আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে পারবে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে পাঠানো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)- এর আয়োজনে হাইস্কুল, মাদরাসা, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানাতে চিঠিটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।